ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ফেলনা প্লাস্টিক জমা দিয়ে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা দেখবে শিক্ষার্থীরা, পুনর্ব্যবহার করবে ইপসা


ফেলনা প্লাস্টিক জমা দিয়ে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা দেখবে শিক্ষার্থীরা, পুনর্ব্যবহার করবে ইপসা

চট্টগ্রাম, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : ফেলনা প্লাস্টিক জমা দিয়ে বিনামূল্যে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা দেখার সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। প্লাস্টিক বর্জ্য, যা তারা জমা দিচ্ছে, পুনর্ব্যবহার করবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজ।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার উদ্যোগের মাধ্যমে সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের জন্য কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের পরিবেশ সচেতন করার পাশাপাশি প্লাস্টিক দূষণ কমানোর লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

আজ চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। একই সঙ্গে চিড়িয়াখানা ও সংলগ্ন পাহাড়ি ছড়ায় পরিচ্ছন্নতা এবং মশকনিধন কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। এর আগে একটি সচেতনতামূলক বর্ণাঢ্য র‌্যালির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

আরও পড়ুন: রামগঞ্জে গাছ থেকে পড়ে মাদরাসাশিক্ষার্থী রিফাত চৌধুরীর মৃত্যু

এ কর্মসূচিতে সহযোগিতা করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজ। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য চিড়িয়াখানার প্রবেশ টিকিটের মূল্য ৭০ টাকা। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত এসব প্লাস্টিক বর্জ্য এতদিন সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। এবার তা পুনর্ব্যবহারের আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হলো।

এজন্য ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই সমঝোতার আওতায় চিড়িয়াখানায় জমা হওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়মিত সংগ্রহ, পৃথকীকরণ ও পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়ায় পুনর্ব্যবহারের দায়িত্ব পালন করবে সংস্থাটি। এ কার্যক্রমে জেলা প্রশাসন ও ইপসার মধ্যে কোনো অর্থ লেনদেন হবে না। প্রাথমিকভাবে এ সমঝোতার মেয়াদ এক বছর।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজ চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ, পরিবহন ও রিসাইক্লিংয়ের ব্যবস্থা করবে। এছাড়া ইপসা চিড়িয়াখানায় বিনসহ সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, "একক কোনো সংস্থার পক্ষে পুরো নগর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। নগরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন এবং নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।"

আরও পড়ুন: ফয়’স লেক ঘুরে মুগ্ধ হলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, "শিশু-কিশোরদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতেই প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে চিড়িয়াখানায় বিনা মূল্যে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সংগৃহীত প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায় এ উদ্যোগ আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।"

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মো. কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াৎ জামিল সৈকত, ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজের প্রজেক্ট ম্যানেজার অপূর্ব দেব এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোবিপ্রবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


নোবিপ্রবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

শহিদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, পিলখানা ও শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকাল ৫ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে নেতাকর্মীরা ‘বাংলাদেশের আজাদি, উসমান হাদী’, ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন ভারতে’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিম জুমা। এছাড়া জেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনকিলাব মঞ্চের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরাও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে নোবিপ্রবি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, “তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে টেকনাফের জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করেছি আমরা। আমাদের তিন দফা দাবিগুলো হলো— ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার, জুলাইয়ের গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং শাপলা, পিলখানা ও জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা।”

তিনি আরও জানান, এই দাবিগুলো শুধু ইনকিলাব মঞ্চের নয়, বরং দেশের মানুষের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কোনো ধরনের আপস ছাড়াই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সভায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, “গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি, প্রশ্নফাঁস, বিচারহীনতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি থেকে দেশকে বের করে আনতে হবে। প্রশ্নফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর শাস্তির পরিবর্তে বদলির মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকর করতে হবে।”

শহীদ ওসমান হাদী হত্যার বিচার দাবি করে তিনি বলেন, “আগামী ডিসেম্বরে আমাদের ভাই শহীদ ওসমান হাদী হত্যার এক বছর পূর্ণ হতে চলল। এমন কোনো পথ বা মাধ্যম বাকি নেই, যেখানে গিয়ে আমরা এই হত্যার বিচার চাইনি। অথচ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রে নিজ দেশের একজন নাগরিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার পর, বিচারের জন্য আমাদের রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষুকের মতো ঘুরতে হচ্ছে!”

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকালে চোখ ডলতে ডলতে বলেন যে, নাকি গত আট মাসে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নয়ন হয়েছে! উনার আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন কেমন, তা আমরা দেখতেই পাচ্ছি। উনার নিজের আসনেই দিনে-দুপুরে ৫০টি বাস থামিয়ে ডাকাতি হয়! একজন ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের লাশ নদীতে ভেসে ওঠে! মিরাজ শেখ আজ ২০৪ দিনেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ, অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুক ফুলিয়ে বলছেন যে গত আট মাসে নাকি বাংলাদেশে একজন মানুষও নিখোঁজ হয়নি! আমরা বলে দিতে চাই—সংসদে বসে সবাইকে সংবিধানের পাঠ শেখানো এই মহা-পণ্ডিতদের, জনগণ সামনে নিজেই বসিয়ে সংবিধান মুখস্থ করিয়ে ছাড়বে, ইনশাআল্লাহ।”

এসময় আগামী ডিসেম্বরে শহীদ ওসমান হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে শাহবাগের আন্দোলনে অংশগ্রহণ এবং ইনকিলাব মঞ্চের সাথে একাত্মতা পোষণের আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, সংগঠিত, দক্ষ এবং অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তিনি তরুণদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

আগামীকাল ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবসমাজ একটি জাতির প্রাণশক্তি এবং উন্নয়নের প্রধান নির্ধারক।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, দেশের সব বড় গণতান্ত্রিক অর্জনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের দশকের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান এসবের মধ্যে রয়েছে।

তিনি বলেন, যুবসমাজকে দক্ষ ও উৎপাদনশীল মানবসম্পদে পরিণত করতে পারলে স্বনির্ভর, উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে।

এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ যথার্থ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তরুণ, যা দেশের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনার প্রতিনিধিত্ব করে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে এ জনমিতিক সুবিধার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে মানসম্মত ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি স্মরণ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যুবসমাজকে উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা ও কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই উদ্যোগকে আরও সুদৃঢ় করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, যুব উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে বর্তমান সরকার সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন কর্মসূচি ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এসব উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কৃষি, হস্তশিল্প, কারিগরি শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে।

সরকারি ও বেসরকারি খাতের গৃহীত এসব উদ্যোগ তরুণদের উদ্যোক্তা ও স্বনির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন।

সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি মাদকাসক্তি প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম গ্রহণের জন্য যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

যুবসমাজের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, সামাজিক সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি ও পরিবারগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যুবসমাজের মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাকে আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।’

জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় কলেজ-মাদ্রাসার ফলাফলে হতাশার চিত্র, এক মাদ্রাসায় সবাই ফেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় কলেজ-মাদ্রাসার ফলাফলে হতাশার চিত্র, এক মাদ্রাসায় সবাই ফেল

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। কলেজগুলোর মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে ভাণ্ডারিয়া মজিদা বেগম মহিলা কলেজ। অন্যদিকে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার আতরখালী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ১২ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। তিনটি শাখা মিলিয়ে উপজেলার মোট পাসের হার ৩৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সাধারণ এইচএসসি, আলিম ও কারিগরি শাখায় মোট ১ হাজার ৫৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৫৭৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৯৮৪ জন। তিন শাখায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন।
সাধারণ এইচএসসি পরীক্ষায় উপজেলার পাঁচটি কলেজ থেকে ১ হাজার ৫১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪৮২ জন। পাসের হার ৪২ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।
কলেজগুলোর মধ্যে ভাণ্ডারিয়া মজিদা বেগম মহিলা কলেজ থেকে ৩০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬০ দশমিক ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে আমানউল্লাহ মহাবিদ্যালয়ে ২৪২ জনের মধ্যে ১৩৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এ কলেজ থেকে সর্বোচ্চ ছয়জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ভাণ্ডারিয়া সরকারি কলেজে ৪১৬ জনের মধ্যে ১৩৯ জন পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন। সিংখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩৪ জনের মধ্যে ১৩ জন এবং মানিক মিয়া কলেজে ৫৮ জনের মধ্যে ১৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।
অন্যদিকে উপজেলার ১০টি মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষায় ৩৩৭ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ৭৫ জন। পাসের হার মাত্র ১৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। এ শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন।
আলিম পরীক্ষায় ভাণ্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন ফাজিল মাদ্রাসায় ৮২ জনের মধ্যে ২৫ জন পাস করেছে, পাসের হার ৩০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আলগাজ্জালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় ১০১ জনের মধ্যে ২৩ জন পাস করেছে, পাসের হার ২২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এবং একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পৈকখালী মোমেনিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৫ জনে চারজন পাস করেছে, পাসের হার ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এবং একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তেলিখালী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৩২ জনের মধ্যে ১০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ। মাফছার উলউলুম আলিম মাদ্রাসায় ৩৬ জনের মধ্যে সাতজন, পাসের হার ১৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। দক্ষিণ শিয়ালকাঠী আলিম মাদ্রাসায় ১৫ জনের মধ্যে দুজন, পাসের হার ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। চড়াইল আব্দুল আলী আলিম মাদ্রাসায় ১৭ জনের মধ্যে দুজন পাস করেছে, পাসের হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। উত্তর ধাওয়া আলহাজ কাশেমিয়া আলিম মাদ্রাসায় ৯ জনের মধ্যে একজন, পাসের হার ১১দশমিক ১১ শতাংশ। নয়াখালী মাটিভাংগা আলিম মাদ্রাসায় ১৮ জনের মধ্যে পাস করেছে মাত্র একজন। পাসের হার ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আতরখালী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় ১২ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলার দুটি প্রতিষ্ঠানে ১৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৮ জন। পাসের হার ৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সাবিহা খালেক টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে ১৫৪ জনের মধ্যে ১৭ জন এবং শিয়ালকাঠী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে ১৭ জনের মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছে। এ শাখায় কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভাণ্ডারিয়ায় সাধারণ এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার তুলনামূলক ভালো হলেও আলিম ও কারিগরি শিক্ষায় ফলাফল বেশ নিম্নমুখী। বিশেষ করে আলিম ও কারিগরি শাখার ফলাফল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
মো. তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাচনে নবী-টিপু প্যানেল জয়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


নারায়ণগঞ্জ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাচনে নবী-টিপু প্যানেল জয়ী

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নারায়ণগঞ্জ জেলা ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে অ্যাডভোকেট নবী হোসেন ও টিপু পরিষদের প্রার্থীরা পূর্ণ প্যানেলে বিজয় অর্জন করেছেন।

সহ সভাপতি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট নবী হোসেন। সাধারণ সম্পাদক পদে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু জয়লাভ করেছেন। তিনি ১৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রেজাউর করিম খান ১৫৪ ভোট পেয়েছেন। মোট ভোট পড়েছে ৩৩৮টি।

অন্যদিকে, পাঁচটি সদস্য পদে সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার ২৯৯ ভোট, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ২৮১ ভোট, অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির ২৭৫ ভোট, রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী ২৬৩ ভোট এবং ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন ২১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

সদস্য পদে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে এনসিপি নেতা নিরব রায়হান ১১০ ভোট, হারুনুর রশীদ খান ৯১ ভোট এবং নাজমুল হক (নির্দলীয়) ৮৭ ভোট পেয়েছেন। সদস্য পদে মোট ভোট পড়েছে ১৬৭৯টি, যার মধ্যে ৫৫টি ভোট বাতিল হয়েছে। শনিবার ৩১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ভোট গ্রহণের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%