নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৬:২০ পি.এম
পিরোজপুরের নেছারাবাদে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে আনা সমকামিতার অভিযোগকে তিনি মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে বর্ণনা করেছেন। এই অভিযোগের বিরুদ্ধে তিনি পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলা সড়কের রিকশা শ্রমিক অফিসে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
এ ঘটনার অগ্রে, গত ১৫ জুলাই, একই কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. ফারদিন ইসলাম এবং মো. ইশতিয়াক এক সংবাদ সম্মেলনে আরিফুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ আনেন। ওই ঘটনার তিন দিন পরে, শনিবার, আরিফুল ইসলাম মোল্লা সব অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন।
লিখিত বক্তব্যের মধ্যে আরিফুল ইসলাম মোল্লা উল্লেখ করেন, তিনি সুনামের সঙ্গে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত এবং বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আদর্শের সংগঠনে কোনো অপরাধীর স্থান নেই।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে রাজনীতি করার কারণে একটি মহল রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি তার নিজেকে ‘গ্রুপিং রাজনীতির শিকার’ বলেও উল্লেখ করেন।
আরিফুল ইসলাম মোল্লা সংবাদের মধ্যে জানান, তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিষয়টি জানতে পেরে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নেছারাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি এই ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা, দাবি হচ্ছে অবৈধ ট্রলিং, বটম ট্রলিং এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধ করতে।
শনিবার ১৮ জুলাই দুপুরের দিকে আশাখালী মৎস্য বন্দরে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে অংশ নেন পাঁচ শতাধিক জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী। মৎস্যজীবীরা হুঁশিয়ারি দেন যে, অবৈধ ট্রলিং এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তারা ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আশাখালী মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. মাঈনুদ্দীন দালাল, সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম রেজা, বিএনপি নেতা ও মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাদা হাওলাদার, মৎস্য ব্যবসায়ী মো. মর্তুজা আহমেদ, জেলে সোহাগ গাজী এবং মো. সাইদুলসহ স্থানীয় মৎস্যজীবীরা।
বক্তারা উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে অসাধু চক্র বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং করছে। এছাড়া, বটম ট্রলিং, বেহুন্দি জালসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করায় সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য এবং মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো জেলে পরিবার জীবিকা সংকটে পড়েছে।
তাদের দাবি হচ্ছে, অবৈধ ট্রলিং এবং নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং জেলেদের জীবন-জীবিকা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, ‘ট্রলিং ব্যবসায়ীরা আদালতকে ভুল বুঝিয়ে একটি আদেশ এনেছেন। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সমপ্রতি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিশ্বাস বা চেতনার কারণে অনেককে হয়রানি করা হয়েছে। অনেক মানুষ সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের সঙ্গে করা মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তব্যে তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘অনেক রাজনৈতিক কর্মী মিথ্যা মামলাকে আলিঙ্গন করে যখন সংগ্রাম করেছেন, তাদের নাজেহাল হতে হয়েছে। তারা যেন আইনি সুবিধা না পায়, সেই জন্য বিধি ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছিল। আমরা আইনজীবী সমাজ সব সময় ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমাদের মনে হয় দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
বিচার বিভাগ ও আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে অনেকেই আইনজীবী সমিতি ও আইনি কাঠামোকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছে। আমরা যেন এসব বিষয় বাংলাদেশে পুনরাবৃত্তি না করি। আমরা আইনগত শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছিলাম। সেই আমরা যেন আইনি প্রথা নিজেরা ভঙ্গ না করি। আইনগত শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বার ও বেঞ্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বার এবং বেঞ্চ যখন শোল্ডার টু শোল্ডার কাজ করবে, তখনই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে। আপনার, আমার ও আমাদের যেসব মৌলিক অধিকার আছে, সেগুলো আমরা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব।’
জুলাই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘২৪’র মহান গণঅভ্যুত্থান, রক্তক্ষয়ী যে গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি। যে প্রত্যাশা নিয়ে আমার ভাই, আপনার ভাই রক্ত দিয়েছেন, অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, আমরা যেন সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারি সেজন্য সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. মাহফুজুর রহমান লাহুর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মন্টু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুব মোরশেদ লালন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, "আমাকে নিয়ে যারা ট্রল করেছে, তারা কেউ পরীক্ষার্থী নয়। সিটি কলেজ, আইডিয়াল কলেজ কিংবা ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কোনো শিক্ষার্থীকে আন্দোলন করতে দেখা যায়নি। এভাবে আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে আমরা এই জাতিকে সুশিক্ষিত করার দায়িত্ব পেয়েছি। যে যত ট্রলই করুক, যে যত অপবাদই দিক না কেন, আমাদের সঠিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না। শিক্ষা নিয়ে উসকানিমূলক ও উচ্ছৃঙ্খল বক্তব্য দিয়ে যারা সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চায়, দেশের তরুণ প্রজন্মই তাদের ব্যর্থ করে দেবে।"
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নওগাঁ সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে শহরের বরুণকান্দি এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নামফলক উন্মোচন করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছি। আজ তাঁরই জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করছি। তাহলে কীভাবে ভাবেন, আমাকে অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতে নির্দেশ দেওয়া হবে? নিশ্চয়ই তা হবে না। আপনারা নিজ নিজ দায়িত্বে অটল থাকুন। লেখাপড়া আমাদের করতেই হবে এবং শিক্ষার মানও উন্নত করতেই হবে।"
সম্প্রতি কুমিল্লায় এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে মানবিক বিবেচনায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।" একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানোর বিষয়ে গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার সমালোচনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "পরীক্ষা ছাড়া মেধার মূল্যায়ন ও সনদ প্রদান সম্ভব নয়।"
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা যেন বাংলাদেশে পড়তে আসে, সেই লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। সরকার সেই লক্ষ্যেই উচ্চশিক্ষাকে নতুন কাঠামোয় এগিয়ে নিতে কাজ করছে।"
তিনি আরও বলেন, "অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং অতীতের নানা অনিয়মের প্রভাব থাকা সত্ত্বেও সরকার শিক্ষাখাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট ৮৭ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় আয়ের (জিডিপি) ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।"
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রাকে উচ্চশিক্ষার নতুন সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী যোগ করেন, "প্রাথমিকভাবে ৮০ শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিজস্ব ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়া হবে।" একই সঙ্গে স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের ‘স্কুল অব এগ্রিকালচার’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
সেশনজট কমাতে ২০২৭ সাল থেকে জানুয়ারিতে এসএসসি এবং মার্চে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল প্রমুখ।
এ সময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে চুক্তিতে সই করার কিছু সপ্তাহ পর ফের সংঘাতে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই নতুন উত্তেজনায় ইরানে মার্কিন হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তেহরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৬ জুলাই থেকে দেশটিতে চালানো মার্কিন হামলায় কমপক্ষে ৫০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ। মূলত, ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে গুলি চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে এই হামলা শুরু করে। মার্কিন বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু ছিল মূলত ইরানের দক্ষিণ উপকূলে, তবে দেশের অন্যান্য অংশেও তারা আঘাত হেনেছে।
হামলার কড়া জবাব দিয়ে তেহরানও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডারের মুখপাত্র হামিদ রেজা মোকাদ্দামফার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, সমুদ্রপথ ও অর্থনৈতিকভাবে তেহরানের ওপর মার্কিন সামরিক চাপের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই চাপ বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে ছড়িয়ে পড়বে। এর প্রভাব শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের দেশগুলোতেও অনুভূত হবে।
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমকে মোকাদ্দামফার আরও জানিয়েছেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমীকরণে ‘হরমুজ প্রণালি’ এবং ‘বাব আল-মান্দেব’ দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পথ। এই পথগুলোর রয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তার ভারসাম্যের ওপর প্রভাব ফেলার সক্ষমতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ