প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারী বৃষ্টির ফলে তুরস্কের পর্যটনকেন্দ্র ক্যাপাডোসিয়ায় ভূমিধসের কারণে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক এবং বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ক্যাপাডোসিয়ার গোরেমে শহরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। শহরের উন্মুক্ত জাদুঘরের নিকটবর্তী একটি গাড়ি পার্কিং এলাকার পাশে অবস্থিত পাথরের স্তম্ভটি ভূমিধসের কারণে ভেঙে পড়ে।
তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জানান, প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় এবং পাঁচজন আহত হন। পরে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও একজনের লাশ উদ্ধার করেন, ফলে নিহতের সংখ্যা তিনে পৌঁছায়।
নেভশেহির প্রদেশের গভর্নর হুসেইন কোক জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক রয়েছে। অন্যদিকে, বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পাথরের স্তম্ভটি ধসে পড়ার সময় একটি বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যে চারপাশ ধুলায় ঢেকে যায়।
দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাটি সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। উদ্ধারকর্মীরা শক্তিশালী আলোর ব্যবস্থা করে সারা রাত ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালান। এই কাজে খননযন্ত্রও ব্যবহার করা হয়।
উদ্ধার অভিযান শেষে গভর্নর হুসেইন কোক জানান, উদ্ধার ও তল্লাশির সব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ শেষে উদ্ধারকারী দলগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানে আর অভিযান চালানোর প্রয়োজন নেই।
তিনি আরও জানান, শুক্রবার থেকে প্রধান সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়ের উদ্যোগে ঘটনার তদন্ত শুরু হবে। একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞরা দুর্ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চল বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই অঞ্চলটি আগ্নেয়গিরির প্রাচীন কার্যকলাপে তৈরি শঙ্কু আকৃতির পাথুরে স্তম্ভের জন্য বিখ্যাত। স্থানীয়ভাবে এসব গঠনকে ‘ফেরি চিমনি’ বলা হয়।
তথ্যসূত্র: সিএনএ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন