ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আলিম শ্রেণির ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ১২-২৬ নভেম্বর


আলিম শ্রেণির ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ১২-২৬ নভেম্বর

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য একাদশ (আলিম) শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১২ নভেম্বর থেকে। এই কার্যক্রম চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড দেশের সব আলিম পর্যায়ের মাদ্রাসাকে নির্দেশনা দিয়েছে যে, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

রোববার (৮ নভেম্বর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য অনলাইনে পাঠানোর কাজ আগামী ২৬ নভেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নির্ধারিত ওয়েবসাইট [xiclassadmission.gov.bd (https://xiclassadmission.gov.bd)-এ প্রবেশ করতে হবে। এরপর প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ইআইআইএন নম্বর ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করে শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইনে পাঠাতে হবে।

আরও পড়ুন: ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে মাইগ্রেশনকৃত শিক্ষার্থীদের চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষার নিবন্ধন শুরু

বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়, তবে পরবর্তীতে কোনো জটিলতা সৃষ্টি হলে তার দায়ভার বোর্ড নেবে না। তাই সময়সীমার মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শেষ করার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের ৪৩৯তম সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের ৪৩৯তম সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের ৪৩৯তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি ৫ নভেম্বর ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিচালনা পর্ষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এস. এম. আবদুল হামিদ, এফসিএ।

সভায় অন্যান্য পরিচালকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. রফিকুল ইসলাম, কামরুল হক মারুফ এবং শেখ আশফাকুজ্জামান, এফসিএ।

এছাড়া, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওবায়দুল হক এবং কোম্পানি সচিব মো. ওমর ফারুক ভূঁইয়া সভায় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সালমান-আনিসুলের মামলা

‘জেন-জি ক্ষেপে গেলে বিপদ’ মন্তব্যে ট্রাইব্যুনালে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


‘জেন-জি ক্ষেপে গেলে বিপদ’ মন্তব্যে ট্রাইব্যুনালে উত্তেজনা

‘জেন-জি ক্ষেপে গেলে বিপদ আছে’—এই মন্তব্যটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর জেরা চলাকালীন প্রসিকিউশনের একজন সদস্যের দ্বারা করা হয়েছিল, যা উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। আসামিপক্ষের আইনজীবী মন্তব্যটিকে একপর্যায়ে ‘হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল উভয়পক্ষকে সতর্ক করেন।

রোববার (৮ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৩ নম্বর সাক্ষীকে জেরা করার সময় এই ঘটনা ঘটে।

আসামিপক্ষে সাক্ষীকে জেরা করছিলেন আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায়। তার সঙ্গে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী এবং অন্যান্য আইনজীবীরা। প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, গাজী এমএইচ তামিম এবং সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্যরা।

জেরার এক পর্যায়ে সাক্ষীর কাছে ২০২৪ সালের হাইকোর্টের একটি রায় সম্পর্কে জানতে চান আইনজীবী পলাশ। সাক্ষী জানান, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২৪ সালের ৯ জুলাই অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে আন্দোলনকারী ছাত্রদের একটি প্রতিনিধিদল স্মারকলিপি দিয়েছিল কি না, তা তার জানা নেই। একই তারিখে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে একটি আবেদন করা হলেও সেটি ছিল তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের একটি ‘মনভোলানো কৌশল’। পরবর্তীতে উক্ত মামলার শুনানির তারিখ সম্পর্কে জানতে চাইলে সাক্ষী জানান যে তা তার মনে নেই।

এরপর আরও কিছু প্রশ্ন করা হলে প্রসিকিউশন থেকে আপত্তি তোলা হয়। এ সময় আসামিপক্ষের সারিতে বসা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী প্রসিকিউশনের উদ্দেশে বলেন, প্রসিকিউশনই জেরা করুক, আমরা বসে যাই। ট্রাইব্যুনাল মুনসুরুল হককে ডায়াসে এসে কথা বলতে বললে তিনি অভিযোগ করেন, প্রসিকিউশন থেকে কেউ দাঁড়িয়ে গেলে সাক্ষীর মনোযোগ অন্যদিকে সরে যায় এবং তিনি সতর্ক হয়ে যান, যার ফলে সত্য বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ সময় ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে সম্পর্কিত আইন পড়ে শোনান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

আইন পড়া শেষে পুনরায় জেরা শুরু হলে কাঠগড়ায় বসা সাক্ষীকে উদ্দেশ্য করে আসামিপক্ষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রসিকিউশনের দিকে মুখ ফিরিয়ে জবাব দিন। সাক্ষী ‘ঠিক আছে, তাহলে আমি সরে যাই’ বলে তার চেয়ার ঘুরিয়ে নেন। সাক্ষীর এমন আচরণ দেখে প্রসিকিউশনের একজন সদস্য বলেন, ‘জেন-জি ক্ষেপে গেলে বিপদ আছে’।

এতে ডায়াসে দাঁড়ানো আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায় আপত্তি জানিয়ে বলেন, তাহলে আমার জেরা করা ঠিক হবে না, এটি এক ধরনের থ্রেট। এ নিয়ে উভয়পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হলে ট্রাইব্যুনাল হস্তক্ষেপ করে দুই পক্ষকেই শান্ত ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর আইনজীবী পলাশ আবার জেরা শুরু করে ৯ জুলাই কোনো সহিংসতা হয়েছিল কি না জানতে চান। সাক্ষী জানান, ২০২৪ সালের ৯ জুলাই সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সহিংসতা হয়নি; তবে বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছিল।

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৫টি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ আদালত আমলে নেন।

প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে প্রথমটিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে মূল নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতেন সালমান ও আনিসুল। এর ধারাবাহিকতায় ১৯ জুলাই ফোনালাপে তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আন্দোলনকারীদের আজ রাতেই কারফিউ জারির মাধ্যমে শেষ করে দেওয়ার কথা বলেন। তাদের প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্রের কারণে বহু ছাত্র-জনতা প্রাণ হারালেও নির্যাতন বন্ধে তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, তাদের প্রত্যক্ষ জানা ও উসকানিতে ২৩ জুলাই রাজধানীর মিরপুরে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় ক্যাডাররা।

তৃতীয় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহারে প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২৮ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বরে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছেন এই দুই প্রভাবশালী। চতুর্থ অভিযোগে বলা হয়, কারফিউ জারি করে মারণাস্ত্র ব্যবহারের উসকানি ও প্ররোচনায় ৪ আগস্ট মিরপুর-১ এ আকাশ, সেতু ও আলভীসহ মোট ১২ জনকে হত্যা করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

আর পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ব্যর্থ করতে পরিকল্পনা করেন সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক। তাদের নির্দেশে প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের হামলায় মিরপুর-২, ১০ ও ১৩ নম্বর এলাকায় আল-আমিন, আশরাফুল, সাব্বির ও রিতাসহ ১৬ জন হত্যার শিকার হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী নির্বাচনে বিজেপি সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে: ককরোচ প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


আগামী নির্বাচনে বিজেপি সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে: ককরোচ প্রধান

ভারতের ২০২৯ সালের পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে, এমন মন্তব্য করেছেন তরুণ নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তিনি দেশের সাধারণ মানুষকে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর বরাতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) কেরালার কোচিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে এবং ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা জানান, গণতান্ত্রিক উপায়ে কেবল নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। তিনি দেশে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সিজেপির বিশেষ প্রচারণা কর্মসূচি ‘যন্তর মন্তর অ্যাট কোচি’-র অংশ হিসেবে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে অভিযোগ তুলে অভিজিৎ দিপকে বলেন, ক্ষমতাসীন এনডিএ সরকার দেশের তরুণ সমাজের বিরুদ্ধে একপ্রকার ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অসৎ উদ্দেশ্যে রক্ষা করতে সরকার মরিয়া মন্তব্য করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে আড়াল করা কেন কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ?

বক্তব্যের সময় জাতীয় পতাকা হাতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন করতে গিয়ে দলের অন্যান্য নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কারের সঙ্গে নিজের গ্রেফতার হওয়ার ঘটনার কথা স্মরণ করেন তিনি। দিপকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যেকোনো মূল্যে তাঁরা জাতীয় পতাকাকে সমন্নত রাখবেন।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'কেবল জাতীয় ত্রিবর্ণ পতাকা প্রদর্শন ও গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলার জন্য আমাকে ও আমার দুই সহযোদ্ধা সৌরভ ও আশুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ভারতে এমন নজিরবিহীন দমনপীড়ন কেবল ব্রিটিশ শাসনামলেই দেখা গেছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষ্ণ সাগরে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


কৃষ্ণ সাগরে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে লাশ উদ্ধার

ঢাকা, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ : দুই সপ্তাহ আগে রোমানিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি জাহাজে মানুষের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মেরামতের জন্য জাহাজটি বুলগেরিয়ায় স্থানান্তর করা হয়েছিল।

শনিবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির কৌঁসুলিরা।

বুলগেরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর ভারনার সরকারি কৌঁসুলি কার্যালয় একটি বিবৃতিতে জানায়, জাহাজের ধ্বংসাবশেষ অপসারণের সময় লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।

সোফিয়া থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানায়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, লাশগুলোর পরিচয় শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কৌঁসুলিরা জাহাজটির নাম প্রকাশ করেননি। তবে তারা জানিয়েছেন, এটি সান মারিনোর পতাকাবাহী ছিল। এই তথ্যের সঙ্গে ‘ওয়াইন ট্রেডার’ নামের একটি রাসায়নিকবাহী ট্যাংকারের মিল রয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর দানিউব নদীর মোহনায় সুলিনার প্রায় ২৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে জাহাজটিতে ড্রোন হামলা হয়েছিল।

বুলগেরিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, লাশগুলোর অবস্থা এতটাই খারাপ যে সঠিকভাবে মৃতদেহের সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে তার ধারণা, মৃতের সংখ্যা সম্ভবত ছয়।

হামলার পর জাহাজটির ১২ জন ক্রুর মধ্যে সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। বাকি পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

অক্টোবরের শুরু থেকে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ার কৃষ্ণসাগর উপকূলে অন্তত নয়টি বাণিজ্যিক জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। এসব ঘটনায় ৩৪ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%