০৭:৪৭ পি.এম
গাজীপুরের শ্রীপুরে এক রাতের মধ্যে শেয়ালের কামড়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এর মধ্যে গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে শ্রীপুর উপজেলার গোসিঙ্গা ইউনিয়নের পটকা ও শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি এলাকায় ঘটে ওই শেয়াল আক্রমণের ঘটনা।
শেয়ালের কামড়ে আহতদের মধ্যে রয়েছে মো. আকাশ (১৩), নাঈম (১১), মাজেদা (৪৫), রোজিনা (৩৬), হেলেনা আক্তার (৪০), আশরাফুল ইসলাম (২৬), শেফালী (৩৪), সাইফুন্নাহার (২৩) ও আরাফ (১৪)। আহত অন্যান্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: ঝিরি থেকে পাথর তুলে উন্নয়ন প্রকল্পে যাচ্ছে
ভাংনাহাটি গ্রামের বাসিন্দা উজ্জ্বল মিয়া মন্তব্য করেছেন যে, শ্রীপুর উপজেলার আশপাশে বন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং শাল-গজারি বনে নানা পশু, প্রাণী ও পাখির বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। প্রায়শই শেয়াল লোকালয়ে চলে আসে। গত রাতে শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি কামিল মাদ্রাসার পাশে একটি বসতঘরে ঢুকে শেয়াল দুটি নারীকে কামড়ে আহত করে।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, গতকাল রাতে শেয়ালের কামড়ে আহত ১৪ জন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে ১৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয় এবং ক্ষত পরিষ্কার করার পাশাপাশি জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফ হোসেন বলেছেন, বেশ কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে বনের শেয়ালের গর্তে পানি প্রবেশ করেছে। সেইসাথে খাদ্য সংকটের কারণে তারা লোকালয়ে চলে আসছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, যদি লোকালয়ে আসা বন্য প্রাণীর আচরণ অস্বাভাবিক মনে হয়, তবে প্রাণীকে উত্ত্যক্ত না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। শেয়ালের কামড় বা আঁচড়ানোর পর অবশ্যই জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: রমজানপুরকে মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনী মাঠে শহিদুল ইসলাম হাওলাদার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন