বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:৪৬ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের লাউফুলা হাটের সরকারি/হাটবাজারের জমি অবৈধভাবে দখল করে নির্মিত দোকানঘর উচ্ছেদে অভিযান পরিচালিত হয়েছে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে লাউফুলা হাট এলাকায় এই অভিযানটি গৃহিত হয়। অভিযানে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর ও অন্যান্য স্থাপনা অপসারণ করা হয়, যা হাটবাজারের জমির ওপর নির্মিত ছিল।
এই অভিযানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন মধুপুর উপজেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) নঈম উদ্দীন।
অভিযানের সময় আলোকদিয়া ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা প্রদান করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হাটবাজারের সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত রাখার জন্য এবং জনগণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। প্রশাসন জানায়, হাটের জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অবস্থান থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট উচ্চবিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশে আওয়ামী লীগের এক নেতার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক মো. মতিয়ার রহমান ফকিরকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষকের লাঞ্ছনাকে ঘিরে প্রতিবাদ স্বরূপ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ক্লাস ছেড়ে বিদ্যালয় মাঠে বিক্ষোভ শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রথম ঘণ্টার পাঠদান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় মাঠে অবস্থান নেয়। শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায়। খবর পেয়ে কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মুনছুর রহমান বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে।
কর্মকর্তার আশ্বাস পাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ফিরে যায়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাকির হোসেন বলেন, ‘অফিসে ঢুকে আমাদের স্যারকে (প্রধান শিক্ষক) চড় মারা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানাই। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে।
অন্যথায় আমরা পাঠদান বর্জনের কর্মসূচি দেব।’
বিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টার পর দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নিয়ে বিদ্যালয়ে একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে পুনট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ফকির উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
এ ঘটনার পর গতকাল বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে স্থানীয় ১০-১৫ জনের মধ্যে ইয়াসিন আলী বিদ্যালয়ে যান। তিনি গালাগাল করতে করতে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে একপর্যায়ে তাঁকে চড় মারেন। পরে আরো কয়েকজন ব্যক্তি কক্ষে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ শুরু করলে ওই ব্যক্তিরা বিদ্যালয় থেকে চলে যান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সিসিটিভি ফুটেজে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, বুধবার সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে প্রধান শিক্ষক কক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজ করছিলেন। এ সময় একজন ব্যক্তি ঢুকে তাঁর সঙ্গে কথা বলে। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি প্রধান শিক্ষককে চড় মারেন। প্রধান শিক্ষক উঠে দাঁড়ালে ওই ব্যক্তি তাঁকে টেনে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে আরো কয়েকজন কক্ষে ঢুকে তাঁকে নিতে চাইলে তাঁরা সফল হননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক বলেন, প্রধান শিক্ষক আওয়ামী লীগপন্থী হওয়ায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে ‘জুলাইয়ের একাধিক মামলার আসামি’ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস ফকিরকে অভিভাবক সমাবেশে উপস্থিত হওয়ার ও বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। এ ঘটনার উদ্দেশ্য স্থানীয় রাজনীতিতে একটি হট্টগোলের ইস্যু তৈরি করাও হতে পারে।
প্রধান শিক্ষক মো. মতিয়ার রহমান ফকির বলেন, ‘অভিভাবক সমাবেশে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির সঙ্গে তাঁর নিকটাত্মীয় আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ফকির এসেছিলেন। আমরা তাঁকে দাওয়াত করিনি। ফেসবুকে সমাবেশের ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল শিক্ষক কক্ষে কাজ করার সময় ইয়াসিন আলী গালিগালাজ করতে এসে আমাকে লাঞ্ছিত করেন। এরপর তাঁকে টেনে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেন।’
তিনি আরো জানান, ‘ইয়াসিন আলী বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেনের নিকটাত্মীয়। আমার লাঞ্ছিত হওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আজ বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ করেছে। পরে তাদের বুঝিয়ে শ্রেণিকক্ষে ফেরানো হয়েছে।’
তবে প্রধান শিক্ষককে চড় মারার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইয়াসিন আলী। তিনি বলেন, ‘এখন বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। অথচ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশে বিএনপির কাউকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি প্রধান শিক্ষক। জুলাইয়ের একাধিক মামলার আসামি আওয়ামী লীগের নেতাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। এ কারণে প্রধান শিক্ষকের কাছে জবাব চাইতে যাওয়া হয়েছিল।’
কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মুনছুর রহমান বলেন, ‘মঙ্গলবার পুনট উচ্চবিদ্যালয়ে অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশ হয়েছে। সেখানে একটি রাজনৈতিক দলের নেতার উপস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ ছিল। এর ফলে কিছু বহিরাগত সদস্য প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আজ বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় মাঠে বিক্ষোভ করেছে এবং তাঁরা লাঞ্ছনাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে ইউএনও বরাবর এক লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ইউএনও আমাকে বিষয়টির তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।’
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পুনট উচ্চবিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস ফকির উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনার কারণে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৬২ বছর বয়সী বারেক শেখ নামের একজন ব্যক্তি মারা গেছেন। বারেক শেখ, যিনি বনগ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ শেখের ছেলে। এই ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বনগ্রাম এলাকায় ঘটে। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে জানা যায় যে, বারেক শেখ নিজ বাড়িতে ঘাস কাটার মেশিন দিয়ে ঘাস কাটছিলেন। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর, বিদ্যুৎ ফিরে আসার পরে তিনি ঘাস কাটার মেশিনের সুইচটি চালু করতে চেষ্টা করেন। এই সময় পাশে থাকা টিনের বেড়ার সঙ্গে বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শ ঘটে, যার ফলে টিনের বেড়াটি বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। অবাঞ্ছিতভাবে টিনের বেড়া স্পর্শ করার কারণে বারেক শেখ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে, তার পরিবার তাঁকে উদ্ধার করে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বারেক শেখকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবরটি জানার পর, বালিয়াকান্দি থানার এসআই আকবর মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, কোনো আসামি বা অভিযুক্ত নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শুভেচ্ছাবার্তায় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক পথচলা পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। সাংগঠনিক দক্ষতা, প্রজ্ঞা, সংকটকালে নেতৃত্ব এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁকে এ দেশের জাতীয় রাজনীতিতে একটি স্বতন্ত্র অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে।’
তিনি আরও বলেছেন, একজন শিক্ষাবিদ, অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে তাঁর এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা আরও সমুন্নত করবে।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাবে-এই প্রত্যাশা রাখি। তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও দায়িত্ব পালনে আমি সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনির স্বামী এবং সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর দীপু মনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাদ জোহর রাজধানীর গুলশান আজাদ মসজিদে ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজ শেষে দীপু মনিকে প্রিজন ভ্যানে করে বনানী কবরস্থানে নেওয়া হয়। সেখানে তার স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের দাফন সম্পন্ন হয়।
এরপর, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে বনানী থেকে দীপু মনিকে বহনকারী প্রিজন ভ্যানটি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের উদ্দেশে রওনা দেয়। সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে প্রিজন ভ্যানটি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রবেশ করে।
এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন দীপু মনির আইনজীবী মো. ফয়সাল হাসান এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. জান্নাত-উল ফারহাদ।
আরও পড়ুন, কনসার্ট বন্ধ করাটা কিশোরগঞ্জ সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা গেছে: গণঅধিকার নেতা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে স্বামীর জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য দীপু মনিকে নিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় প্রিজন ভ্যান।
দীপু মনির মেয়ে তনী দীপাভলী নেওয়াজ তার মায়ের প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করেছিলেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির আদেশ দেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তার প্যারোলের সময় নির্ধারণ করা হয়।
প্যারোলে মুক্তির পর স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফন কার্যক্রমে অংশ নেন দীপু মনি। আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাকে আবার মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ