জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১১:৪১ পি.এম
রাজবাড়ীতে জেলা বিএনপির উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে বুধবার বিকালে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করা হয়।
আলোচনা সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের বিষয়বস্তু তুলে ধরা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এড. লিয়াকত আলী বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম শিকদার পিন্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, সভাপতি আব্দুল মালেক, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুর রহমান ঝন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেদ পাভেল, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম রোমান, সদস্য সচিব শাহিনুর রহমান শাহিন প্রমুখ।
আলোচনা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থ্যতা কামনায় এক দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষকের কথিত রাষ্ট্রবিরোধী এবং ফ্যাসিবাদী তৎপরতা এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) জিয়া পরিষদ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
শিক্ষক সংগঠনটির নেতারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জনস্বার্থপরিপন্থী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দলের আদর্শিক তৎপরতায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। জুলাই গণআন্দোলনের পর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় মূল্যবোধের অংশীদার হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদ এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির আদর্শিক অবস্থান সমর্থন করে একটি শিক্ষক সংগঠনের বিভিন্ন তৎপরতা ইতোমধ্যে অনলাইনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এই অবস্থায় ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সাথে গত কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে পরিচালিত সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
এদিকে, অভিযোগে উল্লিখিত ৪০৪ জন শিক্ষকের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেছেন, "আমি মীর কাশেম আলীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কেন ফেরত আসলেন?" তিনি এই প্রশ্নের উত্তরে মীর কাশেম আলী বলেছিলেন, "আমি ফিরে না আসলে, আমার ছেলেটাকে ধরে নিয়ে যাবে।" মীর কাশেম আলী আমার বন্ধু ছিলেন। আমরা একসাথে কাশেমপুর কারাগারে জেল খেটেছি। বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, "অনুষ্ঠানে প্রতিবাদ জানানো ব্যক্তিদের বক্তব্যও আমি মনোযোগ দিয়ে শুনেছি।" তিনি উল্লেখ করেছেন, "জুলাই আন্দোলনে যারা সমন্বয় করেছেন, তাদের অবদানও স্মরণ করি।" এছাড়াও, তিনি জানান, "যদি প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন নির্বাসনে না থাকতেন, তাহলে হয়তো আরও সুসংগঠিতভাবে আন্দোলন পরিচালনা করা সম্ভব হতো।" এ সময় তিনি বলেন, "মাঠের অধিকাংশ নেতৃত্ব কারাগারে, গুম বা আত্মগোপনে ছিলেন। তবে জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মাধ্যমে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ স্বৈরাচারের পতন ঘটে।"
নিজের বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "আয়নাঘরে ৬১ দিন থাকার অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। সেখানে একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবে না।" তিনি মীর কাশেম আলীর পরিবারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, "স্বৈরাচার কেবল ব্যক্তিকে নয়, পরিবারকেও ধ্বংস করেছে।" এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে, তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে আহ্বান জানান এবং বলেন, "যদি আমরা বলতে শুরু করি— জুলাই কার, তাহলে জুলাই কারও থাকবে না।"
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, "পৃথিবীর বহু জাতি শত বছর সংগ্রাম করেও স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনি। বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে।" তিনি এই অভ্যুত্থানকে নিউটনের আপেলের মতো হঠাৎ পড়ে যাওয়া কোনো ঘটনা নয় হিসেবে অভিহিত করেন এবং জানান, "দীর্ঘ প্রস্তুতি, ত্যাগ ও সংগ্রামের ফসল এটি। তাই এ অর্জনকে কখনো দলীয়করণ করা যাবে না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ এবং বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ছাত্র-জনতার অপ্রতিরোধ্য জাগরণ ছিল, এই মর্মে মন্তব্য করেছেন খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ।
তিনি আরো বলেন, “ঐতিহাসিক সেই জাগরণে সকল শহীদের মাগফিরাত কামনা করছি। আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”
বুধবার, রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত গণমিছিল-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
খেলাফত মজলিসের আমীর আরও উল্লেখ করেন, “সরকার অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় উপকারভোগী হওয়া সত্ত্বেও গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে অনীহা প্রকাশ করছে। সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংস্কারের পক্ষে গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের রায়কে উপেক্ষা করা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “স্বাক্ষর দেওয়ার পরও জুলাই জাতীয় সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে অনীহা দেখানো এই সনদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা। আমরা অবিলম্বে গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন দেখতে চাই। ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার এবং পলাতক দণ্ডিতদের রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে।”
খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে দলটির মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, “শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করুন। শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হলে মেধার সুস্থ বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। ক্যাম্পাসে দলীয় আধিপত্যবাদী আচরণ বন্ধ করতে হবে।”
তিনি আরো বলেন, “সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বিরোধী দল ও মতের বিরুদ্ধে বিগত ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের চেষ্টা করবেন না। বাংলাদেশের আপসহীন ছাত্র-জনতা নতুন করে কোনো ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে দেবে না।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবিতে সব স্তরের আন্দোলন আরও বেগবান করতে হবে।”
গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং পলাতক ফ্যাসিবাদীদের গুম, খুন, নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচারের দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক।
এছাড়া, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকারের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিল, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, মুহাদ্দিস শেখ সালাহউদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুব বিষয়ক সম্পাদক ও ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আবদুল হক আমিনীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
এ ছাড়া, বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাজী নুর হোসেন, মাওলানা নুরুল হক, মাওলানা নজরুল ইসলাম মাজহারী, আবুল হোসেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী, শ্রমিক মজলিসের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এরশাদসহ অনেকে।
সমাবেশ শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পল্টন মোড় ঘুরে বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্বখ্যাত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস হযরত মাওলানা মুফতি আবুল কাসেম নোমানী (দা.বা.) আগামী ৭ আগস্ট (শুক্রবার) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজের পূর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনি বয়ান প্রদান করবেন। পরে, তিনি জুমার খুতবা প্রদান এবং নামাজে ইমামতি করবেন।
বুধবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে, মুফতি আবুল কাসেম নোমানী পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ঈমান-আকিদা, তাকওয়া, আমল-আখলাক, আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে ইসলামের আদর্শ অনুসরণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
জুমার পূর্ব বয়ান শেষে তিনি খুতবা প্রদান করবেন এবং জুমার নামাজে ইমামতি করবেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আশা, তাঁর ইলমি আলোচনা, খুতবা ও ইমামতির মাধ্যমে জাতীয় মসজিদে আগত মুসল্লিরা কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা লাভ করবেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মাওলানা মুফতি আবুল কাসেম নোমানী বর্তমানে ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উপমহাদেশে ইসলামী শিক্ষা, হাদিসচর্চা ও দ্বীনি জ্ঞান বিস্তারে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাদিসের পাঠদান, দাওয়াত এবং ইসলামী গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
তাঁর ইলমি প্রজ্ঞা, হাদিসশাস্ত্রে গভীর জ্ঞান এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তাশীল দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তিনি ভারত, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে, তিনি ৪ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশে অবস্থান করছেন। এ সময়ে তিনি বিভিন্ন দ্বীনি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি দেশের আলেম-ওলামা এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম দেশের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্র। এখানে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত আলেমদের বয়ান ও আলোচনা মুসল্লিদের ধর্মীয় জ্ঞান বৃদ্ধি, নৈতিকতা, সম্প্রীতি এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রতিষ্ঠানটি আশা প্রকাশ করেছে, মুফতি আবুল কাসেম নোমানীর বয়ান ও খুতবার মাধ্যমে মুসল্লিদের মধ্যে পবিত্র কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষা অনুসরণের আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং ঈমান-আমল, তাকওয়া, আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক দায়িত্ববোধের চেতনা আরও সুদৃঢ় হবে।
এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের মুসল্লি এবং ধর্মপ্রাণ জনগণকে আগামী শুক্রবার যথাসময়ে মসজিদে উপস্থিত হয়ে তাঁর বয়ান শ্রবণ এবং জুমার নামাজে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইমাম-মুয়াজ্জিন এবং ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্তদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ