ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেরোবিতে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু


বেরোবিতে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর -এর ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান আজ শনিবার (০৩ অক্টোবর, ২০২৬) একাডেমিক ভবন ০৩ এর মার্কেটিং বিভাগের ২০১ নং কক্ষে (গ্যালারি রুম) শুরু হয়েছে। এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত সেখানে গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আজ ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স ঝঃধঃরংঃরপং রহ জবংবধৎপয (ওজঊ ১০১) এর কোর্সশিক্ষক বেরোবি পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান সকালে উপর্যুক্ত বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন। অপরদিকে ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেকটি কোর্স জবংবধৎপয গবঃযড়ফড়ষড়মু (ওজঊ ১০২) এর কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান বিকেলে দ্বিতীয় সেশনে উপর্যুক্ত বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।

এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স এর পরিচালক (দায়িত্বে) এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট কোর্সওয়ার্ক কার্যক্রম সম্পন্ন করে তাঁরা তাঁদের গবেষণা কার্যক্রম নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন। ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি ২৭ অক্টোবর

২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য যে, এম ফিল ও পিএইচ ডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী (শিক্ষাবর্ষ ২০২৫-২০২৬) গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চসিক-সিভাসু যৌথভাবে প্রাণীর কল্যাণে কাজ করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


চসিক-সিভাসু যৌথভাবে প্রাণীর কল্যাণে কাজ করবে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, প্রাণীর কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) একত্রে কাজ করবে।

শনিবার ‘বিশ্ব প্রাণিকল্যাণ দিবস’ উপলক্ষে সিভাসু’তে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরী।

চসিক মেয়র উল্লেখ করেন, প্রাণীর কল্যাণে সিভাসু কর্তৃপক্ষের যেকোনো উদ্যোগে সিটি করপোরেশন পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি সিটি করপোরেশনের প্রাণিবান্ধব পদক্ষেপগুলোর জন্যও সিভাসু’র সহযোগিতা কামনা করেন।

সিভাসু উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরী মন্তব্য করেন, বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি করপোরেশন এবং স্থানীয় সরকার একত্রে কাজ করলে প্রাণীর অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ কে এম. সাইফুদ্দীন এবং পরিচালক (ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউট) প্রফেসর ড. মো. আহসানুল হক। সভাপতিত্ব করেন ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. আমির হোসেন সৈকত।

এদিন সকাল ৯টায় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

এরপর ক্রমান্বয়ে পোস্টার গ্যালারি উদ্বোধন এবং সিভাসু অডিটোরিয়ামে বিভাগের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ‘প্রাণিকল্যাণ : বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটিয়া হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একগুচ্ছ ঘোষণায় আশার বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


পটিয়া হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একগুচ্ছ ঘোষণায় আশার বার্তা

হাসপাতালের ওয়ার্ডে জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে। রোগীরা শয্যা না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রতিদিন এক হাজারের বেশি মানুষ বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসছেন, এবং ভর্তি হচ্ছেন ১২০ থেকে ১৫০ জন। এই পরিস্থিতির মধ্যে শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে আকস্মিকভাবে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে রোগীদের দুর্ভোগ সরেজমিনে দেখেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। তিনি হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার, নতুন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের, ডায়ালাইসিস সেবা চালুর, মাতৃ ও নবজাতকের জন্য শয্যা বাড়ানোর এবং ফিজিওথেরাপি ও উন্নত প্যাথলজি সেবা চালুর ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী পরিদর্শনকালে বলেন, ‘আমাকে প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়েছেন। আমি খালি হাতে আসিনি।’ তিনি হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার টেন্ডার কার্যক্রম শুরু হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সেবাকেন্দ্র ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার খোঁজ নেন। শয্যার সংকটে মেঝেতে রোগীদের চিকিৎসা নিতে দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। পরে হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে একাধিক সেবা ও জনবল দেওয়ার ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী কিডনি রোগীদের জন্য পটিয়া হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা চালুর কথাও জানান। এ জন্য ১০টি শয্যা ও ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এ সেবা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে প্রতিদিন প্রায় ২০ জন রোগী ডায়ালাইসিসের সুযোগ পাবেন।

মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণের জন্য প্রসূতি মায়েদের জন্য ২০টি এবং নবজাতকদের জন্য ২০টি শয্যা রাখার পরিকল্পনার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে নতুন জনবল দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, পাঁচজন মেডিকেল কর্মকর্তা, চারজন নার্স, একজন মিডওয়াইফ, একজন ল্যাব টেকনোলজিস্ট, একজন রেডিওগ্রাফার, একজন বাবুর্চি ও একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন।

এ ছাড়া উন্নতমানের প্যাথলজি সেবা চালুর পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী নারী ও পুরুষ চিকিৎসক দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

পটিয়া হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপনের দাবির বিষয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু অর্থ ব্যয় করলেই আইসিইউ চালু করা যায় না। এর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। সব প্রস্তুতি নিশ্চিত করেই ভবিষ্যতে আইসিইউ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী পটিয়ার পাঁচুরিয়া উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির জরাজীর্ণ অবস্থা দেখে পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এইচইডি) নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ সময় পটিয়া হাসপাতালের জন্য ৫০টি রেবিস ভ্যাকসিন, ৫০টি রেবিস আইজি, ১৫০টি ডায়রিয়ার স্যালাইন ও ২০টি অ্যান্টিভেনম দেওয়ার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, পটিয়া একসময় মহকুমা সদর ছিল। বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা বিবেচনায় তখন এখানকার স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে উঠেছিল। বর্তমানে পটিয়াসহ আশপাশের পাঁচ উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে রোগীর চাপ সামাল দিতে হাসপাতালটিতে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করা জরুরি।

চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিকভাবে হাসপাতাল পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেছেন। তিনি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবগত হয়েছেন।’

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, প্রতিদিন বহির্বিভাগে এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ভর্তি রোগীর সংখ্যা দৈনিক ১২০ থেকে ১৫০ জনের মতো। পটিয়াসহ আশপাশের পাঁচ উপজেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসা হওয়ায় হাসপাতালটিতে রোগীর চাপ দিন দিন বাড়ছে।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পিএস এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হকসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪৪ বছর পর ভারতীয় মেয়েদের হকিতে স্বর্ণ জয়ের হাসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


৪৪ বছর পর ভারতীয় মেয়েদের হকিতে স্বর্ণ জয়ের হাসি

৪৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। এশিয়ান গেমসে মেয়েদের হকিতে স্বর্ণপদক ভারতের ঘরে ফিরে এসেছে।

জাপানের গিফু প্রিফেকচারাল গ্রিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে চীনকে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। এই জয়ের ফলে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের টিকিটও তাদের নিশ্চিত হয়েছে।

ফাইনালের শুরুতেই ভারত এগিয়ে যায়। ম্যাচের ১০ মিনিটে অধিনায়ক সালিমা টেটে আক্রমণে উঠে বল দেন সাক্ষী রানাকে। সাক্ষী রানার কাছ থেকে বল পেয়ে লালরেমসিয়ামি হামারজোটে জায়গা করে নিয়ে রিভার্স স্টিক শটে জালে বল পাঠান। সেই গোলটি শেষ পর্যন্ত ফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণ করে।

গোল পাওয়ার পর ভারতকে চীনের চাপ সামলাতে হয়েছে। পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত রক্ষণভাগের পাশাপাশি গোলকিপার সবিতা পুনিয়া ও বিচু দেবী খারিবামের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে সর্বশেষ ১৯৮২ সালে এশিয়ান গেমসে হকিতে সোনা জিতেছিল ভারতীয় নারী দল। সেবার আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল দিল্লিতে।

ভারতীয় মেয়েদের এই সাফল্য আরো বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ, কয়েক মাস আগে দলের মধ্যে চোটের সমস্যা ছিল। এছাড়া নানা কারণে এশিয়ান গেমসে তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল।

সেই দলটি নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়ে স্বর্ণপদক জয়ের মাধ্যমে বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন টিচার ইউনাইটেড একাদশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন টিচার ইউনাইটেড একাদশ

শরীরকে সুস্থ রাখতে অবসর সময় খেলাধুলায় নিজেকে ব্যস্ত রাখি’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুরের কাউখালীতে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর জমকালো ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রাথমিক শিক্ষক পরিবারের আয়োজনে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলাকে ঘিরে শিক্ষক, ক্রীড়াপ্রেমী ও স্থানীয় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে টিচার ইউনাইটেড একাদশ ৫-২ গোলের ব্যবধানে সেন্ট্রাল কমান্ড একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। পুরো খেলায় দুই দলের খেলোয়াড়েরা দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। টুর্নামেন্টে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য এজাজ আহমেদ শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। ম্যাচটি পরিচালনা করেন রেফারি রফিকুল ইসলাম।
খেলা শেষে অতিথিরা বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব রফিক ইসলাম রফিক, কাঠালিয়া পিজিএস বহুমুখী কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক নীতি বিকাশ মিস্ত্রি, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি ওমর ফারুক, প্রধান শিক্ষক আল মামুন, জাহানারা খাতুন এবং সিনিয়র সহকারী শিক্ষক লিটন কৃষ্ণ করসহ স্থানীয় শিক্ষক ও ক্রীড়ামোদী দর্শকবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, সুস্থ শরীর ও সুন্দর মন গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%