মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
১০:৩৩ পি.এম
অদ্য ২১ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে নওগাঁ জেলা পুলিশে ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ-২০২৬ এর প্রথম দিনের কার্যক্রম সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম দিনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের শারীরিক মাপ গ্রহণ এবং কাগজপত্র যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয়ের সভাপতিত্বে সকাল ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পরিচালিত হয়।
এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে আগত সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়, জয়পুরহাট ও রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, নওগাঁ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নিয়োগ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন পর্যায়ের অফিসার ও পুলিশ সদস্যগণ সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।
বাংলাদেশ পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া মেধা, যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে থাকে। যোগ্য ও দেশসেবায় নিবেদিতপ্রাণ তরুণ-তরুণীদের বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবময় বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে এ নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে, উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাউদার খাল এলাকা থেকে বড় শাপলাজা পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা সড়ক, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সহজেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তার বিভিন্ন অংশের মাটি, ধসে ও ভেঙে যাওয়ার ফলে, এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জীবনযাত্রার ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন। ভাঙা অংশগুলো পারাপারের জন্য, স্থানীয়রা রাস্তার ওপরেই তাদের নিজস্ব উদ্যোগে অস্থায়ী কাঠের বা বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন, যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামান্য বৃষ্টি কিংবা জোয়ারের পানিতে রাস্তার অধিকাংশ অংশ সম্পূর্ণ তলিয়ে যায়। ফলে তখন চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে যায়। এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শাপলাজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জয়তুনিয়া দাখিল মাদ্রাসা, একটি এতিমখানা ও একটি কওমি মাদ্রাসাসহ অন্তত পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী জীবন-ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন। এর সাথে এলাকার সাধারণ মানুষও এই সড়ক ব্যবহার করে মোল্লারহাট ও পাঙ্গাসিয়া বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতায়াত করেন। সড়কটির বেহাল দশার কারণে পুরো এলাকার মানুষের দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে।
স্থানীয় শিক্ষার্থীরা জানাচ্ছে, "প্রতিদিন স্কুলে যেতে আমাদের এই বিপজ্জনক সাঁকো পার হতে হয়। অনেক সময় পা পিছলে বই-খাতা নিয়ে নিচে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।" এলাকা বাসিন্দা মিরাজ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, "বহু বছর আগে সাবেক ইউপি সদস্য নূরে আলম মীর এই রাস্তার সংস্কার করেছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে আর কোনো উন্নয়ন কাজ হয়নি। এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।" রাস্তার বিষয়ে জানতে চাইলে, স্থানীয় ইউপি সদস্য এনায়েত হোসেন বলেন, "সরকারি বরাদ্দ পেলে আমরা দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করব।" একই বিষয়ে শিয়ালকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানাচ্ছেন, "বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। বরাদ্দ পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই রাস্তার সংস্কার কাজ করা হবে।"
এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, "শিক্ষার্থী ও এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার্থে যেকোনো গ্রামীণ অবকাঠামো সচল রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের এই কাঁচা সড়কটির বেহাল দশা এবং সাঁকো দিয়ে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারের বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে আমি অবগত হলাম। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর/কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় কিংবা এলজিইডির মাধ্যমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"মোগো প্রেত্যেকের শইল্লে চুলকানি। খাউজাইতে খাউজাইতে ক্ষ্যাত হইয়া যাইতেছে। জ্বালাপোড়ায় আর বাঁচতে পারতেছি না। এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটা হওয়ার পর থেইক্কা এই সমস্যা। চুলকানিতে আমাগো মাইয়াগো চেহারা নষ্ট হইয়া যায়। একারণে এহন এই গ্রামরে মাইয়াগোরে কেউ বিয়াও করতে চায় না। শুধু খাউজানি চুলকানি না- ক’দিন পর পর আমাগো ডায়রিয়া অয়। আরো কত সমস্যা যে মোগো জীবনসঙ্গী হইয়া গেছে বলে শেষ করা যাইতোনা।"
এই কথাগুলো বলেছিলেন বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজানপাড়া এলাকার নারীরা। শনিবার (২০ জুন) বিকালে তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে নতুন পাড়া গ্রামে এক উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে গ্রামের নারীরা অভিযোগ করেন। বৈঠকে উপস্থিত ২১ জন নারীর মধ্যে ১৭ জনের নিজের শরীরে এলার্জি জনিত রোগ রয়েছে বলে জানানো হয়। কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে এই উঠান বৈঠক যৌথভাবে আয়োজন করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন ধরিত্রীর জন্য আমরা (ধরা), মিশন গ্রিন বাংলাদেশ এবং পায়রা নদী ইলিশ রক্ষা কমিটি।
বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিশন গ্রিন বাংলাদেশের পরিচালক, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সাংবাদিক কেফায়েত শাকিল। বিশেষ অতিথি ছিলেন ধরিত্রীর জন্য আমরা (ধরা) এর তালতলী-আমতলী অঞ্চল সমন্বয়ক রহমান আরিফ এবং তালতলী উপজেলা সদস্য সচিব মো. মোস্তাফিজ আকন। উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়া নারীরা জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের জন্য জোরপূর্বক আমাদের বাড়িঘর ভেঙে দিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করেছে। আজ পর্যন্ত আমরা ক্ষতিপূরণ পাইলাম না, জমিও পাইলাম না। এখন বিদ্যুৎ কেন্দ্র হওয়ার পর থেকে নদীতে গরম পানি ছাড়ায়। এ কারণে আমাদের নদীতে মাছ নাই। অথচ আমাদের এলাকার পুরুষদের অধিকাংশের পেশা ছিল জেলে। তারা এখন মাছ না পেয়ে বেকার হয়ে গেছে। আমরা সবাই অর্থ সংকটে ভুগছি। এর মধ্যে আবার সবার শরীরে এলার্জিসহ নানান রোগ বাসা বেঁধেছে। আমরা কিভাবে এখন চিকিৎসা করবো? আমাদেরতো খাবারেরই টাকা নাই।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেফায়েত শাকিল বলেন, "পুরো বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। ঠিক তখন কারো আপত্তিকে আমলে না নিয়ে সরকার চাইনিজ কোম্পানিকে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিল। অথচ যে চায়না কোম্পানি বাংলাদেশে এসে এই দূষণকারী বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে তারা নিজেদের দেশে এমন জীবন বিধ্বংসী প্রকল্প জীবনেও নিতে পারতো না। নতুন সরকারের উচিত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করা।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রহমান আরিফ বলেন, "এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পুরো তালতলীর মানুষের জীবন বিপন্ন করে দিয়েছে। এটি কোনো আইন মেনে নির্মাণ করা হয়নি। পরিবেশ আইনকে মোটেও তোয়াক্কা করা হয়নি। এখনো এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ কোনো আইন মানে না। তারা না ঢেকে কয়লা আনা নেওয়া করে, দূষিত পানি নদী/খালে ছাড়ে আর চিমনির দূষণতো আছেই। সরকার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ করতে না পারুক অন্তত এই দূষণগুলো বন্ধ করেতো মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারে।" বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. মোস্তাফিজ বলেন, "তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা ধোয়া বর্জ্য অবাধে পায়রা নদীতে ফেলা হচ্ছে। এর ফলে আমাদের রূপালী ইলিশের বিচরণক্ষেত্র ধ্বংস হচ্ছে এবং নদীতে ইলিশের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। যা আমাদের মৎস্যসম্পদ এবং এর সাথে জড়িত হাজারো জেলের জীবিকাকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নির্গত বিষাক্ত কালো ধোঁয়া আমাদের পার্শ্ববর্তী ঐতিহ্যবাহী টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের জীববৈচিত্র্যকে ধ্বংসের মুখে দাঁড় করিয়েছে। এই দূষিত বাতাস শুধু বনের পশুপাখির ক্ষতি করছে না, বরং স্থানীয় এলাকার মানুষের কৃষি জমি ধ্বংস করছে এবং জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে। ফুসফুসের রোগসহ নানা জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।"
"তাহলে অবিলম্বে কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পসহ সকল পরিবেশবিনাশী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করতে হবে। জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প উৎসগুলোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ পিএফজির উদ্যোগে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে জামালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সম্মেলন কক্ষে দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এমআইপিএস প্রকল্পের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সহিষ্ণুতা এবং সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংলাপে পিএফজির পক্ষ থেকে ১১ দফা ঘোষণা করা হয়। সুনামগঞ্জ পিস এম্বাসেডর নেটওয়ার্ক (প্যান) এর সমন্বয়কারী নুরুল হক আফিন্দীর সভাপতিত্বে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্টের মাঠ সমন্বয়কারী কীদরত পাশার সঞ্চালনায় সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বন্দে আলী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. নাজমুন নাহার নূর (লুবনা)।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রাম শাহা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার পীযুষ কান্তি মজুমদার, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার সাব্বির সারোয়ার, ভীমখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান তালুকদার, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মন্নান তালুকদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মালেক, মডেল মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ বিন ফরিদ মুছা, পুজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি শম্ভু আচার্য্য, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহসভাপতি সঞ্জবি বরুয়া, মহিলা পরিষদের সভাপতি শেখ আয়শা।
সভা শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মোহাম্মদ বিন ফরিদ মুছা, গীতা পাঠ করেন পিএফজির নারী এম্বাসেডর বীণা রানী তালুকদার, ত্রিপঠক পাঠ করেন সঞ্জিব বরুয়া। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর কিদরত পাশা।
উক্ত সংলাপে বক্তব্য রাখেন জামালগঞ্জ উপজেলা মসজিদের ইমাম হাফেজ নূর উদ্দিন, জামালগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওয়ালী উল্লাহ সরকার, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অঞ্জন রায়, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল খালিক, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন, মাওলানা ইমরান, আলী হোসেন, সাবেক উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মারজানা ইসলাম শিবনা, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমীন, পিস এম্বাসেডর আলেয়া বেগম, ইউপি সদস্য মিনারা আক্তার বেবী রানী, ইয়থ পিস এম্বাসেডর গ্রুপের সাদিকুর রহমান স্বাধীন, শারিফ আহমদ, সালমা আক্তারসহ অন্যান্যরা।
প্রধান অতিথি বন্দে আলী অনুষ্ঠানে আসার আগে বুঝতে পারিনি যে এত ভালো একটি অনুষ্ঠান হবে, আমার মনে হচ্ছে ভাল এবং ব্যতিক্রমধর্মী একটি অনুষ্ঠানে এসেছি। আমি আশা করি আপনাদের মাধ্যমে জামালগঞ্জ উপজেলায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় থাকবে। আমি যেহেতু আইন-শৃঙ্খলার কাজে জড়িত, আপনাদের সহযোগিতা আমার প্রয়োজন হবে। আপনাদের প্রয়োজনে আমাকে সবসময় পাশে পাবেন। আমরা সবাই মিলে একটি শান্তির জামালগঞ্জ গঠনে কাজ করবো। তিনি আহ্বান জানান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পর্কে যে আমাদের সচেতন হতে হবে, সেখানে কোনো ধরণের গুজব ছড়ানো হলে না জেনে সহমত প্রকাশ করা যাবে না। যাচাই-বাচাই করতে হবে। বিশেষ মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তিনি কার্যক্রমের সুফল কামনা করে এমন একটি ভালো উদ্যোগের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। সভায় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এবং পিএফজির কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা এবং এযাবৎকালে পরিচালিত কার্যক্রমের বিবরণ তুলে ধরা হয়। ধর্মীয়, জাতিগত এবং রাজনৈতিক সংঘাত-সহিংসতা পরিহার করে একটি শান্তি ও সম্প্রীতির জামালগঞ্জ গড়তে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা কামনা করা হয়।
ধর্মীয় নেতারা বলেন, নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান থেকে সম্প্রীতির বাণী সকলের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। ধর্মের নামে অধর্ম করা যাবে না। যারা ধর্মীয় অনুসাসন মেনে চলে, তারা সংঘাত সংঘর্ষে লিপ্ত হতে পারে না। অংশগ্রহণকারীরা শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় করণীয় বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। এ সময় শান্তি-সম্প্রীতির জামালগঞ্জ গড়তে ১১ দফা সম্বলিত ঘোষণা পাঠ ও সনদ প্রকাশ এবং স্বাক্ষর করেন উপস্থিত সকলে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার দৌলতখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) কমার্স ব্যাংকের এমডি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোঃ ওবায়দুল হক ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এ বৃত্তি প্রদান করেন। সপ্তম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি শ্রেণির প্রথম মেধাবী ৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় ৩ হাজার টাকা ও তৃতীয় মেধাবী শিক্ষার্থীকে ২ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ প্রদান করেন। বৃত্তি প্রদানকালে তিনি শিক্ষার্থীদের উৎসা ও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে বলেন, মোবাইল ছেড়ে পড়াশোনার প্রতি ওদের মনোযোগী ও আগ্রহী হতে হবে। এতে ভবিষ্যতের পথ উজ্জ্বল হবে। দেশ ও জাতির সেবা করার সুযোগ পাবে। এ সময় বিশিষ্ট সমাজসেবক শামসুদ্দিন সামসু মিয়া, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার হালদার, সহকারি শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন সোহাগ ও জাবের হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি দৌলতখান মহিলা কলেজ সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কুসল বিনিময় করে তাদের খোঁজখবর নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ