বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২০ পি.এম
দীপাবলির উৎসবের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই উৎসবের আনন্দের অংশ হিসেবে বাজি পোড়ানোর পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব দীপাবলি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বিনোদন জগতের একাধিক তারকা। সম্প্রতি, অভিনেত্রী দিয়া মির্জার মাধ্যমে একটি সচেতনতামূলক ভিডিওবার্তা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে বৃহন্মুম্বই পৌরসভা (বিএমসি)। তবে পরে সেই ভিডিওটি মুছে ফেলা হয়।
এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এবার বাজি পোড়ানোর বিরোধিতা করেছেন অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের মা, সোনি রাজদান।
বুধবার, সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করে সোনি রাজদান। সেখানে দীপাবলিতে বাজি পোড়ানোর ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেন তিনি। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।
সোনি রাজদান মন্তব্য করেন, "যে কোনো ছোট শিশুর বাবা-মাকে জিজ্ঞাসা করলেই জানতে পারবেন, বায়ুদূষণের কারণে তাদের সন্তানরা কতটা ভুগছে। অসুস্থতার জন্য কত দিন স্কুলে যেতে পারছে না তারা।" এর পরেই বাজি পোড়ানোর পক্ষে যারা যুক্তি দিচ্ছেন, তাদের নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সোনি রাজদান।
আলিয়ার মা আরও বলেন, "পরিবেশকে গুরুত্ব না দিয়ে যারা বাজি পোড়ানোকে সমর্থন করছেন, তারাই আসলে দেশদ্রোহী।" এমন পরিস্থিতিতেও যদি কেউ বলেন, এ বছর দীপাবলিতে অন্তত একটি বাজি পোড়ানো উচিত, তাহলে তাকেই তিনি জীবনবিরোধী, স্বাস্থ্যবিরোধী এবং দেশবিরোধী বলবেন।
তিনি বলেন, "নিজের এবং সন্তানের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।" দিয়া মির্জার ভিডিও নিয়ে বিতর্কের কয়েক দিন পরেই সোনি রাজদান এ মন্তব্য করেছেন।
এদিকে, মুম্বাইয়ের বাসিন্দাদের উদ্দেশে ভিডিওতে দিয়া মির্জা বলেছিলেন, উৎসবের মৌসুমে আনন্দের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে হবে ঠিকই, তবে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের কথাও মাথায় রাখতে হবে। বাজি থেকে তৈরি হওয়া শব্দ ও বায়ুদূষণ আমাদের সবার জন্য ক্ষতিকর। তাই শব্দ নয়, আনন্দ দিয়ে দীপাবলি উদযাপন করুন। কিন্তু সেই ভিডিও মুছে দেয় বৃহন্মুম্বই পৌরসভা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আবারও উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়েছে। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ৬ টাকা ৩২ পয়সা বৃদ্ধি পেয়ে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা থেকে ১৮৯ টাকা ৩ পয়সা হয়েছে। গত চার মাসে এটি চতুর্থ দফায় দাম বৃদ্ধি করা হলো।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিইআরসি নতুন দাম নির্ধারণ করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। নতুন দাম আজ রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের মূল্য ১৮৯ টাকা ৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে, দেশি ও বিদেশি এয়ারলাইনসের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১ দশমিক ১৬৩৭ মার্কিন ডলার হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জেট ফুয়েলের দাম গত চার মাসে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগস্ট মাসে প্রতি লিটারের দাম ছিল ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা, যা সেপ্টেম্বর মাসে বেড়ে ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা হয়েছে। অক্টোবরে দাম আরো বৃদ্ধি পেয়ে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা হয়েছে। সর্বশেষ নভেম্বরে নতুন দাম ১৮৯ টাকা ৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জেট এ-১-এর প্ল্যাটস রেটের গড় এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এলসি সেটেলমেন্টে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী বিপিসি এবং পদ্মা অয়েল কম্পানি লিমিটেডের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানি ও বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে ১৩ মে ২০২৫ তারিখে জেট এ-১-এর মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। পরে কমিশন মাসভিত্তিতে প্ল্যাটস রেটের ভিত্তিতে এই মূল্য সমন্বয়ের ব্যবস্থা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকার দাবি করেছে যে, গত অক্টোবর মাসে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের ওপর ৪০ হাজারেরও বেশি সামরিক হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলাগুলোর ফলে প্রায় ২০ হাজার হুথি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছেন।
কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
দেশটির প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল জানায়, ৫ অক্টোবর ‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’ শুরু হওয়ার পর থেকে এসব সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
কাউন্সিলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারি বাহিনী বিভিন্ন রণাঙ্গনে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে মোট ৪০ হাজার ৭৬১টি সামরিক অভিযান চালিয়েছে।
প্রথম মাসের অভিযানে প্রায় ২০ হাজার হুতি যোদ্ধা ও কমান্ডার নিহত, আহত অথবা অন্য কোনোভাবে যুদ্ধের সক্ষমতা হারিয়েছেন।
তবে ইয়েমেন সরকারের এই দাবির বিষয়ে হুথি বিদ্রোহীরা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পপি। একসময় তার নামেই সিনেমা চলত। বর্তমানে তিনি অভিনয়ে নেই। ১৯৯৭ সালে ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিষেক ঘটে। ওই সিনেমায় তার নায়ক ছিলেন ওমর সানী।
পপি দীর্ঘ সময় ধরে আড়ালে রয়েছেন। তিনি গোপনে বিয়ে করেছেন এবং বর্তমানে স্বামী ও সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তার সিনেমা থেকে বঞ্চিত ভক্তরা নায়িকাকে আবারও ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তার প্রথম সিনেমার গীতিকর।
‘আকাশেতে লক্ষ তারা চাঁদ কিন্তু একটারে’ শিরোনামের একটি গান সিনেমাটিতে ব্যবহৃত হয়। গানটি এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে, যে কোনো আয়োজন অনুষ্ঠানে এটি বাজানো হতো। জনপ্রিয় গীতিকার মিল্টন খন্দকার গানটি লিখেছেন এবং আলম খান সুর দিয়েছেন। সম্প্রতি মিল্টন এ গানটি লেখার পেছনের গল্প শেয়ার করেছেন।
মিল্টন খন্দকার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘গানটি লেখার সময় নির্দিষ্ট কোনো নায়িকার কথা তার মাথায় ছিল না। সিনেমায় নায়ক-নায়িকাকে উপস্থাপন করার সময় আমরা তাদের অন্যদের চেয়ে সেরা বলার চেষ্টা করি। যেমন, আকাশেতে লক্ষ তারা, চাঁদ কিন্তু একটারে। এ গানেও আমি মেয়ের চরিত্রটাকে ওইভাবে তুলনা করেছি যে, তুমি এত কিছুর মধ্যেও অনন্য।’
তিনি জানান, এ সিনেমার শুটিং চলাকালে একদিন সেটে গিয়েছিলেন। সেদিন পপিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাকে দেখে তিনি এতটাই মুগ্ধ হন যে, মনে হয়েছে গানটি শুধুমাত্র পপির জন্যই লেখা হয়েছে। মিল্টন বলেন, ‘পপিকে দেখে আমার মনে হলো, মেয়েটা তো সত্যিই চাঁদমুখের একটা মেয়ে। চাঁদের মতো সুন্দর। এভাবেই কথাগুলো মাথায় এসেছে। কিন্তু তখনো ভাবিনি, গানটা এ পর্যায়ে চলে যাবে।’
পপির অভিনয়ের প্রশংসা করেন এ গীতিকবি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বড় পর্দায় না থাকার বিষয়টিকে ইন্ডাস্ট্রির জন্য ক্ষতি মনে করেন।
পপিকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে মিল্টন বলেন, ‘আমি মনে করি, পপি বাংলাদেশের একজন অসাধারণ অভিনেত্রী। সে সিনেমা থেকে দূরে থাকা মানে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য ক্ষতি। আমি তার অভিনয়ের ভীষণ ভক্ত। আশা করব, তিনি আবারও ফিরে আসবেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গিয়ে সেখান থেকে উসকানি প্রদান করছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া সন্ত্রাসীরা গার্মেন্টসে আগুন লাগাচ্ছে এবং মানুষ হত্যা করছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রাম নগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালির আগে গণজমায়েতে তিনি এই কথা বলেন।
রিজভী বর্তমান পোশাক খাতের অস্থিরতার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে সরকার কথা বলেছে এবং ওয়েজ বোর্ডের ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে। মূল শ্রমিকরা এখন আর আন্দোলনে নেই। যারা পুলিশের গাড়িতে আগুন দিচ্ছে এবং আন্দোলনকারীদের পিটিয়ে মারছে, তারা শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া গুন্ডা-সন্ত্রাসী। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া ১১ জনের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এক নেতাও রয়েছেন, যিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এর থেকেই প্রমাণিত হয়, এই মদদ ও উসকানি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসছে।’
তিনি বিগত সরকারের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে বলেছেন, ‘বেসিক ব্যাংক, সোনালী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের টাকা লুট ও পাচার করা হয়েছে। চট্টগ্রামের এক সাবেক মন্ত্রী ও এমপির ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বাড়ি ইংল্যান্ড সরকার বাজেয়াপ্ত করেছে। এই লুটের রাজত্ব ফিরে পেতেই শেখ হাসিনা আবারও সন্ত্রাস ও উসকানির চেষ্টা করছেন। তবে দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ।’
৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে রিজভী বলেছেন, ‘এই দিনটি দেশের মানুষের কথা বলার, রাজনীতি করার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিল। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসন কায়েম করে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হত্যা করেছিল। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর খন্দকার মোশতাকসহ আওয়ামী লীগের নেতারাই ক্ষমতায় এসেছিলেন। এরপর খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানের পর জনজীবনে যে রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার মিলিত স্রোত গণতন্ত্রের মুক্ত বাতাস ফিরিয়ে আনে এবং জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেছেন, ‘৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়েই ছাত্র-জনতা শেখ হাসিনার ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দেশের সব মানুষ মেনে নিয়েছিল। কারণ তিনি একজন গুণী মানুষ, যাকে শেখ হাসিনা বারবার মিথ্যা মামলা দিয়ে অপমানিত করেছিলেন। পরবর্তীতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।’
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরুসহ জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ