শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৯ এম
রাত জেগে কাজ করা, পড়াশোনা কিংবা দেরিতে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস অনেকের মধ্যে দেখা যায়। কিছু মানুষ রাত ১২টার পর ভাত খেয়ে ঘুমাতে যান। তবে গভীর রাতে ভাত খাওয়ার অভ্যাস শরীরের ওপর কী প্রভাব ফেলে? এতে কি ওজন বৃদ্ধি পায়, হজমে সমস্যা দেখা দেয়, নাকি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়?
পুষ্টিবিদদের মতে, ভাত নিজে ক্ষতিকর কোনো খাবার নয়। তবে ভাতের পরিমাণ, খাওয়ার সময় এবং খাওয়ার পর ঘুমানোর সময়—এসব বিষয় স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
১. ওজন বাড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে
ভাতে কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরের শক্তির অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করে। রাত ১২টার পর ভাত খেলে যে ওজন বেড়ে যাবে, বিষয়টি এমন নয়। তবে গভীর রাতে অতিরিক্ত ভাত খাওয়া এবং খাওয়ার পরপরই ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস দৈনিক ক্যালরি গ্রহণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় নিয়মিত বেশি ক্যালরি গ্রহণ করলে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই খাবারের পরিমাণের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি, পাশাপাশি সময়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
২. হজমে অস্বস্তি হতে পারে
রাতে বেশি পরিমাণে ভাত ও অন্যান্য খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লে পেট ভার, অস্বস্তি কিংবা বদহজম হতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হজমের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই অস্বস্তি বেশি দেখা দিতে পারে।
এ কারণে রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই বিছানায় না যাওয়াই ভালো।
৩. বাড়তে পারে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা
যাদের বুকজ্বালা বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া অস্বস্তি বাড়াতে পারে। এতে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালিতে উঠে এসে বুকজ্বালা, টক ঢেকুর কিংবা গলায় জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।
এ ধরনের সমস্যা এড়াতে ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।
৪. রক্তে শর্করার মাত্রায় প্রভাব পড়তে পারে
ভাতের কার্বোহাইড্রেট হজম হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়। ফলে ভাত খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে। কতটা বাড়বে, তা নির্ভর করে ভাতের পরিমাণ, ভাতের ধরন, সঙ্গে খাওয়া অন্যান্য খাবার এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রাতে বেশি পরিমাণে ভাত খাওয়া রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তুলতে পারে। তাই তাদের জন্য পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
৫. ঘুমের মান খারাপ হতে পারে
রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই ঘুমাতে গেলে পেট ভার লাগা, বুকজ্বালা কিংবা অস্বস্তির কারণে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তবে শুধু রাত ১২টার পর ভাত খাওয়াই ঘুমের সমস্যার সরাসরি কারণ—এমন সিদ্ধান্তের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই।
ঘুমের আগে অতিরিক্ত খাবার না খাওয়া এবং নিয়মিত ঘুমের সময় বজায় রাখা ভালো অভ্যাস।
তাহলে কি রাত ১২টার পর ভাত খাওয়া যাবে না?
রাত ১২টার পর ভাত খেলেই শরীরের ক্ষতি হবে—এ ধারণা সঠিক নয়। যারা রাত জেগে কাজ করেন বা দেরিতে ঘুমান, তাদের খাবারের সময়সূচি আলাদা হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ হলো সুষম খাবার খাওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক রাখা এবং ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী খাবার এড়িয়ে চলা।
রাতে ভাত খেলে সঙ্গে শাকসবজি, ডাল, মাছ, ডিম বা অন্য কোনো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন। এতে খাবারে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কার্লো আনচেলক্তি একটি চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
নভেম্বর মাসে জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের জন্য ২৬ জনের দল ঘোষণা করেছেন ইতালিয়ান কোচ। এই দলে অনভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মধ্যে অ্যালিসন বেকার, এডারসন, মার্কুইনহোস, ক্যাসেমিরো, এডার মিলিতাও, লুকাস পাকুয়েতা এবং ম্যাথিয়াস কুনহার স্থান পাননি।
প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন আন্দ্রে লুইজ, মারলন গোমেস, জনাথন জেসুস, অ্যালিসন সান্তানা ও অ্যালান। তাদের মধ্যে মারলন গোমেস ব্রাজিলের অলিম্পিক দলে এবং অ্যালিসন অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, উভয়েই শাখতার দোনেৎস্কে খেলে থাকেন। আন্দ্রে লুইজ করিন্থিয়াসে, জনাথন জেসুস ক্রুজেইরোতে এবং অ্যালান ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলছেন।
পরিচিত খেলোয়াড়দের মধ্যে গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, ব্রুনো গিমারায়েস, এন্দরিক, এস্তেভাও, রাফিনহা এবং ভিনিসিউস জুনিয়র রয়েছেন। বাকিদের মধ্যে কেউ জাতীয় দলের হয়ে ১৫টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেননি। কেউ একটি ম্যাচ খেলেছেন, কেউ দুটি এবং কেউ ১০টি ম্যাচ খেলেছেন।
ব্রাজিল সিঙ্গাপুরে ১৪ নভেম্বর জাপানের এবং ১৭ নভেম্বর স্বাগতিকদের মুখোমুখি হবে।
ব্রাজিল দল
গোলরক্ষক: বেন্তো, লুকাস পেরি ও মরিস্কো।
ডিফেন্ডার: আর্থুর দিয়াস, কার্লোস অগাস্তো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, জাইর কুনহা, জনাথন জেসুস, ভেন্ডারসন, ভিতর রেইস ও ওয়েসলে।
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে লুইজ, আন্দ্রে সান্তোস, ব্রুনো গিমারায়েস, দানিলো সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল বনটেম্পো, জোয়াও গোমেস ও মারলন গোমেস।
ফরোয়ার্ড: অ্যালিসন সান্তানা, অ্যালান, এন্দরিক, এস্তেভাও, রাফিনহা, রায়ান ও ভিনিসিউস জুনিয়র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পিছিয়ে গেছে। ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে হবে।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের প্ল্যানারি মিটিংয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১টায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমান।
বৈঠকটি ইউএন ওয়েব টিভির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে, জি-৭৭–এর পক্ষে উরুগুয়ের প্রতিনিধি বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কোনো দেশের প্রতিনিধি বিরোধিতা করেননি। ফ্রান্স, কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা, যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে বক্তব্য রাখছিলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের সময় পেছানোর বিষয়ে সমর্থন জানান। তবে তারা বাংলাদেশে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) গত ২১ জুলাই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বাংলাদেশের অনুরোধের বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কাছে সুপারিশ করে।
এর আগে, জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশের আবেদন পর্যালোচনা করে মতামত দেয় যে, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা উচিত। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ইকোসক বিষয়টি সাধারণ পরিষদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
আজ এলডিসি প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের কথা ছিল। এই উত্তরণ হলে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে।
জাতিসংঘ নিজেদের সদস্যদেশগুলোকে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ—এই দুই ভাগে বিভক্ত করে। এলডিসি তালিকার দেশগুলোও উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত।
উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে যারা কিছুটা পিছিয়ে থাকে এবং অন্য দেশের সহায়তা প্রয়োজন—এমন দেশগুলোকে এলডিসিভুক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কা মাত্র সাত দিন আগে রাওয়ালপিন্ডিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪২৯ রান তাড়া করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। ত্রিদেশীয় সিরিজে আবারও এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ৩৮৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় নেমে লঙ্কানরা প্রায় আরেকটি রূপকথার জন্ম দিতে চলেছিল। তবে শেষ মুহূর্তে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে লঙ্কানদের সেই কাণ্ড ঘটানো সম্ভব হয়নি। ১৭ বলের মধ্যে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ৫৫ রানে পরাজিত হয়ে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের লিগ পর্ব শেষ করল শ্রীলঙ্কা।
লাহোরে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংলিশ ব্যাটাররা শুরু থেকেই লঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হন। ওপেনার বেন ডাকেট একটি অনবদ্য ইনিংস উপহার দেন। ১৩২ বলে ২৪টি চারের সাহায্যে তিনি দুর্দান্ত ১৬৭ রান করেন। তার সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে টম ব্যান্টন যোগ করেন ৭৪ রান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩৮৬ রান সংগ্রহ করে শক্তিশালী সংগ্রহ দাঁড় করায় আগেই ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়া ইংল্যান্ড।
বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা দারুণ শুরু করে। পবন রত্নায়েকে ও অধিনায়ক কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে ভর করে দলটি জয়ের পথে ছিল। পবন রত্নায়েকে ৭৭ বলে ১৫ চার ও ১ ছক্কায় ১১৮ রানের চমৎকার স্কোর গড়েন। এছাড়া অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস ৭১ বলে ৮ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। ৪২.২ ওভারে ৫ উইকেটে ৩১৫ রান তুলে লঙ্কানরা জয়ের সুবাস পাচ্ছিল।
জয়ের সুবাস পাওয়া ম্যাচটি থেকেই শুরু হয় অবিশ্বাস্য ব্যাটিং ধস। ৪৩তম ওভারে সাহান আরাচ্চিগের বিদায়ের পর পরের ওভারে রানআউট হন দুনিত ভেল্লালাগে। এরপর সেঞ্চুরিয়ান রত্নায়েকে ও আশিতা ফার্নান্ডোকে ফিরিয়ে জোড়া আঘাত হানেন লিয়াম ডসন। শেষ পর্যন্ত স্যাম কারেনের করা পরের ওভারের প্রথম বলে ঈশান মালিঙ্গা বোল্ড হলে ৩৩১ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা।
শেষে ৫৫ রানের সান্ত্বনার জয় নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে ইংল্যান্ড। এই ম্যাচের পর আগামী শনিবার লাহোরে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ইংল্যান্ড: ৩৮৬/৫, ৫০ ওভার।
শ্রীলঙ্কা: ৩৩১/১০, ৪৫.১ ওভার।
ফল: ইংল্যান্ড ৫৫ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : বেন ডাকেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ১৫ মিনিটের হ্যাটট্রিক ঝড়ে আল খলুদকে পরাজিত করে আল নাসর। সৌদি প্রো লিগের এই ম্যাচে আল নাসর ৫-৩ গোলের জয় লাভ করেছে।
২৪ মিনিটে আল নাসরকে প্রথমে এগিয়ে দেন অ্যাঞ্জেলো গ্যাব্রিয়েল। ৩৮ মিনিটে সাদিও মানে গোল করেন। রোনালদোকে গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত, যখন খলুদ তখন ২-২ গোলে সমতা অর্জন করে।
ম্যাচের ৬৬ মিনিটে পর্তুগিজ তারকা প্রথম গোলটি করেন। তিনি জোয়াও ফেলিক্সের কাছ থেকে বল পেয়ে হেডে গোলটি করেন। ৭২ মিনিটে তার পরবর্তী গোলটিও ফেলিক্সের অ্যাসিস্টে আসে। ৮১ মিনিটে মানের অ্যাসিস্টে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন রোনালদো।
এটি রোনালদোর ক্লাব ক্যারিয়ারে ৮৩৯তম গোল। তিনি জাতীয় দলের হয়ে ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন। এক হাজার গোলের মাইলফলকে পৌঁছাতে তার প্রয়োজন আর ১৫ গোল।
রোনালদোর হ্যাটট্রিকের ফলে আল নাসর সৌদি প্রো লিগে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তারা ১১ ম্যাচে ৯ জয়, এক হার ও এক ড্র নিয়ে ২৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। সমান পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে রয়েছে আল কাদসিয়া। খলুদ ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১০ নম্বরে অবস্থান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ