ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মাকে গলাকেটে হত্যা করা শিক্ষক মামুন হৃদরোগে মারা গেলেন


মাকে গলাকেটে হত্যা করা শিক্ষক মামুন হৃদরোগে মারা গেলেন

যশোরে মায়ের মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে মামুনুর রশিদ মামুন (৪৫) মারা গেছেন। খুলনা আড়াইশ বেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

মৃত্যুর বিষয়টি খুলনা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলর সৈয়দ হাসান আলী নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে হার্ট অ্যাটাকের কারণে মামুনের মৃত্যু হয়। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদও মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গত ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে যশোর সদর উপজেলার বাজে দুর্গাপুর গ্রামে তার মাকে হত্যা করেন। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ জানিয়েছেন, মামুন একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। তার হাজতি নম্বর ৫১০৫/২৫। রোববার কার্ডিয়াক অ্যাটাকের পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা আড়াইশ বেড হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। খুলনা কারাগারের সদস্যরা হাসপাতালে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন। রাত ৮টা ২০ মিনিটে মামুনুর রশিদ মামুন মারা যান। জেলর সৈয়দ হাসান আলী জানিয়েছেন, হাজতির লাশ যথাযথ প্রক্রিয়ায় যশোরে পাঠানো হয়েছে। মামুন বাজেদুর্গাপুর গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেন মাস্টারের ছেলে ছিলেন এবং যশোরের ঝিকরগাছার লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন। তার মায়ের নাম আনোয়ারা বেগম (৫৮)।

আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, দশ হাজার টাকা জরিমানা

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামুনের দুটি বিয়ে হয়েছিল। ৮/৯ বছর আগে সদর উপজেলার ভেকুটিয়া গ্রামের মিথিলাকে বিয়ে করেন। বনিবনা না হওয়ায় পরে মিথিলাকে তালাক দেন। এরপর ঝিকরগাছার অমৃতবাজার গ্রামের রিনাকে বিয়ে করেন। ছয় বছর আগে রিনাও তালাক দিয়ে চলে যান। উভয় স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের কারণে বিচ্ছেদ ঘটেছিল। মামুন তার মায়ের ওপর স্ত্রীদের বিচ্ছেদের জন্য দায় চাপাতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল।

এলাকাবাসির মতে, পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, যেখানে তিনি দুই থেকে তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।

স্থানীয়দের দাবি, মামুন দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে থাকতেন না। প্রায় পাঁচ বছর পর ২৭ আগস্ট তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। বিকালে মায়ের সঙ্গে কথা বলার সময় পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে ধারালো বটি দিয়ে আঘাত করলে আনোয়ারার শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে মামুন বটি ফেলে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামুন যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক ছিলেন।

আরও পড়ুন: পাবনায় ছাত্রীনিবাস থেকে কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাতকে রোপা আমন কাটার ধুম, কৃষকরা সন্তুষ্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ এম


ছাতকে রোপা আমন কাটার ধুম, কৃষকরা সন্তুষ্ট

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় রোপা আমন মৌসুমে এবারও ভালো ফলন পাওয়া গেছে। কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ, আবাদ পদ্ধতির পরিবর্তনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তিত হচ্ছে। বর্তমানে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে পাকা ধান কাটার কাজ শুরু হয়েছে। গত রোববার দুপুরে, ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের তকিরাই গ্রামের মাঠে রোপা আমন ধান কাটার উদ্বোধন করেন।

স্থানীয় কৃষি কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে রোপা আমন মৌসুমে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় ১২ হাজার ৯৫৫ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এসব জমি থেকে প্রায় ৪০ হাজার টন ধান উৎপাদন হবে। গত বছর ১২ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ করা হয়েছিল।

এবার উপজেলায় প্রায় ৪০ হাজার কৃষক রোপা আমন চাষাবাদ করেছেন। তবে, কৃষি বিভাগ আশঙ্কা করছে যে, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে কিছু জমিতে চলতি রোপা আমন মৌসুমের ফলন কম হতে পারে।

উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের তকিরাই গ্রামের ফসলের মাঠে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কৃষকরা কাস্তে হাতে মাঠে কাজ করছেন। ধান কেটে অনেকে ফসলের মাঠেই মাড়াই-ঝাড়াইয়ের কাজ সম্পন্ন করছেন। নারীরাও ধান শুকানোর কাজে সমানভাবে অংশগ্রহণ করছেন। এ গ্রামের কৃষক জয়নাল মিয়া জানান, ‘আমি এবার মোট ৩০ বিঘা জমিতে রোপা আমনের চাষাবাদ করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এবারের ফলন খুব ভালো হয়েছে। ধানের ভালো ফলনে এলাকার কৃষকরা আনন্দিত।’ তিনি বলেন, ধানের চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা পেয়েছেন। আরেক কৃষক সুজন মিয়া বলেন, ‘এবার আমাদের ধানের চারা রোপণের খরচ এবং পরিশ্রম সবই সার্থক হয়েছে। উৎপাদিত আমন ধান বিক্রির সময় ভালো দাম পেলে আশা করছি বছরটা স্বস্তিতে কাটাব।’ অধিকাংশ কৃষক আমনের ফলন নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহ আলম জানান, চলতি রোপা আমন মৌসুমে ধান রোপণের আগে দুই হাজার কৃষককে বিনামূল্যে উন্নত বীজ সরবরাহের পাশাপাশি উপকারভোগী প্রতি কৃষককে বিঘাপ্রতি ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিওপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, পাঁচ শতাধিক কৃষককে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় রোপা আমন ক্ষেত প্রদর্শনীর জন্য উন্নত জাতের বীজ, ইউরিয়া সার এবং সমপরিমাণ ডিওপি ও এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌফিক হোসেন খান বলেন, কৃষিতে ফলন বাড়াতে সব সময় মাঠের কৃষকদের সরকারিভাবে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রাংশ ও ভর্তুকিমূল্যে ধান কাটার মেশিন সরবরাহ করা হয়েছে। তিনি জানান, এবারের আমন মৌসুমে আবহাওয়া অনেকটাই অনুকূলে ছিল। তবে, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে কিছু কিছু স্থানে ধানের ফলন কম হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিজিকের অনিশ্চয়তায় মুমিনের ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসা অপরিহার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ এম


রিজিকের অনিশ্চয়তায় মুমিনের ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসা অপরিহার্য

জীবন সব সময় একরকম চলে না। কখনো সচ্ছলতা আসে, আবার কখনো অভাব-অনটন মানুষকে ঘিরে ধরে। কখনো ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা সম্ভাবনা থাকে, আবার কখনো অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তা মানুষের ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। কারো জীবনে কর্মহীনতা, কারো জীবনে ঋণের বোঝা, আবার কারো জীবনে সংসারের ব্যয়ভার বহন করতে না পারার কষ্ট। আবার কিছু মানুষের জীবনে সব কিছু থাকলেও যেন কিছুই নেই।

এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ে। কেউ কেউ নিজের ভাগ্যকে দোষারোপ করে, এমনকি আল্লাহর রহমত সম্পর্কেও নিরাশ হয়ে যায়। কিন্তু একজন মুমিনের দৃষ্টিভঙ্গি এমন হওয়া উচিত নয়। কারণ পবিত্র কোরআন ও হাদিস নিয়ে গবেষণা করলে মুমিন জানতে পারে, জীবনে সচ্ছলতা আল্লাহর নিয়ামত ও পরীক্ষা, তেমনি অভাব-অনটন ও অনিশ্চয়তাও এক ধরনের পরীক্ষা।

এই পরীক্ষার কথা মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফলফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৫৫)

এ আয়াতে মহান আল্লাহ অভাব-অনটন, ক্ষুধা, সম্পদহানি ও ভয়কে পরীক্ষার উপকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ কারো জীবনে সাময়িক আর্থিক সংকট কিংবা অনিশ্চয়তা দেখা দিলে মনে করা যাবে না যে আল্লাহ তাকে ছেড়ে দিয়েছেন কিংবা তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছেন। বরং এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা।

এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য বান্দার উচিত, তার ঈমান, ধৈর্য, আল্লাহর প্রতি নির্ভরতা এবং নৈতিক অবস্থান অটুট রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। কারণ এই পরীক্ষার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মহান আল্লাহ তাতে কৃতকার্য হওয়ার পথও বাতলে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।’

অতএব, নিজে এ রকম পরিস্থিতিতে পড়লে অবশ্যই ধৈর্য ধরতে হবে এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে তা থেকে উত্তরণের চেষ্টা করতে হবে। আর অন্য কেউ এ রকম পরিস্থিতিতে পড়লে তাকে আল্লাহর অপ্রিয় বান্দা বলে তিরস্কার করা যাবে না। মানুষের সব বিপদকে নির্দিষ্টভাবে আল্লাহর শাস্তি বলে অভিহিত করার সুযোগ নেই। কোন বিপদ আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা, কোনটি মানুষের ভুলের পরিণতি, আবার কোনটি দুনিয়ার স্বাভাবিক কার্যকারণের অংশ—তা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।

তাহলে এসব পরিস্থিতিতে আল্লাহর ওপর ভরসার পাশাপাশি তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে। তাকওয়াবিরোধী কোনো কাজে জড়ানো যাবে না। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরি করে দেন এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দেবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ২-৩)

এ আয়াত মুমিনকে আশার আলো দেখায়। মানুষের চোখে যখন সব পথ বন্ধ মনে হয়, তখনও আল্লাহর সাহায্যের পথ বন্ধ হয়ে যায় না। তিনি এমন উৎস থেকেও রিজিকের ব্যবস্থা করতে পারেন, যা মানুষের কল্পনার বাইরে। তাই সংকটের মুহূর্তেও মুমিনের উচিত, হতাশ না হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে অবিচল থাকা, হারাম থেকে বেঁচে থাকা। কারণ এগুলো রিজিকে বরকত ও সংকট থেকে উত্তরণের গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘যারা তাদের ওপর বিপদ এলে বলে, আমরা তো আল্লাহরই। আর নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। তাদের ওপরই রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও রহমত এবং তারাই হেদায়েতপ্রাপ্ত।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৫৬-১৫৭)

অর্থাৎ বিপদে পড়ে যে ব্যক্তি নিজের অসহায়ত্ব উপলব্ধি করে আল্লাহর কাছে ফিরে যায়, ধৈর্য ধারণ করে এবং তাঁর কাছেই সাহায্য চায়, সে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের আশা করতে পারে। মুমিনের জীবনদর্শন এমন হওয়া উচিত যে তার সচ্ছলতা এলে অহংকার না করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে। আবার অভাব এলে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ করবে। এভাবে মুমিন জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতিই আখিরাতের পুঁজি হিসেবে গণ্য হতে থাকে।

হাদিস শরিফে এসেছে, সুহায়ব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘মুমিনের অবস্থা বিস্ময়কর। সব কাজই তার জন্য কল্যাণকর। মুমিন ছাড়া অন্য কেউ এ বৈশিষ্ট্য লাভ করতে পারে না। তারা সুখ-শান্তি লাভ করলে শুকরগুজার করে আর অসচ্ছলতা বা দুঃখ-মুসিবতে আক্রান্ত হলে সবর করে, প্রতিটিই তার জন্য কল্যাণকর।’ (মুসলিম, হাদিস : ৭৩৯০)

অতএব, আমাদের উচিত, জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতিকে আখিরাতের কল্যাণের মাধ্যম বানাতে সচেষ্ট হওয়া। অভাব-অনটন ও অনিশ্চয়তা মুমিনের জীবনের শেষ কথা নয়; বরং এসব পরিস্থিতি তার ঈমান, ধৈর্য এবং আল্লাহর ওপর নির্ভরতার পরিচয় দেওয়ার সুযোগ। মহান আল্লাহ সবাইকে অভাব-অনটন ও অনিশ্চয়তা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’র তাণ্ডব, অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল ধ্বংসাত্মক গতিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ এম


ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’র তাণ্ডব, অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল ধ্বংসাত্মক গতিতে

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে প্রবল গতি নিয়ে আঘাত হানতে শুরু করেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (আইএমডি) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার মধ্যরাতে প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে এই ঘূর্ণিঝড়ের স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সোমবার দিনগত রাত ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আছড়ে পড়ে। এর প্রভাবে অন্ধ্রের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে।

আইএমডির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ভারতীয় সময় রাত ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়ের স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের মেঘমালার সামনের অংশ ইতোমধ্যে উপকূলে প্রবেশ করেছে এবং পেছনের অংশটি উপকূলের খুবই কাছাকাছি অবস্থান করছে।’

দেশটির আবহাওয়া দপ্তর আরও জানায়, স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটে ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। সে সময় এটি ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

আইএমডি জানিয়েছে, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি পুরো স্থলভাগ অতিক্রম করবে। সকাল পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।

আগামী ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অফিস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ এম


রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে

সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে কেনাকাটা অথবা ঘুরতে বের হন। তবে মাঝে মাঝে নির্দিষ্ট এলাকার তথ্য না জানার কারণে দেখা যায়, সেখানে দোকানপাট বন্ধ থাকে। তাই, রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা আগে থেকে জানা থাকলে কোনো ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় না।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে

কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।

যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে

বসুন্ধরা সিটি, ইস্টার্ন প্লাজা, মোতালেব প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমন্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, অর্কিড প্লাজা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%