ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

পাকিস্তানের তারকা দম্পতি মাওরা ও আমির প্রথমবার বাবা-মা হলেন


পাকিস্তানের তারকা দম্পতি মাওরা ও আমির প্রথমবার বাবা-মা হলেন

পাকিস্তানের জনপ্রিয় তারকা জুটি মাওরা হোসাইন ও আমির গিলানি একটি নতুন ও সুন্দর অধ্যায় শুরু করেছেন তাদের জীবনে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পুত্রসন্তানের জন্মের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাবা-মা হওয়ার খবর প্রকাশ করেন তারা।

সামাজিক মাধ্যমে এই খবর শেয়ার করার পর থেকে ভক্ত ও সহকর্মীদের শুভেচ্ছায় ভরপুর হচ্ছেন এই জনপ্রিয় দম্পতি।

আরও পড়ুন: নিজের সাক্ষাৎকার দেখলেই অস্বস্তি হয়: শবনম ফারিয়া

আমির গিলানি ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন যৌথ ভিডিও পোস্ট করে নবজাতককে পৃথিবীতে স্বাগত জানান। ভিডিওটিতে তাকে তার সন্তানের কানের কাছে আজান দিতে দেখা যায়।

সন্তানের নাম ‘আজমার’ রেখেছেন আমির, যার অর্থ ‘সিংহ’, যা শক্তি ও সাহসিকতার প্রতীক। ক্যাপশনে তিনি কুরআনের একটি আয়াত উল্লেখ করে নবজাতকের পুরো নাম প্রকাশ করেন— ‘সৈয়দ আজমার হুসাইন কামাল গিলানি’।

তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের রাজ্যের রাজা, আমাদের গর্ব এবং সবচেয়ে মূল্যবান ধন।’

মাওরা ও আমির গর্ভাবস্থার বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপন রেখেছিলেন। কোনো জেন্ডার রিভিল বা মাতৃত্বকালীন ফটোশুট না করে সরাসরি সন্তানের জন্মসংবাদ জানানোয় ভক্তরা বেশ অবাক ও আনন্দিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: আদালতে হাজির না হওয়ায় ফের বিপাকে নোরা ফাতেহি

নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মাওরা লেখেন, ‘আমাদের ছোট্ট গোপন বিষয়টি... এখন আপনাদেরও। আমাদের এই নতুন পরিবারের জন্য আপনাদের একটু বাড়তি দোয়া ও ভালোবাসা খুব প্রয়োজন।’ তাদের সাদাসিধে ও জমকালোড়ম্বরহীন প্রকাশভঙ্গি সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসিত হয়েছে।

এই খুশির খবরটি পাকিস্তানের শোবিজ অঙ্গনে আনন্দের জোয়ার সৃষ্টি করেছে। মাওরা-আমিরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশের নামী তারকারা। মাওরার বোন ও অভিনেত্রী উর্ভা হোসাইন ছোট্ট ভাতিজাকে আদর করে লিখেছেন, ‘খালার জীবন! মাশাআল্লাহ।’

এছাড়া মাহিরা খান, সাবা ফয়সাল, নিদা ইয়াসির, উসমান মুক্তারসহ বিনোদন জগতের অনেকেই নতুন বাবা-মাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের জনপ্রিয় নাটক ‘সাবাত’-এ জুটি বেঁধে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন মাওরা ও আমির। এরপর ‘নিম’ (২০২৩) নাটকেও তাদের রসায়ন দর্শকদের মুগ্ধ করে। দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের পর গত বছরের ০৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। আর বিয়ের ঠিক পরের বছরেই তাদের কোলজুড়ে এল এই নতুন অতিথি।

আরও পড়ুন: ৩৫ বছর বয়সে মারা গেলেন গায়িকা নিকোল টেলর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোষ্য কুকুরছানার জন্য আট সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন ছুটি চাইলেন নারীকর্মীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


পোষ্য কুকুরছানার জন্য আট সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন ছুটি চাইলেন নারীকর্মীরা

যুক্তরাষ্ট্রে মাতৃত্বকালীন ছুটির ক্ষেত্রে নারীকর্মীরা সাধারণত ৬ থেকে ১২ সপ্তাহের ছুটি পেতে পারেন, যা একটি প্রতিষ্ঠিত নিয়ম। তবে, নতুন পোষ্য প্রাণী হিসেবে কুকুরছানা আনার পর প্রতিষ্ঠানগুলি কি ‘মাতৃত্বকালীন ছুটি’ দিতে বাধ্য? সম্প্রতি এই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

এক মার্কিন নারী নতুন কুকুরছানার জন্য বেতনসহ আট সপ্তাহের ‘মাতৃত্বকালীন ছুটি’ দাবি করেছেন, যা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি হুমকি দিয়েছেন যে, ছুটি না দিলে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ তুলবেন।

অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় রেডিও শো ‘জোনসি অ্যান্ড আমান্ডা’–তে সম্প্রতি এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সঞ্চালকরা যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঊর্ধ্বতন নারী কর্মকর্তার ভিডিও তুলে ধরেন। ওই কর্মকর্তা জানান, একটি নারীর ছুটির দাবির কারণে তাকে মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে বসতে হচ্ছে। কারণ, ছুটি দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ওই কর্মী অভিযোগ করেছেন যে, তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সন্তানধারণে অক্ষম নারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল নন।

রেডিও অনুষ্ঠানে ওই নারী কর্মীর পাঠানো একটি ই-মেইল পড়ে শোনানো হয়। তিনি লিখেছেন, ‘সম্প্রতি আট সপ্তাহ বয়সী একটি গোল্ডেন রিট্রিভার কুকুরছানা ঘরে এনেছি। এখন আমি আরেকটি প্রাণের অভিভাবক। সে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর জেগে ওঠে। আমি একটুও ঘুমাতে পারছি না এবং একজন নতুন মা যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, আমিও ঠিক তা-ই অনুভব করছি।’

তবে, এইচআর বিভাগ থেকে ওই নারী কর্মীকে জানানো হয়েছিল যে, মাতৃত্বকালীন ছুটি কেবল সন্তান জন্ম দেওয়া কর্মীদের জন্য প্রযোজ্য। এর জবাবে ওই কর্মী বলেন, সন্তান জন্ম দেওয়া বা না–দেওয়ার বিষয়টি এখানে কোনোভাবেই বিবেচ্য হতে পারে না।

কুকুরছানাটিকে নিজের ‘ছেলে’ উল্লেখ করে, তার দেখভালের জন্য আট সপ্তাহের পূর্ণ বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি দাবি করেন ওই কর্মী। ই-মেইলের শেষে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে লেখেন, ছুটি না দিলে সন্তানহীন নারীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগে তিনি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক নালিশ করবেন।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শ্রোতাদের মধ্যে বেশিরভাগই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পক্ষে মত দেন। একজন মা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘অস্ত্রোপচারের পর শরীর পুরোপুরি সেরে ওঠার আগেই সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে আমাকে মাত্র ছয় সপ্তাহের ছুটিতে ফিরতে হয়েছিল। আর উনি একটি কুকুরের জন্য আট সপ্তাহের ছুটি চান!’

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ কুকুরছানা লালন-পালনের কষ্টকে বিবেচনায় নেওয়ার কথা বললেও অনেকে বলেছেন, এমন ছুটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অধিকার হতে পারে না।

যুক্তরাষ্ট্রে পোষা প্রাণীর দেখভালের জন্য ছুটি দেওয়ার কোনো আইন বা বিধান নেই। তবে, কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নতুন পোষা প্রাণী ঘরে আনার পর কর্মীদের নিজেদের নিয়ম অনুযায়ী কয়েক দিন থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত ছুটি দিয়ে থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে মারামারি হয়নি, জানালেন ত্শুয়ামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে মারামারি হয়নি, জানালেন ত্শুয়ামেনি

রিয়াল মাদ্রিদের দুই তারকা অরেলিয়াঁ ত্শুয়ামেনি ও ফেদেরিকো ভালভার্দের মধ্যে গত মৌসুমের শেষের দিকে সংঘর্ষের বিষয়ে অবশেষে মন্তব্য করেছেন ফরাসি মিডফিল্ডার। যদিও সে সময় বিভিন্ন ধরনের খবর প্রকাশিত হয়েছিল, ত্শুয়ামেনি নিশ্চিত করেছেন যে, ভালভার্দের সঙ্গে তাঁর কোনো মারামারি হয়নি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, ড্রেসিংরুমে ‘কিছু একটা খারাপ’ ঘটেছিল।

এই ঘটনা ৭ মে, ২০২৫-২৬ মৌসুমের শেষের দিকে ঘটে। তখন খবর বের হয় যে, ড্রেসিংরুমে ত্শুয়ামেনি ও ভালভার্দের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে এবং এই ঘটনায় ভালভার্দে মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এমনকি, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তাঁকে মাথায় সেলাইও দিতে হয়েছিল। পরে রিয়াল মাদ্রিদও দুজনের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করে।

তবে ‘দ্য ব্রিজ’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে ত্শুয়ামেনি ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ভালভার্দে ও আমার মধ্যে কোনো মারামারি হয়নি। ড্রেসিংরুমে কিছু ঘটনা ঘটে, সেখানে পরোক্ষ মন্তব্য বা এ ধরনের বিষয় থাকতে পারে। কিন্তু আমি কখনো ভালভার্দের সঙ্গে মারামারি করিনি। সত্যি বলতে, কিছু একটা খারাপ হয়েছিল।”

ত্শুয়ামেনি মনে করেন, মূল সমস্যা ছিল ঘটনাটি রিয়াল মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে ঘটায় সেটি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত আগ্রহ। তাঁর মতে, ছোট একটি বিষয়ও রিয়াল মাদ্রিদকে ঘিরে হলে তা দ্রুত বড় আকার ধারণ করে এবং সংবাদমাধ্যমে এতটাই আলোচিত হয় যে, শেষ পর্যন্ত সেটিই বড় সমস্যায় পরিণত হয়।

ঘটনার পর অনেকেই ধারণা করেছিলেন যে, দুজনের একজন গ্রীষ্মের দলবদলে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়তে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুজনই মাদ্রিদে থেকে গেছেন। ত্শুয়ামেনি আরও জানিয়েছেন, ওই ঘটনার পর তাঁদের সম্পর্ক খারাপ হয়নি; বরং কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে।

“এখন আপনি ড্রেসিংরুমে ঢুকলে দেখতে পাবেন, ভালভার্দে ও আমি ভালো আছি। আমাদের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। মাঠেও কোনো সমস্যা নেই। জীবন এগিয়ে যায়। আসলে এ ধরনের ঘটনা কখনো কখনো দুজন মানুষকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে,” বলেছেন ত্শুয়ামেনি।

বর্তমান রিয়াল মাদ্রিদ দলের জন্য দুজনই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সাম্প্রতিক ম্যাচে ভালভার্দেকে ডান প্রান্তের রক্ষণে খেলাচ্ছেন কোচ হোসে মরিনিয়ো, আর ত্শুয়ামেনি মাঝমাঠে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। মরিনিয়োও এর আগে দুজনের সম্পর্ক নিয়ে কোনো সমস্যা নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৪তম জন্মদিনে আবেগে পরীমনি, নানার স্মৃতিতে কেক কাটলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


৩৪তম জন্মদিনে আবেগে পরীমনি, নানার স্মৃতিতে কেক কাটলেন

জন্মদিনের দিন মানেই ছিল একসময় নানার সঙ্গে আনন্দের মুহূর্ত, ঘুম থেকে ডেকে কেক কাটা এবং ভালোবাসায় ঘেরা একরাশ স্মৃতি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে জীবনের অনেক কিছু বদলেছে; তবে প্রিয় মানুষটিকে হারানোর শূন্যতা রয়ে গেছে। ৩৪তম জন্মদিনে দুই সন্তানকে নিয়ে কেক কাটার সময় প্রয়াত নানার কথা মনে করে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি। তিনি বলেন, “নানা বেঁচে থাকতে আমাকে ঘুম থেকে তুলে কেক কাটতেন। এখন তো আমার সেই মানুষটা নেই। মনে পড়লে কান্না পায়।”

অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ছোটবেলায় নাচ শিখেছিলেন পরীমনি। বুলবুল একাডেমি অব ফাইন আর্টসে (বাফা) ভর্তি হন। সেখানে বেশিদিন না থাকলেও নাচ শেখার অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে তার অভিনয়জীবনে কাজে লেগেছে। এরপর টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের সুযোগ পান। ‘সেকেন্ড ইনিংস’ ছিল তার প্রথম নাটক। পরে তিনি ‘এক্সক্লুসিভ’ ও ‘এক্সট্রা ব্যাচেলর’-এর মতো নাটকে অভিনয় করেন। সেখান থেকে ধীরে ধীরে বড়পর্দায় পা রাখেন।

এক দশকের বেশি সময়ের অভিনয়জীবনে পরীমনি তারকাখ্যাতি অর্জন করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আলোচনা কম হয়নি। তবে এসব নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না এই অভিনেত্রী। বরং তিনি নিজের মতো করে জীবন উপভোগ করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

আজ পরীমনির ৩৪তম জন্মদিন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর দুই সন্তানকে নিয়ে কেক কেটে জন্মদিন উদ্‌যাপন করেছেন তিনি। তবে বিশেষ মুহূর্তে বারবার মনে পড়েছে প্রয়াত নানা শামসুল হক গাজীকে। আবেগাপ্লুত হয়ে পরীমনি স্মরণ করে বলেন, “নানা বেঁচে থাকতে আমাকে ঘুম থেকে তুলে কেক কাটতেন। এখন তো আমার সেই মানুষটা নেই। মনে পড়লে কান্না পায়।”

১৯৯২ সালের ২৪ অক্টোবর সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণ করেন পরীমনি। তার পুরো নাম শামসুন্নাহার স্মৃতি। বাবা মনিরুল ইসলাম ও মা সালমা সুলতানা। মাত্র তিন বছর বয়সে মাকে হারান তিনি। এরপর পিরোজপুরে নানাবাড়িতে বেড়ে ওঠেন। নানা শামসুল হক গাজী ছিলেন তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভরসা ও সাহসের জায়গা। শৈশব থেকে জীবনের নানা পর্যায়ে নানার স্নেহ ও ভালোবাসা তাকে আগলে রেখেছিল। তাই জন্মদিনের আনন্দেও সেই প্রিয় মানুষটির অভাব অনুভব করেন অভিনেত্রী।

২০১৫ সালে শাহ আলম মণ্ডল পরিচালিত ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে পরীমনির। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন জায়েদ খান। চলচ্চিত্রে অভিষেকের আগেই একাধিক সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। একই সময়ে নজরুল ইসলাম খানের ‘রানা প্লাজা’ সিনেমায় অভিনয়ের খবরও তাকে আলোচনায় রাখে। তবে সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। পরীমনির অভিনয়জীবনের উল্লেখযোগ্য কাজ গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘স্বপ্নজাল’। সিনেমাটিতে শুভ্রা চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পান তিনি। এ ছাড়া তার অভিনীত সিনেমার তালিকায় রয়েছে ওয়াজেদ আলী সুমনের ‘রক্ত’, চয়নিকা চৌধুরীর ‘বিশ্বসুন্দরী’, আবু রায়হান জুয়েলের ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’, গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘গুণিন’ ও অরণ্য আনোয়ারের ‘মা’।

বড়পর্দার পাশাপাশি ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও কাজ করেছেন পরীমনি। ‘রঙিলা কিতাব’ ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে নতুন এই মাধ্যমে নিজের উপস্থিতি জানান দেন তিনি। অন্যদিকে, কলকাতার ‘ফেলুবক্সী’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে টালিউডেও অভিষেক ঘটে তার। এসব কাজের মাধ্যমে অভিনয়ের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি ভিন্ন ধরনের চরিত্রে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন এই অভিনেত্রী।

পরীমনির জনপ্রিয়তার পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। ফেসবুকে তার অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি। নতুন পোশাক, ফটোশুট, ভ্রমণ, ব্যক্তিগত অনুভূতি, সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত কিংবা নতুন কাজের খবর—বিভিন্ন বিষয় নিয়মিত ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন তিনি। ফলে নতুন সিনেমা মুক্তি না পেলেও তাকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ থাকে।

জন্মদিনের আয়োজন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা—বিভিন্ন সময়েই সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন পরীমনি। কখনো তার ব্যতিক্রমী পোশাক নিয়ে আলোচনা হয়েছে, আবার কখনো সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও নানা বিতর্কও তাঁকে ঘিরে আলোচনা তৈরি করেছে।

তবে জীবনের নানা প্রাপ্তি ও আলোচনার ভিড়ে জন্মদিনে নানার স্মৃতিই যেন সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয় পরীমনিকে। একসময় নানা তাকে ঘুম থেকে তুলে জন্মদিনের কেক কাটতেন। ২০২৩ সালে নানাকে হারানোর পর সেই আনন্দের মুহূর্তগুলো এখন শুধুই স্মৃতি। তবু জন্মদিনে কাছের মানুষদের নিয়ে আয়োজন করেন তিনি। আনন্দের দিনেও তাই প্রিয় মানুষটির শূন্যতা অনুভব করতে হয় তাকে।

এদিকে, নতুন একটি সিনেমায় পরীমনিকে দেখা যেতে পারে বলে জানা গেছে। এতে তার বিপরীতে অভিনয়ের কথা রয়েছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর। চলতি বছরের ডিসেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরুর কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরীক্ষার ফি নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরীক্ষার ফি নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি

সরকার বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি নির্ধারণ করে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০-এ সংশোধন এনেছে।

নতুনভাবে নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, ৫০ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাহকের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি উপকেন্দ্রের ক্ষমতার ভিত্তিতে ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

লিফট, এনার্জি মিটার, ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফিও নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ গত ১৫ অক্টোবর এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে। ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৫৯ ধারার অধীনে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০-এর তফসিল-১ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নতুন তফসিল অনুযায়ী, ১০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের জন্য এ দুটি ফি যথাক্রমে ২৫ হাজার ও ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ৫০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এক মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার (এমভিএ) ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৬০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৩০ হাজার টাকা। ৫ এমভিএ উপকেন্দ্রের জন্য এ ফি যথাক্রমে এক লাখ ও ৫০ হাজার টাকা। ১০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি এক লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৭০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন উপকেন্দ্রের জন্য ফি আরো বেশি। ২০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি দুই লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি এক লাখ টাকা। ৫০ এমভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ দুটি ফি যথাক্রমে চার লাখ ও দুই লাখ টাকা। ১০০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি সাত লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা। সর্বোচ্চ তালিকাভুক্ত ৫০০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৩০ লাখ টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুৎ সিস্টেমে লিংকেজ পরীক্ষার ফি দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবনের অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ডায়াগ্রামসহ সেফটি প্ল্যান অনুমোদনের জন্য ৫০ কিলোওয়াটের কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা এবং ৫০ কিলোওয়াট বা তদূর্ধ্ব ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।

বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের জন্য ১১ হাজার ভোল্ট পর্যন্ত সরঞ্জামের জন্য পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ৫০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৩ হাজার ভোল্ট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতার সরঞ্জামের জন্য এ ফি যথাক্রমে ৭৫ হাজার ও ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা।

ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনার্জি মিটার পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ফেজ মিটারের জন্য দুই হাজার টাকা, থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য পাঁচ হাজার টাকা এবং মেইন মিটার বা এইচটি মিটারের জন্য ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। বৈদ্যুতিক লিফটের আর্থিং পরীক্ষার ফি প্রতি ইলেকট্রোডে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

লিফট পরিদর্শন ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জার, ক্যাপসুল ও বেড লিফটের জন্য ছয় হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে কার্গো, গুডস, কার, ফায়ার ফাইটিং ও সার্ভিস লিফটের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ১০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, তফসিলে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ফি উল্লেখ না থাকলে সমজাতীয় ক্যাটাগরির অব্যবহিত আগের ও পরের ক্যাটাগরির ফি-এর আনুপাতিক হারে পরিদর্শন ফি নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন কর্মকর্তা।

নির্ধারিত ফি কর-বহির্ভূত রাজস্ব হিসেবে ট্রেজারি চালান অথবা অনলাইনে এ-চালানের মাধ্যমে সরকারের নির্ধারিত কোডে জমা দিতে হবে। যে ভবন বা স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রহণ বা ব্যবহার করা হয় বা হবে, সেই ভবন বা স্থানের দখলদারকে প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর চালানের মূল কপিসহ প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের ২০১৪ সালের ২১ মে জারি করা ‘বৈদ্যুতিক স্থাপনা বা সরঞ্জামাদি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিদ্যুৎ লাইসেন্স জারি আদেশ, ২০১৪’ রহিত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%