০৪:১৯ পি.এম
দুই দশক পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিমান নিরাপত্তা সংক্রান্ত কালো তালিকা থেকে কিরগিজস্তানের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। দেশটির রাজধানী বিশকেক এ তথ্য জানিয়েছে।
কিরগিজ বিমান সংস্থাগুলোর জন্য এটি একটি বিশেষ সুযোগ এনে দিবে, কারণ ২৭ সদস্যের ইইউভুক্ত দেশগুলোতে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বিমান নিরাপত্তা মানদণ্ড নিয়ে উদ্বেগের কারণে ২০০৬ সালে ইইউ যে কালো তালিকা তৈরি করেছিল, সেই সময় থেকেই কিরগিজস্তান এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের এই দেশটির বিমান সংস্থাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্রাসেলসের আপত্তির কারণেই এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নবীন বিসিএস কর্মকর্তাদের সততা ও দক্ষতার সঙ্গে জনগণের সেবা করার আহ্বান
সংবাদটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে এসেছে।
কিরগিজ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় সোমবার রাতে এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটির বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোকে আর ইউরোপীয় ইউনিয়নে ফ্লাইট পরিচালনায় নিষিদ্ধ তালিকায় রাখা হচ্ছে না।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘মে মাসের মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর ইইউ’র পরিবহন কর্তৃপক্ষ তাদের এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবহিত করেছে।’
এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এই সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, এটি একটি বড় অর্জন, যা আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগের দ্বার খুলে দেবে।
আরও পড়ুন: তথ্য ফাঁসের অভিযোগে সুজি ওয়াইলস চাকরি হারালেন
তবে, লক্ষ্যণীয় যে, সিদ্ধান্তটি কার্যকর হওয়ার আগে ইউরোপীয় কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
স্থলবেষ্টিত ও অপেক্ষাকৃত দরিদ্র মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তান অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটন খাতকে অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। এই লক্ষ্য অর্জনে দেশটি ইতোমধ্যেই ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করেছে ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।
বিশাল প্রাকৃতিক সংরক্ষণ এলাকা, মনোরম পাহাড়ি ভূদৃশ্য ও অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে দেশটি বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: এপারে আসতে হলে ফিটফাট হয়ে আসতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন