১০:২৫ পি.এম
ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা-১৩ আসনের বসতি ও জনসংখ্যা বিবেচনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে ২০২৭ সালের মধ্যে বসিলা ও রায়েরবাজারে দু’টি পৃথক থানা প্রতিষ্ঠা করা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজ।
আজ বুধবার রাজধানীর বসিলা এলাকায় ‘মন্ত্রীর সাথে চা, ঠিকানা আপনার বাসা’ শীর্ষক একটি ব্যতিক্রমী কর্মসূচিতে জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশ নিয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোহাম্মদপুর থানা হলো ঢাকা শহরের অন্যতম বৃহৎ জনসংখ্যার এলাকা। এ বিশাল অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা জন্য পুলিশি সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। তাই বসিলা ও রায়েরবাজারের অধিবাসীদের জন্য পৃথক দু’টি থানা কার্যকর করার প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে চালু করা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন: পুষ্টি ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়াতে বাকৃবি-নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের সমঝোতা
কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ জানান, গত কয়েক মাসে এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করা হয়েছে।
তবে কেরানীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে অপরাধীরা যেন বসিলা বা মোহাম্মদপুর এলাকায় এসে অপরাধ ঘটিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য বসিলা ব্রিজ এলাকায় একটি শক্তিশালী বিট পুলিশিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি এলাকার সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ আধুনিকায়ন করার রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরে শিগগিরই একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা খাতের শৃঙ্খলা বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়েই ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম নেই। যদি কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই নিয়ম লঙ্ঘন করে, তাহলে তা সম্পূর্ণ বেআইনি হবে।
আরও পড়ুন: ‘ইউ ক্যান ডু ইট’ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী, ১৬ লাখ শিশু-কিশোরের নিবন্ধন
আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই দেশের সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি কার্যকর নিবন্ধন ও আইনি কাঠামোর অধীনে আনা হবে।
জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি জনগণের মুখোমুখি হওয়ার তাগিদ দিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘শুধু অফিসে বসে বা সংসদে কথা বললেই দায়িত্ব শেষ হয় না। মানুষের ঘরে গিয়ে তাদের জীবনযাত্রার বাস্তব সমস্যা শুনতে হবে। ঢাকা-১৩ আসনকে এমন একটি নিরাপদ, আধুনিক ও আদর্শ আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য, যেখানে দেশের সব মানুষ নিরাপদে বসবাসের স্বপ্ন দেখবে।’
মতবিনিময়ের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ ও পরিবেশসংক্রান্ত নানা সমস্যার কথা তুলে ধরলে প্রতিমন্ত্রী তা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
আরও পড়ুন: পতেঙ্গায় শিশু সোহাগ হত্যা: ইমাম হোসেনের মৃত্যুদণ্ড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন