বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৫৩ পি.এম
কারাবাও কাপের শেষ আটে জায়গা করে নিতে দুই ইংলিশ জায়ান্টকে কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে টাইব্রেকারে ব্রাইটনকে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে চেলসির বিপক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের পর পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়েছে লিভারপুল। দুই ম্যাচেই শেষ হাসি হেসেছে স্বাগতিক দল।
ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি ২-২ গোলে শেষ হয়। ৩০ মিনিটে মালিক ইয়ালকুয়ের গোলে এগিয়ে যায় ব্রাইটন। ৪০ মিনিটে দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান মাতেও কোভাচিচ। বিরতির পর ৪৭ মিনিটে জর্জিনিও রুটারের গোলে আবার এগিয়ে যায় সফরকারীরা।
৭২ মিনিটে রায়ান শেরকির ফ্রি-কিক ভিটর রেইসের গায়ে লেগে জালে ঢুকলে সমতায় ফেরে সিটি। এরপর টাইব্রেকারে গোলরক্ষক জেরোনিমো রুলি ব্রাইটনের দুটি শট ঠেকিয়ে দেন। সিটির হয়ে জয় নিশ্চিত করা শটটি নেন রায়ান শেরকি। কোয়ার্টার ফাইনালে সিটির প্রতিপক্ষ ব্র্যাডফোর্ড সিটি।
অন্য ম্যাচে অ্যানফিল্ডে লিভারপুল ও চেলসির লড়াইও নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে শেষ হয়। ৪০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে চেলসিকে এগিয়ে দেন মরগান রজার্স। তিন মিনিট পর পেনাল্টি থেকেই সমতা ফেরান কোডি গাকপো। দ্বিতীয়ার্ধে আর গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে ৬-৫ ব্যবধানে জেতে লিভারপুল। চেলসির ওয়েসলি ফোফানার শেষ শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে নিশ্চিত হয় লিভারপুলের জয়। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ বোর্নমাউথ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। বর্তমানে ৭৬টি কেন্দ্রের ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে।
কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ৮৯ হাজার ২০৫ ভোট অর্জন করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩৬ হাজার ৪১৯ ভোট পেয়েছেন।
ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৭৮৬।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, আসনটির মোট কেন্দ্র সংখ্যা ১৮৫। উল্লেখযোগ্য যে, কোনো কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়নি। বাকি কেন্দ্রগুলোর ফলাফল প্রকাশের প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার নতুন বিধিমালা জারি করেছে তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য সিটি করপোরেশন এলাকায়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধনের জন্য এককালীন ৮ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, এবং চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধনের জন্য ১০ হাজার টাকা ফি লাগবে। নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে বছরে যথাক্রমে ৪ হাজার ও ৫ হাজার টাকা দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগ ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই বিধিমালা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ই-রিকশার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।
বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ই-রিকশার ফিটনেস সার্টিফিকেট পেতে ১ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বিনা মূল্যে কিউআর কোডযুক্ত নিবন্ধন নম্বর প্লেট এবং বিস্তারিত তথ্যসংবলিত ব্লু-বুক প্রদান করবে। ব্লু-বুকে চার্জিং স্টেশন বা গ্যারেজের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
নিবন্ধন ও নবায়ন ফি থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের রাজস্ব আয় হিসেবে গণ্য হবে। নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না।
নতুন বিধিমালায় ই-রিকশার নিবন্ধনের মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, সত্যায়িত ছবি, ফি জমার রসিদ এবং ফিটনেস সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।
কর্তৃপক্ষ আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে সন্তুষ্ট হলে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন প্রদান করবে। আবেদন নামঞ্জুর হলে সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ জানাতে হবে।
বিধিমালায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। তবে এক সিটি করপোরণে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চালানো যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ ও জনপ্রিয় খল অভিনেতা শিবা শানু রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের সাথে যুক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে তার নিয়োগ হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় গ্রেড-২ অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাওয়ার শর্তে চুক্তিভিত্তিক এক বছরের জন্য তিনি এই পদে নিয়োগ লাভ করেছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০০১’-এর ১২(২) ধারা অনুযায়ী, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সাথে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
এদিকে, বর্তমানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন শিবা শানু (আসল নাম চৌধুরী মাজহার আলী)। শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হিসেবে যোগদানের শর্ত অনুযায়ী তাকে এই পদটি ছাড়তে হবে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিজের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি এই অভিনেতা। বেশ কিছুদিন ধরে অভিনয়ে কিছুটা অনিয়মিত থেকে রাজনীতি ও সাংগঠনিক কাজেই বেশি সময় দিচ্ছেন তিনি।
১৯৯৮ সালে ‘মাতৃভূমি’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে শিবা শানুর। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে প্রায় পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অভিনয় করে ঢাকাই সিনেমা দর্শকদের মনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন এই অভিনেতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ