ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সত্যিই কি ইরানের তিন পাইলট জীবিত আছেন? যা বলছে কাতার


সত্যিই কি ইরানের তিন পাইলট জীবিত আছেন? যা বলছে কাতার

সম্প্রতি ইরান দাবি করেছে যে, কাতারের একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অভিযান চালাতে যাওয়া তাদের তিন পাইলট জীবিত আছেন এবং কাতার তাদের বন্দি করে রেখেছে। তবে কাতার শনিবার এক বিবৃতিতে এই দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। কাতারের দাবি, তারা তল্লাশি চালিয়ে এক ইরানি পাইলটের দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে দেওয়া পোস্টে জানিয়েছে, গত মার্চ মাসে ইরানি যুদ্ধবিমানগুলো তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছিল। নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষার্থে কাতার তখন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বিমানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাইলটরা কোনো সাড়া দেননি। পরে উদ্ধারকারী দল এক পাইলটের দেহাবশেষ খুঁজে পায়। এই দেহাবশেষ হস্তান্তরের জন্য ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু অভিযানের বিস্তারিত পর্যালোচনার জন্য দোহা যে আহ্বান জানিয়েছিল, তাতে তেহরান এখনও সাড়া দেয়নি।

অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং নিখোঁজ অনুসন্ধান কমিটির কমান্ডার মোহাম্মদ বাকেরজাদেহর দাবি ভিন্ন। তারা জানান যে, কাতারে হামলার মিশনে গিয়ে যুদ্ধবিমান থেকে লাফ দেওয়ার পর কাতারি বাহিনী ওই তিন পাইলটকে জীবিত আটক করে।

আরও পড়ুন: গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন জোরদারে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

এই ঘটনার প্রকৃত সত্য জানতে কয়েক মাস ধরেই একটি তদন্ত দল পাঠাতে চাইছে তেহরান। কিন্তু কাতার বারবার তদন্তে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। আইআরজিসি বলছে, বন্দি রাখার কথা অস্বীকার না করে কাতারের উচিত ইরানি বিশেষজ্ঞদের সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া। নিখোঁজ পাইলটদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে রেড ক্রসের জরুরি হস্তক্ষেপও চেয়েছে ইরান।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায় ইরান। ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সে সময়ই ওই তিন পাইলট মিশনে অংশ নিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্য গ্রেগরিয়ান জাদুঘর নির্মাণে সমঝোতা চুক্তি সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


দ্য গ্রেগরিয়ান জাদুঘর নির্মাণে সমঝোতা চুক্তি সই

‘রক্ষা এবং সংরক্ষণ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সেন্ট গ্রেগরি স্কুলের মূল্যবান ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দ্য গ্রেগরিয়ান সোসাইটি-টিজিএস। এটি দেশের কোনো বিদ্যালয়ে প্রথমবারের জন্য জাদুঘর তৈরির উদ্যোগ।

গ্রেগরিয়ান জাদুঘর এটি একদল সাবেক গ্রেগরিয়ানের দীর্ঘ দিনের অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের ফলাফল। এই জাদুঘরটি স্কুল প্রাঙ্গণে নির্মিত হতে চলেছে এবং এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামী ১৩ নভেম্বর।

সম্প্রতি, স্কুল প্রাঙ্গণে জাদুঘর বিষয়ক একটি সমঝোতা চুক্তিতে সই করেছে গ্রেগরিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সঙ্গে টিজিএস। এই চুক্তিতে সই করেন টিজিএসের সহসভাপতি ১৯৭৪ ব্যাচের রিজওয়ান খাইর ও সেন্ট গ্রেগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাদার প্লাসিড পিটার রেবেইরো সিএসসি।

এছাড়া, অনুষ্ঠানে ১৯৮২ ব্যাচের মোঃ হাফিজ, ১৯৮৭ সালের রিচার্ড গোমেজসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, স্কুলের শিক্ষক এবং টিজিএসের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দ্য গ্রেগরিয়ান সোসাইটির সদস্যরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে জাদুঘর নির্মাণে অবদান রেখেছেন। শত বছরের পুরনো এই স্কুলটির ইতিহাস সংরক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অর্জনকে আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এটি বিশেষ ভূমিকা পালন করবে, এমনটাই মনে করেন সোসাইটির সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকার সরকারি জমি দখলমুক্ত করল প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ পি.এম


কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকার সরকারি জমি দখলমুক্ত করল প্রশাসন

 

রাতের আঁধারে টিনের ঘেরা দিয়ে কক্সবাজার সাগর পারের দখল করা প্রায় ৫০০ কোটি টাকার সরকারি প্লট উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় রাতের আঁধারে টিনের ঘেরাবেড়া দিয়ে দখলে নেওয়া প্রায় পাঁচ একর সরকারি জমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। উদ্ধার হওয়া জমির আনুমানিক মূল্য ৫০০ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ টিনের ঘেরাবেড়া উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় দখলের উদ্দেশে নির্মিত ঘেরাবেড়া জব্দ করা হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান সায়েম বলেন, ‘সরকারি জমি দখলের চেষ্টার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভবিষ্যতে কেউ সরকারি জমি দখলের চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের অজান্তে শুক্রবার দিবাগত রাতে সরকারি জমিটি টিনের ঘেরাবেড়া দিয়ে দখল করা হয়। উদ্ধার হওয়া জমিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাইনবোর্ড টাঙানো হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পর্যটন শিল্পের বিকাশে ২০০৩ সালে সমুদ্রসৈকতের হোটেল-মোটেল জোনে ১৩০ একর সরকারি খাসজমি নিয়ে ৮৭টি প্লট তৈরি করে ৯৯ বছরের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়।

পরে বরাদ্দের শর্ত অনুযায়ী অবকাঠামো নির্মাণ না করায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫৯টি প্লটের ইজারা বাতিল করা হয় এবং সেসব জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, ইজারা বাতিল হওয়া সরকারি ওই জমির প্রায় পাঁচ একর শুক্রবার গভীর রাতে টিন ও বাঁশের ঘেরাবেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় দোকানিদের দাবি, মধ্যরাতের পর অর্ধশতাধিক শ্রমিক কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। একই এলাকায় জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকা আরো ৫ থেকে ৬ একর জমিতে মাছ চাষের ঘেরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের আঁধারে সরকারি সম্পত্তি দখলের ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

শনিবার স্থানীয় পর্যটনসেবী ও বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে অবৈধ ঘেরাবেড়ার কিছু অংশ ভেঙে দেন। পরে জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে পুরো এলাকা দখলমুক্ত করলে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

প্রসঙ্গত, গত বছরও সমুদ্রসৈকত এলাকায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি রাতারাতি দোকানপাট নির্মাণের মাধ্যমে দখল করা হয়েছিল। পরে জেলা প্রশাসনের অভিযানে সেগুলো উচ্ছেদ করে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

নতুন বছরের শুরু হতে এখনও ৪ মাস বাকি রয়েছে। তবে এর মধ্যেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নজর ২০২৭ সালের ক্যালেন্ডারে। আসন্ন পবিত্র রমজান কবে শুরু হবে, এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে পালিত হবে, তা নিয়ে কৌতূহল যেন শেষ হচ্ছে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক হিসাবের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রমজান এবং ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ করেছে জর্ডান নিউজ।

মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব রাজ্যের হিজরি ক্যালেন্ডারের ওয়েবসাইট স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ১৪৪৮ হিজরির রমজান মাস ২০২৭ সালের প্রথম তৃতীয়াংশের মধ্যে পড়বে এবং আগামী বছর রমজান শুরুর সম্ভাব্য দিনটি হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি। এদিনটি ক্যালেন্ডারে সোমবার হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৭ সালের পবিত্র রমজানের নতুন চাঁদ দেখা যাবে শনিবার, যা ১৪৪৮ সালের শাবান মাসের ২৯ তারিখের সঙ্গে মিলে যায়। এর ফলে হিজরি বর্ষের অষ্টম মাসটি (৩০ দিন) পূর্ণ হবে এবং ৭ ফেব্রুয়ারি (রোববার) समाप्त হবে। পরের দিন অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে।

এ ছাড়াও, ২০২৭ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতরের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ১৪৪৮ হিজরি সনের রমজান মাস ২৯ দিন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই মাস আগামী বছরের ৮ মার্চ (সোমবার) শেষ হতে পারে। ফলে এর পরদিন ৯ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম দিন হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীকে আটকে হেনস্তার অভিযোগে ঢাবির প্রভোস্ট অবরুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


শিক্ষার্থীকে আটকে হেনস্তার অভিযোগে ঢাবির প্রভোস্ট অবরুদ্ধ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের একজন আবাসিক শিক্ষার্থীকে কক্ষে আটকে রেখে মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জোরপূর্বক লিখিত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার (১৬ আগস্ট) রাতে প্রভোস্টকে অবরুদ্ধ করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন হলের শিক্ষার্থীরা।

রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ এবং ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের ভিপি শিক্ষার্থীদের সামনে প্রভোস্টকে অবরুদ্ধ করার ঘোষণা দেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এতে হলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

এর আগে রবিবার নিজের ফেসবুকে একটি পোস্টে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীম। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। ইব্রাহীমের অভিযোগ, হলের বিভিন্ন সংকট এবং প্রভোস্টের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করার কারণে তাঁকে প্রভোস্ট কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখা হয়।

ইব্রাহীম জানিয়েছেন, হলের শিক্ষার্থীদের পছন্দের একটি খাবারের দোকান বন্ধ করে দেওয়া, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে বাজেট না দেওয়ার বিষয় তুলে ধরে তিনি ওই পোস্টটি করেছিলেন। নিরাপত্তার স্বার্থে আগে থেকেই তিনি মোবাইল ফোনে অডিও রেকর্ড চালু করে প্রভোস্টের কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন।

তাঁর অভিযোগ, কথাবার্তার একপর্যায়ে প্রভোস্ট চিৎকার করে ওঠেন এবং তাঁর নির্দেশে হলের ইলেকট্রিশিয়ান মারুফ ও প্রধান সহকারী আরিফ হোসেনসহ কয়েকজন স্টাফ জোরপূর্বক তাঁর ফোন কেড়ে নেন। এরপর কক্ষের দরজা বন্ধ করে দিয়ে তাঁর ফোন পরীক্ষা করা হয়। এ সময় তাঁকে হলের আবাসিক সিট এবং ছাত্রত্ব বাতিল করার, সাইবার মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়। তাঁকে ‘হল সংসদের নেতাদের প্ররোচনায় ফেসবুকে লিখেছেন’—এমন একটি লিখিত বক্তব্যে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করতেও বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ করেন ইব্রাহীম। এ সময়ে তাঁর মাকেও ফোন করা হয়।

তবে ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন এসব শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, না জেনে-শুনে ফেসবুকে হলের বিষয়ে লেখালেখি করার জন্য ইব্রাহীমকে ডেকে বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়েছিল।

প্রভোস্ট বলেন, হলের খেলাধুলার জন্য কোনো বরাদ্দ আসে না, হল প্রশাসন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে। এসব না জেনে ওই শিক্ষার্থী ফেসবুকে সমালোচনা করে। কথাবার্তার একপর্যায়ে ইব্রাহীম নিজের ভুল স্বীকার করে। অনুমতি ছাড়া কথাবার্তা রেকর্ড করতে দেখে তাঁর মাকে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়, যেন ভবিষ্যতে সে এ ধরনের কাজ না করে।

মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুন আরও জানান, ইব্রাহীমকে বসিয়ে নাশতা করানো হয়েছে এবং তাঁর মাকেও আশ্বস্ত করা হয়েছে। পরে সে ক্ষমা চেয়ে বেরিয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো বিষয়ে মন্তব্য করার আগে শিক্ষার্থীদের সঠিক তথ্য জেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%