শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৮ এম
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ফলে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ তেল ও গ্যাস কোম্পানি শেল লাভবান হয়েছে।
গত প্রান্তিকে শেলের লাভ দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তারা জানায়, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে তাদের লাভ দাঁড়িয়েছে ১০.৮ বিলিয়ন ডলার (এক হাজার ৮০ কোটি ডলার)। ২০২৫ সালের একই প্রান্তিকে তাদের লাভ ছিল ৫.৪৩ বিলিয়ন ডলার।
বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে
বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল, শেলের লাভের পরিমাণ হবে ১০.৩৩ বিলিয়ন ডলার (এক হাজার ৩৩ কোটি ডলার)। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি লাভ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, শেয়ার পুনঃক্রয় কর্মসূচির পরিমাণ বাড়িয়েছে শেল। তারা আগামী তিন মাসে ৫০০ কোটি ডলারের নিজস্ব শেয়ার কিনবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত দেবে কোম্পানিটি। আগের প্রান্তিকে এই খাতে ব্যয় ছিল ৩০০ কোটি ডলার।
শেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ায়েল সাওয়ান মন্তব্য করেন, “বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা চলছে।” তিনি বলেন, “এর মধ্যেও শেল ভালো ব্যবসায়িক ফলাফল অর্জন করেছে।” পরিচালনগত দক্ষতা বাড়ানোর ওপর ধারাবাহিকভাবে গুরুত্ব দেওয়ার ফলে এই সাফল্য এসেছে।
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় শেলের মুনাফা বেড়েছে। ওই সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৯৮৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার। চলতি মাসের শুরুতে শেল বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছিল, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে তাদের তেল শোধনাগারের মুনাফার হার বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময়ে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি উৎপাদনে মুনাফা ৪২ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল কোম্পানিটি। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতি ব্যারেলে এ মুনাফার হার ছিল ২৪ ডলার।
গ্যাস উৎপাদন কমেছে: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে শেলের লাভ বাড়লেও গ্যাস উৎপাদন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে কোম্পানিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে শেল প্রতিদিন ৯ লাখ ব্যারেল তেলসমতুল্য গ্যাস উৎপাদন করত। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর কোম্পানিটির উৎপাদন এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে।
পরিবেশবাদীদের সমালোচনা: শেলের দ্বিগুণ লাভ করার খবর পরিবেশবাদীদের জন্য সুখকর নয়। আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিসের জ্যেষ্ঠ প্রচারক ফিলিপ ইভান্স বলেন, “জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে সৃষ্ট ঝড়, বন্যা ও লাগামহীন ব্যয় মানুষের জীবন বিপর্যস্ত করছে। অথচ শেলের মতো তেল কোম্পানির নির্বাহীরা এই সংকটের মধ্যেও মুনাফা করছেন। আমরা জীবন ও উপার্জন হারিয়ে এর মূল্য দিচ্ছি। আর তাঁরা আমাদের দুর্ভোগ থেকে অর্থ আয় করছেন।”
সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের সময় অভিনেত্রীদের পোশাক ও শরীর নিয়ে নির্মাতাদের অস্বস্তিকর নির্দেশনা দেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। এবার বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে এমন একটি অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।
একটি অ্যাকশন সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তাকে অন্তর্বাস পরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছিল। এমনকি অন্তর্বাস ছাড়া শার্ট পরে বোতাম খোলা রাখার নির্দেশনাও তাকে দেওয়া হয়। এই নির্দেশনার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাধিকা।
সম্প্রতি তিনি নিজের নতুন সিরিজ ‘আক্কা’র প্রচারের জন্য একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে এসব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। চলচ্চিত্রশিল্পে নারীদের কাজের পরিবেশ এবং শুটিংয়ের সময় তাদের স্বস্তি ও সম্মতির বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।
রাধিকা জানান, একটি অ্যাকশন সিনেমার দৃশ্যের জন্য তাকে অন্তর্বাস ছাড়া শার্ট পরতে এবং শার্টের বোতাম খোলা রাখতে বলা হয়েছিল। তবে এই নির্দেশনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, “তারা আমাকে বলেছিল, তুমি কি অন্তর্বাস ছাড়া শার্ট পরতে পারবে ও বোতাম খোলা রাখতে পারবে? আমি তাদের বলেছিলাম, পদার্থবিদ্যার বিষয়টা একটু ভেবে দেখুন। আমি যখন অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয় করছি…”
রাধিকার এই বক্তব্যে শুটিংয়ের প্রয়োজনে অভিনেত্রীদের পোশাক নিয়ে নির্মাতাদের প্রত্যাশা এবং বাস্তবসম্মত নির্দেশনার বিষয়টি সামনে এসেছে।
সাক্ষাৎকারে রাধিকা আরও জানান, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের স্বস্তি, নিরাপত্তা ও সম্মতি নিশ্চিত করতে ইন্টিমেসি কোঅর্ডিনেটররা কাজ করেন। কিন্তু অনুচিত দাবি বা নির্দেশনার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ফলে তাদের পেশাগত ঝুঁকিতে পড়তে হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এমনকি এ ধরনের পরিস্থিতিতে তাদের চাকরি হারানোর ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান অভিনেত্রী।
রাধিকার বক্তব্যে চলচ্চিত্রের সেটে সম্মতি, পেশাগত মর্যাদা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্ব নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এদিকে, রাধিকা আপ্তে অভিনীত নতুন ভারতীয় সিরিজ ‘আক্কা’ নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সিরিজটির গল্প ১৯৮০-এর দশকের দক্ষিণ ভারতের কাল্পনিক শহর পেরুনুরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। সেখানে নারীদের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী গ্যাংস্টার-জগৎ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিজেদের ক্ষমতা ও উত্তরাধিকার ধরে রাখতে তারা লড়াই করছে।
আনুগত্য, প্রতিশোধ, পারিবারিক উত্তরাধিকার এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাতের গল্পে গুরুত্বপূর্ণ দুই চরিত্র ভবানী ও রুদ্র। ভবানী চরিত্রে অভিনয় করেছেন কীর্তি সুরেশ এবং রুদ্রর ভূমিকায় রাধিকা আপ্তে।
নেটফ্লিক্সের এই সিরিজে ক্ষমতার সমীকরণ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং সংঘাতের মধ্য দিয়ে কাহিনি এগিয়ে যাবে। নতুন সিরিজের প্রচারের পাশাপাশি চলচ্চিত্রশিল্পে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আবারও আলোচনায় এসেছেন রাধিকা আপ্তে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাত জেগে কাজ করা, পড়াশোনা কিংবা দেরিতে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস অনেকের মধ্যে দেখা যায়। কিছু মানুষ রাত ১২টার পর ভাত খেয়ে ঘুমাতে যান। তবে গভীর রাতে ভাত খাওয়ার অভ্যাস শরীরের ওপর কী প্রভাব ফেলে? এতে কি ওজন বৃদ্ধি পায়, হজমে সমস্যা দেখা দেয়, নাকি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়?
পুষ্টিবিদদের মতে, ভাত নিজে ক্ষতিকর কোনো খাবার নয়। তবে ভাতের পরিমাণ, খাওয়ার সময় এবং খাওয়ার পর ঘুমানোর সময়—এসব বিষয় স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
১. ওজন বাড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে
ভাতে কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরের শক্তির অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করে। রাত ১২টার পর ভাত খেলে যে ওজন বেড়ে যাবে, বিষয়টি এমন নয়। তবে গভীর রাতে অতিরিক্ত ভাত খাওয়া এবং খাওয়ার পরপরই ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস দৈনিক ক্যালরি গ্রহণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় নিয়মিত বেশি ক্যালরি গ্রহণ করলে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই খাবারের পরিমাণের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি, পাশাপাশি সময়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
২. হজমে অস্বস্তি হতে পারে
রাতে বেশি পরিমাণে ভাত ও অন্যান্য খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লে পেট ভার, অস্বস্তি কিংবা বদহজম হতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হজমের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই অস্বস্তি বেশি দেখা দিতে পারে।
এ কারণে রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই বিছানায় না যাওয়াই ভালো।
৩. বাড়তে পারে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা
যাদের বুকজ্বালা বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া অস্বস্তি বাড়াতে পারে। এতে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালিতে উঠে এসে বুকজ্বালা, টক ঢেকুর কিংবা গলায় জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।
এ ধরনের সমস্যা এড়াতে ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।
৪. রক্তে শর্করার মাত্রায় প্রভাব পড়তে পারে
ভাতের কার্বোহাইড্রেট হজম হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়। ফলে ভাত খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে। কতটা বাড়বে, তা নির্ভর করে ভাতের পরিমাণ, ভাতের ধরন, সঙ্গে খাওয়া অন্যান্য খাবার এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রাতে বেশি পরিমাণে ভাত খাওয়া রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তুলতে পারে। তাই তাদের জন্য পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
৫. ঘুমের মান খারাপ হতে পারে
রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই ঘুমাতে গেলে পেট ভার লাগা, বুকজ্বালা কিংবা অস্বস্তির কারণে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তবে শুধু রাত ১২টার পর ভাত খাওয়াই ঘুমের সমস্যার সরাসরি কারণ—এমন সিদ্ধান্তের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই।
ঘুমের আগে অতিরিক্ত খাবার না খাওয়া এবং নিয়মিত ঘুমের সময় বজায় রাখা ভালো অভ্যাস।
তাহলে কি রাত ১২টার পর ভাত খাওয়া যাবে না?
রাত ১২টার পর ভাত খেলেই শরীরের ক্ষতি হবে—এ ধারণা সঠিক নয়। যারা রাত জেগে কাজ করেন বা দেরিতে ঘুমান, তাদের খাবারের সময়সূচি আলাদা হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ হলো সুষম খাবার খাওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক রাখা এবং ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী খাবার এড়িয়ে চলা।
রাতে ভাত খেলে সঙ্গে শাকসবজি, ডাল, মাছ, ডিম বা অন্য কোনো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন। এতে খাবারে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কার্লো আনচেলক্তি একটি চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
নভেম্বর মাসে জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের জন্য ২৬ জনের দল ঘোষণা করেছেন ইতালিয়ান কোচ। এই দলে অনভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মধ্যে অ্যালিসন বেকার, এডারসন, মার্কুইনহোস, ক্যাসেমিরো, এডার মিলিতাও, লুকাস পাকুয়েতা এবং ম্যাথিয়াস কুনহার স্থান পাননি।
প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন আন্দ্রে লুইজ, মারলন গোমেস, জনাথন জেসুস, অ্যালিসন সান্তানা ও অ্যালান। তাদের মধ্যে মারলন গোমেস ব্রাজিলের অলিম্পিক দলে এবং অ্যালিসন অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, উভয়েই শাখতার দোনেৎস্কে খেলে থাকেন। আন্দ্রে লুইজ করিন্থিয়াসে, জনাথন জেসুস ক্রুজেইরোতে এবং অ্যালান ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলছেন।
পরিচিত খেলোয়াড়দের মধ্যে গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, ব্রুনো গিমারায়েস, এন্দরিক, এস্তেভাও, রাফিনহা এবং ভিনিসিউস জুনিয়র রয়েছেন। বাকিদের মধ্যে কেউ জাতীয় দলের হয়ে ১৫টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেননি। কেউ একটি ম্যাচ খেলেছেন, কেউ দুটি এবং কেউ ১০টি ম্যাচ খেলেছেন।
ব্রাজিল সিঙ্গাপুরে ১৪ নভেম্বর জাপানের এবং ১৭ নভেম্বর স্বাগতিকদের মুখোমুখি হবে।
ব্রাজিল দল
গোলরক্ষক: বেন্তো, লুকাস পেরি ও মরিস্কো।
ডিফেন্ডার: আর্থুর দিয়াস, কার্লোস অগাস্তো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, জাইর কুনহা, জনাথন জেসুস, ভেন্ডারসন, ভিতর রেইস ও ওয়েসলে।
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে লুইজ, আন্দ্রে সান্তোস, ব্রুনো গিমারায়েস, দানিলো সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল বনটেম্পো, জোয়াও গোমেস ও মারলন গোমেস।
ফরোয়ার্ড: অ্যালিসন সান্তানা, অ্যালান, এন্দরিক, এস্তেভাও, রাফিনহা, রায়ান ও ভিনিসিউস জুনিয়র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পিছিয়ে গেছে। ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে হবে।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের প্ল্যানারি মিটিংয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১টায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমান।
বৈঠকটি ইউএন ওয়েব টিভির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে, জি-৭৭–এর পক্ষে উরুগুয়ের প্রতিনিধি বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কোনো দেশের প্রতিনিধি বিরোধিতা করেননি। ফ্রান্স, কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা, যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে বক্তব্য রাখছিলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের সময় পেছানোর বিষয়ে সমর্থন জানান। তবে তারা বাংলাদেশে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) গত ২১ জুলাই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বাংলাদেশের অনুরোধের বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কাছে সুপারিশ করে।
এর আগে, জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশের আবেদন পর্যালোচনা করে মতামত দেয় যে, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা উচিত। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ইকোসক বিষয়টি সাধারণ পরিষদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
আজ এলডিসি প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের কথা ছিল। এই উত্তরণ হলে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে।
জাতিসংঘ নিজেদের সদস্যদেশগুলোকে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ—এই দুই ভাগে বিভক্ত করে। এলডিসি তালিকার দেশগুলোও উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত।
উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে যারা কিছুটা পিছিয়ে থাকে এবং অন্য দেশের সহায়তা প্রয়োজন—এমন দেশগুলোকে এলডিসিভুক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ