ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি: রাখি সাওয়ান্ত


আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি: রাখি সাওয়ান্ত

বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী ও ‘ড্রামা কুইন’খ্যাত রাখি সাওয়ান্ত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন। সম্প্রতি তিনি বিবিসি হিন্দিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস, ব্যক্তিজীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।

সাক্ষাৎকারে ধর্মীয় পরিচয় প্রসঙ্গে রাখি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করছেন। তিনি তার বিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "আমি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী, নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি এবং এ পর্যন্ত আটবার উমরাহ পালন করেছি।"

ধর্ম পরিবর্তন ও বিয়ে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাখি উল্লেখ করেন, ভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে বিয়ে নতুন কিছু নয়। তিনি উদাহরণ স্বরূপ বলিউডের দুই তারকা শাহরুখ খান ও আমির খানের নাম উল্লেখ করেন। সম্মিলিতভাবে তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে কোটি কোটি মানুষ আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক স্থাপন করছেন এবং ভালোবাসায় ধর্ম কোনো বাধা হওয়া উচিত নয়।"

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নবীন বিসিএস কর্মকর্তাদের সততা ও দক্ষতার সঙ্গে জনগণের সেবা করার আহ্বান

আমির খানকে নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে রাখি জানায়, “তার তো হিন্দু মেয়েই পছন্দ।”

নিজের ক্যারিয়ারের শুরুতে ধরন কিছু সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন রাখি। তিনি বলেন, এক সময় মানুষ তাকে ‘জোকার’ ও ‘কার্টুন’ বলে উপহাস করত, তবে সেই সময় থেকেই তিনি ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করা শুরু করেছিলেন এবং ধীরে ধীরে তিনি নিজের একটি আলাদা পরিচিতি সৃষ্টি করেন। তিনি বলেন, “আমি নিজেই একটা চলতি-ফিরতি কনটেন্ট।”

‘বিগ বস ১৫’-এ স্বামী হিসেবে পরিচিত রিতেশকে নিয়েও আলোচনার সূত্রপাত করেন রাখি। তিনি দাবি করেন, রিতেশ ছিলেন ‘ভাড়া করা স্বামী’। পরবর্তীতে রিতেশের আগের বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে তাকে শো থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বর্তমান প্রজন্মের ভাইরাল কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রসঙ্গ টেনে রাখি দাবি করেন, উর্বশী রাউতেলা ও ওরিসহ অনেকেই তার পথ অনুসরণ করেছেন। নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী এই অভিনেত্রী জানান, তিনি ‘ওজি রাখি সাওয়ান্ত’ এবং বিনোদন অঙ্গনে তার নিজস্ব একটি অবস্থান রয়েছে।

আরও পড়ুন: এপারে আসতে হলে ফিটফাট হয়ে আসতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

রাখির এসব বক্তব্য প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ তার খোলামেলা বক্তব্যের প্রশংসা করছেন, আবার কেউ তার বিভিন্ন মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা করছেন। তবে বরাবরের মতো, নিজের বক্তব্য ও ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্বের কারণে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন রাখি সাওয়ান্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্যারিসে মুগ্ধতা ছড়ালেন নগর বাউল জেমস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ এম


প্যারিসে মুগ্ধতা ছড়ালেন নগর বাউল জেমস

‘আসবার কালে আসলাম একা…’—নগর বাউল জেমসের কণ্ঠে এই বহুল জনপ্রিয় গানের সুর বেজে উঠতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন হাজারো দর্শক। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠ সার্সেলের খোলা মাঠটি যেন মুহূর্তেই রূপ নেয় এক টুকরো বাংলাদেশে। এখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কণ্ঠ মিলিয়ে তারা গাইতে থাকেন।

এরপর একের পর এক জনপ্রিয় গানে প্রায় তিন হাজার দর্শককে মাতিয়ে রাখেন নগর বাউলখ্যাত এই রকশিল্পী। দর্শকদের মুহুর্মুহু করতালি, উচ্ছ্বাস আর গানে গানে মুখর হয়ে ওঠে ‘ফ্রাঙ্কো-বাংলা সামার ফেস্ট-২০২৬’-এর পুরো আয়োজন।

রবিবার (২ আগস্ট) প্যারিসের উপকণ্ঠ সার্সেলের একটি খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় দিনব্যাপী এই সাংস্কৃতিক উৎসব। অনুষ্ঠানটি দুপুর ১২টায় নিবন্ধনের মাধ্যমে শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এ আয়োজনে অংশ নেন তিন হাজারেরও বেশি দর্শক।

অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ‘নগর বাউল’ ব্যান্ডের প্রধান জেমস। মঞ্চে উঠেই তিনি তার জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় শিল্পীকে সরাসরি দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

জেমসের গানের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে, নেচে এবং করতালিতে নিজেদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তারা।

জেমস ছাড়াও অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘জলের গান’ এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বাংলাদেশি শিল্পী বিন্তি। তাদের পরিবেশনায়ও উৎসবজুড়ে ছিল প্রাণবন্ত আবহ।

কনসার্টে অংশ নেওয়া দর্শক ইমাদ উদ্দিন বলেন, নগর বাউলের এই পরিবেশনা প্যারিসে বাংলাদেশি সংস্কৃতিকে পরিচিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশিরাও এই কনসার্টের মাধ্যমে নিজেদের দেশ ও সংস্কৃতিকে অনুভব করার সুযোগ পেয়েছেন।

আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, ‘ফ্রাঙ্কো-বাংলা সামার ফেস্ট’ প্রতিবছর প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়। ২০২৩ সালে ফ্রান্সের তৎকালীন পরিস্থিতির কারণে এ আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর এবার সফলভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

অফিওরা ও শাহ গ্রুপের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ফ্রাঙ্কো-বাংলা সামার ফেস্ট-২০২৬’ শুধুমাত্র একটি কনসার্টে সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি পরিণত হয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক প্রাণের উৎসবে। সংগীত, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এই আয়োজন আবারও তুলে ধরেছে—হাজার মাইল দূরে থেকেও বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও শিকড়ের সঙ্গে প্রবাসীদের বন্ধন অটুট।

আয়োজকরা বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে, দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর। এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছেও বাংলাদেশের সংস্কৃতি তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে, অনুষ্ঠানস্থলে দর্শনার্থীদের যাতায়াত সহজ করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফ্রান্সের যোগাযোগ ব্যবস্থায় সাময়িক কিছু সমস্যার কারণে নিকটবর্তী ট্রেন স্টেশন থেকে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত তিনটি বিনামূল্যের বাসের ব্যবস্থা করা হয়। দিনভর এসব বাস দর্শকদের আনা-নেওয়ার কাজ করে।

সংগীতের পাশাপাশি উৎসবে ছিল বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা আয়োজন। দর্শনার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দেশীয় খেলা। পাশাপাশি ছিল বাংলাদেশি পণ্য ও খাবারের স্টল। সমুচা, সিঙ্গাড়া, ঝালমুড়ি, পিঠা-পুলি, বিরিয়ানি, ডাবের পানি, বিভিন্ন ধরনের পানীয় এবং পান-সুপারির স্টলে ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সার্সেলের ডেপুটি মেয়র, স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ ছিল র‍্যাফেল ড্র। এতে বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কারের পাশাপাশি প্রধান পুরস্কার হিসেবে রাখা হয় একটি ঝকঝকে বিএমডব্লিউ গাড়ি।

সব মিলিয়ে ‘ফ্রাঙ্কো-বাংলা সামার ফেস্ট-২০২৬’ প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য হয়ে ওঠে সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও আনন্দের এক মিলনমেলা। প্যারিসের সার্সেলের সেই মাঠে একদিনের জন্য হলেও তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের আবহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে চলমান যুদ্ধে আড়াই হাজারেরও বেশি শিশু হতাহত : ইউনিসেফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ এম


ইরানে চলমান যুদ্ধে আড়াই হাজারেরও বেশি শিশু হতাহত : ইউনিসেফ

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে সবচেয়ে বেশি নিরীহ ও অসহায় শিশুদের বলি হতে হচ্ছে। সম্প্রতি জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক তহবিল (ইউনিসেফ)-এর প্রকাশিত এক রিপোর্টে এই ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে।

ইউনিসেফের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত পাঁচ মাসে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কেবল ইরানে হতাহত শিশুর সংখ্যা আড়াই হাজারের বেশি হয়ে গেছে। আর মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশ মিলিয়ে এই সংখ্যা ৪ হাজারেরও ওপর চলে গেছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ইউনিসেফের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত আঞ্চলিক পরিচালক আবদুল ফোফানা জানান, শিশুদের জন্য নিরাপদ হওয়ার কথা ছিল এমন সব জায়গায় হামলা ও মৃত্যুর শিকার হয়ে যাচ্ছে—যথা নিজেদের বাড়িঘর, স্কুল এবং খেলার মাঠ। তিনি গত ৩০ জুলাই দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপের এক আবাসিক ভবনে হামলার উদাহরণ দিয়ে বলেন, সেখানে মা-বাবার সাথে মাত্র দুই বছরের একটি শিশু প্রাণ হারিয়েছে এবং আরো দুইজন শিশু গুরুতর আহত হয়েছে।

ইউনিসেফের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত পাঁচ মাসের যুদ্ধে বিশ্বের ছয়টি দেশে ৪ হাজারের মধ্যে বেশি শিশু নিহত বা আহত হয়েছে। এর মধ্যে আড়াই হাজারের বেশি শিশু ইরানের। এছাড়া, ইরানে যুদ্ধে ৩৮৬ জন শিশু নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে আরো ২১১৭ জন। ফোফানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে যুদ্ধের কোনো অংশীদার শিশুরা শুরু করেনি কিংবা নিজেদের পক্ষ থেকে তা থামানোর কোনো ক্ষমতা নেই, সেই যুদ্ধের ভয়াবহ মাশুল তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি বলেন, সংঘাতের কোনো পক্ষ যেন শিশুদের এই চরম কষ্টকে 'স্বাভাবিক' মনে না করে।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে ইউনিসেফ সংঘাতরত সকল পক্ষকে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলার এবং সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানিয়েছে। শিশুদের যেখানেই থাকুক, সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩১ বছর আগে তোমাকে ঘরে তুলেছিলাম: মৌসুমীকে ওমর সানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ এম


৩১ বছর আগে তোমাকে ঘরে তুলেছিলাম: মৌসুমীকে ওমর সানী

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ওমর সানী ও মৌসুমী তাদের দাম্পত্য জীবনের ৩১তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করছেন।

বিশেষ এই দিনে, স্ত্রীকে ভালোবাসা এবং শুভকামনা জানিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী।

রোববার (২ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মৌসুমীর সঙ্গে একটি ছবিও পোস্ট করেছেন সানী। সেখানে তিনি লেখেন, "হ্যাপি অ্যানিভার্সারি মৌসুমী। আজ থেকে ৩১ বছর আগে তোমাকে ঘরে তুলেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, তোমার-আমার ঘর আলোকিত করেছে ফারদিন এবং ফাইজা। বেঁচে থাকুক আমাদের সম্পর্ক কবর পর্যন্ত। আমিন।"

ওমর সানীর এই পোস্টটি প্রকাশের পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ৫৩ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া পড়ে। মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-অনুরাগীরা এই তারকা দম্পতিকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসিয়ে দেন।

১৯৯২ সালে প্রথম দেখা হয় ওমর সানী ও মৌসুমীর। সে সময় সানীর প্রথম সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল, আর মৌসুমীর অভিষেক ছবি ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ মুক্তির অপেক্ষায় ছিল। পরে ১৯৯৩ সালে ‘দোলা’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে প্রেমে রূপ নেয়।

যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৫ সালের ২ আগস্ট জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তবে এর কয়েক মাস আগে, ৪ মার্চ পারিবারিকভাবে গোপনে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। দুই পরিবারের সম্মতিতেই সেই বিয়ের আয়োজন হয়েছিল এবং দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল যাতে অভিনয়জীবনে কোনো প্রভাব না পড়ে।

বর্তমানে ওমর সানী বাংলাদেশে থাকলেও মৌসুমী প্রায় দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে, তাদের সম্পর্ক নিয়ে মাঝে মধ্যে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও ওমর সানী বারবার তা নাকচ করেছেন। তিনি বলেছেন, তাদের সম্পর্ক আগের মতোই অটুট রয়েছে।

৩১তম বিবাহবার্ষিকীতে ওমর সানীর আবেগঘন বার্তা সেই দাবিকেই নতুন করে সামনে এনেছে। ভক্তদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়ের এই দাম্পত্য বন্ধন আরও দীর্ঘ ও সুখময় হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনফান্তিনোকে সমর্থন জানাল মধ্যপ্রাচ্যের এক দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ এম


ইনফান্তিনোকে সমর্থন জানাল মধ্যপ্রাচ্যের এক দেশ

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো (বাঁয়ে) এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ হামদান বিন মুবারক আল নাহিয়ান।

ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর গদি বর্তমানে নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য অনেক সমালোচনা তিনি স্বীকার করছেন এবং ইনফান্তিনো বর্তমানে ফিফার ইভেন্টগুলোর বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা নিয়ে ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় রয়েছে।

বিশেষ করে, ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা তাকে সরানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে, তিনি আশার আলো দেখতে পেলেন।

ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন এবং আস্থা প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইউএইএফএ)। এক বিবৃতিতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি জানিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক ফুটবলের উন্নয়ন এবং সদস্য দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব তারা সমর্থন করবে।

সম্প্রতি, বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিল ফিফা। ফিফার এই পরিকল্পনা ঘোষণার পর ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলগুলোর ফুটবল সংস্থা তীব্র আপত্তি জানায়। ক্রমবর্ধমান বিরোধিতার মধ্যেও, অবশেষে ফিফা তাদের প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে।

এরপরই শেখ হামদান বিন মুবারক আল নাহিয়ানের নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে যেখানে ইনফান্তিনোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবল পরিবারের ঐক্য রক্ষা সম্ভব হয়েছে। তাছাড়া, ভবিষ্যতে ফুটবল, সমর্থক এবং বৃহত্তর ক্রীড়া সমাজের স্বার্থ বিবেচনায় যেকোনো নতুন প্রস্তাব যথাযথভাবে পর্যালোচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শেখ হামদান বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ফুটবলের উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক ফুটবল পরিবারকে আরো শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ করতে যে সমস্ত উদ্যোগ নেওয়া হবে, সেগুলোর প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।’

বিবৃতির শেষাংশে, জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা পুনর্ব্যক্ত করে ইউএইএফএ জানিয়েছে যে, ফিফার বর্তমান নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক ফুটবলের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও তারা সেই নেতৃত্বের পাশেই থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%