০৪:১০ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের বলরুম নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ৬০০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
বলরুমটির নির্মাণ ব্যয়ের অর্ধেকেরও বেশি অর্থ করদাতাদের কাছ থেকে আসবে বলে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।
এর আগে ট্রাম্প এই প্রকল্পের ব্যয় আনুমানিক ৪০০ মিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছিলেন এবং তিনি বারবার দাবি করেছেন যে ব্যক্তিগত দাতারা ও তিনি নিজে এর ব্যয়ভার বহন করবেন।
আরও পড়ুন: ঢাবি উপাচার্য: আজ যা কিছু সুন্দর ও সফল, সব জিয়াউর রহমানের অবদান
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নির্মাণ কাজের জন্য নিয়োগ পাওয়া কনট্রাক্টর ক্লার্ক কনস্ট্রাকশন মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বিস্তারিত প্রাক্কালন ব্যয় প্রস্তুত করেছে। সেখানে প্রকল্পের মোট খরচ ৬০০ মিলিয়ন ডলার ধরা হয়েছে।
গত বছর কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক ইস্ট উইং ভেঙে দিয়ে ট্রাম্প এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেন।
তবে হোয়াইট হাউস মঙ্গলবার এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ট্রাম্প ও দাতা প্রতিষ্ঠানেরা প্রকল্পের বড় অংশের অর্থ দিচ্ছেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গেল বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও উদার আমেরিকান দাতারা প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই বলরুম নির্মাণ করছেন, যা ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্টদের জন্য একটি নিরাপদ ও উপযুক্ত ভেন্যু হবে।’
আরও পড়ুন: ইরানে অবৈধ যুদ্ধ বন্ধে নতুন কংগ্রেসের উদ্যোগ
তিনি বলেন, সপ্তাহান্তে ট্রাম্প ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানের সময় হোয়াইট হাউসে একটি সশস্ত্র অনুপ্রবেশের চেষ্টার ঘটনা প্রমাণ করে যে বৃহৎ পরিসরের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ইস্ট উইং আধুনিকায়ন প্রকল্পের প্রয়োজন রয়েছে।
তবে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ওই মাসের শুরুতে হোয়াইট হাউসের জন্য প্রস্তুত করা একটি সারসংক্ষেপে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৬০০ মিলিয়ন ডলার অনুমান করা হয়েছিল, যার মধ্যে মাত্র ২৯৩ মিলিয়ন ডলার ‘ব্যক্তিগত উৎস’ থেকে আসবে।
প্রকল্পটি প্রথম প্রকাশের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, এর ব্যয় হবে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার।
ডেমোক্র্যাটরা এই বিলাসবহুল প্রকল্পকে অতিরিক্ত ব্যয় ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সমালোচনা করেছেন।
আরও পড়ুন: রিয়াদ-দাম্মাম রুটে ১৮০ ফ্লাইট বাতিল, ২৩ হাজার ৮৫ জন যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত
অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা আশঙ্কা করছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির কারণে আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।
গত মাসে নির্মাণস্থল পরিদর্শনকালে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি উপহার। সবই আমার ও দাতাদের অর্থে হচ্ছে।’
সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট
আরও পড়ুন: মঞ্জু: ৫ আগস্টও এনে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন