মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি তালাশ বিডি,
১০:১৯ পি.এম
আজ ১২ই আগষ্ট -২৬ইং বুধবার সকাল ১১টায় চাষাড়া ট্রাফিক চত্বরে ট্রাফিক বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে, কিভাবে ট্রাফিক যানজট নিরসনে ট্রাফিক বিভাগ এবং বেসরকারি ব্যবসায়ী সংগঠনের সমন্বয়ে কাজ করা যায়, তা নিয়ে সরজমিনে পরিদর্শন করি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাঃগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব, নাঃগঞ্জ মহানগর পুলিশিং কমিউনিটি কমিটির সভাপতি এডঃ মোঃ আবু আল ইউসুফ খান টিপু, পুলিশ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ প্রায় তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার শুরু হওয়ার পর প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৯৩ মেট্রিক টন মাছ অবতরণ করা হয়েছে। যাতে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ৪২ লাখ টাকা। গত কয়েক বছরের তুলনায় মাছ আহরণ শুরুর প্রথম দিনেই এবারের অবতরণ ও রাজস্ব আদায় আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)।
বিএফডিসি রাঙামাটি বিপণন কেন্দ্রের সূত্র থেকে জানা গেছে, প্রথম ২৪ ঘণ্টায় অবতরণ করা মাছের মধ্যে বড় মাছের কার্পজাতীয় প্রজাতির পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ চাপিলা ও কাচকিও রয়েছে।
বিএফডিসি রাঙামাটি ব্যবস্থাপক ফয়েজ আল করিম বোচন করেন, কাপ্তাই হ্রদের বর্তমান পানির স্তর মাছ আহরণের জন্য খুবই অনুকূলে রয়েছে। দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এবার মাছের আকার ও উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলস্বরূপ, নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিনেই বিপুল পরিমাণ মাছ অবতরণ হয়েছে।
প্রথম দিনেই বড় পরিমাণে মাছ অবতরণ হওয়া এবং রাজস্ব আদায় দেখে সংশ্লিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও অন্যান্যদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পরে মাছ শিকার শুরু হওয়ায় রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির হাজার হাজার জেলে ও শ্রমিকদের কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে। মাছ অবতরণের ঘাটগুলোর দিকে পাইকারি ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে।
স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেন, যদি আবহাওয়া ও হ্রদের পরিবেশ অনুকূলে থাকে, তবে পুরো মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদ থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ মাছ আহরণ সম্ভব হতে পারে। এর ফলে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের আয় বাড়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান, আধুনিক এবং তৃণমূল ক্রিকেটের সফল রূপকার, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়নপ্রত্যাশী হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, প্রখ্যাত রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং চারবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ট পুত্র হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন ক্রীড়ানুরাগী আরাফাত রহমান কোকো। যদিও তিনি একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, রাজনীতির জগতে নিজেকে জড়াননি; বরং ক্রীড়াঙ্গনের আধুনিকায়ন এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের জন্য তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন উৎসর্গিত করেছেন।
দেশের ক্রিকেটকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে এবং তৃণমূল পর্যায়ে তরুণ প্রতিভা অন্বেষণের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল অনবদ্য।
গেম ডেভেলপমেন্টের সুদৃঢ় সূচনা: বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বাংলাদেশের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট এবং একাডেমি কাঠামোর জন্য একটি শক্তিশালী ও মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।
তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ: জাতীয় দলে নতুন ও সম্ভাবনাময় তরুণ ক্রিকেটার তুলে আনার লক্ষ্যে তিনি শক্তিশালী একটি 'পাইপলাইন' তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।
হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে বলেন, "বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে অধিষ্ঠিত করতে আরাফাত রহমান কোকোর দূরদর্শী চিন্তা, একনিষ্ঠ সাধনা ও অপরিসীম ত্যাগ সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজকের এই বিশেষ দিনে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করেন।"
একজন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তাঁর কর্মময় ও নিবেদিত জীবন দেশের ক্রীড়া ইতিহাসের পাতায় চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা-১৩ আসনের বসতি ও জনসংখ্যা বিবেচনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে ২০২৭ সালের মধ্যে বসিলা ও রায়েরবাজারে দু’টি পৃথক থানা প্রতিষ্ঠা করা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজ।
আজ বুধবার রাজধানীর বসিলা এলাকায় ‘মন্ত্রীর সাথে চা, ঠিকানা আপনার বাসা’ শীর্ষক একটি ব্যতিক্রমী কর্মসূচিতে জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশ নিয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোহাম্মদপুর থানা হলো ঢাকা শহরের অন্যতম বৃহৎ জনসংখ্যার এলাকা। এ বিশাল অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা জন্য পুলিশি সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। তাই বসিলা ও রায়েরবাজারের অধিবাসীদের জন্য পৃথক দু’টি থানা কার্যকর করার প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে চালু করা সম্ভব হবে।
কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ জানান, গত কয়েক মাসে এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করা হয়েছে।
তবে কেরানীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে অপরাধীরা যেন বসিলা বা মোহাম্মদপুর এলাকায় এসে অপরাধ ঘটিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য বসিলা ব্রিজ এলাকায় একটি শক্তিশালী বিট পুলিশিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি এলাকার সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ আধুনিকায়ন করার রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরে শিগগিরই একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা খাতের শৃঙ্খলা বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়েই ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম নেই। যদি কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই নিয়ম লঙ্ঘন করে, তাহলে তা সম্পূর্ণ বেআইনি হবে।
আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই দেশের সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি কার্যকর নিবন্ধন ও আইনি কাঠামোর অধীনে আনা হবে।
জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি জনগণের মুখোমুখি হওয়ার তাগিদ দিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘শুধু অফিসে বসে বা সংসদে কথা বললেই দায়িত্ব শেষ হয় না। মানুষের ঘরে গিয়ে তাদের জীবনযাত্রার বাস্তব সমস্যা শুনতে হবে। ঢাকা-১৩ আসনকে এমন একটি নিরাপদ, আধুনিক ও আদর্শ আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য, যেখানে দেশের সব মানুষ নিরাপদে বসবাসের স্বপ্ন দেখবে।’
মতবিনিময়ের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ ও পরিবেশসংক্রান্ত নানা সমস্যার কথা তুলে ধরলে প্রতিমন্ত্রী তা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে থাইল্যান্ডের একটি প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৪তম বার্ষিকী উদযাপন হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য কর্মী নিয়োগের সম্ভাব্য ও কার্যকর পথ উন্মোচনে থাইল্যান্ডের উদ্যোগকে বাংলাদেশ গভীরভাবে প্রশংসা করে।
তিনি বলেন, একটি নৈতিক ও দায়িত্বশীল শ্রমিক নিয়োগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করছেন। তিনি বলেন, এমন একটি ব্যবস্থা প্রয়োজন যেখানে নিয়োগের প্রাথমিক ব্যয় নিয়োগকর্তা বহন করবেন, স্থানীয় ভাষায় প্রমিত কর্মসংস্থান চুক্তি নিশ্চিত করা হবে এবং কর্মীদের কল্যাণ, ন্যায্য মজুরি, আবাসন ও চিকিৎসা বীমার কার্যকর সুরক্ষা থাকবে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, থাইল্যান্ডের দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন রয়েছে এবং বাংলাদেশের রয়েছে জনশক্তির অফুরন্ত ভান্ডার। তিনি বরাবর বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার জন্য থাই প্রতিনিধি দলকে আহ্বান জানান।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ বলেন, থাইল্যান্ডে ‘ব্লু কলার’ জবের পাশাপাশি ‘হোয়াইট কলার’ জবের জন্যও বাংলাদেশে উপযুক্ত কর্মী রয়েছে। সাংস্কৃতিক ও আবহাওয়াগত দিক বিবেচনায় থাইল্যান্ড বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য একটি উৎকৃষ্ট গন্তব্য হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
তবে তিনি বলেন, স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া, কম খরচে কর্মী প্রেরণ এবং কর্মীদের অধিকার নিশ্চিত করতে দুই দেশকে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
থাইল্যান্ডের শ্রম বিষয়ক সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নিতরুত্তি সুথিনন বলেন, থাইল্যান্ড বর্তমানে কর্মী নিয়োগের জন্য চারটি দেশের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। তবে কম্বোডিয়ার সঙ্গে সাম্প্রতিক সীমান্ত উত্তেজনার কারণে দেশটির নির্মাণ, হালাল ফ্যাক্টরি ও কৃষি খাতে কর্মী নেওয়া বন্ধ রয়েছে।
তিনি জানান, ফলে সৃষ্ট কর্মী সংকট কাটাতে পঞ্চম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করতে থাইল্যান্ড আগ্রহী। তবে নিতরুত্তি সুথিনন বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবস্থান, থাইল্যান্ডকে অন্য দেশে যাওয়ার ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার এবং মানবপাচারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী থাই প্রতিনিধি দলের প্রস্তাব সানন্দে গ্রহণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, থাইল্যান্ডের চিহ্নিত উদ্বেগের বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করে অচিরেই দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা সম্ভব হবে।
প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে শ্রম বিষয়ক সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান চিনাচট সেনস্যাঙ্ক ও শ্রম বিষয়ক ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ড. পিরাসিথ কুনলার্তারিপন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমাদুল হক, যুগ্মসচিব দেবজিৎ সিংহসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ