ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সন্তানের এইচএসসির ফল খারাপ হলে অভিভাবকের করণীয়


সন্তানের এইচএসসির ফল খারাপ হলে অভিভাবকের করণীয়

এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনটি দেশের হাজারো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জন্য এক ভিন্ন ধরনের আবেগ, উৎকণ্ঠা এবং প্রত্যাশার দিন। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জিত হলে পরিবারে আনন্দের ঢেউ বয়ে যায়। তবে এর বিপরীত চিত্রও কম নয়।

যখন প্রত্যাশার চেয়ে ফল খারাপ হয় বা কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না আসে, তখন মুহূর্তের মধ্যে পুরো পরিবারে নেমে আসে পিনপতন নীরবতা। অনেক সময় এই পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে অভিভাবকরাও দিশেহারা হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় এইচএসসি ফলাফলকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি এবং ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিঁড়ি হিসেবে দেখা হয়। ফল খারাপ হলে সামাজিক চাপ ও লজ্জার ভয়ে অনেক অভিভাবক অতিরিক্ত কঠোর হয়ে ওঠেন। অথচ এই সংকটময় মুহূর্তে বকাঝকা বা দোষারোপ না করে, সন্তানের জন্য পরিবারের মানসিক সমর্থন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত ক্রেডিট কার্ড পেতে যা করণীয়, জেনে নিন

এইচএসসির ফল প্রকাশের পর যদি তা আশানুরূপ না হয়, তাহলে একজন অভিভাবক কীভাবে ইতিবাচকভাবে সন্তানের পাশে দাঁড়াতে পারেন, তা নিয়ে আজকের আলোচনা।

১. বকাঝকা ও নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন

আমাদের সমাজে অনেক সময় রাগের মাথায় সন্তানকে বলা হয়—‘এত টাকা খরচ করে পড়ানোর ফল কী হলো!’ অথবা ‘তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না’। ফলাফল প্রত্যাশামতো না হলে সন্তান ইতিমধ্যেই এক ধরনের অপরাধবোধ ও মানসিক চাপের মধ্যে থাকে। এর উপর এই ধরনের কটূক্তি বা অপমান তার আত্মবিশ্বাসকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে দিতে পারে। মনে রাখতে হবে, ফল যা হওয়ার তা হয়ে গেছে; এখন বকাঝকা করলে ফলাফল পরিবর্তন হবে না, বরং সন্তান মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়বে।

২. অন্যের সন্তানের সঙ্গে তুলনা করা বন্ধ করুন

আরও পড়ুন: আজ ‘কোনো কাজ না করার’ দিবস পালিত

‘পাশের বাসার আন্টির ছেলে কত জিপিএ পেয়েছে, আর তুমি কী করলে!’—এই ধরনের তুলনা বাংলাদেশের পরিবারগুলোতে খুব পরিচিত। কিন্তু এই তুলনা সন্তানের মনে তীব্র হীনম্মন্যতা ও জেদ তৈরি করে, যা অনেক সময় মারাত্মক পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। প্রতিটি শিশুর মানসিক গঠন ও সামর্থ্য আলাদা। অন্যদের সঙ্গে তুলনা না করে বরং তার নিজের আগের ফলাফল বা ছোটখাটো ইতিবাচক দিকগুলোর প্রশংসা করুন।

৩. সন্তানের কথা মন দিয়ে শুনুন

সন্তান কেন খারাপ ফল করেছে, তার পেছনের কারণগুলো জানার চেষ্টা করুন। হতে পারে পরীক্ষার সময়ে সে অসুস্থ ছিল, পারিবারিক কোনো চাপ ছিল, কিংবা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে প্রস্তুতির ঘাটতি ছিল। বিচার না করে তার কথা মন দিয়ে শুনুন। সে কী বলতে চাইছে, তা বোঝার চেষ্টা করুন। এতে সন্তানের ভেতরের জমে থাকা কষ্ট ও চাপ অনেকটা কমে আসবে।

৪. মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি কড়া নজর রাখুন

আরও পড়ুন: নতুন সাজে সেন্টমার্টিন, পর্যটকদের অপেক্ষা

ফল প্রকাশের পর অনেক শিক্ষার্থী হঠাৎ চুপচাপ হয়ে যায়, সবার কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয় বা ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই বিষয়গুলোকে অনেক সময় স্রেফ ‘অভিমান’ ভেবে এড়িয়ে যাওয়া হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সন্তান একা থাকতে চাইছে মানেই তাকে একা ছেড়ে দেওয়া নয়; তার পাশে থাকুন, তাকে বোঝান যে জীবন কেবল একটি পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করে না। পরিস্থিতি বেশি জটিল মনে হলে প্রফেশনাল কাউন্সেলর বা চিকিৎসকের সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না।

৫. বাস্তবসম্মত ও বিকল্প পরিকল্পনা করুন

সামনে কী করা যায়, তা নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। আমাদের দেশে জিপিএ-৫ বা কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলেই সব শেষ—এমন একটি ভ্রান্ত ধারণা সমাজজুড়ে বিদ্যমান। অথচ উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন বিকল্প পথ, অনার্সের নানা সাবজেক্ট, প্রফেশনাল কোর্স বা ডিগ্রি কলেজ—সব মিলিয়ে সুযোগের অভাব নেই। সন্তানের আগ্রহ ও সামর্থ্য অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপের রূপরেখা তৈরি করুন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ শিক্ষক বা সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ নিন।

পরিশেষে, এইচএসসির ফলাফল জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মাত্র, এটি পুরো জীবন নয়। ভালো ফল যেমন সামনে এগিয়ে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে, তেমনি আশানুরূপ ফল না পাওয়া মানে জীবন থেমে যাওয়া নয়। বরং এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে সন্তানের সবচেয়ে বড় ভরসাস্থল হতে হবে তার পরিবারকে।

আরও পড়ুন: নিউ জার্সিতে দেড় লাখ ডলারের মধ্যে বাড়ি কেনার সুযোগ, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরাজগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ ২২ ঘণ্টা পর উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


সিরাজগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ ২২ ঘণ্টা পর উদ্ধার

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ইছামতি নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া জোনায়েদ হোসেন (১২) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরের দিকে চার বন্ধুর সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমেছিল জুনায়েদ। এ সময় তিন বন্ধু নদী থেকে উঠে আসতে পারলেও জুনায়েদ পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলেরা জাল দিয়ে নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে ভদ্রঘাট পশ্চিম খানপাড়া এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জোনায়েদ ওই ভদ্রঘাট পশ্চিম খানপাড়া গ্রামের মৃদু মিয়ার ছেলে।

রাজশাহী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সন্ধ্যার পর অভিযান সমাপ্ত করে শনিবার সকালে আবারও তল্লাশি চালায় ডুবুরি দল। সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে নদীর ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজের প্রায় ২২ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটি যে স্থানে নিখোঁজ হয়েছিল, সেখান থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে নদীর ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হচ্ছে বায়ো-কাউন্সেলিং সেবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হচ্ছে বায়ো-কাউন্সেলিং সেবা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে জেনেটিক বায়ো-কাউন্সেলিং সেবা চালু হতে যাচ্ছে। এই সেবার আওতায় শিক্ষার্থীরা থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা, গোপনীয় জেনেটিক কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বায়োটেডের (BioTED) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) তাইয়েবা তাসনীম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান অবকাঠামো ও অধিভুক্ত কলেজগুলোর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ, বাজারের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন, ইন্টার্নশিপ এবং চাকরির সুযোগ তৈরিতে কাজ করবে সেন্টারটি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম উপস্থিত ছিলেন।

বায়োটেডের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ শওগাতুল ইসলাম। এ সময় জেনএক্স হেলথের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুনিয়া আমিন উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী, সেন্টারটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা এবং গোপনীয় জেনেটিক কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করা হবে এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব সেবার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।

শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তুলতে চারটি বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই চারটি বিষয় হলো ডিজিটাল সেবা, ব্যবসা ও অর্থায়নসংক্রান্ত কার্যক্রম, ইংরেজি ও কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ, কেয়ার ও স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা। এসব প্রশিক্ষণ প্রচলিত শিক্ষাক্রমের পরিপূরক হিসেবে পরিচালিত হবে।

চাকরির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত তৈরি, সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি, ব্যবহারিক কাজ এবং ইন্টার্নশিপের সুযোগ তৈরিতে কাজ করবে সেন্টারটি। ডিগ্রি শেষ করার আগেই শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ বা বাস্তবভিত্তিক প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও চাকরির সুপারিশের ব্যবস্থাও থাকবে। নারী স্নাতকদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাদের জন্য পৃথক কর্মসংস্থান সহায়তা ডেস্ক এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে রাজনৈতিক মহল : শ্রমমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে রাজনৈতিক মহল : শ্রমমন্ত্রী

শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, মজুরি বাড়ানোর দাবিতে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীরা প্রকৃত শ্রমিক নয়; বরং একটি রাজনৈতিক মহল অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) পোশাকশিল্প মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের জন্য উদ্যোগ নেবে বিকেএমইএ-বিজিএমইএ।

অন্যদিকে, উদ্যোক্তাদের মতে, মজুরি বোর্ড গঠনে বিলম্বের জন্য শ্রমিক প্রতিনিধিরাই দায়ী।

প্রসঙ্গত, শ্রম আইন সংশোধন করে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময়সীমা ৫ বছর থেকে কমিয়ে ৩ বছর করা হয়েছে। এর ফলে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হওয়া সর্বশেষ সাড়ে ১২ হাজার টাকার মজুরি কাঠামোটি এই বছরেই সংশোধন করতে হবে।

মজুরি বোর্ড পহেলা নভেম্বর গঠন করা হবে।

সর্বশেষ সংশোধনে মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছিল ৫৬.২৫ শতাংশ। বর্তমানে ন্যূনতম মজুরির দাবি ৩২ হাজার টাকার।

এমন পরিস্থিতিতে, শুক্রবার শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে শনিবার শ্রম ভবনে মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএফআরআই এর ডিজি লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


বিএফআরআই এর ডিজি লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম খুলনার পাইকগাছাস্থ লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। ৩১ অক্টোবর শনিবার সকালে তিনি ইনস্টিটিউট এর লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে উল্লেখ করেন যে, চলমান গবেষণা গুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে অদূর ভবিষ্যতে মৎস্য চাষে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। তিনি গবেষণা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মহাপরিচালকের সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউট এর পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম, লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্র প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আজহার আলী, উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মন্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়ার ও ড. নূর-এ-রওশন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস, কম্পিউটার অপারেটর রাশেদুল হাসান, ক্ষেত্র সহকারী আব্দুল মতিন, খন্দকার সাকির হোসেন, মুশফিকুর রহমান, সুকেশ বিশ্বাস, হিসাব রক্ষক শাহিনুর রহমান ও কেয়ারটেকার হাশেম আলী।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো তিনি লোনাপানি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। মহাপরিচালক হওয়ার পূর্বে তিনি অত্র কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ছিলেন এবং দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অত্র কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট থেকে কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%