ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিম্নমানের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ


নিম্নমানের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

গুণগত মান নির্ধারিত মানদণ্ডে না পৌঁছানোর কারণে ভারত থেকে আমদানি করা প্রায় ১১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চালের একটি চালান বাংলাদেশ ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের বাণিজ্যিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই চালগুলো আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বহুজাতিক কোম্পানির মজুত থেকে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়েছিল।

খবরে আরও জানা যায়, চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রাথমিক পরীক্ষায় খাদ্যোপযোগী হিসেবে ছাড়পত্র প্রদান করা হলেও পরবর্তী বিস্তারিত পরীক্ষায় এর মান নির্ধারিত মানের নিচে পাওয়া যায়। এর ফলস্বরূপ, প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল খালাস হলেও বাকি চাল নিয়ে আপত্তি তৈরি হয়। এরপর পুরো চালানটি ভারতে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

এ ঘটনায় ১২ জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কার পাশাপাশি বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, বাংলাদেশের খাদ্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া বা সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বও এই পরিস্থিতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, এই ধরনের পরিস্থিতি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির মামলায় ছয়জনের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


খুলনায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির মামলায় ছয়জনের কারাদণ্ড

খুলনা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলায় সোমবার ৬ আসামির ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এ মামলায় জিহাদুল বিশ্বাস নামে একজন আসামিকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. খুরশীদ আলম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শাহ আলম।

সাজার আওতায় আসামিরা হলেন, মীর সেলিম, মাহাবুবুর রহমান, মো. লিটন দেওয়ান, নাসির গাজী ওরফে কাবিলা, কালাম ঢালী এবং শামীম বিশ্বাস।

এ মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামীমকে ৪১২ ধারায় অতিরিক্ত ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডও দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময়ে মো. লিটন দেওয়ান ও নাসির গাজী ওরফে কাবিলা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামিরা পলাতক অবস্থায় রয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল, ডিম ব্যবসায়ী মো. রবিউল ইসলাম পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজার থেকে দোকান বন্ধ করার পর রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন।

এ সময় তার সাথে একজন কর্মচারী ছিলেন। তারা দুজন নাসিরপুর গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৌঁছানো মাত্রই দুটি মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন পুলিশের পোশাক পরা ব্যক্তি এবং অন্য তিনজন সিভিল পোশাক পরিহিত ব্যক্তি তাদের গতিরোধ করে। সেই সময়ে তারা জানায় যে রবিউলের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে এবং তাদের থানায় যেতে বলা হয়।

তারা ব্যবসায়ী রবিউলকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালীর দিকে রওনা হন। তখন রবিউল কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে তাকে ভয় দেখিয়ে নগদ এক লাখ টাকা ও একটি দামি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে ফেলে দেয়।

ঘটনার পরদিন রবিউল পাইকগাছা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

একই বছরের ৩০ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শাহজুল ইসলাম ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে অনিয়মের অভিযোগে ৫ হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


ফরিদপুরে অনিয়মের অভিযোগে ৫ হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ

 

ফরিদপুরে নানা ধরনের অনিয়ম, লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম ও স্বাস্থ্যসেবায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ পাঁচটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে পরিচালিত এই অভিযানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি রোগীদের সরকারি কিংবা অন্য উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালীন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান ও নাজমা নাইম, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বজলুর রশীদসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে আল-জারা স্পেশালাইজড হাসপাতাল, মেডিকো হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লিলি প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হলি সিটি প্রাইভেট হাসপাতাল এবং মা-মনি ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে লাইসেন্স ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা, লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন না করা, প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ না করা এবং স্বাস্থ্যসেবায় গুরুতর অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযানে এসব অভিযোগের সত্যতা মিললে তৎক্ষণাৎ প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত হাতে নেওয়া হয়।

অভিযান চলাকালে বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসাধীন রোগীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাদের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অথবা অন্য উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে কোনো রোগীর চিকিৎসা ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা একটি সংবেদনশীল খাত। মানুষের জীবন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না। যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ছাড়া কিংবা নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানুষের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম, জনবল সংকট, অব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে অনেক অভিযোগ আসছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদার করা হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ অভিযান জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পর্যায়ক্রমে চালানো হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে পারবে না, তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মরক্কোর গোলরক্ষকের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, মুখ খুললেন নোরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৭ পি.এম


মরক্কোর গোলরক্ষকের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, মুখ খুললেন নোরা

বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি অবশেষে মরক্কোর তারকা গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দুজনের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা চললেও, নোরা বিষয়টি পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, তাদের সম্পর্ক শুধুমাত্র বন্ধুত্বের।

সম্প্রতি এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোরা এক সাক্ষাৎকারে ইয়াসিন বুনুর সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি বলেন, “আমরা শুধু ভালো বন্ধু।”

নোরা আরও জানিয়েছেন, বুনুর সঙ্গে তার পরিচয় রয়েছে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কও আছে। তবে প্রেমের খবর ছড়িয়ে পড়ার কোনো ভিত্তি নেই বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

মানুষের কৌতূহল অবশ্য ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে রয়েছে, কিন্তু সব গুঞ্জন যে সত্যি নয়, সেটিও অভিনেত্রী মনে করিয়ে দিয়েছেন।

গত কয়েক মাস ধরে নোরা ও ইয়াসিনকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একত্রে দেখা যাওয়ার পর প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়। অনেক ভক্তের ধারণা ছিল, তারা সম্ভবত সম্পর্কে রয়েছেন। তবে নোরার সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর সে সব জল্পনা অনেকটাই বন্ধ হয়েছে।

নোরা ফাতেহি কানাডায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং বলিউডে তাঁর নাচ ও অভিনয়ের মাধ্যমে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। ‘দিলবার’, ‘ও সাকি সাকি’ ও ‘মানিকে’সহ একাধিক নারীত্বের কারণে নোরার পারফরম্যান্স দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অন্যদিকে, ইয়াসিন বুনু বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম আলোচিত গোলরক্ষক। ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপে মরক্কোকে সেমিফাইনালে উন্নীত করতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, যা তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিয়েছে।

নোরার মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তার মতে, তাদের সম্পর্ক বন্ধুত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান

দণ্ডিত আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) তাদের পক্ষ থেকে এক তথ্য বিবরণীতে এই আহ্বান জানানো হয়।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি, ক্ষমতাচ্যুত এবং পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

আইসিটির এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার বিষয়টি সামনে রেখে এবং দণ্ডিত আসামির পূর্ববর্তী সকল বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সরাতে এবং বন্ধ করতে, সেইসাথে প্রচার ও প্রকাশ না করার উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে একটি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ) দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে এই বিষয়ে আইনের যথাযথ ধারা উল্লেখ করে দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ করেছে।

তবে দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, গণমাধ্যমের একটি অংশ জুলাইয়ের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে আদালতের নির্দেশনা মানলেও কিছু গণমাধ্যম এখনো দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার করে চলেছে। এ ধরনের কার্যক্রমে সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং শহীদদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে। যারা পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত রয়েছেন, তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।

সরকার আশা করে যে, জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা ধরে রাখতে এবং আইনগত বাধ্যবাধকতা সমুন্নত রাখতে দেশের সকল প্রকার গণমাধ্যম (টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়া) পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের বক্তব্য কিংবা বিবৃতি প্রচার না করার বিষয়ে আবারও বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে।

জাতীয় ঐক্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষায় দেশের সকল গণমাধ্যম পূর্বের মতোই ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে, এ ব্যাপারে সরকার আশাবাদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%