ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিয়ের পাত্রী দেখতে গিয়ে অপহৃত হলেন পাত্র


বিয়ের পাত্রী দেখতে গিয়ে অপহৃত হলেন পাত্র

দ্বিতীয় বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে যাওয়ার সময় অপহরণের শিকার হন অটোরিকশাচালক মো. সুন্দর আলী (৪৬) নামের একজন ব্যক্তি। অপহরণের পর তাকে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে একটি চক্র। পরবর্তীতে র‍্যাব-১০ অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার হওয়ার মধ্যে রয়েছেন কুদ্দুস মিয়া (৩৮), জুয়েল রানা ওরফে কুত্তা জুয়েল (৪০), রাকিব হাওলাদার (২৬) এবং অপু মীর ওরফে বায়জিদ (৩৫)।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জে র‍্যাব-১০ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোনালী সেন এই তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: শাহজাদপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চর কুন্দলিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুন্দর আলী প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ের জন্য গত ১৯ জুলাই বিকালে গোলাম বাজার থেকে রামেরকান্দা এলাকায় মেয়ে দেখতে যাচ্ছিলেন। তবে ধর্মশুর এলাকায় পৌঁছানোর পর গ্রেপ্তার কুদ্দুসসহ চারজন তাকে মারধর করে জোরপূর্বক রামেরকান্দা বালুর মাঠ এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে সুন্দর আলীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে তার পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা জানায়, ‘‘প্রথমে তাঁর পরিবার নগদের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা পাঠায়। কিন্তু তাও ভুক্তভোগীকে মুক্তি না দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আরো টাকা দাবি করা হয়। পরে আত্মীয় ও স্বজনের কাছ থেকে ধার করে পরিবার আরো ৩৯ হাজার টাকা অপহরণকারীদের মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর আত্মীয় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং একই সময়ে র‍্যাব-১০’র কাছে উদ্ধার অভিযানের জন্য আবেদন জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে। তার ধারাবাহিকতায় সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাকিবের ভাড়া বাড়ি থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় সুন্দর আলীকে উদ্ধার করা হয়। একইসাথে চক্রের চার সদস্যকেও গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

পুলিশ সুপার সোনালী সেন জানান, ‘‘কুদ্দুসের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। জুয়েল রানার বিরুদ্ধে পাঁচটি মাদক মামলা, রাকিবের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির একটি মামলা এবং অপু মীরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও নারী-শিশু নির্যাতনসহ চারটি মামলা রয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি জেলা জাসাস,

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কারে ভূষিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাহিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কারে ভূষিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাহিদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের বই ও পরিবেশপ্রেমী, শান্তি নিবিড় পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. নাহিদ উজ্জামান ‘নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার–২০২৬’ অর্জন করেছেন।

এ পুরস্কার তাঁকে বইপাঠের প্রসার, রাস্তার ধারে বৃক্ষরোপণ এবং পাখিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় তৈরিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়। সক্রিয় ভূমিকা অবলম্বন করার জন্যই তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে সাউথ এশিয়া ইউনাইটেড অর্গানাইজেশনের আয়োজনে নেলসন ম্যান্ডেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে নাহিদ উজ্জামানের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে ‘নেলসন ম্যান্ডেলা: আদর্শ ও কর্মময় জীবন’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তারা নেলসন ম্যান্ডেলার সংগ্রামী জীবন, মানবতার প্রতি তাঁর নিষ্ঠা, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পুরস্কার গ্রহণের পর অনুভূতি প্রকাশ করে মো. নাহিদ উজ্জামান বলেন, “এ সম্মাননা পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার মতো একজন সাধারণ মানুষের কাজকে মূল্যায়ন করায় আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বই, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার ও ডেইলি বাংলাদেশ ডাইরি পত্রিকার সম্পাদক ড. খান আসাদুজ্জামান পিভিএমএস।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের জনপ্রিয় ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার গৌতম সাহা, নৃত্য কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগ, সাউথ এশিয়া ইউনাইটেড অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান রাকিব আলী এবং সংগঠনটির সিনিয়র সহসভাপতি বাবু।

এ সময় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হিরা সরকার। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মো. নাহিদ উজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে বইপাঠ আন্দোলন, গ্রামীণ পর্যায়ে পাঠাগার কার্যক্রম পরিচালনা, পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ এবং পাখিদের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল তৈরিসহ নানা সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ শনাক্তে বিনামূল্যের বিশেষ স্বাস্থ্য ক্যাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


রাজশাহীতে শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ শনাক্তে বিনামূল্যের বিশেষ স্বাস্থ্য ক্যাম্প

উত্তরবঙ্গের শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ শনাক্ত এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজশাহীতে প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির সহযোগী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল রাজশাহী।

এই বিশেষ কর্মসূচিটি আগামী ২২ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত চলবে এবং প্রতিদিনের জন্য সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। চীনের বিখ্যাত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিভিডি) বিশেষজ্ঞরা মিলিতভাবে শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন।

মঙ্গলবার ২১ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার সময় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন রাজশাহীর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ তথ্যগুলো তুলে ধরেছেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল মান্নান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়েছে, চীনের FUWAI YUNNAN CARDIOVASCULAR HOSPITAL, CHINESE ACADEMY OF MEDICAL SCIENCES (FYCH)-এর সাত সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল এবং এনআইসিভিডি পরিচালকের সমন্বয়ে উল্লিখিত চিকিৎসক দলের কাজ হবে ৩ থেকে ১৮ বছর বয়সের শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করা। ২১ জুলাই পর্যন্ত এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য ২ হাজার ৮০০-এর বেশি শিশুর নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা শিশুদের হৃদরোগের তীব্রতা ও জটিলতা নির্ধারণ করে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেবে এবং প্রয়োজন হলে রোগীদের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা অথবা উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে হাসপাতালটি ওষুধ, ক্যাথল্যাব যন্ত্রপাতি, ডায়াগনস্টিক ল্যাব রিএজেন্ট ও মেডিকেল ইকুইপমেন্ট কেনার জন্য সরকারি বরাদ্দে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা পেয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪১ লাখ টাকার ওষুধ দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। নতুন ক্যাথল্যাব যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অন্তত ১০০ জন গরিব রোগী ৫০ শতাংশ ছাড়ে এবং ৫০ জন দরিদ্র রোগী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এনজিওগ্রামের সুবিধা পাবেন। এই নতুন ল্যাব রিএজেন্ট ব্যবহারের ফলে হৃদরোগসংক্রান্ত ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার ফি ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হবে।

লিখিত বক্তব্যে সভাপতি আব্দুল মান্নান বলেছেন, হৃদরোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ভবিষ্যতে সরকারি বরাদ্দ ১০ কোটি টাকায় উন্নীত করা গেলে আরও বেশি দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষ সরাসরি বিনামূল্যে অথবা স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে তাদের চিকিৎসা ব্যয় কমবে এবং আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তিনি জানিয়েছেন, বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের জন্য স্বল্প খরচে উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন রাজশাহী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্হিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক (মেডিকেল) অধ্যাপক ডা. রইছ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী, প্রশাসনের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ওয়াসিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খোকন, নির্বাহী সদস্য এনামুল হকসহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ ঘণ্টা পর রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ পুনরায় স্বাভাবিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


৮ ঘণ্টা পর রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ পুনরায় স্বাভাবিক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ফুরকান উদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থীকে ট্রেনে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় অভিযুক্ত ট্রেন টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) সুমনকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘটনার উচ্চতর তদন্তের জন্য দুটি কমিটি গঠনসহ মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া প্রায় ৮ ঘণ্টা অবরোধের পর শিক্ষার্থীদের দেওয়া চার দফা দাবি মেনে নেওয়ার ফলে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সাড়ে ৩টার দিকে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

আজ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রশাসন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত টিটিইকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া একটি তদন্ত কমিটি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অধীনে ঘটনার অভ্যন্তরীণ বিষয়টি তদন্ত করবে এবং অপর কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা থেকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করবেন।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হবে। তবে তিনি চাইলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারবেন। পাশাপাশি গভীর রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে আসা আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর জন্য স্টপেজ চালুর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য আগামী ৬ আগস্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আরেকটি আনুষ্ঠানিক সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এ বিষয়ে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলোর বিষয়ে প্রশাসন ইতিবাচকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা আশা করছি, গঠিত তদন্ত কমিটিগুলো নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থী এ ধরনের ঘটনার শিকার না হন, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আশ্বাস পাওয়া গেছে। এসব সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহাবুবর রহমান বলেন, রাবি শিক্ষার্থীর সঙ্গে যে অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে এবং তাকে মারধর করা হয়েছে তার প্রতিবাদে এবং কয়েকটি দাবি নিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা রেললাইন অবরোধ করেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশে আমরা পূঙ্খানুপুঙ্খভাবে ঘটনাগুলোতে আলোচনা করেছি। এরপর যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ করেছিলাম অবরোধ তুলে নিতে। শিক্ষার্থীদের যে চার দফা দাবি ছিল, সেগুলোর সবগুলোই মোটামুটি পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। যিনি মারধরের ঘটনা ঘটিয়েছেন, সে সম্পর্কে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিভাগীয় কমিশনারের অফিস থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর আগে, শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে অভিযুক্ত টিটিইর শাস্তি এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেললাইন অবরোধ করেন। এর ফলে প্রায় ৭ ঘণ্টা রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকে। বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন আটকা পড়ে এবং শত শত যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েন।

পরে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হওয়ার পর তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এরপর ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয় এবং রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতজুড়ে দেখা দিয়েছে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


ভারতজুড়ে দেখা দিয়েছে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা

শিক্ষা সংস্কার এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি বর্তমানে ভারতের একটি জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে বর্তমান নিয়ন্ত্রণকারী দল বিজেপির ওপর নজিরবিহীন চাপ পড়েছে। এমনকি এই আন্দোলন কোথায় গিয়ে শেষ হবে, তা এখনো অজানা। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের কাকরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

আন্দোলনরত যুব নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী ও তাদের সমর্থকদের ওপর পুলিশ চড়াও হওয়ার পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আবার হাজারো মানুষের সমাবেশ ঘটে। তবে এই আন্দোলন শুধু দিল্লি সীমিত থাকে নি; এটি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কেরালা রাজ্য, যেখানে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করে নিরাপত্তা বাহিনী।

অন্যদিকে, রাজস্থান থেকে মানুষ এসে দিল্লিতে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই দাবি করেছেন যে আন্দোলনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণও ঘটছে।

সোমবার (২০ জুলাই) অনুষ্ঠিত প্রতিবাদে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করে। তারা পুলিশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পার্লামেন্টের দিকে পদযাত্রা করার চেষ্টা করে।

মধ্যাঞ্চলীয় দিল্লি সহিংসতার সাক্ষী হয়, যেখানে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং লাঠিচার্জ করে, ফলে অন্তত ৬০ জন আন্দোলনকারী আহত হন। পুলিশ প্রতিবাদস্থলের মঞ্চ এবং অস্থায়ী তাঁবুগুলোও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।

পুলিশ জানিয়েছে, তাদের ১১৮ জন কর্মী আহত হয়েছেন এবং ৭০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে। প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে লাঠি ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের বিষয়ে পুলিশ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিরোধী দলগুলো এই সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

সিজেপি মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন, যা চলতি বছরের শুরুর দিকে ভারতের প্রধান বিচারপতির মন্তব্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে গড়ে ওঠে। প্রধান বিচারপতি সাংবাদিকতা ও অ্যাক্টিভিজমের দিকে ঝুঁকে পড়া যুবকদের বোঝাতে কাকরোচ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। এই মন্তব্য নিয়ে যখন ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, তখন তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, এটি কেবল ভুয়া ও বানোয়াট ডিগ্রিধারিদের উদ্দেশ্যে ছিল।

সোমবারের জনসমাগম প্রমাণ করে যে, সিজেপি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল না হলেও লাখ লাখ মানুষকে রাজপথে নামতে উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা গত এক মাস ধরে দিল্লির ৩০০ বছরের পুরনো পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ‘জন্তর মন্তরে’ অবস্থান করছেন।

২৮ জুন অ্যাক্টিভিস্ট ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক তাদের সাথে যোগ দিয়ে অননির্দিষ্টকালের জন্য অনশন শুরু করলে এটি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করে। শনিবার পুলিশ তাকে জোরপূর্বক প্রতিবাদস্থল থেকে সরিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে তিনি এখনও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই আন্দোলন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোদীর বিরুদ্ধে সর্বজনীন অসন্তোষ প্রকাশের একটি স্পষ্ট ও দৃশ্যমান রিপ্রেজেন্টেশনে পরিণত হয়েছে। ওয়াংচুক এবং সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বেশিরভাগ প্রধান বিরোধী দল, কৃষক নেতা, অ্যাক্টিভিস্ট এবং বলিউড তারকারা সমর্থন দিয়েছেন।

বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো সঠিক ছিল এবং তিনি মোদীকে ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে যুব-বিরোধী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সোমবারের আগে সরকার আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনা করেনি। অবশেষে সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা সিজেপির কয়েকজন নেতার সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি শুনেছেন।

আন্দোলনকারীদের ডাকা পার্লামেন্ট অভিযানে অংশ নিতে সারাদেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছেন; এর পর মন্ত্রী তাদের সাথে বৈঠকে বসেছেন। নাড্ডা, যিনি ক্ষমতাসীন বিজেপির শীর্ষ নেতা, বলেছেন যে বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। তিনি সব প্রতিবাদকারীকে তাদের অবস্থান কর্মসূচি শেষ করার জন্য এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করতে প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, নাড্ডার সাথে তাদের ১০ মিনিটের বৈঠকটি কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস ছাড়াই শেষ হয়েছে, কেবল বিষয়টি খতিয়ে দেখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সিজেপির আরেক নেতা আশুতোষ রাঙ্কা এই বৈঠকের জন্য চার ঘণ্টা অপেক্ষা করাকে সময়ের অপচয় বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে সিজেপি হয়তো বৈঠকের পর তাদের প্রতিবাদ স্থগিত করতে রাজি হবে। কিন্তু সারা দিন এলাকাটিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকা পর সহিংসতার ঘটনার ভয়াবহ চিত্র প্রকাশ পেলে তাদের অবস্থান আরও কঠোর হয়।

দিনের বেলায় আমি প্রতিবাদকারীদের আহতদের জন্তর মন্তরে নিয়ে আসতে দেখি। তাদের মধ্যে একজন তরুণ, যার মাথা ফেটে রক্তে ভেসে যাচ্ছিল,কে স্বেচ্ছাসেবক চিকিৎসকরা ব্যান্ডেজ করছিলেন এবং একজন ছাত্রের পা ভেঙে গিয়েছিল।

প্রতিবাদকারীরা নাড্ডার সাথে সাক্ষাৎ করার মুহূর্তেই পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী জন্তর মন্তর খালি করতে অভিযান চালাতে আসে। তাদের মধ্যে কিছুর সাদা পোশাকের কর্মকর্তাও ছিলেন, যাদের অনেকের মুখ ঢাকা ছিল। তারা ইউনিফর্ম পরা পুলিশদের সাথে মিলিত হয়ে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া করে এবং লাঠি দিয়ে পেটাতে শুরু করে।

মাইকে বারবার ঘোষণা দেওয়া হচ্ছিল- এখনই চলে যান, এই প্রতিবাদ শেষ করুন। প্রতিবাদকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময়ে পুলিশের ব্যারিকেড টপকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে। আমি দেখতে পাই অনেকে মাটিতে উপুড় হয়ে পড়ে যাচ্ছিলেন, কেউ কেউ লাঠির আঘাতে আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছিল, ভাই-বোন ও বন্ধুবান্ধবরা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিল এবং নারীরা কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন।

এই অপারেশনের নেতৃত্বে থাকা একটি জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হননি। কয়েক মিনিট পর, আমাকে বাইরে পৌঁছানোর জন্য এক নারী কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়।

ইন্টারনেট ফের চালুর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এমন সব ভিডিওতে ভরে যায় যেখানে দেখা যায় যে নিরাপত্তা বাহিনী নারীসহ প্রতিবাদকারীদের বেধড়ক পেটাচ্ছে এবং অনেকে মাটিতে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন।

সোমবার রাতে সিজেপি পুনরায় জন্তর মন্তরের প্রতিবাদস্থল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে: “এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শেষ হচ্ছে না!” “পুলিশি বর্বরতা সত্ত্বেও সিজেপির সাহসী প্রতিবাদকারীরা ফিরে এসেছে। দিল্লিবাসী, বাইরে আসুন এবং জন্তর মন্তরে আমাদের সাথে যোগ দিন—এটি হয় এখন, না হয় কখনোই নয়! ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে!”—এমন বার্তা পাঠানো হয়।

পুলিশ পরবর্তীতে একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে যে প্রতিবাদকারীরা “উচ্ছৃঙ্খল, আক্রমণাত্মক ও হিংসাত্মক আচরণ” প্রদর্শন করেছে, ছত্রভঙ্গ হতে অস্বীকার করেছে এবং বারবার সতর্ক করার পরও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেছে। পুলিশ আরও জানায়, “প্রতিবাদকারীরা পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ও অন্যান্য বস্তু দিয়ে আক্রমণ করে, ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে, পুলিশ ও অন্যান্য সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করে, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করে এবং ব্যাপক সহিংসতায় লিপ্ত হয়।”

সিজেপি পুলিশের এই বিবরণ প্রত্যাখ্যান করে তাদের বিরুদ্ধে প্রথম আক্রমণকারী হওয়ার অভিযোগ এনেছে। সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে তারা আহত বা আইনি সহায়তার প্রয়োজনীয় সমর্থকদের তাদের সাথে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে।

“আমাদের সব সমর্থকদের কাছে, বিশেষ করে পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্বারা নৃশংসভাবে মারধরের শিকার হওয়া মেয়েদের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি। আমরা আরও ভালো ব্যবস্থা নিতে পারতাম। দিল্লি পুলিশের অমানবিক আচরণ থেকে আপনাদের রক্ষা করতে আমার আরও উদ্যোগী হওয়া উচিত ছিল,” দিপকে এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করেন।

অন্য একটি পোস্টে তিনি জানান, এক আহত নারী সমর্থকের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তিনি তাকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছেন।

সিজেপি ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের পাশাপাশি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কঠোর জবাবদিহির দাবি জানাচ্ছে। ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (NEET)-এর প্রশ্ন ফাঁসের পর তারা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে তাদের মুখ্য দাবি বানিয়েছে।

৩ মে অনুষ্ঠিত এই মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রায় ২২.৮ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন ফাঁসের খবরের পর পরীক্ষাটি বাতিল করা হয় এবং কয়েক সপ্তাহ পর পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত ২০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন বলে তাদের পরিবার জানিয়েছে।

প্রতিবাদকারীদের দাবি, প্রধানের এই ফাঁসের নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করা উচিত। তিনি এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে সিজেপি ও তাদের সমর্থকদের “বিশৃঙ্খলা সৃষ্টকারী উপাদানের বি-টিম” বলে আখ্যায়িত করেছেন। তবে সোমাবরের বিশাল জনসমাগম, সহিংসতা এবং সিজেপির অবস্থান চলে না যাওয়ার অনড় মনোভাব এই আন্দোলনকে দীর্ঘ সময় আলোচনার কেন্দ্রে রাখবে বলেই মনে হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%