০৯:৪৮ এম
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় রাজ্যে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আঘাত হেনেছে। ঝড়টির প্রভাবের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশসহ উপকূলীয় অঞ্চলে শুরু হয়েছে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত ও তীব্র দমকা হাওয়া।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে ভোরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রভাগ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দ্রুত গতিতে আছড়ে পড়ে, জানাচ্ছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (আইএমডি) তথ্য অনুযায়ী, এটি ‘অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। উপকূল অতিক্রমের সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
আরও পড়ুন: তিন বছর পর বাবার কাছে দুই বোন, ইউক্রেনে আবেগঘন পুনর্মিলন
ঘূর্ণিঝড়টির মূল অংশ বর্তমানে অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সম্পূর্ণ ঝড়টি পুরোপুরি স্থলভাগে উঠে আসতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে। আছড়ে পড়ার এ ধারাবাহিক প্রক্রিয়া চলাকালে উপকূলজুড়ে প্রবল বাতাসের সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশার ভুবনেশ্বরসহ সংলগ্ন এলাকার বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ বিবেচনা করে হায়দরাবাদ, বারাণসী, প্রয়াগরাজ ও গোরখপুরেও বিমান চলাচলে সময়সূচি বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অন্ধ্রপ্রদেশে ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে রাজ্য সরকার ব্যাপক আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়েছেন, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরো রাজ্যে ২ হাজার ১৯৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
প্রশাসন বিপদসংকূল এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়ার পাশাপাশি ঝড় চলাকালীন জরুরি প্রয়োজন ছাড়া স্থানীয়দের ঘর থেকে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আরও পড়ুন: চীনের বাজার হারানোর ভয়ে নতজানু লা লিগা ও রিয়াল মাদ্রিদ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন