ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ হারামাইনে জুমার নামাজ পড়াবেন শায়খ উসামাহ খাইয়াত ও শায়খ আব্দুল বারি আস-সুবাইতি


আজ হারামাইনে জুমার নামাজ পড়াবেন শায়খ উসামাহ খাইয়াত ও শায়খ আব্দুল বারি আস-সুবাইতি

সৌদি আরবের পবিত্র দুই মসজিদ, মক্কার মসজিদে হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববিতে আজ জুমার নামাজের ইমামতি করবেন দুই বিশিষ্ট আলেম ও কারি।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ২০২৫) সৌদি আরবের ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। আজ হিজরি সনের জমাদিউল আউয়াল মাসের তৃতীয় জুমা। এই উপলক্ষে মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববিতে মুসল্লিদের জুমার নামাজ পড়াবেন শায়খ উসামাহ খাইয়াত ও শায়খ আব্দুল বারি আস-সুবাইতি।

মসজিদে হারাম

আরও পড়ুন: মাওলানা রাব্বানী: ট্রান্সজেন্ডার প্রচারের আহ্বান ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী

আজ পবিত্র মসজিদে হারামে জুমার নামাজের ইমামতি করবেন বিশিষ্ট আলেম ও কারি শায়খ উসামাহ খাইয়াত। তিনি ১৯৫৬ সালে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শায়খ আব্দুল্লাহ মসজিদে হারামের সাবেক ইমাম ও খতিব ছিলেন।

শায়খ উসামাহ ১৯৭৭ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে মাস্টার্স এবং ১৯৮৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯৭ সাল থেকে তিনি মসজিদে হারামের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়াহ ও উসুলে দ্বীন অনুষদের অধ্যাপক এবং সৌদি শুরা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

মসজিদে নববি

অন্যদিকে, পবিত্র মসজিদে নববিতে আজ জুমার নামাজের ইমামতি করবেন বিশিষ্ট আলেম ও কারি শায়খ আব্দুল বারি আস-সুবাইতি। তিনি ১৩৮০ হিজরিতে মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। সুমধুর কণ্ঠে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

আরও পড়ুন: আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ল মিসরের শিশু মায়ার

শায়খ আব্দুল বারি আস-সুবাইতি ১৪০৫ হিজরিতে কিং ফাহাদ আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি শরিয়া অনুষয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৪০৯ হিজরিতে অনার্স এবং ১৪১৫ হিজরিতে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। ১৪১৪ হিজরি সাল থেকে তিনি পবিত্র মসজিদে নববির ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

পবিত্র দুই মসজিদে এই দুই প্রখ্যাত আলেমের ইমামতিতে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য আজও দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক মুসল্লি সমবেত হবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই অর্থবছরে রেলপথে কনটেইনার পরিবহন ৩২ শতাংশ কমেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৮ এম


দুই অর্থবছরে রেলপথে কনটেইনার পরিবহন ৩২ শতাংশ কমেছে

দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেলপথে কনটেইনার পরিবহন ধারাবাহিকভাবে কমতে দেখা যাচ্ছে। গত দুই অর্থবছরে রেলপথে কনটেইনার পরিবহন প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে। যদিও দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর থেকে পণ্য পরিবহনে রেলওয়ের অংশ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তথাপি পরিসংখ্যানে উল্টো চিত্র ফুটে উঠছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ ও রেলওয়ে সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেলপথে ৮০ হাজার ৭১৯টি কনটেইনার পরিবহন করা হয়েছে। পরবর্তী অর্থবছরে, ২০২৪-২৫ এ, তা কমে ৬৩ হাজার ১০০টিতে নেমে আসে। এক বছরের ব্যবধানে পরিবহন কমেছে ১৭ হাজার ৬১৯টি। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই সংখ্যা আরো কমে ৫৪ হাজার ৫৬৯টিতে পৌঁছেছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই সংখ্যা কমেছে ৮,৫৩১টি। দুই অর্থবছর মিলিয়ে রেলপথে কনটেইনার পরিবহন ২৬ হাজার ১৫০টি বা ৩২.৪ শতাংশ কমেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের মোট কনটেইনার পরিবহনের মাত্র ২ শতাংশ রেলপথে হয়ে থাকে। মূলত বন্দরের অভ্যন্তর থেকে রেলপথে কনটেইনার পরিবহন করা হয়। ফলে, দেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনে রেলওয়ের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বন্দরের সামগ্রিক পরিবহনব্যবস্থায় এর অংশ সীমিত রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকার কমলাপুর ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে (আইসিডি) রেলপথে কনটেইনার পরিবহন করা হয়। ঢাকাকেন্দ্রিক আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের পণ্য ব্যবস্থাপনায় এই আইসিডি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০২৫ সালের প্রথম ৯ মাসে কমলাপুর আইসিডিতে ৫৩ হাজার ৩৪৪ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে ৪১ হাজার ৬২৭ টিইইউতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে হ্যান্ডলিং কমেছে প্রায় ২২ শতাংশ। টিইইউ হলো ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি কনটেইনারের সমতুল্য একক। সাধারণত ৪০ ফুটের একটি কনটেইনার দুই টিইইউ হিসেবে গণনা করা হয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিবহন কর্মকর্তা শফিকুর রহমান জানান, সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে বন্দর থেকে কনটেইনার পরিবহনের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রতিদিন ৬০০টির বেশি কনটেইনার পরিবহনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে, সক্ষমতা অনুযায়ী কনটেইনার পরিবহনের চাহিদার পুরোটা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ইঞ্জিন ও লোকবলের সংকট দূর করা গেলে কনটেইনার পরিবহন আরো বাড়ানো সম্ভব হবে। রেলসেবার মান বাড়াতে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

রেলপথে ২০ শতাংশ পণ্য পরিবহনের লক্ষ্য

চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যমান ও নির্মাণাধীন সব টার্মিনালকে রেলপথের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সড়কপথের যানজট এড়িয়ে পণ্য পরিবহনে বিলম্ব কমানো এবং তুলনামূলক কম খরচে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত বছরের লজিস্টিকস নীতিতে বর্তমানে মোট পণ্য পরিবহনে রেলপথের অংশ ২-৩ শতাংশের বিপরীতে ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম দিয়ে প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ভবিষ্যতে বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনালের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হলে এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় পণ্য পরিবহন বাড়লে রেলপথে পরিবহনের চাহিদাও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ‘গ্রিন রেলওয়ে ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট প্রিপারেশন ফ্যাসিলিটি’ প্রকল্পের আওতায় বন্দরের বিদ্যমান ও নতুন টার্মিনালগুলোর সঙ্গে রেল যোগাযোগ উন্নয়নের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মালবাহী রেল করিডোর উন্নয়ন এবং ফৌজদারহাট থেকে চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ড পর্যন্ত রেল যোগাযোগ উন্নয়নের বিষয়টিও সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ২১ শতাংশ

বাংলাদেশ রেলওয়ের গ্রিন রেলওয়ে পরিবহন প্রস্তুতিমূলক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি মাত্র ২১ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬.৬১ শতাংশ। ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল শুরু হওয়া প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। সেই হিসাবে চলতি বছরের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকল্পটির বয়স ১৮ মাস ২৮ দিন। প্রকল্পের আওতায় ঢাকার কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনকে ঘিরে মাল্টিমোডাল পরিবহন হাব নির্মাণ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম ফ্রেইট করিডোর উন্নয়নের সমীক্ষা চলছে।

কমলাপুর ও বিমানবন্দর স্টেশনকেন্দ্রিক সমীক্ষার জন্য গত ১৪ সেপ্টেম্বর পরামর্শকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম ফ্রেইট করিডোর সমীক্ষার কাজও মাঠপর্যায়ে চলছে। এছাড়া চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ড পুনর্গঠন এবং ২০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের বিষয়টি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। চলতি মাসে এসব কাজের অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট এবং ডিসেম্বরের মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট রেলওয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তির পর প্রকল্পের দুটি প্যাকেজের সম্ভাব্যতা যাচাই ও কনসেপচুয়াল ডিজাইনের জন্য পরামর্শক নিয়োগ করা হয়েছে। বাকি কাজগুলোও এগিয়ে চলছে। ঋণচুক্তির পর ১২ মাসের হিসাবে প্রকল্পের কাজ ভালোই এগিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভুটানে আকস্মিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি, ভারতে সতর্কতা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৮ এম


ভুটানে আকস্মিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি, ভারতে সতর্কতা জারি

হিমালয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অবস্থিত হিমবাহ গলে তৈরি হওয়া হ্রদ ভেঙে ভূটানের গাসা জেলার মধ্যে আকস্মিক বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিনতাপু হিমবাহ হ্রদের বাঁধ ভেঙে এই বন্যার উদ্ভব ঘটে, যার ফলে মো ছু নদীর তীরবর্তী জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গাসা শাচুর সব স্থাপনা সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। তবে, আগাম সরিয়ে নেওয়ার কারণে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর-পশ্চিম ভুটানের গাসা জেলার শিন্টাফু হ্রদ ভেঙে পড়ে, যা হিমবাহ গলা পানি জমে তৈরি হয়েছিল। পানির তোড়ে গাসা শাচু নামক একটি উষ্ণ প্রস্রবণ ভেসে যায়। ওই হ্রদ থেকে তৈরি হওয়া মো ছু নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পুনাখায় একটি সেচ প্রকল্প আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির তোড়ে পুনাখা-গাসা সড়কের একাংশও ভেসে গেছে।

ভুটানের ১৭টি ঝুঁকিপূর্ণ হিমবাহ হ্রদের মধ্যে শিনতাফু একটি। এই হ্রদটি মো ছু নদীর উৎসস্থলে অবস্থিত। বন্যার পানি ইতোমধ্যে পুনাখা জং থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরের স্রিগাং এলাকায় পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতির কারণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে আসামের ধুবড়ি এবং পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলা অন্তর্ভুক্ত। কোচবিহার প্রশাসনও সংকোশ নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে।

সূত্র: রয়টার্স

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিকগঞ্জে হেমন্তে শীতের আগমনী বার্তা, কৃষকরা পাকা ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৮ এম


মানিকগঞ্জে হেমন্তে শীতের আগমনী বার্তা, কৃষকরা পাকা ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত

হেমন্তের সকালে হালকা কুয়াশার চাদর ভেদ করে লাল সূর্য উঁকি দিচ্ছে। শিশিরভেজা ঘাস এবং মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহে বদলে গেছে মানিকগঞ্জের প্রকৃতি। ভোর থেকে হালকা শীতের অনুভূতি শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে। অন্যদিকে, পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ কৃষকের মনে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিয়েছে। মাঠে মাঠে ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজে তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

মানিকগঞ্জের ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, আমন ও আউশ ধানের পাকা শিষে সোনালি হয়ে উঠেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। ভোরের কুয়াশা আর সকালের শিশিরে প্রকৃতিতে তৈরি হয়েছে অন্যরকম আবহ। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে হালকা শীত।

হেমন্তের পাকা ধান ঘরে তোলার পাশাপাশি কৃষকদের মনে এখন নতুন ধানের চাল দিয়ে পিঠাপুলির উৎসবের অপেক্ষা রয়েছে। তারা ভালো ফলনের প্রত্যাশায় এবং নতুন ফসলের আনন্দে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

কৃষক সিদ্দিকুর রহমান আরিফ এবারের মৌসুমে বেশ কয়েক বিঘা জমিতে রুপা জাতের ধান চাষ করেছেন। ফলন ভালো হওয়ায় তিনি শ্রমিক দিয়ে ধান কাটাচ্ছেন। নতুন ধান ঘরে তোলার পর আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত দিয়ে পিঠাপুলির আয়োজন করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

আরিফে বলেন, "এখন হেমন্তকাল। আমরা আমন ধান কাটতে ব্যস্ত। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত হালকা শীত ও কুয়াশা থাকে। মনে হচ্ছে, দুই ঋতুর আবহ একসঙ্গে উপভোগ করছি।"

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মানিকগঞ্জের উপপরিচালক শাহজাহান সিরাজ জানান, ধানের ফলন ঘিরে কৃষকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, "এই নতুন ধান দিয়েই হেমন্তের পিঠাপুলির উৎসবে মাতবেন তারা।"

জেলায় ১৫ হাজার ৮৮৯ হেক্টর জমিতে ভাওয়াইলা, দীঘা ও ডাপো জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "এ ছাড়া ১৮ হাজার ৮৬২ হেক্টর জমিতে কালো মানিক জাতসহ বিভিন্ন জাতের আউশ ধান এবং ৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রুপা জাতের ধানের আবাদ হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যারাডোনার জন্মদিনে ফুটবলপ্রেমীদের মনে তার জাদু বেঁচে আছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩০ এম


ম্যারাডোনার জন্মদিনে ফুটবলপ্রেমীদের মনে তার জাদু বেঁচে আছে

আজ ৩০ অক্টোবর। ফুটবল নক্ষত্র ডিয়েগো ম্যারাডোনার জন্মদিন। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি যদি বেঁচে থাকতেন, তবে আজ তিনি ৬৬ বছরে পা দিতেন।

২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও, ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে ম্যারাডোনার স্থান আজও অমলিন রয়েছে। বিশ্বকাপ জয়, অবিশ্বাস্য সব গোল এবং বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’—তাকে ঘিরে গল্পের শেষ নেই। তার ফুটবলজীবনের শুরুটিও ছিল সিনেমার মতো।

১৯৬০ সালের এই দিনে বুয়েনস এইরেসের দরিদ্র এলাকা ভিয়া ফিওরিতোয় ম্যারাডোনার জন্ম হয়। সাত ভাইবোনের সংসারে বেড়ে ওঠা এই ছেলেটির পায়ের জাদু ছোটবেলাতেই ধরা পড়ে। মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের যুব দল লস সেবোলিতাসে যোগ দেন। এখান থেকেই শুরু হয় ‘প্রতিভার বিস্ফোরণ’।

১৯৭৬ সালের ২০ অক্টোবর, মাত্র ১৫ বছর ১১ মাস বয়সে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক ঘটে ম্যারাডোনার। তার প্রতিপক্ষ ছিল তায়েরেস। সেই ম্যাচে প্রথমবার বল পেয়ে তিনি প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে দুই পায়ের মাঝ দিয়ে বল বের করে বোকা বানান। ছোট্ট সেই মুহূর্তেই যেন ফুটবল বিশ্বকে নিজের আগমনী বার্তা দিয়েছিলেন তিনি।

আরেকটি মজার তথ্য হলো, শৈশবে ম্যারাডোনার প্রিয় ফুটবলারদের মধ্যে একজন ছিলেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের জর্জ বেস্ট। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রিভেলিনো এবং আর্জেন্টাইন রিকার্দো বোচিনিও ছিলেন তার পছন্দের খেলোয়াড়।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করার পথে তিনি পাঁচ গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছিলেন চার গোল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের মাত্র চার মিনিট পর তিনি শতাব্দীসেরা গোল করেছিলেন।

ম্যারাডোনা নেই; কিন্তু ফুটবলকে নিজের মতো করে ভালোবাসতে শেখানো তার সেই জাদু আজও কোটি সমর্থকের স্মৃতিতে বেঁচে আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%