০১:০৪ এম
বিশ্বকাপ শুরুর আগে সুইজারল্যান্ড একটি অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের সান ডিয়েগোতে দলটির অনুশীলন শিবিরের নিকটবর্তী এলাকায় সাপের উপদ্রব সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আসন্ন ১৩ জুন কাতারের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রথম ম্যাচকে সামনে রেখে সুইজারল্যান্ড দলের সান ডিয়েগোতে অবস্থান করছে। সাধারভাবে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির সময় আবহাওয়া, ভ্রমণ ও প্রতিপক্ষের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। তবে এখন তাদের প্রস্তুতিতে সাপের উপদ্রবের বিষয়টিও যুক্ত হয়েছে।
দলের অনুশীলন কেন্দ্রের মানচিত্রে একটি নির্দিষ্ট এলাকা সাপের উপদ্রব ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের অনুশীলন মাঠ, গোলরক্ষকদের এলাকা, ব্যায়ামাগার এবং পোশাক পরিবর্তন কক্ষে সতর্কতামূলক চিহ্ন রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে খেলোয়াড়দের নির্দিষ্ট এলাকা এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিএসপিএ ও হুংকারের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন
এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা সাপ দেখার বা সাপের আক্রমণের শিকার হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় স্থানীয়ভাবে এটি একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নেয়া হয়েছে। কারণ সান ডিয়েগো অঞ্চল বিষধর ঝনঝনে লেজওয়ালা সাপের জন্য পরিচিত। সেখানে এ ধরনের কিছু প্রজাতির সাপ দেখা যায়।
সুইজারল্যান্ডের দলের কর্মকর্তারা চান না যে, অনুশীলনের সময় বল কুড়াতে গিয়ে বা অন্য কোনো কারণে খেলোয়াড়রা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করুক। সেজন্য শুরু থেকেই সকলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
কাতারের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে শান্ত পরিবেশে প্রস্তুতির জন্য সান ডিয়েগোকে বেছে নেয়া হয়েছিল সুইজারল্যান্ডের পক্ষ থেকে। তবে সাপের উপদ্রব তাদের প্রস্তুতিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। তথাপি, দলের মূল লক্ষ্য বিশ্বকাপের মঞ্চে ভালো ফল করা এবং সফলভাবে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়া।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে আবারও যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন