০৩:৪৮ পি.এম
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, মজুরি বাড়ানোর দাবিতে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীরা প্রকৃত শ্রমিক নয়; বরং একটি রাজনৈতিক মহল অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) পোশাকশিল্প মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের জন্য উদ্যোগ নেবে বিকেএমইএ-বিজিএমইএ।
আরও পড়ুন: সাবেক মেয়র তোফাইল বিন হোছাইনের বিরুদ্ধে ১৭৪ ভবনের নকশা অনুমোদনের মামলা
অন্যদিকে, উদ্যোক্তাদের মতে, মজুরি বোর্ড গঠনে বিলম্বের জন্য শ্রমিক প্রতিনিধিরাই দায়ী।
প্রসঙ্গত, শ্রম আইন সংশোধন করে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময়সীমা ৫ বছর থেকে কমিয়ে ৩ বছর করা হয়েছে। এর ফলে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হওয়া সর্বশেষ সাড়ে ১২ হাজার টাকার মজুরি কাঠামোটি এই বছরেই সংশোধন করতে হবে।
মজুরি বোর্ড পহেলা নভেম্বর গঠন করা হবে।
সর্বশেষ সংশোধনে মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছিল ৫৬.২৫ শতাংশ। বর্তমানে ন্যূনতম মজুরির দাবি ৩২ হাজার টাকার।
আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যায় এমপি আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুর ২ দিনের রিমান্ড
এমন পরিস্থিতিতে, শুক্রবার শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে শনিবার শ্রম ভবনে মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন