১০:২৮ এম
মিলান ডার্বির আগে সান সিরোয় এসি মিলান সমর্থকদের জন্য একটি অভাবনীয় ও আবেগময় মুহূর্ত অপেক্ষা করছিল। ক্লাবের বিখ্যাত ‘হল অব ফেম’-এ আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হলেন কিংবদন্তি রিকার্ডো কাকা, যিনি ক্লাবটির সর্বকালের অন্যতম সেরা তারকা।
ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরা করতালিতে মুখর হয়ে ওঠেন এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে দাঁড়িয়ে (স্ট্যান্ডিং ওভেশন) তাদের প্রিয় তারকাকে বরণ করে নেন। ভক্তদের এমন হৃদয়গ্রাহী ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কাকা; গ্যালারির দিকে তাকিয়ে ভালোবাসার প্রতিদান দিতে গিয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি এই ব্রাজিলিয়ান মহাতারকা।
কাকা এসসি মিলানে দুটি স্মরণীয় অধ্যায় কাটিয়েছেন। ২০০৩ সালে সাও পাওলো থেকে প্রথমবার মিলানে পা রেখে টানা ছয় মৌসুম দারুণ সফল এক সময় কাটানোর পর, ২০১৩-১৪ মৌসুমে তিনি আবারও ফিরে এসেছিলেন ভালোবাসার এই ঠিকানায়।
আরও পড়ুন: গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন, তিন ফরম্যাটে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী
ক্লাবটির জার্সিতে দুই মেয়াদে মোট ৩০৭টি ম্যাচ খেলেছেন কাকা, যেখানে তার নামের পাশে রয়েছে ১০৪টি গোল এবং ৮১টি অ্যাসিস্ট। লাল-কালো জার্সিতে কাটানো দিনগুলো তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সফল অধ্যায়গুলোর একটি। ২০০৩-০৪ মৌসুমে নিজের অভিষেক মৌসুমেই মিলানকে জিতিয়েছিলেন কাঙ্ক্ষিত সেরি আ লিগ শিরোপা।
তবে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সোনালী সময়টি আসে ২০০৭ সালে, যখন তিনি নিজ কাঁধে ভর করে এসি মিলানকে এনে দেন উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। ইউরোপসেরার সেই পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছিলেন কাকা। ১০ গোল করে সেবার প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি এথেন্সের ফাইনালে লিভারপুলকে হারিয়ে মিলানের ইউরোপ জয় নিশ্চিত করেছিলেন তিনি।
আর ঠিক সেই বছরই আসে তার ব্যক্তিগত অর্জনের সর্বোচ্চ শিখর—ব্যালন ডি’অর জয়। তিনিই এখন পর্যন্ত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জয়ী শেষ কোনো ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার। একই বছরে মিলানের জার্সিতে তিনি উয়েফা সুপার কাপ এবং ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপেরও স্বাদ লাভ করেছিলেন।
আরও পড়ুন: অ্যাশেজের ব্যর্থতা ভুলে ওয়ানডেতে নতুন শুরুর পথে ম্যাককালাম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন