ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

হাইকোর্টের বিচারপতিদের জন্য গবেষণা সহযোগী নিয়োগে কমিটি গঠনের নির্দেশ


হাইকোর্টের বিচারপতিদের জন্য গবেষণা সহযোগী নিয়োগে কমিটি গঠনের নির্দেশ

হাইকোর্টের বিচারপতিদের জন্য আইন সহকারী বা গবেষণা সহযোগী নিয়োগের সুপারিশ প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত একটি আবেদনের শুনানির পর মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি এবং বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) আইন এবং ২০২৩ সালের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ছুটি, পেনশন ও বিশেষাধিকার) আইনের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চলতি বছরের হাইকোর্টে রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আইন শিক্ষার্থীসহ ১৩ জন। এই রিটের প্রাথমিক শুনানির পর গত বছর ২৪ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার

গত ৯ আগস্ট এই রিটে সম্পূরক আবেদন করেছেন রিটকারীরা। আবেদনে হাইকোর্ট বিভাগের প্রত্যেক বিচারপতির জন্য অ্যাডহক বা চুক্তিভিত্তিক আইন সহকারী-কাম-গবেষণা সহযোগী (ল’ ক্লার্কস-কাম-রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট) অথবা গবেষণা কর্মকর্তা/ইন্টার্ন নিয়োগপ্রক্রিয়া গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপুল কর্মভার বহন করা এবং মামলার উল্লেখযোগ্য জট মোকাবেলা সত্ত্বেও বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা কোনো নিবেদিত ল’ ক্লার্কস-কাম-রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট, গবেষণা কর্মকর্তা বা গবেষণা ইন্টার্নের সহায়তা পাচ্ছেন না, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এই আবেদনে শুনানির পর আদেশ প্রদান করা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তার সঙ্গে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ জীসান হায়দার।

পরে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের সহায়তার জন্য গবেষণা সহযোগী নিয়োগের সুপারিশ প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হবে।’ কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলেও জানান এই আইনজীবী। গত ২ আগস্ট এ বিষয়ে রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া। হাইকোর্টের বিচারপতিদের জন্য অন্তত একজন করে ‘রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেন্স অফিসার’ নিয়োগের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল এই রিটে।

আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক, আদিবাসী নই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক, আদিবাসী নই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বার্থান্ধ বিভেদের পেছনে বিদেশি যড়যন্ত্র থাকার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই সনদে উল্লেখ করা হয়েছে আমরা সবাই বাংলাদেশি।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর হোটেলে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে, যেখানে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘আদিবাসী’ পরিচয় অপ্রাসঙ্গিক শীর্ষক আলোচনা হয়, তিনি তার বক্তব্য প্রদত্ত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যদি বাংলাদেশি হিসেবে আমরা একতাবদ্ধ হই, তবে পাহাড়ের সমস্যার সমাধান সুনিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদে লিখিত আছে আমরা সবাই বাংলাদেশি এবং এতে স্বাক্ষর করেছেন সকলেই। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভেদ তৈরি করার পেছনে বিদেশি যড়যন্ত্র সত্যি। বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে নতুন নতুন চক্রান্ত চলছে।

বাংলাদেশি হিসেবে সবাইকে একতাবদ্ধ থাকার বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, একত্রিত হয়ে বক্তব্য ছড়িয়ে দেওয়াই স্থায়ী সমাধানের পথ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে 'আদিবাসী' পরিচয় অপ্রাসঙ্গিক, এটি কোনো বিষয়ের উপর প্রশ্নই নয়। আমরা আদিবাসী নই, বরং আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী এবং আমাদের সমান অধিকার রয়েছে।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন চৌধুরী স্বপন বলেন, 'আদিবাসী' শব্দ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অপ্রাসঙ্গিক। এ কারণে আদিবাসী শব্দ ব্যবহার করে কারো ফাঁদে পা দিচ্ছি কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাহাড়ি ইস্যুতে শব্দের বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বনের জন্য সবাইকে বিশেষভাবে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য শব্দ খুঁজে বের করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

বিএনপি, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, নিরাপত্তা বিশ্লেষকসহ অন্যান্য বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দি থেকে বিদায় নিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


বালিয়াকান্দি থেকে বিদায় নিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন

কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দীর্ঘ ১ বছর ৬ মাস ২৮ দিন দায়িত্ব পালন শেষে এহসানুল হক শিপন বিদায় নিলেন। পরিকল্পনা কমিশনে বদলিজনিত কারণে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) বালিয়াকান্দিতে তাঁর শেষ কর্মদিবস সম্পন্ন হয়।

এ উপলক্ষে বালিয়াকান্দিবাসীর উদ্দেশে এক আবেগঘন বিদায়ী বার্তায় তিনি তাঁর দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতার জন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকর্মী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিদায়ী বার্তায় তিনি বলেন, নাগরিকদের ভোগান্তি লাঘব এবং সহজ সেবা প্রাপ্তির বিষয়ে তিনি সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন। কখনো জনাকীর্ণ অফিসে, কখনো একাকী আপনাদের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছেন।

দায়িত্ব পালনকালে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে পরিদর্শন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ নানা সরকারি কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, তাঁর আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকতে পারে। তিনি এসব বিষয় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য বালিয়াকান্দিবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।

এহসানুল হক শিপন আরও জানান, সফটওয়্যার ও সার্ভারজনিত ত্রুটির কারণে বিভিন্ন সময়ে ভূমি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে খালকুলা, বাঘুটিয়া ও সর্প বেতাঙ্গা মৌজার কিছু আবেদন কারিগরি ত্রুটির কারণে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এই জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, বিষয়টি অটোমেশন প্রকল্পের সাপোর্ট টিমকে কারিগরি সহায়তা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্যাগুলো সমাধান করবে।

বিদায়ী বার্তায় এহসানুল হক শিপন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক এবং বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের অভিভাবকসুলভ সহযোগিতার কথা স্মরণ করে তিনি উল্লেখ করেন, তাঁদের সহযোগিতা তাঁর দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এছাড়া তিনি উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকর্মী, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বালিয়াকান্দির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

বিদায়ের শেষভাগে বালিয়াকান্দিবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে এহসানুল হক শিপন বলেন, মহান আল্লাহ যেন তাঁকে সর্বদা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করেন এবং সবাইকে আমৃত্যু তাঁর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশি দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বাংলাদেশের জনমিতি বোঝার সুযোগ নেই: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


বিদেশি দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বাংলাদেশের জনমিতি বোঝার সুযোগ নেই: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন যে, ‘আদিবাসী’ শব্দের নতুন বয়ান তৈরি না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি কোন ধরনের পাতানো ফাঁদে পা দিতে চাইছেন না। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের মতো অভিবাসী রাষ্ট্রগুলোর বাস্তবতার সাথে বাংলাদেশের কোনো মিল নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘অভিবাসী চিন্তাধারার মনোজগৎ বা চশমা দিয়ে বাংলাদেশের জনমিতি বা নৃবিজ্ঞানকে বোঝা সম্ভব নয়। ভৌগোলিক ও নৃতাত্ত্বিক বিচারে বাংলাদেশে ‘আদিবাসী’ শব্দ ও ধারণাটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।’

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে চিটাগাং হিল ট্র্যাকটস রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচটিআরএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জন্য ‘আদিবাসী’ পরিচয় অপ্রাসঙ্গিক’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উপস্থিত ছিলেন। সিএইচটিআরএফ এর চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক মো. মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করা হয়, যেখানে ড. আবদুল্লাহ আল ইউসুফ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব দেশে বহিরাগত অভিবাসীরা এসে মূল অধিবাসীদের তাড়িয়ে রাষ্ট্র গঠন করেছে, সেখানে আদিবাসীদের একটি ঐতিহাসিক ক্ষোভ রয়েছে, সেই পাপ মোচনে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো কাজ করছে। কিন্তু বাংলাদেশে কোনো অভিবাসী এসে মূল বাসিন্দাদের তাড়িয়ে জমি দখল করেনি। আমাদের জনমিতি ও জাতি গঠিত হয়েছে হাজার বছরের নৃবিজ্ঞানের প্রাকৃতিক বিবর্তনের ধারায়। সেই কারণেই এখানে বহিরাগত অভিবাসী বনাম আদিবাসীর কোনো বিরোধের অবকাশ নেই।’

মন্ত্রী এই প্রসঙ্গে সতর্ক করে বলেন, ‘আমাদের জাতীয় পরিচয় এবং জনমিতির ওপর অপ্রাসঙ্গিক বিতর্ক সৃষ্টি করা এক ধরনের অপকৌশল হতে পারে। আমাদের নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নাগরিকত্বের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণা উপস্থাপন করেছেন, যা আমাদের জাতির পরিচয়গত সংকট নিরসন করেছে। তাই এই সংহত পরিচয়কে অক্ষুণ্ন রাখতে ভুল বয়ানের বিপরীতে সঠিক ইতিহাস ও সমাজবিজ্ঞানের তথ্য উপস্থাপন করতে হবে।’

তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংখ্যাগরিষ্ঠের মনোজগৎ দিয়ে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সমস্যা সঠিকভাবে বোঝা যাবে না।

গোলটেবিল আলোচনায় সুভাষ রুদ্র-নদীর সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি, এমরান সালেহ প্রিন্স, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক বিশেষ সহকারী মোহাম্মাদ রাশেদ খানসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার অন্যান্য অতিথি ও আলোচকদের মধ্যে বিশিষ্ট সাংবাদিক মারুফ কামাল খান সোহেল, ড. আবদুল হাই সিদ্দিকী, এম আবদুল্লাহ, আবু রুশদ, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটুটের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা লে. জেনারেল মাহফুজুর রহমান, লে. জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ বিভিন্ন রাজনীতিবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ইতিহাসবিদ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদী-খাল দখল করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ পি.এম


নদী-খাল দখল করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, নদী ও খালের জমি দখল করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, এটি যতো ক্ষমতাবান ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতেই হোক না কেন।

আজ বিকেলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বিভিন্ন নিষ্কাশন খাল ও সেচ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রূপগঞ্জের বিভিন্ন খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদে প্রশাসন মাঠে নেমেছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল ধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে।

এ অবস্থায় তিনি এ অঞ্চলের সেচ ও জলাবদ্ধতার অতীত ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী অগ্রণী সেচ প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে জাপানি প্রযুক্তি ও জাইকার সহায়তায় প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।

কিন্তু সময়ের বিবর্তন ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে সেচ প্রকল্পের অনেক জমি ও খাল অবৈধ দখলের কবলে পড়েছে। বর্তমানে রূপগঞ্জে প্রায় ৭৪১টি শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় তীব্র জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রূপগঞ্জে সড়কপথের পাশাপাশি একটি আধুনিক নৌপথ চালু হবে। এতে সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে, যানজট নিরসনে সহায়ক হবে এবং মানুষ অল্প সময়ে যাতায়াত করতে পারবে।

এ সময় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী মো. কাইছার আলম, পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ আহমেদ এবং রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%