১২:১৮ এম
ঢাকা, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ : নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শেষ হলো ‘বেণুকা’।
নতুন প্রজন্মের কাছে নজরুলের সংগীতের অনন্য রাগাশ্রয়ী সৌন্দর্য ও সৃষ্টিশীল বৈভবকে তুলে ধরার প্রত্যয়ে এই আয়োজন সম্পন্ন হলো। বাংলা গানের পরিসরে ধ্রুপদী সংগীতের রাগ-রাগিণী, তাল ও সুরের শাস্ত্রীয় সৌন্দর্যকে কাজী নজরুল ইসলাম এক স্বতন্ত্র নান্দনিক ভাষায় রূপ দিয়েছেন, যা রাগে, সুরে, শ্রুতির নিবিড়তায় ফুটে উঠেছে আমাদের জাতীয় কবির।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, “আমরা সংস্কৃতিকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে নানা বৈচিত্র্যকে ঐক্যবদ্ধ করে আমাদের দেশ, জাতি ও জনগণের পরিচয়কে সারা পৃথিবীর বুকে তুলে ধরতে চাই।”
আরও পড়ুন: ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশে ৯ মাসে নিহত ৭৬, ৩৪ কিলোমিটারে রোড সাইন নেই
স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, “নজরুলের মতো সুরস্রষ্টা সংগীতকার দ্বিতীয়টি নেই। বিশ্বের অনেক বড় বড় সংগীতজ্ঞদের আমরা জানি, কিন্তু নিজে গান লিখে সুর করা, যার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের আন্দোলন এবং সংস্কৃতিতে তারই অভিঘাত আমরা ৩শ বছর পরেও টের পাচ্ছি। সুতরাং নজরুল আমাদের জাতীয় জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি। তিনি আমাদের সমস্ত সংগ্রামে, সমস্ত দুঃসময়ের সাথী। গানের এমন কোনো পর্যায় নেই যে, তিনি রচনা করেননি।”
অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: সমবায় আন্দোলনকে যুগোপযোগী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন