১১:২৪ পি.এম
গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিবাদ জানিয়েছে। রোববার, দলটির সেক্রেটারি জেনারেল এবং সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদের কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া এলাকায় আজ দুপুরে প্রকাশ্যে বাজারের মধ্যে সাবেক যুবদল নেতা মুকুল এবং তার ভাই পলাশসহ সন্ত্রাসীরা ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং মেধাবী ছাত্র সাইফুল্লাহ বারীকে ধারালো অস্ত্র ও লোহার শাবল দিয়ে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে সংগঠিত এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত বর্বর, কাপুরুষোচিত এবং মানবতাবিরোধী।
তিনি আরও বলেন, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের কারণে এ ধরনের রক্তক্ষয়ী ও পাশবিক হামলা কোন সভ্য সমাজ এবং সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমি এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন: ইউপি নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের আহ্বান জানালেন এমপি হাফিজ ইব্রাহিম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান করে তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল হোতা মুকুল ও পলাশসহ সকল খুনি এবং সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে হবে এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা প্রশাসন এবং পুলিশের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যে, কোন রাজনৈতিক বা অন্য কোন প্রভাব যেন এই স্পর্শকাতর মামলার তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
বিবৃতিতে তিনি আরও জানান, হামলায় গুরুতর আহত সাইফুল্লাহর বন্ধু সালাউদ্দিন বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিত্সাধীন রয়েছেন। আমরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, আমি নিহত সাইফুল্লাহ বারীর শাহাদাত কবুলিয়তের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তাআলা শোকাহত পরিবারকে এ কঠিন শোক সহ্য করার তাওফীক দান করুন।
আরও পড়ুন: ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: তারেক রহমান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন