ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

৭৪ বছর পর সমুদ্রের তলদেশে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান


৭৪ বছর পর সমুদ্রের তলদেশে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান

প্রায় সাড়ে সাত দশক আগে আটলান্টিক মহাসাগরে বিধ্বস্ত হওয়া প্যান অ্যাম এয়ারওয়েজের ‘ক্লিপার এন্ডেভার’ বিমানের পরিত্যক্ত ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া গেছে। পুয়ের্তো রিকোর উপকূলসংলগ্ন সমুদ্রের প্রায় দুই হাজার ফুট গভীরে এ ধ্বংসাবশেষটি শনাক্ত হয়েছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২ জুন আন্ডারওয়াটার ড্রোন ও উচ্চ-রেজ্যুলেশনের সোনার প্রযুক্তির মাধ্যমে এয়ার/সি হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এবং ডিপ সি ভিশনের একটি যৌথ অনুসন্ধানকারী দল বিমানটির অবস্থান নিশ্চিত করে। দুর্ঘটনার ৭৪ বছর পরে এই আবিষ্কারটি সম্ভব হলো।

১৯৫২ সালের ১১ এপ্রিল, ডগলাস ডিসি-৪ মডেলের বিমানটি ৬৪ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রু নিয়ে পুয়ের্তো রিকো থেকে নিউইয়র্ক যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল। উড্ডয়নের কিছু সময় পর ডান পাশের দুটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে, পাইলট বাধ্য হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেছিলেন।

আরও পড়ুন: মিসরে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ৬৪ জন আহত

প্রাথমিক আঘাতে বিমানের সকল সদস্য প্রাণে বেঁচে গেলেও কার্যকর উদ্ধারব্যবস্থার অভাব, ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা এবং উড্ডয়নের পূর্বে জরুরি নিরাপত্তা নির্দেশনা সম্পর্কে যাত্রীদের পর্যাপ্ত ধারণার অভাবের কারণে মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই বিমানটি পানির নিচে তলিয়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল মাত্র ১৭ জনকে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পরেই বাণিজ্যিক বিমান ভ্রমণে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে উড্ডয়নের আগে যাত্রীদের জন্য লাইফ জ্যাকেটের ব্যবহার, জরুরি নির্গমন পথ এবং লাইফ র‍্যাফট সম্পর্কে যে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়, তার প্রচলন এই দুর্ঘটনার পর থেকেই শুরু হয়।

এখন, এয়ার/সি হেরিটেজ ফাউন্ডেশন পুয়ের্তো রিকো সরকারের সহযোগিতায় ধ্বংসাবশেষের স্থানটি সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে, দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির কাজ শুরু করেছে সরকার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনায় বুলগেরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৮ এম


মার্কিন বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনায় বুলগেরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য কোন প্রকারের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র যেন নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না পারে—সে বিষয়ে বুলগেরিয়াকে সতর্ক করেছে ইরান। মঙ্গলবার, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করা হলে তা আগ্রাসন ও যুদ্ধাপরাধে অংশগ্রহণের শামিল হবে।

ইরানের সরকারি গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সহায়তা করে এমন কোন পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের সহযোগিতা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি আগ্রাসনের অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

বাঘাই বলেছেন, বুলগেরিয়াবাসীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দেশটি যেন ‘আগ্রাসনকারী ও আইনভঙ্গকারীদের সহযোগী’ না হয় এবং নিজেদের ভূখণ্ডকে কোন সামরিক অভিযানের জন্য ব্যবহারের সুযোগ না দেয়।

ইরানের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে বুলগেরিয়া সরকারের একটি সিদ্ধান্তকে ঘিরে।

বুলগেরিয়া সরকার জানিয়েছে, তারা দেশের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আটটি জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান মোতায়েনের অনুমোদন চেয়ে সংসদে প্রস্তাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব বিমান রাজধানী সোফিয়া থেকে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত বেজমের সামরিক ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে।

এই জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানগুলি মূলত আকাশে উড়ন্ত যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সামরিক বিমানকে মাঝ-আকাশে জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে যুদ্ধবিমান দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করতে পারে এবং দূরবর্তী এলাকায় অভিযান চালানোর সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

বুলগেরিয়া উত্তর আটলান্টিক জোট (ন্যাটো) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ। এজন্য দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা উঠে এসেছে।

মাসখানেক আগে হওয়া অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই আবার সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে পূর্ণমাত্রার সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে বুলগেরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রাখে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন, লিবিয়ার মাফিয়ার কাছে বিক্রি: ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৫ এম


ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন, লিবিয়ার মাফিয়ার কাছে বিক্রি: ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবককে লিবিয়ায় নিয়ে মাফিয়া চক্রের কাছে বিক্রি এবং তার পরিবারের কাছ থেকে ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের বহুল আলোচিত মামলার প্রধান আসামি, কথিত মানবপাচারকারী জুলহাস সরদারকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর কদমতলীর স্মৃতিধারা আবাসিক এলাকা থেকে র‍্যাব-৮ (মাদারীপুর) ও র‍্যাব-১০ (যাত্রাবাড়ী)-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার জুলহাস সরদার মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সত্যবদী গ্রামের মৃত/আব্দুল মজিদ সরদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মানবপাচার, হত্যা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আরমান শেখকে ইতালিতে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে জুলহাস সরদারসহ ৯ সদস্যের একটি চক্র তার পরিবারের কাছ থেকে প্রথমে ২৩ লাখ টাকা আদায় করে। কিন্তু ইতালিতে পাঠানোর পরিবর্তে তাকে লিবিয়ায় নিয়ে মাফিয়া চক্রের কাছে তুলে দেওয়া হয়।

লিবিয়ায় আটকে রেখে আরমানের ওপর চালানো হয় অমানবিক শারীরিক নির্যাতন। নির্যাতনের ভিডিও ও বিভিন্ন মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করতে বাধ্য হয়ে পরিবারটি কয়েক দফায় আরও ৪৯ লাখ টাকা পরিশোধ করে।

এ ঘটনায় গত ১২ জুন আরমানের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে রাজৈর থানায় মানবপাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলে র‍্যাব আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত শুরু করে।

র‍্যাবের ভাষ্য, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জুলহাস সরদারের অবস্থান নিশ্চিত করে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব জানিয়েছে, মানবপাচার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জর্দান হামলার পর নিখোঁজ মার্কিন সেনা নিহত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


জর্দান হামলার পর নিখোঁজ মার্কিন সেনা নিহত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর নিখোঁজ হয়ে যাওয়া তৃতীয় মার্কিন সেনাসদস্যও মারা গেছেন বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের পেন্টাগন। এই ঘটনায় ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতে নিহত মার্কিন সেনা সদস্যের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

পেন্টাগনের তথ্য মতে, নিহত ওই সেনাসদস্যের নাম জর্দানে হামলার পর নিখোঁজ হওয়া নিউইয়র্কের ২৮ বছরের সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল এস র‍্যাম্পারস্যাড। মার্কিন সেনাবাহিনী পূর্ববর্তী হামলায় নিহত হয়ে যাওয়া আরও দুটি সেনার পরিচয়ও প্রকাশ করে। তাদের নাম হচ্ছে হাওয়াইয়ের ২৫ বছর বয়সী ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট টাইলার জেমস ফিহান এবং টেক্সাসের ক্যারলটনের ১৯ বছর বয়সী প্রাইভেট ইসাবেলা গনজালেস।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায় যে, ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে ওই সেনাদের জর্দানে মোতায়েন করা হয়েছিল। মার্কিন সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধে এটাই প্রথম ঘটনা যখন ইরানের সরাসরি হামলায় মার্কিন সেনারা নিহত হয়েছেন।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড হামলার পর প্রথমে জানিয়েছিল যে, দুই সেনা নিহত হয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। পরবর্তী দিন মার্কিন সেনারা কিছু অজ্ঞাত মরদেহের অংশ উদ্ধার করেছিলেন। সেগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করার কাজ চলছিল, যখন পেন্টাগন জানায়, নিখোঁজ ওই সেনাসদস্যই সম্ভবত সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল র‍্যাম্পারস্যাড। বর্তমানে তার অবস্থা সরকারি নথিতে ‘দায়িত্বকালীন অবস্থায় নিখোঁজ’ হিসেবে উল্লেখ করে, একই সঙ্গে তাকে ‘মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে’ বলেও জানানো হয়েছে। র‍্যাম্পারস্যাডের কর্মস্থল ছিল জার্মানির আনসবাখে অবস্থিত দশম আর্মি এয়ার অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স কমান্ড। উল্লেখ্য, নিহত আরেক সেনা ইসাবেলা গনজালেসও একই ইউনিটে ছিলেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ইরাকে নিহত একজন মার্কিন সেনার পরিচয়ও প্রকাশ করেছে। তার নাম নর্থ ক্যারোলাইনার ৩০ বছর বয়সী সার্জেন্ট মাইকেল ইমানুয়েল সুইন্টন। সেনাবাহিনীর তথ্য অনুসারে, রবিবার ইরাকে ইরবিল বিমানঘাঁটিতে একটি ইরানি ড্রোন নিয়ন্ত্রিতভাবে ধ্বংস করতে গিয়ে তিনি নিহত হন। সুইন্টন, যিনি প্রায় এক দশক ধরে মার্কিন সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন, ২০১৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন এবং নর্থ ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগভিত্তিক ৫৫তম এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি রেজিমেন্টের ১০৮তম এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ব্রিগেডে কর্মরত ছিলেন।

সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তার মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের অধীনে রয়েছে। সুইন্টনকে মরণোত্তর ব্রোঞ্জ স্টার, পার্পল হার্ট ও কমব্যাট অ্যাকশন ব্যাজ দেওয়া হবে এবং তাকে পদোন্নতি দিয়ে স্টাফ সার্জেন্ট করা হবে। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে যান। এই নিয়ে সুইন্টনের স্ত্রী মিয়া গনজালেস-সুইন্টন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উল্লিখিত করেছেন যে, তিনি এই শোক কখনো কাটিয়ে উঠতে পারবেন না। তিনি বলেছেন, স্বামীর সঙ্গে ভবিষ্যতের সম্পর্কে অনেক পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু এখন তার জীবন ভেঙে পড়েছে। সুইন্টনের মা ক্রিস্টেল সুইন্টন বলেন, তার ছেলে পরিবারকে নিয়ে চিন্তিত ছিলেন এবং যাদের জীবন সুইন্টনকে প্রভাবিত করেছে, তাদের স্মৃতির মধ্যে তিনি বেঁচে থাকবেন। আর্মি এয়ার অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স কমান্ডের কম্যান্ডিং জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জন এল ডবার বলেছেন, সার্জেন্ট সুইন্টন একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি সততা ও দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন।

এদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর হামলা চালাচ্ছে, যেখানে মার্কিন সেনারাও মোতায়েন রয়েছে। ইরানের কর্মকর্তাদের মতে, গত তিন সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত ও ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। দুই পক্ষের হামলায় অনেক বেসামরিক স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর একটি সতর্কবার্তায় জানায়, ইরান এবং ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাসমূহ ও মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে এই যুদ্ধ প্রয়োজন। তবে, তিনি দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার এবং আরেকটি দীর্ঘস্থায়ী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ার জন্য রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন। সংঘাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বেড়েছে। র‍্যাম্পারস্যাডকে মৃত বলে ধারণা করা এবং ইরাকে নিহত সুইন্টনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া দেখাচ্ছে যে, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাল্টাপাল্টি হামলায় হরমুজ প্রণালিতে আরও কমেছে জাহাজ চলাচল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ এম


পাল্টাপাল্টি হামলায় হরমুজ প্রণালিতে আরও কমেছে জাহাজ চলাচল

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে এবং তেলবাহী ট্যাংকারে আঘাতের ফলে বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালিতে দৈনিক জাহাজ চলাচল আরও কমে গেছে। নিরাপত্তার চরম ঝুঁকির কারণে বড় অপরিশোধিত তেল বা গ্যাসবাহী ট্যাংকার এখন এই পথ এড়িয়ে চলতেছে।

শিপিং অ্যানালিটিক্স ফার্ম কেপলার (Kpler)-এর তথ্যের ভিত্তিতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মাত্র তিনটি পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। আগেরদিন অর্থাৎ সোমবার চারটি জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করেছিল।

সংস্থাটি জানায়, দৃশ্যমানভাবে কোনো বিশাল অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কার কিংবা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী জাহাজকে এই প্রণালি অতিক্রম করতে দেখা যায়নি।

ইরানের ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও হামলা চালিয়েছে-এমন তথ্যের পরপরই এই পতন ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে ইরানে তারা টানা ১১তম রাতের বিমান হামলা সম্পন্ন করেছে।

এদিকে, জাহাজ চলাচলের এই বিঘ্ন লোহিত সাগরেও ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানে ইয়েমেনের হুথিদের হুমকির পর এশিয়ামুখী সৌদি অপরিশোধিত তেলবাহী দু’টি ট্যাঙ্কার বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে যাওয়ার পর তাদের দিক পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%