বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:১১ পি.এম
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : গত বুধবার মিউনিখে নিজের দ্বিতীয় ইউরোপীয়ান গোল্ডেন শু পাওয়ার পর ব্যালন ডি’অরের দিকে নজর দিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। গত মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ গোল করার জন্য ইংল্যান্ড অধিনায়ককে গোলেন্ড শু পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বায়ার্নে নিজের প্রথম মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখানোর পর ২০২৩-২৪ মৌসুমেও গোল্ডেন শু জিতেছিলেন কেন। তবে এবার পেয়ে যাওয়া পুরস্কারটি পূর্বেরটির চেয়ে অধিক আনন্দ দিয়েছে, বলেছেন তিনি।
৩৩ বছর বয়সী কেন গত মৌসুমে বুন্ডেসলিগায় ৩১ ম্যাচে ৩৬ গোল করেছেন, যা জার্মান শীর্ষ লিগের এক মৌসুমে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি। ঐ মৌসুমে বায়ার্ন লিগ ও কাপ উভয় বৈশিষ্ট্যে জিতেছিল।
তিনি বিশ্বকাপেও ছয়টি গোল করেন। ফলে টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে আবির্ভূত হন। বিশ্বকাপে তার ক্যারিয়ারের গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। সব মিলিয়ে গত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ৭৩ গোল করেন কেন। “এটাই আমার সেরা মৌসুম” বলে ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর জয়ের আশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
কেন মন্তব্য করলেন, “অবশ্যই এটা আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। অক্টোবরের মধ্যে যখন পুরস্কার ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হবে, এটা আমি জানি।” “পাশাপাশি গত মৌসুমে আমার পক্ষে যা করা সম্ভব ছিল, তা তো আমি করেছি। নিঃসন্দেহে এটাই আমার সেরা মৌসুম। আমি যে দলগুলোতে খেলেছি, তাদের হয়ে বহু কিছু অর্জন করেছি।”
বায়ার্নকে নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালেও পৌঁছান কেন। সেখানে পিএসজির কাছে অল্পের জন্য হেরে যায় বায়ার্ন। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও উঠে, যেখানে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হতাশাজনক পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয় ইংল্যান্ডকে।
কেনের চেয়ে অধিক বার গোল্ডেন শু জিতেছেন শুধুমাত্র ব্যালন ডি’অরের একাধিকবারের বিজয়ী লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মেসি বার্সেলোনার হয়ে ছয়বার এই পুরস্কার পেয়েছেন। রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তিনবার এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে একবার গোল্ডেন শু জিতেছেন।
এবারের ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে, এ বিষয়ে কেন বলেন, “এটা আপনারা এবং সমর্থকদের আলোচনা।” পুরস্কারটি অক্টোবরের শেষ প্রান্তে লন্ডনে দেওয়া হবে। “এটাই ব্যালন ডি’অরকে এত বিশেষ করে তোলে। অনেক খেলোয়াড়ই দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছে।”
সোমবার, কেন উল্লেখ করেছেন যে, বায়ার্নের সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালে শেষ হওয়ার পূর্বে নতুন চুক্তির জন্য আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান যৌথ সামরিক মহড়া কাটছাঁটের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না উত্তর কোরিয়া। মহড়ার আকার কমানোর পরও এর 'প্ররোচনামূলক' চরিত্র পরিবর্তিত হয়নি বলে দাবি করেছে দেশটি। এ পরিস্থিতিতে কিম জং উন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে শিগগিরই আবার আলোচনা শুরু করার যে আশা দেখা দিয়েছিল, তা আপাতত ফিকে হয়ে গেছে।
বুধবার রাতে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের ক্ষমতাধর বোন কিম ইয়ো জং ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতি প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, এ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো মানে হয় না এবং আমাদের এতে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। মহড়ার সময় ও আকার কমানো হলেও এর আগ্রাসী মনোভাব ঠিকই রয়ে গেছে।
এ বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার একাধিক সামরিক মহড়া এবং সিউলের পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরির প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন কিম ইয়ো জং। তবে তার বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার স্বভাবসুলভ কঠোর ভাষার ব্যবহার ছিল না। তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে তার ভাইয়ের সম্পর্ক 'এখনো চমৎকার' বলে উল্লেখ করেন। এটি দেখায় যে, পিয়ংইয়ং হয়তো ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখতে চায়, কিন্তু আলোচনার টেবিলে ফেরার আগে আরও বড় কোনো ছাড় আশা করছে।
অন্যদিকে, ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে বর্তমান যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা কিম ইয়ো জং অস্বীকার করেছেন। তবে ট্রাম্প সম্প্রতি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন যে, কিম তার আলোচনার প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছেন।
এর আগে, ট্রাম্প পেন্টাগনকে চলমান ১১ দিনের 'উলচি ফ্রিডম শিল্ড' মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে দক্ষিণ কোরিয়া বেশ অবাক হয়েছে। পরে সিউল ও পেন্টাগন নিশ্চিত করে যে পূর্বপরিকল্পিত ২৭ আগস্টের বদলে শুক্রবারই এই মহড়ার শেষ হবে। ট্রাম্পের দাবি, এসব মহড়া শুধু ব্যয়বহুলই নয়, বরং এগুলো উত্তর কোরিয়ার প্রতি একটি 'অনুপযুক্ত ও বৈরী' বার্তা দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা এবং ইউনিয়ন থেকে মাদক নির্মূল করার এবং এর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করারFirm উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী।
লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ আয়োজিত একটি মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশের প্রধান অতিথির বক্তব্যে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে ডিআইজি এই কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের সন্তানেরা যেন নিরাপদ ভবিষ্যত পায়, সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদকের বিরুদ্ধে গণজাগরণে অংশ নিতে হবে। চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা ও প্রত্যেকটি ইউনিয়ন থেকে মাদক নির্মূল করব।
ডিআইজি আরও বলেন, গত ১৬ আগস্ট থেকে এই রেঞ্জের ১১টি জেলায় সর্বাত্মক অভিযান শুরু হয়েছে। এখন মাদক সংশ্লিষ্ট যারা রয়েছে, প্রত্যেককে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
মাদকের ডিলার, কারবারি, অর্থ জোগানদাতা এবং পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী সেবনকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, কুমিল্লাতে ৩ লাখ ইয়াবা ধরা পড়েছে এবং গত বুধবার এই রেঞ্জে প্রায় ২৭০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ১০০ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ডিআইজি আরো জানান, ৫০টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, সুধী সমাবেশ থেকে আমাদের আন্দোলন গণজোয়ারে পরিণত হয়েছে। এখান থেকেই মাদক নির্মূলের সূচনা হবে।
মুক্ত আলো বাতাসে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পাওয়ার পর, বহু বছর পরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার গঠনের পর যদি আমরা মানুষকে মাদকমুক্ত সমাজ উপহার দিতে না পারি, সন্ত্রাসমুক্ত জনপদ উপহার দিতে না পারি, তাহলে কখন? এটাই সঠিক সময়।
এই সময়ে আমাদের সবাইকে মাদক নির্মূল অভিযানে এগিয়ে আসতে হবে।
লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার আবু তারেকের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমীর সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউছুফ, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্যাহ এবং ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি দেলাওয়ার হোসাইন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিএনপি নেতা ওমর মোহাম্মদ অপুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নারী এবং শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করার দাবিতে প্রতিবাদ সভা করেছেন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা মামলাটিকে 'মিথ্যা ও সাজানো' হিসেবে দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
মামলার তিন আসামি হলেন—ভৈরব পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ওমর মোহাম্মদ অপু, ফারুক মিয়া এবং কৃষক দলের নেতা ইমরান মিয়া।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ভৈরব বাজারে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা মাদক নির্মূল প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আরিফুল ইসলামের ডাকবাংলোতে এই প্রতিবাদ সভা আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তারা দাবি করেছেন, ওমর মোহাম্মদ অপু মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। তারা মামলাটি প্রত্যাহারের পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানান। একইসঙ্গে এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান বক্তারা।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দিয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ভৈরব উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন সুজন, উপজেলা বিএনপির সদস্য ও শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল বাকের ঝলক, উপজেলা তাঁতীদলের আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাউছার আহমেদ, হাজী আসমত ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হান্নান আহমেদ হিমু এবং যুবদল নেতা সোহেলুর রহমানসহ অন্যান্য দলীয় নেতাকর্মীরা।
মামলায় যা বলা হয়েছে, নারী ও শিশু পিটিশন মামলা নং-৮৩/২০২৬-এর নথি অনুযায়ী, বাদী শিল্পী রহমান অভিযোগ করেছেন, গত ১০ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে তার ১৩ বছর বয়সী মেয়ে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় পঞ্চবটি এলাকার বৌবাজার সংলগ্ন জগন্নাথপুর রোডে রেললাইনের পাশের রাস্তায় পৌঁছালে ওয়ামর মোহাম্মদ অপু, ফারুক মিয়া ও ইমরান মিয়া তার পথ রোধ করেন। বাদীর অভিযোগ, একপর্যায়ে আসামিরা কিশোরীকে যৌন হয়রানি এবং নিপীড়ন করেন। মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান, বলেও মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি, ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টার সময় কোনো সমঝোতা হয়নি। পরে ভৈরব থানায় অভিযোগ করতে গেলে মামলা গ্রহণ না করায় তিনি কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এ পিটিশন মামলা করেন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষ মামলার অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে 'মিথ্যা ও সাজানো' বলে দাবি করেছে। তাদের বক্তব্য, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
বাদীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ দেশনার সভায় কয়েকজন বক্তা মামলার বাদী শিল্পী রহমানের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন। তারা দাবি করেছেন, ভৈরব ও গাজীপুরে তার একাধিক বাড়ি রয়েছে। এসব সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তবে বাদীর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা এবং সম্পদের বিষয়ে সভায় উত্থাপিত অভিযোগের স্বাধীন কোনো প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এরই সাথে এসব অভিযোগ নিয়ে বাদীপক্ষের বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি। মামলা সংক্রান্ত কিশোরীকে হয়রানি ও নিপীড়নের অভিযোগ এবং মামলার আসামিপক্ষের 'সাজানো মামলা' দাবি—দুটিরই স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি। প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আদালতের প্রক্রিয়াই চূড়ান্ত বিষয়।
বিএনপি নেতাকর্মীরা দাবি করেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গিয়ে যেন কেউ হয়রানির শিকার না হন। পাশাপাশি তারা আশা করেন, নারী ও শিশুর অভিযোগগুলো যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশে একটি মর্টগেজ রিফাইন্যান্স কোম্পানি (এমআরসি) প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা, সম্ভাব্য কাঠামো এবং আবাসন অর্থায়ন ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে এর ভূমিকা নিয়ে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে।
বৈঠকটি বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে বুধবার কমিশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বিএসইসির কমিশনার তানভীর হাবিব রহমান, নাহিদ মাহতাব, মো. নাফিজ আল তারিক ও হোসেন সাদাত, নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম, নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমসহ কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে একটি মর্টগেজ রিফাইন্যান্স কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা, এর কাঠামো এবং দেশের আবাসন অর্থায়ন ব্যবস্থায় এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। যদি একটি কার্যকর মর্টগেজ রিফাইন্যান্স কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদি পুনরর্থায়ন সুবিধা পেতে সক্ষম হবে। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি আবাসন ঋণ প্রদানের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং প্রাথমিক বন্ধকি ঋণের (প্রাইমারি মর্টগেজ) বাজারও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
একই সঙ্গে বৈঠকে আবাসন খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য পুঁজিবাজারকে কাজে লাগানোর সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও মতামত দেওয়া হয়। এর ফলে আবাসন অর্থায়নে নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র সৃষ্টি ও পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিএসইসি জানিয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) আনুষ্ঠানিক অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে একটি মর্টগেজ রিফাইন্যান্স কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশের আবাসন খাতে অর্থায়ন ব্যবস্থা, পুঁজিবাজারের সক্ষমতা, সম্ভাব্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং একটি মর্টগেজ রিফাইন্যান্স কোম্পানি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিনিধিদল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ