ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মাদারীপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আটক


মাদারীপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আটক

মাদারীপুরে মারিয়া আক্তার নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্বামী ইমরান বেপারীকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে শহরের সৈয়দারবালী এলাকার টিবি ক্লিনিক রোডে বাবার বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মারিয়া আক্তার ওই এলাকার হানিফ মুন্সির মেয়ে। তাঁর স্বামী ইমরান বেপারী মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার চিড়াইপাড়া এলাকার কালাম বেপারীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে পারিবারিকভাবে ইমরান বেপারীর সঙ্গে মারিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে মারিয়া বাবার বাড়িতে চলে আসেন। রোববার রাতে ইমরান শ্বশুরবাড়িতে আসেন। এর পরদিন সোমবার ভোরে ওই বাড়ি থেকেই মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর ইমরান সেখান থেকে চলে যান। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

আরও পড়ুন: নান্দাইলে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে ট্রাকে আগুন, শহর বিদ্যুৎহীন

এদিকে, নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, যৌতুকের দাবিতে ইমরান প্রায়ই মারিয়াকে মারধর করতেন। যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ ঘরের মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে ইমরান পালিয়ে যান বলে দাবি তাঁদের। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

তবে মারিয়ার মৃত্যু হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাইদুল ইসলাম মামুন নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০০ পি.এম


ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

 

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৮২ পিস ইয়াবাসহ মোঃ হাফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের গাগলা এগারোমাথা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ জানায়, নাগেশ্বরী থানা পুলিশের একটি দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৮২ পিস ইয়াবাসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হাফিজুর রহমান কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর এলাকার বাসিন্দা।

নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এনামুল হক প্রধান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নাগেশ্বরী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, কুড়িগ্রাম জেলায় মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তিনি সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক মেয়র তোফাইল বিন হোছাইনের বিরুদ্ধে ১৭৪ ভবনের নকশা অনুমোদনের মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


সাবেক মেয়র তোফাইল বিন হোছাইনের বিরুদ্ধে ১৭৪ ভবনের নকশা অনুমোদনের মামলা

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র এস এম তোফাইল বিন হোছাইনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি একক ক্ষমতাবলে ১৭৪টি ভবনের নকশা অনুমোদন দিয়েছেন। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে, ইমারত ও স্থাপনার নকশা অনুমোদন কমিটির সুপারিশ ছাড়া এসব অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২-এর উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে কালের কণ্ঠকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাবেক মেয়র এস এম তোফাইল বিন হোছাইনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর মামলা করার সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। গত ৫ অক্টোবর দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার বদলির কারণে রবিবার (১ নভেম্বর) দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা)-২-এ মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক তাপছির বিল্লাহ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এস এম তোফাইল বিন হোছাইন ২০২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট পর্যন্ত বাঁশখালী পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি মোট ২৬৭টি ইমারত ও স্থাপনার নকশা অনুমোদন দিয়েছেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০১৭ সালের ২২ জুন জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, পৌরসভায় ইমারত ও স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগত মান নিশ্চিত করতে মেয়রকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশনা রয়েছে। এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নকশা অনুমোদনের বিধান রয়েছে।

এছাড়া, পরিপত্র অনুযায়ী, প্রতি তিন মাসে কমিটির অন্তত একটি সভা করার কথা। তবে তোফাইল বিন হোছাইনের মেয়াদকালে এ ধরনের সভা হয়েছে মাত্র দুটি। ২০২৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ওই দুই সভায় মোট ৮৯টি নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়। বাকি ১৭৪টি নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত কমিটির কোনো সুপারিশ নেওয়া হয়নি। সাবেক মেয়র এককভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব নকশা অনুমোদন দেন। এতে তার নিজস্ব লাভবান হওয়ার বা অন্যদের লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্য ছিল।

২০২০ সালের ২৩ নভেম্বর বাঁশখালী পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সেলিমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। ওই অনুসন্ধানের একপর্যায়ে সাবেক মেয়র তোফাইল বিন হোছাইনের বিরুদ্ধে নকশা অনুমোদনে অনিয়মের অভিযোগটি সামনে আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে আর বিনিয়োগ করবেন না সালমান মুক্তাদির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


বাংলাদেশে আর বিনিয়োগ করবেন না সালমান মুক্তাদির

ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন সংকট, স্টুডিও ভাঙার ঘটনা এবং দেশে কাজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির। তিনি জানিয়েছেন, স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে কঠিন সময় পার করছেন এবং নিজের ক্ষতি ও মানসিক চাপের বিষয়টিও তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশে আর স্টুডিও পরিচালনা কিংবা নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেই তার।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গ্যাপ’-এর বিশেষ প্রদর্শনীতে এসব মন্তব্য করেন সালমান। ছবিটি ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে মুক্তির অনুমতি পেয়েছে। গত শনিবার ঢাকার মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারের স্টার সিনেপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয় এই বিশেষ প্রদর্শনী। সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি, আইন-শৃঙ্খলা, ব্যক্তিগত সংকট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি আলোচনা করেন।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সরকারের প্রতি কোনো বার্তা আছে কি না, জানতে চাইলে সালমান বলেন, ‘সরকারকে কিছু বলার মতো কোনো সুযোগ এখনো আমাকে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। খুব আন্তরিকতার সঙ্গে প্রস্তাবও দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাইনি। তাই আমার মনে হয়, আমি কিছু বললেও তা শোনার মতো কোনো সুযোগ তৈরি হবে না।’

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার কথায়, ‘যাদের এ বিষয়ে কথা বলা উচিত, তারা যদি কথা বলেন, সেটাই ভালো। আমরা সাধারণ নাগরিকেরা শুধু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা নিতে পারি। সেই অভিজ্ঞতা ভালোও হতে পারে, খারাপও হতে পারে। কিন্তু এ বিষয়ে কিছু বললাম কি বললাম না, তাতে আসলে কোনো পার্থক্য তৈরি হয় না। বড়জোর কিছু মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ হয় অথবা সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।’

ব্যক্তিগত জীবন ও স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে কেমন আছেন, সে প্রসঙ্গেও কথা বলেন সালমান। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা খুবই করুণ একটা অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একটা বড় বিপদ অতিক্রম করার চেষ্টা করছি। আমার কষ্ট হয়েছে, ক্ষতিও হয়েছে—এটা সত্যি। কিন্তু এ নিয়ে আমি খুব একটা দুঃখী কি না, তাহলে বলব, একেবারেই না। আমি দুঃখ প্রকাশ করে বসে থাকতে পছন্দ করি না।’

কঠিন সময়েও সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় চেষ্টা করি, জীবনে যদি ভালো কিছু চাই, তাহলে খারাপ কিছুর জন্যও প্রস্তুত থাকতে হবে। তাই খারাপ সময় যখন আসবে, সেটাকে অতিক্রম করতে হবে। এটা নিয়ে অভিযোগ করে বসে থাকলে তো হবে না।’

তাকে ঘিরে বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে শ্বশুরের নাম উঠে আসার প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয় সালমানকে। তিনি বলেন, ‘জন্ম কে দিয়েছে, সেটা তো আমি আসলে জানি না। কিন্তু ঘটনাটা যখন ঘটেই গেছে, তখন আমি যে গিয়ে জিজ্ঞাসা করব, কোথা থেকে কী হলো, সেই সুযোগটাও তো পাইনি। আগেই বলেছি, আমি সেই সুযোগ পাইনি। আমি তো বলেছি, আমি দোষী। তো যারা আমাকে দোষ দিচ্ছেন, তারা যদি সবাই মিলে আমাকে সামনে বসিয়ে একটু কথা বলতেন, তাহলে দোষটা স্বীকার করে বিষয়টা সমাধান করতে তো সমস্যা হতো না। কিন্তু তা না করে কেউ একটা কিছু বলে দিলেন, আপনারা সেটা ছড়িয়ে দিলেন, অথচ প্রমাণ করতে পারলেন না। শুধু একটা অভিযোগ করে দিলেন।’

এ ধরনের অভিযোগ একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত ভবিষ্যতে কী প্রভাব ফেলতে পারে, সেটিও তুলে ধরেন তিনি। সালমান বলেন, ‘আমার মনে হয়, নিজের মধ্যে এটা মোকাবেলা করার ক্ষমতা আছে বলেই আমি পরিস্থিতিটা সামলাতে পারছি। কিন্তু অনেক মানুষ আছেন, যারা এটা সামলাতে পারেন না। তাদের জীবন শেষ হয়ে যায়, সুনাম চলে যায়, ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়। তারা তো আর আমার মতো পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারেন না। তাদের জীবনটাই হয়তো আর স্বাভাবিকভাবে এগোয় না। এই মানুষগুলোর কাছে আমাদের সবার জবাবদিহি থাকা উচিত। এ ধরনের ঘটনায় আমাদের সবারই একটা দায়িত্বশীলতা থাকা দরকার।’

ঘটনাগুলো মোকাবেলার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সালমান আরো বলেন, ‘কারও ক্ষতি করার চেয়েও বড় কথা হলো, আমরা বিষয়টা কীভাবে সামলাচ্ছি। যদি আমরা এটাকে খুব ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে ভাবি, আমার সঙ্গে এমনটা হওয়া উচিতই নয়, তাহলে সেটা বড় ভুল হবে। কারণ, ক্যামেরার সামনে এসে যখন আমরা জনপ্রিয়তা পাই, অনেক অনুসারী হয়, তখন আমরা সব সময় এর ভালো দিকগুলোই চাই। খ্যাতি থাকবে, টাকা-পয়সা থাকবে, জনপ্রিয়তা থাকবে। কিন্তু এর সঙ্গে যখন নেতিবাচক কিছু আসে, সেটাও আমাদের মেনে নিতে হবে। এমন তো হতে পারে না যে আমি ভালো দিকটা নেব, কিন্তু খারাপ দিকটা নেব না।’

স্টুডিও ভাঙার ঘটনার পর দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা এবং বাংলাদেশে থেকে কাজ করার পরিকল্পনা আছে কি না, জানতে চাইলে সালমান বলেন, ‘না, দেশে থাকার পরিকল্পনা কখনোই ছিল না। আগেও ছিল না। স্টুডিও ভাঙার ঘটনার পর আমি বলেছি, বাংলাদেশে আর স্টুডিওটা চালিয়ে যাব না। এটা আসলে আমার নিজের মতামত, আমার একটা বক্তব্য ছিল। আমি বাংলাদেশে আর বিনিয়োগ করব না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সংঘর্ষে ৫ মামলা, আসামি ১০ হাজারেরও বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সংঘর্ষে ৫ মামলা, আসামি ১০ হাজারেরও বেশি

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

মিরপুর মডেল ও পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে এসব তথ্য প্রকাশ করেন। মামলাগুলোর মধ্যে ডিএমপির পল্লবী থানায় তিনটি এবং মিরপুর মডেল থানা ও কাফরুল থানায় একটি করে মামলা রয়েছে।

মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান জানান, ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সোমবারও কিছু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং ট্রাফিক বক্স ভাঙচুরের অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলার বাদী পুলিশ।

ওসি জানান, তিন মামলার প্রতিটিতে অজ্ঞাতনামা হিসেবে দুই থেকে আড়াই হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলাগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর মডেল থানার একটি মামলায় তিন হাজার এবং পল্লবী থানার তিন মামলায় মোট সাত থেকে সাড়ে সাত হাজার ব্যক্তিকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। চার মামলায় মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%