শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫২ পি.এম
বিএনপির নাম ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি বাজারে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা করছে। স্কুলের লাইব্রেরি দখল করে তারা ক্লাব গঠন করেছে। ক্লাবের মাধ্যমে সেখানে মাদক বিক্রির অভিযোগ করেছেন ঈশ্বরদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেকমত উল্লাহ কনক মণ্ডল।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদীতে সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়িয়া বাজারে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।
এ কর্মসূচিটি সাঁড়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দেড় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেকমত উল্লাহ কনক মণ্ডল, যুবদল নেতা আতাউর রহমান, মনোয়ার হোসেন মনির, সাজেদুল হোসেন, আকরাম হোসেন ও জাকারিয়া সেন্টু, মহিলা দলের নেত্রী আনজু খাতুন ও রনিফা বেগম, ছাত্রদল নেতা প্রিন্স মাহমুদ, তহিদুল ইসলাম, সাব্বির হোসেন ও জয় ইসলাম প্রমুখ।
হেকমত উল্লাহ কনক মণ্ডল বলেন, "অবৈধভাবে বেশ কয়েকটি দোকান তুলে জায়গা দখল করে আছে। বাজারের জায়গা দখল করে অফিস নির্মাণ করেছে। বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবের নামে তারা নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে।"
আতাউর রহমান মন্তব্য করেন, "আমাদের ইউনিয়ন খুব শান্তিপূর্ণ একটা জায়গা ছিল। কিন্তু কিছু কূচক্র, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি করে। মাদক ব্যবসা করে। গুলিবর্ষণ করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এতে আমাদের এলাকার শান্তি নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে আমরা মানববন্ধন করছি। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবকে উদ্দ্যেশ্য করে তারা অশালীন বক্তব্য দেয়। মিথ্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।"
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে আসছে। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
মানববন্ধনের বক্তারা অবিলম্বে এসব মাদক ব্যবসায়ী এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে জনগণের সমস্যা ও তার সমাধানের লক্ষ্যে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় ট্যাংরাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোহেল ফরাজির উদ্যোগে এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে ৬, ৭ নং ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মুখ থেকে সরাসরি তাদের সমস্যার কথা শোনা এবং তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া।
বৈঠকে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বিভিন্ন জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তারা ক্ষতবিক্ষত ইটের সলিং রাস্তা দ্রুত পিচ ঢালাই, ট্যাংরাখালী স্কুল মাঠ বালু দিয়ে ভরাট করে খেলার উপযোগী করা এবং যুব সমাজকে মাদক থেকে রক্ষায় করার জন্য নিয়ামতি ইউনিয়নে বিভিন্ন খেলার মাঠগুলো সংস্কার করে খেলার উপযোগীতা করে গড়ে তোল।
বৈঠকে এক অসহায় বৃদ্ধ মহিলা তার সংসারের করুণ দুর্দশা ও চিকিৎসার জন্য সহায়তার আবেদন জানান। ওই বৃদ্ধ মহিলার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনা হয়। এ সময় বাউল গানের মাধ্যমে সোহেল ফরাজির করা উন্নয়নমূলক কাজের চিত্র তুলে ধরা হয়।
পরে জনগণের সমস্যার জবাবে সোহেল ফরাজি বলেন, "আমি নিয়ামতি ইউনিয়নে কোটি টাকার কাজ করেছি। তিনবার চেয়ারম্যান হলেও এত টাকা তোলা সম্ভব নয়। আমি নিয়ামতির বাইরেও দুটো রাস্তার কাজ করে দিয়েছি, সেখানে আমার কোনো ভোট নেই। আমি ভোটের আশায় নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করি।"
তিনি আরও বলেন, "আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী হবো কিনা এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি। একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে আমি সরকারি অর্থায়নে কাজ করেছি। সরকারি বরাদ্দ তো আপনারাও পেয়েছেন, তাহলে আপনাদের কাজ কোথায়?"
পরে তিনি ওই অসহায় বৃদ্ধ মহিলার চিকিৎসা সহায়তা, ক্ষতবিক্ষত রাস্তা সংস্কার এবং স্কুল মাঠ ভরাটের আশ্বাস দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে রাত ৮টায় উঠান বৈঠক শেষ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারী বৃষ্টির ফলে তুরস্কের পর্যটনকেন্দ্র ক্যাপাডোসিয়ায় ভূমিধসের কারণে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক এবং বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ক্যাপাডোসিয়ার গোরেমে শহরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। শহরের উন্মুক্ত জাদুঘরের নিকটবর্তী একটি গাড়ি পার্কিং এলাকার পাশে অবস্থিত পাথরের স্তম্ভটি ভূমিধসের কারণে ভেঙে পড়ে।
তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জানান, প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় এবং পাঁচজন আহত হন। পরে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও একজনের লাশ উদ্ধার করেন, ফলে নিহতের সংখ্যা তিনে পৌঁছায়।
নেভশেহির প্রদেশের গভর্নর হুসেইন কোক জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক রয়েছে। অন্যদিকে, বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পাথরের স্তম্ভটি ধসে পড়ার সময় একটি বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যে চারপাশ ধুলায় ঢেকে যায়।
দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাটি সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। উদ্ধারকর্মীরা শক্তিশালী আলোর ব্যবস্থা করে সারা রাত ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালান। এই কাজে খননযন্ত্রও ব্যবহার করা হয়।
উদ্ধার অভিযান শেষে গভর্নর হুসেইন কোক জানান, উদ্ধার ও তল্লাশির সব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ শেষে উদ্ধারকারী দলগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানে আর অভিযান চালানোর প্রয়োজন নেই।
তিনি আরও জানান, শুক্রবার থেকে প্রধান সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়ের উদ্যোগে ঘটনার তদন্ত শুরু হবে। একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞরা দুর্ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চল বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই অঞ্চলটি আগ্নেয়গিরির প্রাচীন কার্যকলাপে তৈরি শঙ্কু আকৃতির পাথুরে স্তম্ভের জন্য বিখ্যাত। স্থানীয়ভাবে এসব গঠনকে ‘ফেরি চিমনি’ বলা হয়।
তথ্যসূত্র: সিএনএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে রাস্তার সংলগ্ন বিশাল বালুর স্তূপ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন ড্রেজার এবং ডাম্প ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে বালু এনে সড়কের পাশে স্তূপ করা হচ্ছে। বালু বিক্রি হলে সেগুলোও ট্রাকে তোলা হচ্ছে। বালুর স্তূপগুলো মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায়, সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বিশেষ করে, হালকা বাতাস হলেই উড়ন্ত বালু চালকদের চোখে-মুখে এসে পড়ছে। এর ফলে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছে। মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহনের চালকদের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। পাশাপাশি, বালু উড়ে পরিবেশও দূষিত হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের গোদাগাড়ী উপজেলার সোনাদিঘী, গোপালপুর, বিজয়নগর, সারেংপুর, জৈতগশাই, সুলতানগঞ্জ, গাংগোবাড়ী ও মহিশালবাড়ীসহ প্রায় ১৫টি স্থানে মহাসড়ক ঘেঁষে এভাবে বালুর স্তূপ রাখা হয়েছে।
স্থানীয় অটোরিকশাচালক দুলাল মন্তব্য করেন, "এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করি। বাতাস উঠলেই বালু উড়ে চোখে ঢুকে যায়, সামনে কিছু দেখা যায় না। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"
গোদাগাড়ী পৌরসভা এলাকার ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ও মোটরসাইকেলচালক ওবাইদুল্লাহ বলেন, "রাস্তার পাশে বালুর স্তূপ থাকায় আমাদের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। এগুলো দ্রুত সরানো না হলে যেকোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"
সুলতানগঞ্জ গাংগোবাড়ী এলাকার বালু ব্যবসায়ী আব্দুল করিম জানান, "রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বৈধভাবে সর্বোচ্চ দর দিয়ে আমরা ইজারা নিয়েছি। বালুর কারণে কিছুটা সমস্যা হয়, তা অস্বীকার করার কিছু নেই। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের কাছে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ করেননি।"
গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাউদ্দীন বিশ্বাস বলেন, "এভাবে সড়কের পাশে বালুর ব্যবসা চলায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, অথচ প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।"
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) রাজশাহী জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট তৌফিক আহমেদ টিটু বলেন, "রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কটি তুলনামূলক সরু দুই লেনের। সেখানে সব সময় যানবাহনের চাপ থাকে এবং বেশ কিছু বিপজ্জনক বাঁক রয়েছে। বালুর ব্যবসার কারণে এখন ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে। মহাসড়কের পাশে এভাবে বালু রাখা কিছুতেই কাম্য নয়।"
জানতে চাইলে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, "মহাসড়কের পাশে বালু রেখে ব্যবসা করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। সড়ক ও জনপথ বিভাগ তা সরানোর উদ্যোগ নিলে উপজেলা প্রশাসন অবশ্যই তাদের সহযোগিতা করবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেবে।"
রাজশাহী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, "সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, মহাসড়কের অন্তত ৩৩ ফুটের মধ্যে কোনো স্থাপনা বা ব্যবসা পরিচালনা করার অনুমতি নেই। নিয়ম অমান্য করে কেউ সড়কের ওপর বা পাশ ঘেঁষে বালু রাখলে, তা অপসারণ ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মূল দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের।"
এ বিষয়ে রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, "সড়ক-মহাসড়ক ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বালু স্তূপ করে ব্যবসা বা মজুত করা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। বালুর ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই তা পলিথিন বা অন্য কিছু দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং পরিবহনের সময়ও বালু ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে নোটিশ দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের নারী ক্রিকেটের উন্নয়ন ও তৃণমূল পর্যায়ে খেলাটির বিস্তার ঘটানোর জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্কুল ক্রিকেট চালুর পাশাপাশি বিভাগীয় পর্যায়ে কোচ নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে, সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। নারী ক্রিকেটের জন্য আট বিভাগে কোচ নিয়োগ চূড়ান্ত করেছে বিসিবি।
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আট বিভাগে মোট আটজন প্রধান কোচ নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে পাঁচজন নারী এবং তিনজন পুরুষ কোচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া, বিভাগীয় পর্যায়ে সহকারী কোচ ও ম্যানেজার নিয়োগের বিষয়টিও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়ায় সাবেক ক্রিকেটার এবং লেভেল-১ কোচিং সনদধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তালিকায় জাতীয় দল ও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা একাধিক সাবেক ক্রিকেটারও রয়েছেন।
বিসিবির এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভাগীয় পর্যায়ে নারী ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে, তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান ক্রিকেটার তুলে এনে নারী ক্রিকেটের পাইপলাইন আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে বোর্ড কাজ করছে।
কোন বিভাগে কারা দায়িত্ব পাচ্ছেন চলুন দেখে নেওয়া যাক-
ঢাকা বিভাগ
মাকসুদা লিজা : ম্যানেজার
রেশমা আক্তার আদুরী: প্রধান কোচ
নাদেজা মুনতাহা: সহকারী কোচ
বরিশাল বিভাগ
মাহমুদুল হায়দার: সহকারী কোচ
আখতারুজ্জামান নয়ন: প্রধান কোচ
মুর্শিদা নাজনীন: ম্যানেজার
চট্টগ্রাম বিভাগ
মোহাম্মদ দিদারুল আলম চৌধুরী: ম্যানেজার
মোহাম্মদ ইসমাইল: কোচ
পারমিতা দত্ত: সহকারী কোচ
রংপুর বিভাগ
মনিকা আক্তার আশা: ম্যানেজার
আরিফা জাহান বীথি: প্রধান কোচ
মুর্শেদা খাতুন সোমা: সহকারী কোচ
খুলনা বিভাগ
সুলতানা ইয়াসমিন: ম্যানেজার
আয়েশা রহমান শুকতারা: প্রধান কোচ
তাজিয়া আক্তার: সহকারী কোচ
সিলেট বিভাগ
আল ওয়াদুদ সুইট: প্রধান কোচ
শাহনাজ পারভীন: সহকারী কোচ
সেলিনা আক্তার চৌধুরী: ম্যানেজার
রাজশাহী বিভাগ
পান্না ঘোষ: প্রধান কোচ
মোহাম্মদ সান: সহকারী কোচ
ইমরুল কায়েস: ম্যানেজার
ময়মনসিংহ বিভাগ
মৃদুল: প্রধান কোচ
লিলি রানী বিশ্বাস: সহকারী কোচ
সুজন: ম্যানেজার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ