জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৯:০১ পি.এম
কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দীর্ঘ ১ বছর ৬ মাস ২৮ দিন দায়িত্ব পালন শেষে এহসানুল হক শিপন বিদায় নিলেন। পরিকল্পনা কমিশনে বদলিজনিত কারণে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) বালিয়াকান্দিতে তাঁর শেষ কর্মদিবস সম্পন্ন হয়।
এ উপলক্ষে বালিয়াকান্দিবাসীর উদ্দেশে এক আবেগঘন বিদায়ী বার্তায় তিনি তাঁর দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতার জন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকর্মী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিদায়ী বার্তায় তিনি বলেন, নাগরিকদের ভোগান্তি লাঘব এবং সহজ সেবা প্রাপ্তির বিষয়ে তিনি সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন। কখনো জনাকীর্ণ অফিসে, কখনো একাকী আপনাদের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছেন।
দায়িত্ব পালনকালে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে পরিদর্শন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ নানা সরকারি কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, তাঁর আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকতে পারে। তিনি এসব বিষয় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য বালিয়াকান্দিবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।
এহসানুল হক শিপন আরও জানান, সফটওয়্যার ও সার্ভারজনিত ত্রুটির কারণে বিভিন্ন সময়ে ভূমি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে খালকুলা, বাঘুটিয়া ও সর্প বেতাঙ্গা মৌজার কিছু আবেদন কারিগরি ত্রুটির কারণে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এই জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, বিষয়টি অটোমেশন প্রকল্পের সাপোর্ট টিমকে কারিগরি সহায়তা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্যাগুলো সমাধান করবে।
বিদায়ী বার্তায় এহসানুল হক শিপন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক এবং বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের অভিভাবকসুলভ সহযোগিতার কথা স্মরণ করে তিনি উল্লেখ করেন, তাঁদের সহযোগিতা তাঁর দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এছাড়া তিনি উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকর্মী, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বালিয়াকান্দির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
বিদায়ের শেষভাগে বালিয়াকান্দিবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে এহসানুল হক শিপন বলেন, মহান আল্লাহ যেন তাঁকে সর্বদা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করেন এবং সবাইকে আমৃত্যু তাঁর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন যে, ‘আদিবাসী’ শব্দের নতুন বয়ান তৈরি না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি কোন ধরনের পাতানো ফাঁদে পা দিতে চাইছেন না। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের মতো অভিবাসী রাষ্ট্রগুলোর বাস্তবতার সাথে বাংলাদেশের কোনো মিল নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিবাসী চিন্তাধারার মনোজগৎ বা চশমা দিয়ে বাংলাদেশের জনমিতি বা নৃবিজ্ঞানকে বোঝা সম্ভব নয়। ভৌগোলিক ও নৃতাত্ত্বিক বিচারে বাংলাদেশে ‘আদিবাসী’ শব্দ ও ধারণাটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।’
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে চিটাগাং হিল ট্র্যাকটস রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচটিআরএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জন্য ‘আদিবাসী’ পরিচয় অপ্রাসঙ্গিক’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উপস্থিত ছিলেন। সিএইচটিআরএফ এর চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক মো. মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করা হয়, যেখানে ড. আবদুল্লাহ আল ইউসুফ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব দেশে বহিরাগত অভিবাসীরা এসে মূল অধিবাসীদের তাড়িয়ে রাষ্ট্র গঠন করেছে, সেখানে আদিবাসীদের একটি ঐতিহাসিক ক্ষোভ রয়েছে, সেই পাপ মোচনে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো কাজ করছে। কিন্তু বাংলাদেশে কোনো অভিবাসী এসে মূল বাসিন্দাদের তাড়িয়ে জমি দখল করেনি। আমাদের জনমিতি ও জাতি গঠিত হয়েছে হাজার বছরের নৃবিজ্ঞানের প্রাকৃতিক বিবর্তনের ধারায়। সেই কারণেই এখানে বহিরাগত অভিবাসী বনাম আদিবাসীর কোনো বিরোধের অবকাশ নেই।’
মন্ত্রী এই প্রসঙ্গে সতর্ক করে বলেন, ‘আমাদের জাতীয় পরিচয় এবং জনমিতির ওপর অপ্রাসঙ্গিক বিতর্ক সৃষ্টি করা এক ধরনের অপকৌশল হতে পারে। আমাদের নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নাগরিকত্বের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণা উপস্থাপন করেছেন, যা আমাদের জাতির পরিচয়গত সংকট নিরসন করেছে। তাই এই সংহত পরিচয়কে অক্ষুণ্ন রাখতে ভুল বয়ানের বিপরীতে সঠিক ইতিহাস ও সমাজবিজ্ঞানের তথ্য উপস্থাপন করতে হবে।’
তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংখ্যাগরিষ্ঠের মনোজগৎ দিয়ে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সমস্যা সঠিকভাবে বোঝা যাবে না।
গোলটেবিল আলোচনায় সুভাষ রুদ্র-নদীর সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি, এমরান সালেহ প্রিন্স, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক বিশেষ সহকারী মোহাম্মাদ রাশেদ খানসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার অন্যান্য অতিথি ও আলোচকদের মধ্যে বিশিষ্ট সাংবাদিক মারুফ কামাল খান সোহেল, ড. আবদুল হাই সিদ্দিকী, এম আবদুল্লাহ, আবু রুশদ, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটুটের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা লে. জেনারেল মাহফুজুর রহমান, লে. জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ বিভিন্ন রাজনীতিবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ইতিহাসবিদ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, নদী ও খালের জমি দখল করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, এটি যতো ক্ষমতাবান ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতেই হোক না কেন।
আজ বিকেলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বিভিন্ন নিষ্কাশন খাল ও সেচ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রূপগঞ্জের বিভিন্ন খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদে প্রশাসন মাঠে নেমেছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল ধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে।
এ অবস্থায় তিনি এ অঞ্চলের সেচ ও জলাবদ্ধতার অতীত ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী অগ্রণী সেচ প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে জাপানি প্রযুক্তি ও জাইকার সহায়তায় প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।
কিন্তু সময়ের বিবর্তন ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে সেচ প্রকল্পের অনেক জমি ও খাল অবৈধ দখলের কবলে পড়েছে। বর্তমানে রূপগঞ্জে প্রায় ৭৪১টি শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় তীব্র জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রূপগঞ্জে সড়কপথের পাশাপাশি একটি আধুনিক নৌপথ চালু হবে। এতে সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে, যানজট নিরসনে সহায়ক হবে এবং মানুষ অল্প সময়ে যাতায়াত করতে পারবে।
এ সময় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী মো. কাইছার আলম, পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ আহমেদ এবং রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নেভির স্পেশাল ফোর্সের ব্যবহৃত একটি ড্রোনে চীनी প্রযুক্তির ক্যামেরা ব্যবহার করা এবং এটি থেকে চীনে সংকেত পাঠানোর প্রকাশিত খবরে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ দূরনিয়ন্ত্রিত নজরদারি ড্রোনটির প্রধান ক্যামেরা থেকে গোপন তথ্য ও সংকেত চীনের একটি সার্ভারে পাঠানো হচ্ছিল। কিন্তু যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (এমওডি) বিষয়টি অস্বীকার করে বলে, কোনো সামরিক সিস্টেম বা সংবেদনশীল তথ্য বিদেশে পাচার হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন উল্লেখ করে যে, ব্রিটিশ রয়্যাল মেরিনসের ব্যবহৃত ১ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড মূল্যের 'কে-থ্রি' মডেলের নজরদারি ড্রোনগুলোতে এই নিরাপত্তার ঝুঁকি ধরা পড়ে। ডাইভারশন ও কৌশলগত সুবিধার জন্য পারস্য উপসাগরের প্রণালি এলাকায় মোতায়েনের অংশ হিসেবে ড্রোনগুলো ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল। জানা গেছে, ড্রোন প্রস্তুতকারক ক্রাকেন টেকনোলজি গ্রুপ তৃতীয় একটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ক্যামেরাগুলো সংগ্রহ করেছিল। যদিও এগুলো নিষ্ক্রিয় বা বন্ধ অবস্থায় থাকলেও, তারা প্রতিনিয়ত চীনে তথ্য পাঠাতে সক্ষম ছিল বলে অনুসন্ধানে প্রকাশ পেয়েছে।
বিষয়টি নজরে আসার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ক্যামেরাগুলোর ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এ ঘটনায় যুক্তরাজ্যজুড়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কনজারভেটিভ পার্টির পক্ষ থেকে সামরিক সরঞ্জামাদিতে চীনা যন্ত্রাংশের উপস্থিতি পরীক্ষা করার জন্য জরুরিভাবে নিরীক্ষার দাবি করা হয়েছে। বিরোধী দলের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, বিশেষ সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণের এভাবে রেকর্ড হওয়া জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর ঝুঁকি।
চীনের কাছে ডেটা পাচার বা প্রযুক্তিভিত্তিক নজরদারির উদ্বেগে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্রিটেন বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ২০২০ সালে ৫-জি নেটওয়ার্ক থেকে চীনা কোম্পানি হুয়াওয়েকে বাদ দেওয়া হয়। এমনকি সম্প্রতি ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনীর সদর দপ্তরে চীনের তৈরি বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পল্টন থানা এলাকার আওতাধীন স্থান থেকে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পল্টন থানা পুলিশ আজ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন-মো. মাহবুবুর রহমান আশিক ওরফে কায়েস (৩৬), মো. রায়হান (২৫), মো. ইব্রাহীম (৩০), মো. মানিক ওরফে টনি মোল্লা (৩০), মো. অনিক (২৬), মো. হযরত আলী (২২), মো. সাগর (১৯), মোস্তফা জামান মুন্না (২৭), মো. ইমরান (২৮), মো. দেলোয়ার ওরফে দেলু (৪০), মো. শাকিল (১৮), মো. আরিফ (১৯) এবং মো. আল আমিন ওরফে সজিব (২৪)। এই গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ