০২:৪৯ পি.এম
ভারতের উত্তর প্রদেশের বান্দা জেলার একটি থানার ভেতরে বাবা-মায়ের ‘হামলায়’ একটি তরুণীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, স্বামীকে ছাড়তে রাজি না হওয়ায় এই হামলার ঘটনাটি ঘটে।
এনডিটিভি জানিয়েছে, ১৯ বছর বয়সি নিহত শিবানী ১৮ মে তার প্রতিবেশী ললিত ভার্মার সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছিলেন। এরপর তারা একটি মন্দিরে বিয়ে করেন এবং আইনগতভাবে বিয়ের নিবন্ধনও তারা সম্পন্ন করেন।
তরুণীর পরিবার ললিতের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ ওই দম্পতির সন্ধানে অভিযান শুরু করে। গত শুক্রবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের সাতনা জেলা থেকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বান্দায় নিয়ে আসা হয়।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নবীন বিসিএস কর্মকর্তাদের সততা ও দক্ষতার সঙ্গে জনগণের সেবা করার আহ্বান
পুলিশকে দম্পতি জানান, তারা নিজেদের ইচ্ছায় বিয়ে করেছেন এবং এর জন্য বৈধ নথিপত্রও উপস্থাপন করেন।
পুলিশ শিবানীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জবানবন্দি রেকর্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সময় উভয় পরিবারের সদস্যরা থানায় উপস্থিত হন। কাউন্সেলিং চলাকালে শিবানীর বাবা-মা তাকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু তিনি স্বামী ললিত বর্মার সঙ্গেই থাকার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, শিবানীর মা রান্নো তাকে পেছন থেকে চেপে ধরেন। পরে তার বাবা ছুরি বের করে মেয়ের ওপর হামলা চালান। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাটি হতবাক অবস্থায় প্রত্যক্ষ করেন।
হামলায় শিবানীর পেট, হাত ও তালুতে গুরুতর আঘাত লাগে। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
আরও পড়ুন: তথ্য ফাঁসের অভিযোগে সুজি ওয়াইলস চাকরি হারালেন
বান্দার পুলিশ সুপার পলাশ বানসাল জানান, এ ঘটনার প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং শিবানীর বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন