ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময়ের হার


বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময়ের হার

বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বেড়ে চলেছে।

লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার আজ শুক্রবার নিম্নরূপ:

বৈদেশিক মুদ্রা – বাংলাদেশি টাকা

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে পিবিআই তদন্ত

মালয়েশিয়ান ১ রিংগিত  ৩০ টাকা ০৯ পয়সা

সৌদির ১ রিয়াল  ৩২ টাকা ৭৯ পয়সা

মার্কিন ১ ডলার  ১২২ টাকা ৩৫ পয়সা

ইউরোপীয় ১ ইউরো  ১৪৪ টাকা ২৫ পয়সা

আরও পড়ুন: অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে মধ্যরাতে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, পদত্যাগের দাবি

ইতালিয়ান ১ ইউরো  ১৪৪ টাকা ২৫ পয়সা

ব্রিটেনের ১ পাউন্ড  ১৬৬ টাকা ২৪ পয়সা

সিঙ্গাপুরের ১ ডলার  ৯৬ টাকা ২৫ পয়সা

অস্ট্রেলিয়ান ১ ডলার  ৮৬ টাকা ৯০ পয়সা

আরও পড়ুন: মাইশার মৃত্যুর পর সীতাকুণ্ডে ২০ স্পিডব্রেকার, যানজট বেড়েছে

নিউজিল্যান্ডের ১ ডলার  ৭২ টাকা ০২ পয়সা

কানাডিয়ান ১ ডলার  ৮৭ টাকা ৯৪ পয়সা

ইউ এ ই ১ দিরহাম  ৩৩ টাকা ৪৩ পয়সা

ওমানি ১ রিয়াল  ৩১৮ টাকা

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান মহড়া ‘এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৬’ শেষ

বাহরাইনি ১ দিনার  ৩২৫ টাকা ৯৭ পয়সা

কাতারি ১ রিয়াল  ৩৩ টাকা ৭৭ পয়সা

কুয়েতি ১ দিনার  ৪০০ টাকা ২৬ পয়সা

সুইজারল্যান্ডের ১ ফ্রেঞ্চ  ১৪৭ টাকা ৫৬ পয়সা

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সরকারি অফিসের সামনে ৩ পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ, আতঙ্ক ছড়িয়েছে

দক্ষিণ আফ্রিকান ১ রান্ড  ৭ টাকা ৫৮ পয়সা

জাপানি ১ ইয়েন  ০.৭৭৩ টাকা

দক্ষিণ কোরিয়ান ১ ওন  ০.০৮৬৫৭৭৮০ টাকা

ইন্ডিয়ান ১ রুপি  ১ টাকা ২৫ পয়সা

আরও পড়ুন: ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকোটকে সমর্থন জানাল আরব জোট, কোণঠাসা নেতানিয়াহু

সূত্র: গুগল)

*যে কোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ সফর নিয়ে কী বলল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


বাংলাদেশ সফর নিয়ে কী বলল ভারত

ভারতের বিপক্ষে আগামী সেপ্টেম্বরে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাচ্ছে আফগানিস্তান। সিরিজটির সূচি আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি) গত ১১ আগস্ট প্রকাশ করেছে।

এতে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ কার্যত শেষ হয়ে গেছে।

কারণ, সেপ্টেম্বর মাসে তিনটি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ভারতের বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। তবে সীমিত সংস্করণের সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে কিনা, এ বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি।

কিন্তু, সিরিজটি খেলতে ভারতকে চলতি মাসের ২৮ আগস্ট বাংলাদেশে আসার কথা ছিল।

এখন এ অবস্থায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) একজন কর্মকর্তা মুখ খুলেছেন, তবে তিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের সফরের বিষয়টি ভারতের সরকারের অনুমতির ওপর নির্ভর করছে।

তিনি বলেছেন, ‘সরকার অনুমতি দিলে তবেই ভারতীয় দল বাংলাদেশে যাবে। আপাতত হাই কমিশনারের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। তবে সরকারের অনুমতির পরেই সবকিছু চূড়ান্ত হবে।’

বিসিসিআই কর্মকর্তা আরও জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিকঠাক রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিসিবির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আপাতত ঠিকঠাকই রয়েছে। তবে আমরা সরকারের চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায় আছি। এখনো সিরিজের সূচি ঠিক হয়নি। অনুমতি পাওয়া গেলেই সেটি দ্রুত নির্ধারিত হবে।’

দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়ন শুরু হয়েছে সর্বশেষ আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার কারণে। বাঁহাতি পেসারকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশ পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই অংশগ্রহণ করেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদায়ের আগে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করলেন ইউএনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হোসেনপুর ( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৫ পি.এম


বিদায়ের আগে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করলেন ইউএনও
‎কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থেকে বিদায়ের আগে শারীরিক প্রতিবন্ধী এক শিক্ষার্থীর চলাচলের সমস্যা দেখে তার জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা।
‎
‎শিশুটির নাম রৌজা। সে হোসেনপুর পৌরসভার দ্বীপেশ্বর গ্রামের শহিদ মিয়ার মেয়ে এবং হোসেনপুর ১ নম্বর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শিক্ষার্থী।
‎
‎বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় ইউএনওর নজরে আসে, রৌজার চলাচলের জন্য কোনো হুইলচেয়ার নেই। বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া এবং চলাফেরায় তাকে মায়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। বিষয়টি জানতে পেরে রৌজার জন্য একটি হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেন তিনি।
‎
‎এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে রৌজার হাতে হুইলচেয়ারটি তুলে দেওয়া হয়। নতুন হুইলচেয়ার পেয়ে শিশুটির মধ্যে আনন্দের প্রকাশ দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা জানান, হুইলচেয়ারটি ব্যবহারের ফলে বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন চলাফেরায় রৌজার ভোগান্তি কিছুটা কমবে।
‎
‎হুইলচেয়ার হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর ১ নম্বর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা রত্না, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, মিসবাহ উদ্দিন মানিক, কলামিস্ট এস এম মিজানুর রহমান মামুনসহ অন্যান্য সাংবাদিক, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
‎
‎উল্লেখ্য, কাজী নাহিদ ইভা হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে সম্প্রতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দায়িত্ব থেকে বিদায় নিচ্ছি, ছাত্রদল থেকে নয়: নাছির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


দায়িত্ব থেকে বিদায় নিচ্ছি, ছাত্রদল থেকে নয়: নাছির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির সংগঠনটির দায়িত্ব থেকে বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ শুক্রবার তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বিদায়ের ঘোষণা করেন।

এর আগে গত রাতের সময় সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলামও তার বিদায়ি বার্তার কথা জানিয়েছেন একটি পোস্টে।

নাছির তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন, 'আজ আমি দায়িত্ব থেকে বিদায় নিচ্ছি, তবে ছাত্রদল থেকে নয়। পদ থেকে বিদায় নেওয়া যায়; আদর্শ থেকে নয়। ভালোবাসা থেকে নয়, সহযোদ্ধাদের কাছ থেকে নয়।'

আগামী দিনগুলোতে ছাত্রদলে যারা নেতৃত্বে আসবেন, তাদের ওপর তিনি আশাবাদী। নাছির বিশ্বাস করেন, তারা সংগঠনটিকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করে তুলবে। নতুন নেতৃত্বের ডাকে তিনি যেকোনো সময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন।

ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্টে, নাছির ছাত্রদলের দায়িত্ব পালনকালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার কথা তুলে ধরেন। তার প্রতি সহযোগিতা এবং পরামর্শ দেওয়ার জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা জানান।

তিনি বলতে থাকেন, ওয়ান ইলেভেনের দুর্দিনে তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়েছিল। সেই কঠিন সময় থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৭ বছরের অনিশ্চয়তার পর, আজ আমরা উজ্জ্বল ভিন্ন এক বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে আছি। এই যাত্রা ছিল সহজ নয়; সংগ্রাম, ত্যাগ, নির্যাতন, গুম ও খুনের ভয়াবহ বাস্তবতা সহ্য করে এগিয়ে যাওয়া। ছাত্রদলের পদ থেকে বিদায়ের ঘোষণা দিয়ে নাছির বলছেন, আজ তার দায়িত্ব পালনের শেষ দিন। এটি একটি দীর্ঘ, কঠিন, ঘটনাবহুল এবং গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তি।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের এই যাত্রাটি সংক্ষেপে তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়ার আপোসহীন নেতৃত্ব সব সময় তার রাজনৈতিক জীবনের অনুপ্রেরণা ছিল।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তারা কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে পথ চলেছেন। কিন্তু তাদের সময়ে সবচেয়ে কঠিন অধ্যায় ছিল ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট। ওই সময়ে নেতাকর্মীদের রাজপথে সক্রিয় রাখা, তাদের সাহস জোগানো, সংগঠনের প্রতিটি স্তরকে আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখা ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

জুলাই-অগাস্টের আন্দোলনের সময়ে ছাত্রদলের বহু নেতাকর্মী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে ছিলেন। ঢাকার পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়, পাঁচ কলেজ এবং চার মহানগরের তৎকালীন নেতৃত্ব অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছেন, এর জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নাছির।

জুলাইয়ের আন্দোলনের সময়ে নাহিদ, আসিফ, হাসনাত, সারজিস, কাদের, মাহিন, রিফাত রশিদ ও হান্নান মাসুদের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, 'আন্দোলনের সময়ে তারা ছাত্রদলকে গুরুত্বপূর্ণভাবে সেবা করেছে। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে হয়তো ছাত্রদলের অবদান সব সময় স্বীকৃত হয়নি; তবে আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।'

এই দীর্ঘ সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল; তিনি জানান, সেটি হলো মব সংস্কৃতি। চারপাশে প্রচারণা, অপপ্রচার, বিভ্রান্তি এবং রাজনৈতিক চাপের মধ্যে ছাত্রদলকে রাজপথে সক্রিয় রাখা সহজ ছিল না। সকল প্রোপাগান্ডা কাটিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ নিশ্চিত করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ।

দায়িত্বের অপূর্ণতা তুলে ধরে বলেন, ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কিছু কমিটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় কমিটির বর্ধিত অংশ সম্পন্ন না করতে পারার আফসোস তার রয়েছে। এই অপূর্ণতার জন্য তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।

ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়াটাকে একটি ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, একজন সংগঠক হিসেবে এই ফলাফল তাকে দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। কোথায় তারা ঘাটতি ছিল, কোথায় আরও ভালো করা যেত—এই প্রশ্নগুলি তার কাছে এসেছে। রাজনীতিতে পরাজয়ও শিক্ষা দেয়, তিনি মনে করেন ছাত্রদল এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী, আরো গ্রহণযোগ্য, এবং আরো সংগঠিত ছাত্রসংগঠন হয়ে উঠবে।

সবশেষে তিনি সহযোদ্ধাদের কষ্ট দিয়ে থাকলে ফেসবুক পোস্টে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। নাছির বলেন, আজ তিনি বিদায় নিচ্ছেন একটি দায়িত্ব থেকে; কিন্তু সম্পর্ক, সংগ্রাম, এবং আদর্শ থেকে নয়। দেখা হবে অন্য কোনো প্ল্যাটফর্মে, অন্য কোনো দায়িত্বে, অন্য সময়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
যুক্তরাষ্ট্র

চারটি শব্দ লিখতেও ব্যর্থ হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা, কান্নায় ভেঙে পড়লেন শিক্ষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


চারটি শব্দ লিখতেও ব্যর্থ হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা, কান্নায় ভেঙে পড়লেন শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের লিখতে না পারার করুণ দশা দেখে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। তিনি ভেঙে পড়েন এবং সবার সামনে কেঁদে ফেলেন, কারণ শিক্ষার্থীরা একটি সহজ লেখার অনুশীলনও শেষ করতে না পারায় অত্যন্ত হতাশ হন।

ড্যারিয়াস উইলিয়ামস হিউস্টন ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্টের হুইটলি হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেন। স্কুলের দ্বিতীয় দিনের প্রথম ক্লাসেই শিক্ষার্থীদের পড়া ও লেখার দুর্বল দক্ষতা দেখে তিনি ভেঙে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরের খাবারের বিরতিতে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে উইলিয়ামস জানান, তিন ঘণ্টা ক্লাস নেওয়ার পর শ্রেণিকক্ষে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের লেখার দক্ষতা এতটাই দুর্বল ছিল যে, তাদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমি মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি।’

উইলিয়ামস নিউ এডুকেশন সিস্টেমের ক্যারিয়ার অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন বিভাগের একজন কর্মী। তিনি জানান, ক্লাসে থাকা উচ্চ মাধ্যমিকের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের দুটি অনুচ্ছেদ পড়তে দিয়েছিলেন। এরপর একটি বাক্য সম্পূর্ণ করতে বলেন, যদিও বাক্যটির বেশিরভাগ অংশ তিনি আগেই লিখে দিয়েছিলেন।

যদিও শিক্ষার্থীরা সেই বাক্যটিও সম্পূর্ণ করতে না পারায় তিনি হতবাক হয়ে যান। উইলিয়ামস বলেন, ‘আমি তাদের জন্য মূলত বাক্যটি প্রায় অপরূপভাবে লিখে দিয়েছিলাম। এরা ১৭ ও ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী। অথচ তারা চারটি শব্দও পূরণ করতে পারেনি। মাত্র চারটি শব্দ!’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি তাদের লিখার বিষয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলাম। আমরা একসঙ্গে বিষয়টি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করেছি। এমনকি প্রশ্ন দেওয়ার আগেই আমি তাদের উত্তরগুলোও বলে দিয়েছিলাম। তারপরও তারা কাজটি করতে পারেনি। সমস্যাটা কোথায়, আমি সত্যিই জানি না।’

হতাশা প্রকাশ করে উইলিয়ামস বলেন, ‘এটা স্কুলের মাত্র দ্বিতীয় দিন। অথচ আমার ক্লাসে এমন শিক্ষার্থী আছে, যারা ঠিকমতো পড়তে পারে না। এমনকি শেষ বর্ষের কিছু শিক্ষার্থী লিখতেও পারে না। তারা লিখতে পারে না।’

এ কথা বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। গাল বেয়ে অশ্রু ঝরতে থাকা অবস্থায় উইলিয়ামস বলেন, তার শিক্ষার্থীরা কথা বলতে পারে, যুক্তি দিতে পারে এবং নিজেদের যুক্তির পক্ষে ব্যাখ্যাও দিতে পারে। কিন্তু সেই দক্ষতা তারা লিখিত কাজে প্রয়োগ করতে পারছে না।

ভিডিওটি প্রকাশের পর উইলিয়ামস সমালোচনার মুখে পড়েন। সমালোচকেরা প্রশ্ন টানেন, শিক্ষার্থীদের পড়া ও লেখার দক্ষতা নিয়ে কথা বলার মতো প্রয়োজনীয় যোগ্যতা তার আছে কি না।

শিক্ষকতার পাশাপাশি উইলিয়ামস খণ্ডকালীন রান্নাবিষয়ক কনটেন্টও তৈরি করেন। গত এপ্রিল মাসে তিনি বার্কলি কলেজ অব মিউজিক থেকে অর্জন করা তার দ্বিতীয় স্নাতক ডিগ্রি প্রকাশ্যে দেখান। এরপর তিনি জানান, তিনি আমেরিকান কলেজ অব এডুকেশনে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন। সেখানে তিনি কারিকুলাম অ্যান্ড ইনস্ট্রাকশন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।

উইলিয়ামস আরো জানান, তার বেশ কয়েকটি পেশাগত সনদ রয়েছে। এর মধ্যে টেক্সাস অঙ্গরাজ্য এবং টেক্সাস এডুকেশন এজেন্সির সনদও রয়েছে। সমালোচনার জবাবে প্রকাশিত একটি পরবর্তী ভিডিওতে উইলিয়ামস বলেন, ‘আমার সব সনদই ঠিকঠাক রয়েছে।’

উইলিয়ামস বলেন, ‘আপনাদের মধ্যে যারা মনে করেন, তরুণ শিক্ষার্থীদের পড়ানোর জন্য আমার যোগ্যতা নিয়ে সমস্যা আছে, তারা দায়িত্ব নিয়ে দেখান। আপনারা সনদ নিন, এসব উচ্চ বিদ্যালয়ে যান, একটি শ্রেণিকক্ষ নিন। প্রতি ক্লাসে ২২ জন শিক্ষার্থীর সামনে দাঁড়িয়ে পড়ান। তারপর আমি দেখব, আপনারা কতটা ভালো করতে পারেন।’

শ্রেণিকক্ষে উইলিয়ামসের কান্নায় ভেঙে পড়ার ঘটনার কয়েক দিন পর নিউইয়র্ক সিটির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার দক্ষতা নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, গত শিক্ষাবর্ষে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি।

এ সপ্তাহে রাজ্যের শিক্ষা বিভাগ প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তৃতীয় শ্রেণির ৫৭ শতাংশ, চতুর্থ শ্রেণির ৫২ শতাংশ এবং পঞ্চম শ্রেণির ৫৭ শতাংশ শিক্ষার্থী ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ আর্টস (ইএলএ) পরীক্ষায় ফেল করেছে।

শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ৪৮ শতাংশ পরীক্ষায় নির্ধারিত দক্ষতার স্তরে পৌঁছেছে। আগের বছরের তুলনায় এই হার ৫ শতাংশ কমেছে, যা শিক্ষা বিভাগ ‘উল্লেখযোগ্য’ পতন হিসেবে উল্লেখ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%