ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস আগামী ১ নভেম্বর থেকে আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে


চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস আগামী ১ নভেম্বর থেকে আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে

দেশের সবচেয়ে বড় রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কার্যালয় আগামী ১ নভেম্বর থেকে অস্থায়ীভাবে নগরের আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে স্থানান্তরিত হতে যাচ্ছে। নতুন ভবন নির্মাণকাজ বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অস্থায়ী ঠিকানা থেকেই যাবতীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরিকল্পনা রয়েছে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে পুরো কার্যক্রম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার থেকে পরিচালনার।

গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র শরীফ আল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১ নভেম্বর প্রথম ধাপে কাস্টমের সাতটি গ্রুপ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দাপ্তরিক কাজ শুরু করবে। কার্যক্রম পুরোপুরি স্থানান্তরে প্রায় এক মাস সময় লাগবে।

এদিকে, চট্টগ্রাম কাস্টম এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন গত ২৮ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে ১ নভেম্বর থেকে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অস্থায়ী কার্যালয় চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রথম ধাপে শুল্কায়ন সেকশন-৮(সি), ৮(ডি) এবং সাব-টিম-১২, ১৩, ১৪, ১৫ ও ১৬ গ্রুপের শুল্কায়নসহ অন্যান্য কার্যক্রম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সম্পন্ন হবে।

আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের জন্য দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) মালিকানাধীন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এক লাখ ৫৬ হাজার ৬০০ বর্গফুট অফিস ও আট হাজার বর্গফুট গ্যারেজের জায়গা ভাড়া নেওয়ার চুক্তি হয়েছে। চলতি বছরের ৫ মে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে এই চুক্তি সই হয়।

চট্টগ্রাম চেম্বার প্রশাসক ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. মোতাহার হোসেন এবং চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ শফি উদ্দিন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক ও চট্টগ্রাম কাস্টম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. ইসমাইল খান এ সময় বলেন, ‘চট্টগ্রামে এত বড় পরিসরে দাপ্তরিক জায়গা আর কোথাও নেই।’

দেশের প্রথম ও একমাত্র এই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি নিউইয়র্কভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। প্রায় সাত লাখ বর্গফুটের ২৪ তলা এই আধুনিক ভবনটিতে রয়েছে নানা সুযোগ-সুবিধা : ১৪টি লিফট এবং তিনটি বেইসমেন্টে ২৫০টি গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা ও হেলিপ্যাড। চতুর্থ তলায় মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসহ ৩০০ আসনের কনফারেন্স হল এবং ৬০ আসনের সেমিনার হল। সেন্ট্রাল এয়ারকন্ডিশন (এসি) সিস্টেম। পিডিবি থেকে এক্সপ্রেস ফিডারের মাধ্যমে ২.৪ মেগাওয়াট বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন। অফিস সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য দুটি এক হাজার ৭৩৫ কেভিএ জেনারেটর। উন্নত অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন পথ এবং ইন্টিগ্রেটেড বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল অবিস্ফোরিত মর্টার শেল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেলি অর্টবার্গ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ এম


বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেলি অর্টবার্গ

বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেলি অর্টবার্গ জানিয়েছেন যে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেলে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজের চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাঁর মতে, যখন জেট ফুয়েলের দাম বাড়ে, তখন নতুন উড়োজাহাজ কেনার প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়।

নতুন উড়োজাহাজ যখন বহরে যুক্ত হয়, তখন তা জ্বালানি সাশ্রয়ে সহায়তা করে। কারণ, নতুন মডেলের উড়োজাহাজগুলো পুরনো মডেলের তুলনায় কম জ্বালানি ব্যবহার করে।

ফলে পরিচালন ব্যয় কমে যায়। জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে গ্রাহকরা দ্রুত জ্বালানি সাশ্রয়ী উড়োজাহাজের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে শেলের লাভ দ্বিগুণ, পরিবেশবাদীদের অসন্তোষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ এম


মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে শেলের লাভ দ্বিগুণ, পরিবেশবাদীদের অসন্তোষ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ফলে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ তেল ও গ্যাস কোম্পানি শেল লাভবান হয়েছে।

গত প্রান্তিকে শেলের লাভ দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তারা জানায়, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে তাদের লাভ দাঁড়িয়েছে ১০.৮ বিলিয়ন ডলার (এক হাজার ৮০ কোটি ডলার)। ২০২৫ সালের একই প্রান্তিকে তাদের লাভ ছিল ৫.৪৩ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে

বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল, শেলের লাভের পরিমাণ হবে ১০.৩৩ বিলিয়ন ডলার (এক হাজার ৩৩ কোটি ডলার)। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি লাভ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, শেয়ার পুনঃক্রয় কর্মসূচির পরিমাণ বাড়িয়েছে শেল। তারা আগামী তিন মাসে ৫০০ কোটি ডলারের নিজস্ব শেয়ার কিনবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত দেবে কোম্পানিটি। আগের প্রান্তিকে এই খাতে ব্যয় ছিল ৩০০ কোটি ডলার।

শেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ায়েল সাওয়ান মন্তব্য করেন, “বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা চলছে।” তিনি বলেন, “এর মধ্যেও শেল ভালো ব্যবসায়িক ফলাফল অর্জন করেছে।” পরিচালনগত দক্ষতা বাড়ানোর ওপর ধারাবাহিকভাবে গুরুত্ব দেওয়ার ফলে এই সাফল্য এসেছে।

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় শেলের মুনাফা বেড়েছে। ওই সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৯৮৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার। চলতি মাসের শুরুতে শেল বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছিল, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে তাদের তেল শোধনাগারের মুনাফার হার বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময়ে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি উৎপাদনে মুনাফা ৪২ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল কোম্পানিটি। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতি ব্যারেলে এ মুনাফার হার ছিল ২৪ ডলার।

গ্যাস উৎপাদন কমেছে: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে শেলের লাভ বাড়লেও গ্যাস উৎপাদন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে কোম্পানিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে শেল প্রতিদিন ৯ লাখ ব্যারেল তেলসমতুল্য গ্যাস উৎপাদন করত। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর কোম্পানিটির উৎপাদন এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে।

পরিবেশবাদীদের সমালোচনা: শেলের দ্বিগুণ লাভ করার খবর পরিবেশবাদীদের জন্য সুখকর নয়। আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিসের জ্যেষ্ঠ প্রচারক ফিলিপ ইভান্স বলেন, “জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে সৃষ্ট ঝড়, বন্যা ও লাগামহীন ব্যয় মানুষের জীবন বিপর্যস্ত করছে। অথচ শেলের মতো তেল কোম্পানির নির্বাহীরা এই সংকটের মধ্যেও মুনাফা করছেন। আমরা জীবন ও উপার্জন হারিয়ে এর মূল্য দিচ্ছি। আর তাঁরা আমাদের দুর্ভোগ থেকে অর্থ আয় করছেন।”

সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্বাস ছাড়া শার্ট পরে অভিনয়ের নির্দেশনা নিয়ে রাধিকার কড়া জবাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ এম


অন্তর্বাস ছাড়া শার্ট পরে অভিনয়ের নির্দেশনা নিয়ে রাধিকার কড়া জবাব

চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের সময় অভিনেত্রীদের পোশাক ও শরীর নিয়ে নির্মাতাদের অস্বস্তিকর নির্দেশনা দেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। এবার বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে এমন একটি অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।

একটি অ্যাকশন সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তাকে অন্তর্বাস পরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছিল। এমনকি অন্তর্বাস ছাড়া শার্ট পরে বোতাম খোলা রাখার নির্দেশনাও তাকে দেওয়া হয়। এই নির্দেশনার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাধিকা।

সম্প্রতি তিনি নিজের নতুন সিরিজ ‘আক্কা’র প্রচারের জন্য একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে এসব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। চলচ্চিত্রশিল্পে নারীদের কাজের পরিবেশ এবং শুটিংয়ের সময় তাদের স্বস্তি ও সম্মতির বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।

রাধিকা জানান, একটি অ্যাকশন সিনেমার দৃশ্যের জন্য তাকে অন্তর্বাস ছাড়া শার্ট পরতে এবং শার্টের বোতাম খোলা রাখতে বলা হয়েছিল। তবে এই নির্দেশনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, “তারা আমাকে বলেছিল, তুমি কি অন্তর্বাস ছাড়া শার্ট পরতে পারবে ও বোতাম খোলা রাখতে পারবে? আমি তাদের বলেছিলাম, পদার্থবিদ্যার বিষয়টা একটু ভেবে দেখুন। আমি যখন অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয় করছি…”

রাধিকার এই বক্তব্যে শুটিংয়ের প্রয়োজনে অভিনেত্রীদের পোশাক নিয়ে নির্মাতাদের প্রত্যাশা এবং বাস্তবসম্মত নির্দেশনার বিষয়টি সামনে এসেছে।

সাক্ষাৎকারে রাধিকা আরও জানান, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের স্বস্তি, নিরাপত্তা ও সম্মতি নিশ্চিত করতে ইন্টিমেসি কোঅর্ডিনেটররা কাজ করেন। কিন্তু অনুচিত দাবি বা নির্দেশনার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ফলে তাদের পেশাগত ঝুঁকিতে পড়তে হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এমনকি এ ধরনের পরিস্থিতিতে তাদের চাকরি হারানোর ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান অভিনেত্রী।

রাধিকার বক্তব্যে চলচ্চিত্রের সেটে সম্মতি, পেশাগত মর্যাদা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্ব নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এদিকে, রাধিকা আপ্তে অভিনীত নতুন ভারতীয় সিরিজ ‘আক্কা’ নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সিরিজটির গল্প ১৯৮০-এর দশকের দক্ষিণ ভারতের কাল্পনিক শহর পেরুনুরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। সেখানে নারীদের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী গ্যাংস্টার-জগৎ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিজেদের ক্ষমতা ও উত্তরাধিকার ধরে রাখতে তারা লড়াই করছে।

আনুগত্য, প্রতিশোধ, পারিবারিক উত্তরাধিকার এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাতের গল্পে গুরুত্বপূর্ণ দুই চরিত্র ভবানী ও রুদ্র। ভবানী চরিত্রে অভিনয় করেছেন কীর্তি সুরেশ এবং রুদ্রর ভূমিকায় রাধিকা আপ্তে।

নেটফ্লিক্সের এই সিরিজে ক্ষমতার সমীকরণ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং সংঘাতের মধ্য দিয়ে কাহিনি এগিয়ে যাবে। নতুন সিরিজের প্রচারের পাশাপাশি চলচ্চিত্রশিল্পে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আবারও আলোচনায় এসেছেন রাধিকা আপ্তে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাত ১২টার পর ভাত খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ এম


রাত ১২টার পর ভাত খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

রাত জেগে কাজ করা, পড়াশোনা কিংবা দেরিতে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস অনেকের মধ্যে দেখা যায়। কিছু মানুষ রাত ১২টার পর ভাত খেয়ে ঘুমাতে যান। তবে গভীর রাতে ভাত খাওয়ার অভ্যাস শরীরের ওপর কী প্রভাব ফেলে? এতে কি ওজন বৃদ্ধি পায়, হজমে সমস্যা দেখা দেয়, নাকি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়?

পুষ্টিবিদদের মতে, ভাত নিজে ক্ষতিকর কোনো খাবার নয়। তবে ভাতের পরিমাণ, খাওয়ার সময় এবং খাওয়ার পর ঘুমানোর সময়—এসব বিষয় স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

১. ওজন বাড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে

ভাতে কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরের শক্তির অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করে। রাত ১২টার পর ভাত খেলে যে ওজন বেড়ে যাবে, বিষয়টি এমন নয়। তবে গভীর রাতে অতিরিক্ত ভাত খাওয়া এবং খাওয়ার পরপরই ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস দৈনিক ক্যালরি গ্রহণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় নিয়মিত বেশি ক্যালরি গ্রহণ করলে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই খাবারের পরিমাণের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি, পাশাপাশি সময়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

২. হজমে অস্বস্তি হতে পারে

রাতে বেশি পরিমাণে ভাত ও অন্যান্য খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লে পেট ভার, অস্বস্তি কিংবা বদহজম হতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হজমের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই অস্বস্তি বেশি দেখা দিতে পারে।

এ কারণে রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই বিছানায় না যাওয়াই ভালো।

৩. বাড়তে পারে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা

যাদের বুকজ্বালা বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া অস্বস্তি বাড়াতে পারে। এতে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালিতে উঠে এসে বুকজ্বালা, টক ঢেকুর কিংবা গলায় জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।

এ ধরনের সমস্যা এড়াতে ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

৪. রক্তে শর্করার মাত্রায় প্রভাব পড়তে পারে

ভাতের কার্বোহাইড্রেট হজম হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়। ফলে ভাত খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে। কতটা বাড়বে, তা নির্ভর করে ভাতের পরিমাণ, ভাতের ধরন, সঙ্গে খাওয়া অন্যান্য খাবার এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রাতে বেশি পরিমাণে ভাত খাওয়া রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তুলতে পারে। তাই তাদের জন্য পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

৫. ঘুমের মান খারাপ হতে পারে

রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই ঘুমাতে গেলে পেট ভার লাগা, বুকজ্বালা কিংবা অস্বস্তির কারণে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তবে শুধু রাত ১২টার পর ভাত খাওয়াই ঘুমের সমস্যার সরাসরি কারণ—এমন সিদ্ধান্তের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই।

ঘুমের আগে অতিরিক্ত খাবার না খাওয়া এবং নিয়মিত ঘুমের সময় বজায় রাখা ভালো অভ্যাস।

তাহলে কি রাত ১২টার পর ভাত খাওয়া যাবে না?

রাত ১২টার পর ভাত খেলেই শরীরের ক্ষতি হবে—এ ধারণা সঠিক নয়। যারা রাত জেগে কাজ করেন বা দেরিতে ঘুমান, তাদের খাবারের সময়সূচি আলাদা হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ হলো সুষম খাবার খাওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক রাখা এবং ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী খাবার এড়িয়ে চলা।

রাতে ভাত খেলে সঙ্গে শাকসবজি, ডাল, মাছ, ডিম বা অন্য কোনো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন। এতে খাবারে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%