০৮:২০ এম
আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে। এই দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর, তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ৫১ বছর আগে বন্দি অবস্থায় জাতীয় এই চার নেতাকে হত্যা করা হয়। এই হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিত।
জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২১ বছর ধরে মামলার তদন্ত স্থগিত ছিল। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করে। আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা আট এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন।
আরও পড়ুন: নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে জাতীয় চার নেতার প্রদর্শনী স্থগিত
সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই অধরা রয়েছে। একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন