০৯:৪৯ পি.এম
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, গত দুই দশকে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন দলীয়করণের শিকার হওয়ায় এ খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফলের কারণে সংস্কৃতি তার স্বাভাবিক ও স্বতন্ত্র বিকাশের সুযোগটি পায়নি এবং অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানও কাক্সিক্ষতভাবে গড়ে উঠতে পারেনি।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নদীমাতৃক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: কাতারএনার্জি আগামী বছর ৪০ কার্গোর ২৬টি সরবরাহ করবে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ২০ বছরে আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে দলীয়করণ করা হয়েছে। সংস্কৃতিকে নানা উপায়ে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশের অধিকাংশ জেলায় সাংস্কৃতিক কর্মকা- পরিচালনার মতো পরিবেশ তৈরি হয়নি, প্রয়োজনীয় কর্মসূচিও ছিল না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সংস্কৃতি গণমানুষের সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, মানুষের জন্য একটি সুন্দর, সুস্থ ও সাবলীল সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলা সময়ের দাবি। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার সাংস্কৃতিক খাতে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক কর্মকা- সম্প্রসারণ এবং শিল্পীদের বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
নদী ও সংস্কৃতির ঐতিহাসিক মেলবন্ধন এবং জেলার লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরতে এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নদীমাতৃক বাংলাদেশের জনজীবন, সাহিত্য ও ঐতিহ্যে নদীর প্রভাব বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
আরও পড়ুন: শেয়ারের নামে অনিয়ন্ত্রিত আবাসন ব্যবসা বন্ধ হোক : রিহ্যাবের দাবি
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. খলিল গাজীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে চাঁদপুরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও লোকজ পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন