শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫১ পি.এম
ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে অ্যাডাম টেলকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর কিছুক্ষণ পূর্বে সেনাবাহিনীর শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা ড্যান ড্রিসকল পদত্যাগ করেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, সেনাবাহিনীর সিভিল ওয়ার্কস বিভাগের বর্তমান সহকারী সচিব অ্যাডাম টেল অবিলম্বে ভারপ্রাপ্ত সেনাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তিনি একজন দেশপ্রেমিক এবং সবার কাছে সম্মানিত।’
২০২৫ সালের আগস্টে মার্কিন সিনেটের অনুমোদন পাওয়ার পর অ্যাডাম টেল সেনাবাহিনীর সিভিল ওয়ার্কস বিভাগের সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন কংগ্রেসে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে, ড্যান ড্রিসকলের পদত্যাগের পেছনে পেন্টাগনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের বিষয়টি বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে তার মতবিরোধ ছিল বলে জানা গেছে।
ড্রিসকল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাবেক আইন স্কুলের সহপাঠী। প্রশাসনের ভেতরে ভ্যান্সের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছিলেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্ব পরিবর্তনের সর্বশেষ ঘটনা হলো ড্রিসকলের এই পদত্যাগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, কুইক রেন্টাল দুর্নীতির তদন্ত হওয়া উচিত। শুক্রবার এফডিসিতে অনুষ্ঠিত “জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ” শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। প্রতিযোগিতাটি ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজন করে।
জালাল আহমেদ বলেন, ‘বিগত সময় কুইক রেন্টালের নামে কিছু ব্যক্তিকে সুবিধা দিয়ে অনিয়ম করেছিলো ফ্যাসিস্ট সরকার। কুইক রেন্টালের মেয়াদ ৩ বছর হওয়ার কথা, যার দাম ছিলো ১৬ টাকা। কিন্তু ইনভেস্টমেন্ট রিকভারি হয়ে যাওয়ার পরেও নবায়নের সময় শুধুমাত্র অপারেশনাল এক্সপেন্ডিচারের ওপর ভিত্তি করে মূল্য নির্ধারণ না করে প্রায় পূর্বের মূল্যেই বিদ্যুৎ কেনা হয়েছিলো। তাই কুইক রেন্টালের দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দেয়া যায় না। এর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের পলিসি সাপোর্ট অব্যাহত থাকলে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন করে ঘাটতি মিটিয়ে সংকট কাটানো সম্ভব। এতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হবে না। এজন্য সরকারকে নীতি সহায়তা প্রদান করে কম সুদে ঋণের ব্যবস্থার মাধ্যমে সুষম সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করলে শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ অনেকেই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহিত হবে। তাই আমাদেরকে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে মিশ্র জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’
সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ‘অতীতে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা উপেক্ষা করে ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থে আমদানি নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছিলো। কায়েমী স্বার্থে উৎপাদনমুখী বিনিয়োগের পরিবর্তে কমিশনের লোভে এলএনজি আমদানির দিকে ঝুঁকে পড়েছিলো।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘পতিত সরকারের সময় জ্বালানি নীতি ছিলো বিভ্রান্তিকর, বিতর্কিত ও তোষণমূলক। বিগত শাসনামলের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বর্তমানে জ্বালানি সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগরের পশ্চিম পাড়ের চেয়ারম্যান গলিতে তার নিজবাড়ি থেকে পুলিশের অভিযানে তাকে আটক করা হয়।বিকেল ৪টার সময় কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা সহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া, সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন বলে জানা গেছে।সাজ্জাদ হোসেন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বুড়িচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।এছাড়া, তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হন।কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ‘সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান আসাদ মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশে দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থান সম্পূর্ণরূপে অটুট রয়েছে। দেশের সব ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের ধর্ম পালন করছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "অশুভ শক্তির বিনাশের উদ্দেশ্যে পাঁচ হাজার বছর আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব হয়েছিল। আমরা যখন অশুভ শক্তি ও অপশক্তির বিরুদ্ধে কাজ করব এবং কথা বলব, আমি বিশ্বাস করি আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সর্বদা ধর্মীয় সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য উদাহরণ। এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে যেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার ভোগ করতে পারে।
শৈলকূপার উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তিনি বলেন, "যদি কোনো কুপরামর্শ বা উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করার চেষ্টা করা হয়, তবে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে।" তিনি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থেকে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান, যেন যেকোনো ধরনের অপপ্রচার বা গুজবে কান না দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে আইনমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার উপকূলীয় কয়রা অঞ্চলের প্রান্তিক জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবায় আশার আলো দেখা দিয়েছে, যদিও নানা সংকট বিদ্যমান। তীব্র জনবল সংকট এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুনরায় অপারেশন থিয়েটার চালু হওয়া এবং বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের ফলে অবহেলিত এলাকার বাসিন্দারা নতুনভাবে আশার আলো দেখছেন।সুবিধাভোগীরা জানিয়েছেন, হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অপ্রতুল বেড সংখ্যা, জলাবদ্ধতা এবং বিশুদ্ধ পানির অভাব ছিল। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অপারেশন থিয়েটার (ওটি) পুনরায় চালু হয়েছে। গাইনি, সার্জারি এবং এ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার পোস্টিং না থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অন্য উপজেলা থেকে নির্দিষ্ট দিনে নিয়মিত সিজার, মহিলাদের জরায়ু অপারেশনের মতো জটিল অস্ত্রোপচার করছে। রোগীদের জন্য ওষুধও সরবরাহ করা হচ্ছে।ফলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুলনার উপকূলীয় কয়রা অঞ্চলের প্রায় ৩ লাখ মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসা হচ্ছে উপজেলার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতাল। যেখানে ৪২ জন চিকিৎসকের অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত মাত্র ১৫ জন চিকিৎসক। তাদের মধ্যে ডেপুটেশন ও ছুটিসহ বিভিন্ন কারণে নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন মাত্র ১২ জন চিকিৎসক।এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় নার্স, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট এবং অন্যান্য জনবলও কম রয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের উদ্যোগে এখানকার চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয় করে দক্ষতার সঙ্গে নানা সংকট মোকাবেলা করা হচ্ছে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন এবং অন্তর্বিভাগে ৩৫ থেকে ৫০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছেন, যা বিগত কয়েক বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। হাসপাতালে এনসিডি কর্নার নামে একটি নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে, যেখানে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হাঁপানি রোগীদের বিশেষ সেবা দেওয়া হচ্ছে।ছোট বাচ্চাদের জন্য দুগ্ধ পান করার ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার এবং শিশুদের খেলার জন্য কিডস কর্নারও রয়েছে। এছাড়া বহির্বিভাগে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা সেবা চালু আছে। বিনামূল্যে বিভিন্ন রোগের ঔষধ প্রদান করা হচ্ছে। রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের জন্য সার্বক্ষণিক অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। পুরো হাসপাতালের আন্তঃবিভাগ, জরুরি বিভাগ, নার্সেস ডিউটি রুমে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আইপিএস সেট করায় লোডশেডিং কমছে।
হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আধুনিকায়ন, দৃষ্টিনন্দন জামে মসজিদ সংস্কার, মোটরসাইকেল পার্কিং শেড এবং পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হয়েছে। তবে হাসপাতালের মূল ভবন নির্মাণাধীন থাকায় এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং প্যাথলজি সেবা ব্যহত হচ্ছে। প্যাথলজি না থাকলেও কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগে সবসময়ই ইসিজি, ডায়াবেটিস পরীক্ষার স্ট্রিপ, প্রেগনেন্সি টেস্ট কীট, হার্ট অ্যাটাক পরীক্ষার জন্য কার্ডিয়াক ট্রপোনিন আই ডিভাইস, ডেঙ্গু পরীক্ষা কীট, গর্ভের বাচ্চার কন্ডিশন বুঝতে ফিটাল ডপলার মেশিনের ব্যবস্থা রয়েছে, যা রোগীদের সেবায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এছাড়া সাপে কাটা রোগীর জন্য জীবন রক্ষাকারী এন্টিভেনম পর্যাপ্ত আছে। এ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাক্সিনও রয়েছে এবং দরিদ্র রোগীদের জন্য সমাজ সেবা দপ্তরের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধ পাওয়ার সুবিধা রয়েছে।
দক্ষিণ বেদকাশী থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আনজুমারা বেগম বলেন, ‘এক সময় নিয়মিত চিকিৎসক ও ওষুধ পাওয়া যেত না। হাসপাতালে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। এখন হাসপাতালে আসলেই চিকিৎসকের দেখা মেলে। আমরাও আন্তরিকতার সঙ্গে আধুনিক ও উন্নত সেবা পাচ্ছি। বিনামূল্যে ওষুধও দিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।’
উপজেলার সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে রিয়াদ শেখের গ্রাম। হাসপাতালে মাকে ভর্তি করেছিলেন তিনি। হাসপাতালের সেবা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানকার চিকিৎসক ও নার্সরা অনেক আন্তরিক। হাসপাতাল থেকে ওষুধ খাবার দেওয়াসহ নিয়মিত খোঁজখবর নিয়েছে। হাসপাতালের ভেতরের পরিবেশটাও এখন অনেক সুন্দর। দুই বছর আগে একবার এসেছিলাম, তখন আর এখন অনেক পরিবর্তন।’
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল করিম বলেন, ‘হাসপাতালটিতে সেবার মান বাড়াতে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছি। বৃহৎ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকসহ শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ এবং চলমান উন্নয়নকাজ শেষ করা জরুরি।’
তিনি আরো বলেন, বর্তমান জনবল দিয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত হলে হাসপাতালের সেবার পরিধি ও মান আরো অনেকগুণ বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতালের চলমান নতুন ভবনের কাজটি শেষ হলে ভোগান্তি আরো লাঘব হবে।
তবে স্বাস্থ্য সেবা উন্নতকরণে স্থায়ীভাবে গাইনি, সার্জারি, এ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার এবং এ্যম্বুলেন্সের জন্য একজন সরকারি ড্রাইভার ও প্যাথলজির জন্য একজন ল্যাব টেকনিশিয়ান পদায়ন জরুরি বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ