ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকার সরকারি জমি দখলমুক্ত করল প্রশাসন


কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকার সরকারি জমি দখলমুক্ত করল প্রশাসন

 

রাতের আঁধারে টিনের ঘেরা দিয়ে কক্সবাজার সাগর পারের দখল করা প্রায় ৫০০ কোটি টাকার সরকারি প্লট উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় রাতের আঁধারে টিনের ঘেরাবেড়া দিয়ে দখলে নেওয়া প্রায় পাঁচ একর সরকারি জমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। উদ্ধার হওয়া জমির আনুমানিক মূল্য ৫০০ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: শিল্পীর তুলিতে প্রস্তুত প্রতিমা, সন্ধ্যায় দেবীকে আবাহন

রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ টিনের ঘেরাবেড়া উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় দখলের উদ্দেশে নির্মিত ঘেরাবেড়া জব্দ করা হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান সায়েম বলেন, ‘সরকারি জমি দখলের চেষ্টার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভবিষ্যতে কেউ সরকারি জমি দখলের চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের অজান্তে শুক্রবার দিবাগত রাতে সরকারি জমিটি টিনের ঘেরাবেড়া দিয়ে দখল করা হয়। উদ্ধার হওয়া জমিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাইনবোর্ড টাঙানো হবে।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পর্যটন শিল্পের বিকাশে ২০০৩ সালে সমুদ্রসৈকতের হোটেল-মোটেল জোনে ১৩০ একর সরকারি খাসজমি নিয়ে ৮৭টি প্লট তৈরি করে ৯৯ বছরের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়।

পরে বরাদ্দের শর্ত অনুযায়ী অবকাঠামো নির্মাণ না করায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫৯টি প্লটের ইজারা বাতিল করা হয় এবং সেসব জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, ইজারা বাতিল হওয়া সরকারি ওই জমির প্রায় পাঁচ একর শুক্রবার গভীর রাতে টিন ও বাঁশের ঘেরাবেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় দোকানিদের দাবি, মধ্যরাতের পর অর্ধশতাধিক শ্রমিক কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। একই এলাকায় জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকা আরো ৫ থেকে ৬ একর জমিতে মাছ চাষের ঘেরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের আঁধারে সরকারি সম্পত্তি দখলের ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: টেকনাফে পাচারের সময় নারীসহ ৯ জনকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ

শনিবার স্থানীয় পর্যটনসেবী ও বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে অবৈধ ঘেরাবেড়ার কিছু অংশ ভেঙে দেন। পরে জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে পুরো এলাকা দখলমুক্ত করলে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

প্রসঙ্গত, গত বছরও সমুদ্রসৈকত এলাকায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি রাতারাতি দোকানপাট নির্মাণের মাধ্যমে দখল করা হয়েছিল। পরে জেলা প্রশাসনের অভিযানে সেগুলো উচ্ছেদ করে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

নতুন বছরের শুরু হতে এখনও ৪ মাস বাকি রয়েছে। তবে এর মধ্যেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নজর ২০২৭ সালের ক্যালেন্ডারে। আসন্ন পবিত্র রমজান কবে শুরু হবে, এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে পালিত হবে, তা নিয়ে কৌতূহল যেন শেষ হচ্ছে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক হিসাবের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রমজান এবং ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ করেছে জর্ডান নিউজ।

মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব রাজ্যের হিজরি ক্যালেন্ডারের ওয়েবসাইট স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ১৪৪৮ হিজরির রমজান মাস ২০২৭ সালের প্রথম তৃতীয়াংশের মধ্যে পড়বে এবং আগামী বছর রমজান শুরুর সম্ভাব্য দিনটি হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি। এদিনটি ক্যালেন্ডারে সোমবার হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৭ সালের পবিত্র রমজানের নতুন চাঁদ দেখা যাবে শনিবার, যা ১৪৪৮ সালের শাবান মাসের ২৯ তারিখের সঙ্গে মিলে যায়। এর ফলে হিজরি বর্ষের অষ্টম মাসটি (৩০ দিন) পূর্ণ হবে এবং ৭ ফেব্রুয়ারি (রোববার) समाप्त হবে। পরের দিন অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে।

এ ছাড়াও, ২০২৭ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতরের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ১৪৪৮ হিজরি সনের রমজান মাস ২৯ দিন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই মাস আগামী বছরের ৮ মার্চ (সোমবার) শেষ হতে পারে। ফলে এর পরদিন ৯ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম দিন হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীকে আটকে হেনস্তার অভিযোগে ঢাবির প্রভোস্ট অবরুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


শিক্ষার্থীকে আটকে হেনস্তার অভিযোগে ঢাবির প্রভোস্ট অবরুদ্ধ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের একজন আবাসিক শিক্ষার্থীকে কক্ষে আটকে রেখে মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জোরপূর্বক লিখিত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার (১৬ আগস্ট) রাতে প্রভোস্টকে অবরুদ্ধ করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন হলের শিক্ষার্থীরা।

রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ এবং ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের ভিপি শিক্ষার্থীদের সামনে প্রভোস্টকে অবরুদ্ধ করার ঘোষণা দেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এতে হলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

এর আগে রবিবার নিজের ফেসবুকে একটি পোস্টে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীম। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। ইব্রাহীমের অভিযোগ, হলের বিভিন্ন সংকট এবং প্রভোস্টের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করার কারণে তাঁকে প্রভোস্ট কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখা হয়।

ইব্রাহীম জানিয়েছেন, হলের শিক্ষার্থীদের পছন্দের একটি খাবারের দোকান বন্ধ করে দেওয়া, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে বাজেট না দেওয়ার বিষয় তুলে ধরে তিনি ওই পোস্টটি করেছিলেন। নিরাপত্তার স্বার্থে আগে থেকেই তিনি মোবাইল ফোনে অডিও রেকর্ড চালু করে প্রভোস্টের কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন।

তাঁর অভিযোগ, কথাবার্তার একপর্যায়ে প্রভোস্ট চিৎকার করে ওঠেন এবং তাঁর নির্দেশে হলের ইলেকট্রিশিয়ান মারুফ ও প্রধান সহকারী আরিফ হোসেনসহ কয়েকজন স্টাফ জোরপূর্বক তাঁর ফোন কেড়ে নেন। এরপর কক্ষের দরজা বন্ধ করে দিয়ে তাঁর ফোন পরীক্ষা করা হয়। এ সময় তাঁকে হলের আবাসিক সিট এবং ছাত্রত্ব বাতিল করার, সাইবার মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়। তাঁকে ‘হল সংসদের নেতাদের প্ররোচনায় ফেসবুকে লিখেছেন’—এমন একটি লিখিত বক্তব্যে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করতেও বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ করেন ইব্রাহীম। এ সময়ে তাঁর মাকেও ফোন করা হয়।

তবে ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন এসব শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, না জেনে-শুনে ফেসবুকে হলের বিষয়ে লেখালেখি করার জন্য ইব্রাহীমকে ডেকে বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়েছিল।

প্রভোস্ট বলেন, হলের খেলাধুলার জন্য কোনো বরাদ্দ আসে না, হল প্রশাসন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে। এসব না জেনে ওই শিক্ষার্থী ফেসবুকে সমালোচনা করে। কথাবার্তার একপর্যায়ে ইব্রাহীম নিজের ভুল স্বীকার করে। অনুমতি ছাড়া কথাবার্তা রেকর্ড করতে দেখে তাঁর মাকে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়, যেন ভবিষ্যতে সে এ ধরনের কাজ না করে।

মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুন আরও জানান, ইব্রাহীমকে বসিয়ে নাশতা করানো হয়েছে এবং তাঁর মাকেও আশ্বস্ত করা হয়েছে। পরে সে ক্ষমা চেয়ে বেরিয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো বিষয়ে মন্তব্য করার আগে শিক্ষার্থীদের সঠিক তথ্য জেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন, বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন, বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা

ফ্লাইহুইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদনের সফলতার দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। পরীক্ষামূলক এই সফলতার পর, বর্তমানে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি পূর্ণাঙ্গ প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহায়তা করছে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) সংস্থাটি।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে, বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়ার বামদিঘী এলাকায় পরীক্ষামূলক এই ফ্লাইহুইল বিদ্যুৎ উৎপাদন প্ল্যান্ট সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা এবং আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা পাওয়া গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে তুলনামূলক কম খরচ হতে পারে এবং দেশের জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব।

সরেজমিনে পরিদর্শনকালে দেখা যায়, ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য স্থাপিত যন্ত্রপাতি ও মোটর চালু করে কার্যক্রম প্রদর্শিত হচ্ছে। তখন দুটি পাম্প ও একটি ওয়েল্ডিং মেশিন চালিয়ে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, যদি আরও কিছু প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি যুক্ত করা হয় তবে পরীক্ষামূলক ব্যবস্থাকে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন ব্যবস্থায় রূপান্তর করা সম্ভব।

আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক মন্তব্য করেন, '২০০৪ সাল থেকে এ প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। ২০১০ সালের পর গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেমন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনেও ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির ব্যবহার রয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে, জ্বালানি ব্যবহার না করে কীভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় সে চিন্তাভাবনা থেকেই ফ্লাইহুইল প্রযুক্তি নিয়ে আমাদের গবেষণা চলমান। পরীক্ষামূলকভাবে ৫০০ কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি মোটর চালু করে আমরা বিভিন্ন কার্যক্রম দেখেছি। প্রাথমিক হিসাবে ফ্লাইহুইল প্রযুক্তিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হতে পারে প্রায় ১ টাকা ৫০ পয়সা।'

ড. আব্দুল মজিদ আরো জানিয়েছেন, 'আরডিএতে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। একই পরিমাণ বিদ্যুৎ সার্বক্ষণিকভাবে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে উৎপাদন করতে গেলে ১০০ কোটি টাকার বেশি খরচ হতে পারে। এই প্রযুক্তির অন্যতম সুবিধা হলো, এটি আবহাওয়া বা সূর্যালোকের ওপর নির্ভরশীল নয়।'

প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জমা দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি, পরিবেশবান্ধব এ প্রযুক্তির প্রকল্পটি জলবায়ু ট্রাস্টেও জমা দেয়া হয়েছে।

আরডিএর উপপরিচালক কৃষিবিদ ইঞ্জিনিয়ার ড. মনিরুল ইসলাম বলেন, 'পরীক্ষামূলকভাবে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফল হয়েছি। তবে উৎপাদন প্রক্রিয়াকে পূর্ণাঙ্গ করে তুলতে আরও কিছু যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। ২০১৪ সাল থেকে আমরা এ প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছি। গবেষণার বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থ ব্যয় হওয়ার কারণে এক সময় কাজ কিছুটা থেমে যায়। পরে আরডিএ আমাদের সহযোগিতা ও উৎসাহ দেয়ায় আবারও কাজ শুরু করেছি।'

তিনি উল্লেখ করেন, 'প্রয়োজনীয় অর্থ ও যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে এটিকে পূর্ণাঙ্গ আকারে নিয়ে গিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে। আশা করছি, ২০২৫ সাল থেকে প্রযুক্তিটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে পরিচালিত হবে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রযুক্তিটি পূর্ণাঙ্গভাবে দাঁড়াতে পারলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ প্রায় ১ টাকা ৫০ পয়সায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে।'

পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা বলেন, 'আমরা এখানে এসে পুরো বিষয়টি সরেজমিনে দেখেছি। তারা যে উদ্যোগটি নিয়েছেন, তাতে তুলনামূলক কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। মেশিন চালু করে তারা এর কার্যকারিতাও দেখিয়েছেন। বিষয়টি আমাদের কাছে অত্যন্ত ভালো ও সম্ভাবনাময় মনে হয়েছে। এই উদ্যোগকে কীভাবে আরও বড় পরিসরে নেয়া যায় এবং এ জন্য যে ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন, সেটি করার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভারের এসআই নেয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ-চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে পিবিআই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৪ পি.এম


সাভারের এসআই নেয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ-চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে পিবিআই

সাভারের মডেল থানার বিতর্কিত এসআই নেয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ, চাঁদাবাজি, চাঁদা দাবি এবং আসামির স্বজনদের নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। বাদীপক্ষের আইনজীবী এস এইচ কৃষ্ণ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ আমলে নিয়ে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আদালতের নির্দেশে পিবিআইয়ের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন। মামলায় সাভারের পশ্চিম রাজাশন এলাকার বাসিন্দা সুরাইয়া বেগম (৫৪) বাদী হয়ে সাভার মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহকে প্রধান আসামি করেছেন। এজাহারনামীয় আরো দুইজন এবং অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে বাদীর ছেলে শামীমের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে একটি মামলায় শামীম রেজাকে গ্রেপ্তার করে সাভার মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় তাকে রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এসআই নেয়ামত উল্লাহ। এছাড়া ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে দুটি দামি আইফোন মোবাইল আদায়ের অভিযোগও আনা হয়েছে এসআই নেয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তারের আগে দুই দফায় মোট সাড়ে চার লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল বলেও মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন বাদী। এছাড়াও এজাহারে আরো বলা হয়, শামীম রেজাকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছে থাকা নগদ ৩ লাখ ৩৮ হাজার টাকা, একটি সোনার আংটি আত্মসাৎ করেন এসআই নেয়ামত উল্লাহ। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ব্যবহৃত মোবাইল ফেরত দিয়ে পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের ওপরও চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। সম্প্রতি সাভার মডেল থানার এই এসআইকে ঘিরে ঘুষ, চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। পরে গণমাধ্যমের শিরোনাম হন তিনি। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগ উঠলেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে বিচার না পেয়ে ভুক্তভোগী আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে আজ, মামলার বাদী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাভার আমলি আদালতে উপস্থিত হয়ে ২০০ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত জবানবন্দি ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে সন্তুষ্ট হয়ে মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%