শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫৬ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত স্বল্প আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি মেডিকেইডের সুবিধাভোগীদের জন্য নতুন নিয়ম কার্যকর করতে বাধা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের দ্বারা প্রণীত এই নিয়ম অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থ ব্যক্তিদের কর্মসংক্রান্ত শর্ত থেকে ছাড় পেতে নিজেদের ‘চিকিৎসাগতভাবে দুর্বল’ প্রমাণ করতে হতো।
বৃহস্পতিবার ফেডারেল বিচারক রিচার্ড স্টিয়ার্নস একটি আদেশের মাধ্যমে এ নিয়ম কার্যকর করা আটকে দিয়েছেন। ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের এই বিচারক ২৫টি অঙ্গরাজ্য এবং রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির পক্ষে রায় প্রদান করেছেন। গত জুনে এসব অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, নতুন নিয়মের ফলে গুরুতর শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের কর্মসংক্রান্ত শর্ত থেকে ছাড় পাওয়ার সুযোগ বেআইনিভাবে সীমিত করা হয়েছে।
আইনের আওতায় ‘চিকিৎসাগতভাবে দুর্বল’ ব্যক্তির সংজ্ঞায় কয়েকটি শ্রেণির মানুষ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, শারীরিক প্রতিবন্ধী, মাদকাসক্তিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত এবং কর্মক্ষমতা ব্যাহত করে এমন মানসিক রোগে ভোগা ব্যক্তিরা রয়েছেন। এছাড়া, কিছু প্রতিবন্ধিতা রয়েছে, যা দৈনন্দিন কাজকর্মে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করে। গুরুতর বা জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।
তবে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিয়মে এসব শ্রেণির মানুষকে আরো একটি শর্ত পূরণ করতে হতো। তাদের প্রমাণ করতে হতো, শারীরিক বা মানসিক সমস্যার কারণে কর্মসংক্রান্ত আইনি শর্ত মেনে চলার সক্ষমতা ‘উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত’ হয়েছে।
মামলাকারী অঙ্গরাজ্যগুলোর যুক্তি ছিল, নতুন নিয়মের কারণে চিকিৎসাগত ছাড় পাওয়ার যোগ্য অনেক মার্কিন নাগরিক প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তারা আরও দাবি করেছেন যে, এই নিয়মটি আইনের মূল বক্তব্যের পরিপন্থি।
বিচারক স্টিয়ার্নস ১৬ পৃষ্ঠার রায়ে উল্লেখ করেন, ‘আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়—এমন অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়ার বিষয়টি অঙ্গরাজ্যগুলো প্রমাণ করতে পেরেছে। যোগ্যতা যাচাইয়ের ব্যবস্থায় ব্যয়বহুল ও ব্যাপক পরিবর্তন আনার চাপ তাদের ওপর পড়বে।’
নতুন নিয়মটি গ্রহণ করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের অধীন মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড পরিষেবা কেন্দ্র (সিএমএস)। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি সংস্থাটি। মেডিকেইড হলো স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি, যা অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার যৌথভাবে অর্থায়ন করে।
কর্মসংক্রান্ত শর্ত বহাল
২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মেডিকেইডের সম্প্রসারিত সুবিধাভোগী ১৯ থেকে ৬৪ বছর বয়সিদের প্রতি মাসে অন্তত ৮০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে অথবা সামাজিক সেবামূলক কাজে যুক্ত থাকতে হবে। বিকল্প হিসেবে তাদের অন্তত অর্ধেক সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে হবে। তবে চিকিৎসাগতভাবে দুর্বল হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তি এবং আসক্তির চিকিৎসা কর্মসূচিতে থাকা ব্যক্তিসহ কয়েকটি শ্রেণির জন্য এ শর্তে ছাড় রয়েছে।
বিচারক স্টিয়ার্নসের আদেশের ফলে নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত সমস্যায় আক্রান্ত কিছু সুবিধাভোগীর জন্য কর্মসংক্রান্ত শর্ত থেকে ছাড় পাওয়া সহজ হবে। তবে তিনি কর্মসংক্রান্ত শর্তগুলোকে বেআইনি ঘোষণা করেননি, ফলে ওই শর্তগুলো বহাল থাকছে।
বিচারক স্টিয়ার্নস ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল আদালতে দায়িত্ব পালন করছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন তাঁকে নিয়োগ দিয়েছিলেন। নতুন রায়ে অঙ্গরাজ্যগুলো ও ওয়াশিংটন ডিসির আপত্তি সত্ত্বেও চিকিৎসাগতভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের যোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের আরোপ করা আরো দুটি বিধিনিষেধ তিনি বহাল রেখেছেন।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কারওয়া চৌথ উপলক্ষে স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার পাশে থাকতে নিজের ব্যস্ত সফরসূচি সামলে বাড়ি ফিরেছেন নিক জোনাস। প্রিয়াঙ্কা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বামীর এই উদ্যোগে মুগ্ধ হয়ে ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। অভিনেত্রী লিখেছেন, “আমার মানুষটির মতো আর কেউ নেই।”
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজেদের বাড়িতে এবার কারওয়া চৌথ উদ্যাপন করেছেন প্রিয়াঙ্কা। ৩০ অক্টোবর ইনস্টাগ্রামে তিনি পরিবারের সঙ্গে কাটানো বিশেষ মুহূর্তের কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন। ছবিগুলোতে স্বামী নিক জোনাস ও মেয়ে মালতি মেরি চোপড়া জোনাসকেও দেখা যায়।
ছবির ক্যাপশনে প্রিয়াঙ্কা জানান, নিক নিজেই বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করেছেন এবং তাকে কিছু বলতে হয়নি। কারওয়া চৌথ তার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বুঝে নিক নিজের কনসার্ট সফরের সূচি এমনভাবে সাজিয়েছেন, যেন এই দিনে পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারেন। স্বামীর ভালোবাসার প্রশংসা করে প্রিয়াঙ্কা লেখেন, “আমার মানুষটির মতো কেউ নেই। এমন ভালোবাসা সবার জীবনেই আসুক।”
এদিন লাল রঙের শারারা পরেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তার শেয়ার করা ছবিগুলোর একটিতে নিককে মেয়ে মালতির ছোট জুতা দিয়ে মুখ আড়াল করতে দেখা যায়। অন্য একটি ছবিতে কারওয়া চৌথের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত মঙ্গলসূত্রসহ নিজের কিছু অনুষঙ্গও তুলে ধরেন অভিনেত্রী।
প্রিয়াঙ্কার পোস্টে ভক্ত ও অনুসারীদের কাছ থেকে অসংখ্য ভালোবাসার মন্তব্য এসেছে। একজন মন্তব্য করেছেন, নিক যেভাবে প্রিয়াঙ্কার সংস্কৃতিকে সম্মান করেন, সমর্থন করেন এবং তার অংশ হয়ে ওঠেন, তা সত্যিই সুন্দর। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, বিদেশে থাকলেও প্রিয়াঙ্কা নিজের শিকড় ভুলে যাননি।
বর্তমানে ভাই জো ও কেভিন জোনাসের সঙ্গে ‘বার্নিং আপ ট্যুর অল ওভার অ্যাগেইন’-এ ব্যস্ত রয়েছেন নিক। গত ২০ আগস্ট নিউইয়র্ক থেকে শুরু হওয়া এই সফর চলবে ডিসেম্বর পর্যন্ত। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন শহরে তাদের কনসার্ট হওয়ার কথা রয়েছে।
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ভারতের যোধপুরে বিয়ে করেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাস। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সারোগেসির মাধ্যমে তাদের কন্যা মালতি মেরি চোপড়া জোনাসের জন্ম হয়।
কাজের দিক থেকে, এস এস রাজামৌলির ‘বারাণসী’ সিনেমায় দেখা যাবে প্রিয়াঙ্কাকে। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন মহেশ বাবু ও পৃথ্বিজ সুকুমারন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের লুবক স্টল এলাকার একটি অবৈধ লোহার খনিতে অভিযান পরিচালনা করে দেশটির জেনারেল অপারেশন ফোর্স (পিজিএ) ১৬ বাংলাদেশিসহ মোট ৩০ জন অভিবাসীকে আটক করেছে।
বুধবার ভোর ৫টার দিকে পাসির মাস জেলা পুলিশ সদর দফতরের অপরাধ তদন্ত বিভাগ এবং পিজিএর নবম ব্যাটেলিয়নের ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খনির শ্রমিকদের কেবিনে তল্লাশি চালিয়ে আটক করা হয় ওই বিদেশি নাগরিকদের।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে কেউ পাসপোর্টের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে অবৈধভাবে অবস্থান করছিলেন, আবার কেউ কাজের অনুমতিপত্রের অপব্যবহার করছিলেন। আটক ৩০ জনের মধ্যে ১৬ জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং ১৪ জন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজন নারী। তাদের বয়স ২৫ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে।
আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটককৃতদের পাসির মাস পুলিশ সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ধারা ৬(১)(সি) এবং ১৫(১)(সি)-এর অধীনে মামলা রুজু করে পরবর্তী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯০ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন অভিযোগে ৪৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ) মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
ডিএমপির তথ্য অনুসারে, আটককৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৫ জন, লালবাগ বিভাগে ৬০ জন, ওয়ারী বিভাগে ৬৩ জন, মতিঝিল বিভাগে ৬২ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৬৪ জন, মিরপুর বিভাগে ১৩৯ জন, গুলশান বিভাগে ৩৪ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৪ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।
অভিযানের সময় ১৩ হাজার ৪৪৮ পিস ইয়াবা, ৭৯ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা ও দুই বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, একটি চাপাতি, একটি কাটার, এক ভরি এক আনা এক রত্তি স্বর্ণালংকার, তিনটি মোটরসাইকেল, ১১টি মোবাইল ফোন এবং ২৬ লাখ ৩৬ হাজার ৮৩০ টাকা জব্দ করা হয়।
ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন জানান, আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কিশোর গণিতপ্রতিভা আরিয়ান শুক্লা মাত্র ১৬ বছর বয়সেই নয়বার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের খাতায় নাম লিখিয়েছেন। অসাধারণ মানসিক গণনার দক্ষতার জন্য তিনি ‘ভারতের মানব ক্যালকুলেটর’ হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন। তার ঝুলিতে রয়েছে গিনেসের নয়টি বিশ্বরেকর্ড এবং মেন্টাল ক্যালকুলেশন বিশ্বকাপের দুটি শিরোপা।
মহারাষ্ট্রের নাশিকের বাসিন্দা আরিয়ান ছয় বছর বয়সে গণিতচর্চা শুরু করেন। মাত্র দেড় বছরের মধ্যে তার অসাধারণ গণনাশক্তি মা-বাবার নজরে আসে। এরপর তারা তাকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেন।
২০১৮ সালে আট বছর বয়সে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত মেমোরিয়াড ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে সাতটি স্বর্ণসহ মোট ১০টি পদক জেতেন আরিয়ান। ওই আসরে তিনি শিশুদের দুটি বিশ্বরেকর্ডও গড়েন।
২০২২ সালের জুলাইয়ে জার্মানির পাদেরবর্নে অনুষ্ঠিত মেন্টাল ক্যালকুলেশন বিশ্বকাপে ১২ বছর বয়সে চ্যাম্পিয়ন হন আরিয়ান। ২০২৪ সালে আবারো শিরোপা ধরে রাখেন। সেবার তিনি ৯০০-এর মধ্যে ৮১৯ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট অর্জন করে যোগ, গুণ, বর্গমূলসহ ছয়টি বিভাগে ট্রফি জেতেন।
গিনেস বিশ্বরেকর্ড গড়া শুরু হয় ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ইতালির একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে পাঁচ অঙ্কের ৫০টি সংখ্যা মাত্র ২৫ দশমিক ১৯ সেকেন্ডে মনে মনে যোগ করে প্রথম রেকর্ড গড়েন তিনি। একই বছরের ৪ ডিসেম্বর দুবাইয়ে এক দিনেই ছয়টি বিশ্বরেকর্ড করেন। এর মধ্যে ছিল দ্রুততম সময়ে বড় সংখ্যার যোগ, গুণ ও ভাগের হিসাব।
২০২৬ সালের এপ্রিলে ইতালিতে আরও দুটি রেকর্ড গড়েন আরিয়ান। ১০টি আট অঙ্কের সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করেন ৭১ দশমিক ২২ সেকেন্ডে। পাশাপাশি ১০ অঙ্কের সংখ্যাকে পাঁচ অঙ্কের সংখ্যা দিয়ে ১০টি ভাগ করতে সময় নেন মাত্র ২৮ দশমিক ৮১ সেকেন্ড।
আন্তর্জাতিক সাফল্যের পাশাপাশি আরিয়ান পড়াশোনাতেও কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। নাশিকের দিল্লি পাবলিক স্কুলের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে দশম শ্রেণির পরীক্ষায় ৯৭ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন তিনি। গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি নিয়েও তার আগ্রহ রয়েছে।
ছেলের সাফল্যের পেছনে পরিবারের ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে বাবা নিতিন শুক্লা জানিয়েছেন, তারা কখনোই আরিয়ানের ওপর ফলাফলের চাপ তৈরি করেননি। বরং তার আগ্রহ ও নিয়মিত অনুশীলনকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের লক্ষ্য ছিল সন্তানের ওপর নিজেদের স্বপ্ন চাপিয়ে না দিয়ে তার প্রতিভা বিকাশের সুযোগ করে দেওয়া।
এখন শুধু প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াই নয়, নতুন প্রজন্মকে গণিত শেখাতেও কাজ করছে আরিয়ান। গ্লোবাল মেন্টাল ক্যালকুলেটরস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিশুদের মানসিক গণনায় উৎসাহিত করছেন তিনি। ২০২৫ সালে সংস্থাটির গ্লোবাল মেন্টাল ক্যালকুলেশন লিগের তৃতীয় আসরেও চ্যাম্পিয়ন হন।
আরিয়ানের মতে, অনুশীলনের মাধ্যমে গণিতের ভয় কাটানো সম্ভব। তার এই যাত্রা প্রমাণ করে, নিয়মিত চর্চা, একাগ্রতা ও পরিবারের সহযোগিতা পেলে কিশোর বয়সেই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করা যায়। প্রযুক্তির অগ্রগতির যুগেও মানুষের মেধা ও দক্ষতার বিকাশ যে গুরুত্বপূর্ণ, আরিয়ানের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ