বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:০০ পি.এম
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : পেনাল্টি থেকে দুই গোল করে ৫৯ বছর বয়সী কাজুয়োশি মিউরা জাপানের সবচেয়ে পুরোনো কাপ প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করা খেলোয়াড়ের নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
‘কিং কাজু’ হিসেবে পরিচিত মিউরা বর্তমানে পেশাদার ফুটবলে তার ৪২তম মৌসুম খেলছেন। এমপেরর’স কাপে তৃতীয় বিভাগের দল ফুকুশিমা ইউনাইটেডের ৭-০ গোলের বড় জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এই প্রতিযোগিতার বয়স ১০৬ বছর। জুলাইয়ের শেষে প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বেও তিনি গোল করেছিলেন।
২০০৫ সালের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি এফসির হয়ে গোল করার পর এটি তার প্রথম কোনো ম্যাচে একাধিক গোল করার ঘটনা। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে পেশাদার জে-লিগ চালুর সময় থেকেই তিনি জাপানের প্রথম ফুটবল সুপারস্টার হিসেবে পরিচিত। মিউরা জানান, তিনি প্রায় প্রতিদিনই অনুশীলনের পরে পেনাল্টি অনুশীলন করেন।
বুধবারের এই কীর্তির পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন, “কখন আপনার পালা আসবে, তা তো কখনোই জানা যায় না। তাই আমি সব সময় এগুলোর অনুশীলন করি। আমি ভালো অনুভব করছি যে অনুশীলনের ফল পেয়েছি।”
তার দুটি গোল এমপেরর’স কাপের সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতার রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল ৪১ বছর বয়সী সাবেক জাপান জাতীয় দলের খেলোয়াড় শিনজি ওনোর।
ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে শুরু করেন মিউরা। ৫৮ মিনিট পর্যন্ত মাঠে ছিলেন তিনি। প্রথম গোলটি তিনি ১২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে করেন। এরপর ৫৫ মিনিটে বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হয়ে আবারও পেনাল্টি পান ফুকুশিমা, এবং সেখান থেকেও গোল করেন মিউরা।
তিনি বলেন, “প্রতিপক্ষ সমর্থকদের কেউ দুয়ো না দেওয়ায় পরিবেশটা ছিল অন্যরকম, এক ধরনের নীরবতা ছিল।” “আমি অনুভব করতে পারছিলাম, সবার চোখ আমার দিকে। এমন পরিস্থিতিতে দুটো পেনাল্টি কাজে লাগাতে পারাতে ভালো লাগছে।”
১৯৮৬ সালে ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসের হয়ে পেশাদার ফুটবলে মিউরার অভিষেক ঘটে। এরপর তিনি ইতালি, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং পর্তুগালেও খেলেছেন।
১৯৯০ সালে জাপান জাতীয় দলে অভিষেক হলেও ১৯৯৮ সালে জাপান প্রথমবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার সুযোগ পাওয়ার সময় দলে জায়গা পাননি তিনি। জাতীয় দলের হয়ে ৮৯ ম্যাচে ৫৫ গোল করার পরও ওই দলে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। জানুয়ারিতে তিনি ফুকুশিমায় যোগ দেন। নতুন ক্লাবটি তার ওপর যে আস্থা রেখেছে, তা গোল ও অ্যাসিস্টের মাধ্যমে প্রতিদান দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালী সংকটের মধ্যেও, বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন চললেও গত কয়েক মাস ধরে জ্বালানি তেলের দাম খুব বেশি বৃদ্ধি পায়নি। যুদ্ধের পূর্বের তুলনায় হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারের চলাচল যদিও সীমিত হয়েছে, তথাপি গত ছয় মাসে অপরিশোধিত তেলের ফিউচার মূল্য খুব কমই ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে।
এদিকে, সংশ্লিষ্টরা খুব বেশি আশা প্রকাশ করছেন যে যুদ্ধ শেষ হবে এবং সংকটের সমাধান হবে। যা জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে আনবে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, বিশ্ব অর্থনীতির জ্বালানি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ডিজেলের সরবরাহ কমে আসছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একদিকে কৃষি খাতের চাহিদা বৃদ্ধি এবং অন্যদিকে যুদ্ধের জন্য সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় ডিজেলের দাম বেড়ে চলেছে। ডিজেল ক্র্যাক স্প্রেড, অর্থাৎ এক ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম এবং তা থেকে পরিশোধিত ডিজেলের দাম, এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ উভয় স্থানেই রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অপরিশোধিত তেলের বাজার মূলত নিকট ভবিষ্যতের সরবরাহ নিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা প্রকাশ করে। কিন্তু ডিজেলের বাজার, তেল পণ্যের বাস্তব সরবরাহ-সংকটের স্পষ্ট সংকেত প্রদান করছে। এই বছর ডিজেলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি, অথচ এর প্রাপ্যতা এবং দাম অর্থনীতি ও মূল্যস্ফীতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল ক্র্যাক স্প্রেড প্রথমবারের মতো তিন অঙ্কে পৌঁছেছে। গত সোমবার অপরিশোধিত তেলের দামের তুলনায় ডিজেলের প্রিমিয়াম ব্যারেলপ্রতি সর্বোচ্চ ১০২ ডলারে উঠেছিল।
ইরান ও ইউক্রেনের যুদ্ধ ডিজেলের বাজারকে অস্থির করে তুলেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে রাশিয়া পর্যন্ত জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একই সময়ে, অভ্যন্তরীণ সরবরাহ সুরক্ষিত রাখার জন্য কয়েক মাস ধরে বিধিনিষেধের পর, চীনের জ্বালানি রপ্তানি এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়ায়নি।
হরমুজ প্রণালী বেশিরভাগ সময় বন্ধ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য, রাশিয়া ও চীন থেকে হারিয়ে যাওয়া ডিজেল সরবরাহের ঘাটতি পূরণ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের শোধনাগারগুলো সর্বোচ্চ সক্ষমতায় উৎপাদন চালাচ্ছে। কিন্তু এর ফলে স্বস্তি আংশিকভাবে এসেছে। কারণ বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যম-ডিস্টিলেট জ্বালানির মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এই সময়ের জন্য মজুত পাঁচ বছরের গড়ের তুলনায় ১২ শতাংশ কম।
রেকর্ড পরিশোধন মুনাফার কারণে অনেক শোধনাগার সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণও পিছিয়ে দিচ্ছে এবং প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে। ফলে ডিজেলের বাজারে কোনো বড় বাধা বা অপ্রত্যাশিত উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে নতুন রেকর্ড উচ্চতায় দাম ওঠার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
জ্বালানি প্রবাহ বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভরটেক্সারের জ্যেষ্ঠ তেল বাজার বিশ্লেষক রোহিত রাঠোড বলেন, “বিশ্বজুড়ে শোধনাগারগুলোর মুনাফা প্রায় রেকর্ড পর্যায়ে রয়েছে, যার প্রধান কারণ গুরুতর এবং ক্রমশ অবনতিশীল ডিজেল ঘাটতি।”
ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর রাশিয়ার শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, ফলে রাশিয়া ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। অন্যদিকে, ইরানের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী সংকটে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পরিবহন সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এই দুই অঞ্চল থেকে ডিজেলের প্রাপ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ভরটেক্সারের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া থেকে ডিজেল ও গ্যাসঅয়েল রপ্তানি ৫০ শতাংশের বেশি কমে গেছে। প্রতিদিন প্রায় ৩৩ লাখ ব্যারেল থেকে কমে এখন মাত্র ১৬ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।
এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে মজুত কমে যাওয়ার সঙ্গে বৃদ্ধি পাওয়া চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বৈশ্বিক ডিজেল বাজার অত্যন্ত সংকটপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর ফলস্বরূপ, দামও ব্যাপকভাবে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের গড় দাম এক মাসে ৮ শতাংশ বেড়েছে এবং এক বছর আগে গড় দামের ৩.৬৯ ডলারের তুলনায় ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
আগামী কয়েক সপ্তাহে ডিজেলের চাহিদা আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেক দেশে কৃষকেরা ফসল কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ট্রাকচালকেরা ছুটির মৌসুমের আগে দোকানগুলোতে পণ্য মজুত করার জন্য বেশি পণ্য পরিবহন করব, এবং শীতকালে গরমের জ্বালানি হিসেবে দেশে গ্যাসঅয়েল কিনবে।
উচ্চ দামের কারণে পেট্রলের চাহিদায় কিছুটা পতন দেখা দিতে পারে, কিন্তু ডিজেলের চাহিদা সহজে কমবে না। অর্থাৎ দাম বৃদ্ধির পরেও এর ব্যবহার কমানো কঠিন। এনার্জি এসপেক্ট এর রবার্ট ক্যাম্পবেল ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, “ডিজেল শিল্প অর্থনীতির প্রাণ, এটিকে হঠাৎ করে বন্ধ করা যায় না।”
অর্থনীতির জন্য এই জ্বালানি অপরিহার্য। ফলে সামনে ডিজেলের দাম আরও বাড়তে পারে, যা পণ্যের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বরের শুরুর মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভোক্তাদের (ভোটারদের) পকেটে আরো চাপ সৃষ্টি করবে।
সূত্র: অয়েলপ্রাইসডটকম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্যটি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ এর খ (৬) ধারা অনুযায়ী বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
এছাড়া, এই মনোনয়ন অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার পরপর বিএনপি মহাসচিব হিসেবে রিজভীকে মনোনীত করার ঘোষণা আসলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : গত বুধবার মিউনিখে নিজের দ্বিতীয় ইউরোপীয়ান গোল্ডেন শু পাওয়ার পর ব্যালন ডি’অরের দিকে নজর দিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। গত মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ গোল করার জন্য ইংল্যান্ড অধিনায়ককে গোলেন্ড শু পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বায়ার্নে নিজের প্রথম মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখানোর পর ২০২৩-২৪ মৌসুমেও গোল্ডেন শু জিতেছিলেন কেন। তবে এবার পেয়ে যাওয়া পুরস্কারটি পূর্বেরটির চেয়ে অধিক আনন্দ দিয়েছে, বলেছেন তিনি।
৩৩ বছর বয়সী কেন গত মৌসুমে বুন্ডেসলিগায় ৩১ ম্যাচে ৩৬ গোল করেছেন, যা জার্মান শীর্ষ লিগের এক মৌসুমে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি। ঐ মৌসুমে বায়ার্ন লিগ ও কাপ উভয় বৈশিষ্ট্যে জিতেছিল।
তিনি বিশ্বকাপেও ছয়টি গোল করেন। ফলে টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে আবির্ভূত হন। বিশ্বকাপে তার ক্যারিয়ারের গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। সব মিলিয়ে গত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ৭৩ গোল করেন কেন। “এটাই আমার সেরা মৌসুম” বলে ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর জয়ের আশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
কেন মন্তব্য করলেন, “অবশ্যই এটা আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। অক্টোবরের মধ্যে যখন পুরস্কার ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হবে, এটা আমি জানি।” “পাশাপাশি গত মৌসুমে আমার পক্ষে যা করা সম্ভব ছিল, তা তো আমি করেছি। নিঃসন্দেহে এটাই আমার সেরা মৌসুম। আমি যে দলগুলোতে খেলেছি, তাদের হয়ে বহু কিছু অর্জন করেছি।”
বায়ার্নকে নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালেও পৌঁছান কেন। সেখানে পিএসজির কাছে অল্পের জন্য হেরে যায় বায়ার্ন। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও উঠে, যেখানে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হতাশাজনক পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয় ইংল্যান্ডকে।
কেনের চেয়ে অধিক বার গোল্ডেন শু জিতেছেন শুধুমাত্র ব্যালন ডি’অরের একাধিকবারের বিজয়ী লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মেসি বার্সেলোনার হয়ে ছয়বার এই পুরস্কার পেয়েছেন। রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তিনবার এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে একবার গোল্ডেন শু জিতেছেন।
এবারের ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে, এ বিষয়ে কেন বলেন, “এটা আপনারা এবং সমর্থকদের আলোচনা।” পুরস্কারটি অক্টোবরের শেষ প্রান্তে লন্ডনে দেওয়া হবে। “এটাই ব্যালন ডি’অরকে এত বিশেষ করে তোলে। অনেক খেলোয়াড়ই দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছে।”
সোমবার, কেন উল্লেখ করেছেন যে, বায়ার্নের সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালে শেষ হওয়ার পূর্বে নতুন চুক্তির জন্য আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান যৌথ সামরিক মহড়া কাটছাঁটের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না উত্তর কোরিয়া। মহড়ার আকার কমানোর পরও এর 'প্ররোচনামূলক' চরিত্র পরিবর্তিত হয়নি বলে দাবি করেছে দেশটি। এ পরিস্থিতিতে কিম জং উন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে শিগগিরই আবার আলোচনা শুরু করার যে আশা দেখা দিয়েছিল, তা আপাতত ফিকে হয়ে গেছে।
বুধবার রাতে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের ক্ষমতাধর বোন কিম ইয়ো জং ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতি প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, এ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো মানে হয় না এবং আমাদের এতে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। মহড়ার সময় ও আকার কমানো হলেও এর আগ্রাসী মনোভাব ঠিকই রয়ে গেছে।
এ বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার একাধিক সামরিক মহড়া এবং সিউলের পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরির প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন কিম ইয়ো জং। তবে তার বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার স্বভাবসুলভ কঠোর ভাষার ব্যবহার ছিল না। তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে তার ভাইয়ের সম্পর্ক 'এখনো চমৎকার' বলে উল্লেখ করেন। এটি দেখায় যে, পিয়ংইয়ং হয়তো ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখতে চায়, কিন্তু আলোচনার টেবিলে ফেরার আগে আরও বড় কোনো ছাড় আশা করছে।
অন্যদিকে, ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে বর্তমান যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা কিম ইয়ো জং অস্বীকার করেছেন। তবে ট্রাম্প সম্প্রতি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন যে, কিম তার আলোচনার প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছেন।
এর আগে, ট্রাম্প পেন্টাগনকে চলমান ১১ দিনের 'উলচি ফ্রিডম শিল্ড' মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে দক্ষিণ কোরিয়া বেশ অবাক হয়েছে। পরে সিউল ও পেন্টাগন নিশ্চিত করে যে পূর্বপরিকল্পিত ২৭ আগস্টের বদলে শুক্রবারই এই মহড়ার শেষ হবে। ট্রাম্পের দাবি, এসব মহড়া শুধু ব্যয়বহুলই নয়, বরং এগুলো উত্তর কোরিয়ার প্রতি একটি 'অনুপযুক্ত ও বৈরী' বার্তা দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ