০৩:৪৮ পি.এম
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে জেনেটিক বায়ো-কাউন্সেলিং সেবা চালু হতে যাচ্ছে। এই সেবার আওতায় শিক্ষার্থীরা থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা, গোপনীয় জেনেটিক কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বায়োটেডের (BioTED) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) তাইয়েবা তাসনীম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: গোপালপুরের যমজ ভাইয়ের এসএসসির পর এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ অর্জন
সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান অবকাঠামো ও অধিভুক্ত কলেজগুলোর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ, বাজারের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন, ইন্টার্নশিপ এবং চাকরির সুযোগ তৈরিতে কাজ করবে সেন্টারটি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম উপস্থিত ছিলেন।
বায়োটেডের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ শওগাতুল ইসলাম। এ সময় জেনএক্স হেলথের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুনিয়া আমিন উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী, সেন্টারটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা এবং গোপনীয় জেনেটিক কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করা হবে এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব সেবার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।
আরও পড়ুন: ‘ডিআইইউ ইকোনমিক্স ফোরাম’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু, শিক্ষার্থীদের জন্য প্ল্যাটফর্ম
শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তুলতে চারটি বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই চারটি বিষয় হলো ডিজিটাল সেবা, ব্যবসা ও অর্থায়নসংক্রান্ত কার্যক্রম, ইংরেজি ও কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ, কেয়ার ও স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা। এসব প্রশিক্ষণ প্রচলিত শিক্ষাক্রমের পরিপূরক হিসেবে পরিচালিত হবে।
চাকরির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত তৈরি, সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি, ব্যবহারিক কাজ এবং ইন্টার্নশিপের সুযোগ তৈরিতে কাজ করবে সেন্টারটি। ডিগ্রি শেষ করার আগেই শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ বা বাস্তবভিত্তিক প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও চাকরির সুপারিশের ব্যবস্থাও থাকবে। নারী স্নাতকদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাদের জন্য পৃথক কর্মসংস্থান সহায়তা ডেস্ক এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করবে।
আরও পড়ুন: শিশুদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চারে স্কাউটিংয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ববি হাজ্জাজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন