বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:২৬ পি.এম
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় দেব আবারও বাংলাদেশে আসছেন, যিনি ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফর্ম করে সাড়া ফেলেছেন। তিনি ঢাকা আসবেন টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য।
সঞ্জয় নিজেই একটি বিশেষ ভিডিও বার্তায় জানান, তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টেকনোর স্পেশাল গেস্ট পারফর্মার হিসেবে মঞ্চ মাতাতে বাংলাদেশে আসছেন।
এ প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন,
"ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফর্ম করা আমার জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত ছিল। তবে নিজের দেশের মানুষের সামনে পারফর্ম করার অনুভূতিটা একেবারেই আলাদা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সবার সঙ্গে সেই আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ভাগ করে নিতে আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমাকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ করে দেয়ার জন্য আয়োজকদের অনেক ধন্যবাদ।"
এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে আয়োজকদের পৃষ্ঠপোষক টেকনো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইস্মার্টইউ টেকনোলজি বিডি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক মন্তব্য করেন, সঞ্জয় বাংলাদেশের সঙ্গে তার শিকড়ের সম্পর্ক অটুট রেখে বিশ্বমঞ্চে তার মিউজিককে তুলে ধরেছেন। টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।
তিনি আরও বলেন,
"ফুটবল ও মিউজিকের এমন এক শক্তি রয়েছে যা ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মানুষকে একত্রিত করে। তাই আমরা চাই, উদ্বোধনী রাতটি দর্শকদের জন্য আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর স্মরণীয় মুহূর্তে ভরপুর হয়ে উঠুক যা তাদের মনে থেকে যাবে দীর্ঘদিন।"
উল্লেখ্য, টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬ আগামী ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল দল অংশগ্রহণ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৫ নভেম্বর আবারও ঢাকার মাটিতে পা রাখবেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত সঞ্জয় দেব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে উত্তাল ঢেউ ও স্রোতে ভেসে গিয়ে শান্ত (১২) নামের এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এই ঘটনায় দুটি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন ভেসে যেতে শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীদের সহযোগিতায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
মৃত শিশু শান্ত ঢাকার খিলগাঁওয়ের গোরান এলাকার বাসিন্দা মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। সে ধানমন্ডির ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।
উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের মধ্যে রয়েছেন- আফলাম (১৮), ইয়ামিন (১৬), কাওসার (১৭), সাইফুল ইসলাম (১৫), হারিস (১৩), আব্দুল্লাহ (৩৫), রিয়াদুল (১৮), তাহসিম (১২), হাসনাইন (১২), আদিল হাসান (১৫), মুসা (১৮), শিব্বির (৩০), আব্দুল্লাহ (২২), জিহাদ (১৭) এবং নাইম। তারা সবাই ঢাকার তেজগাঁওয়ের দারুল আরকাম ও ধানমন্ডির ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী।
ঘটনার পর ইনানী সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যটকদের অভিযোগ, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এ সৈকতে বেড়াতে এলেও সেখানে দৃশ্যমান লাইফগার্ড ব্যবস্থা নেই। এছাড়া, পর্যাপ্ত উদ্ধার সরঞ্জামেরও অভাব রয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঢাকার তেজগাঁওয়ের দারুল আরকাম ও ধানমন্ডির ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন বৃহস্পতিবার সকালে ইনানী সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে আসেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা সাগরে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে উত্তাল ঢেউ ও প্রবল স্রোতে তারা বিপদে পড়েন। তখন কয়েকজন স্রোতে ভেসে যেতে থাকলে তারা চিৎকার শুরু করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান ট্যুরিস্ট পুলিশ, বিচকর্মী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে অংশ নেন। দুটি ট্রলারের সহায়তায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে নিখোঁজ থাকে শিশু শান্ত। পরে দুপুর ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন জানান, একজন সাঁতার কাটতে কাটতে সাগরের মাঝামাঝি চলে গিয়েছিলেন। পরে তাকে স্রোতে ভেসে যেতে দেখা যায়। তখন একটি নৌকা নিয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। ওই সময় আরেকজনকেও উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। চোখের সামনেই তিনি স্রোতে ভেসে যান।
ইনানী ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক গাজী আতাউর রহমান বলেন, দুটি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাগরে গোসল করতে নামেন। কয়েকজন পানির স্রোতে ভেসে যেতে থাকলে তারা চিৎকার শুরু করেন। তখন দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। দুটি ট্রলারের সহায়তায় প্রায় সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ইনানী সৈকতে লাইফগার্ড না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘এখানে কোনো লাইফগার্ড নেই। কেন নেই, সে বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।’
সৈকতে বেড়াতে এসে এমন দুর্ঘটনা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পর্যটকেরা। গাজীপুরের বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, ইনানী সমুদ্রসৈকতে কোনো লাইফগার্ড দেখা যায় না। কক্সবাজারের অন্যান্য এলাকায় লাইফগার্ড থাকলেও এখানে তা চোখে পড়ে না।
এর আগে গত ১৪ অক্টোবর কক্সবাজারের হিমছড়ির পেঁচার দ্বীপ সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু হয়।
পরপর এমন দুর্ঘটনায় কক্সবাজারের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পর্যটকদের দাবি, সমুদ্রসৈকতে নিরাপত্তা জোরদার, লাইফগার্ড নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম নিশ্চিত করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৮৬ জন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৪১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৩২ হাজার ১০৫ জন।
গতকাল বুধবার ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং মঙ্গলবার একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু ঘটে। এছাড়া গেল ৬ ও ১৫ অক্টোবর ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন করে মারা গিয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহান আল্লাহ জিন ও মানুষকে একমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, মানুষের কর্তব্য হলো সবসময় মহান আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকা। সময় নষ্ট না করে বরং মহান আল্লাহর স্মরণে সর্বদা নিয়োজিত থাকা উচিত।
জিকিরের অর্থ হলো মহান আল্লাহর স্মরণ করা। জিকির হলো সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম ইবাদত। কারণ, মহান আল্লাহর স্মরণই হচ্ছে যাবতীয় ইবাদতের মূল লক্ষ্য। দিনের যে কোনো সময় করা যায় এমন জিকির হলো--
বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করা
দিনের সবসময় ইস্তিগফার পাঠ করা যেতে পারে। ইস্তিগফার পাঠের মাধ্যমে বান্দার অভাব দূর হয়। পাপের ক্ষমা লাভ হয় এবং সন্তান-সন্ততির অভাব থাকে না। রিজিকের মধ্যে বরকত আসে। অভাবমুক্ত থাকার জন্য পবিত্র কোরআনে বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর ফলে মহান আল্লাহ মানুষকে উত্তম রিজিকসহ অসংখ্য নেয়ামতে ধন্য করবেন বলেও উল্লেখ করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন,
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّاراً*يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَاراً*وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَاراً
অতঃপর বলেছি-– তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দেবেন। তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দেবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন। (সুরা নুহ, আয়াত : ১০-১২)
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বর্ণনায় এসেছে যে রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি লাগাতার তওবা-ইস্তিগফার করবে; মহান আল্লাহ সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন; সব দুশ্চিন্তা দূর করবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস: ১,৫১৮; ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩,৮১৯; মুস্তাদরাকে হাকেম, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৯১, হাদিস: ৭,৬৭৭)
ইস্তিগফারের বাক্য
أَستَغْفِرُ اللهَ উচ্চারণ : আস্তাগফিরুল্লাহ। অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ : আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি। অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ : আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।
অর্থ : আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে (তাওবাহ করে) ফিরে আসি।
নবীজির ওপর দরুদ পাঠ করা
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ দরুদ পাঠের নির্দেশ দিয়ে বলেন,
اِنَّ اللّٰهَ وَ مَلٰٓئِکَتَهٗ یُصَلُّوۡنَ عَلَی النَّبِیِّ ؕ یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا صَلُّوۡا عَلَیۡهِ وَ سَلِّمُوۡا تَسۡلِیۡمًا ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর ওপর দরুদ পাঠান, হে ঈমানদার ব্যক্তিরা, তোমরাও নবীর ওপর দরুদ পাঠাতে থাকো এবং উত্তম অভিবাদন (সালাম) পেশ করো।’ (সুরা আহজাব, আয়াত: ৫৬)
আল্লাহ তাআলার এই নির্দেশ একদিকে যেমন আল্লাহর কাছে তাঁর রাসুলের মর্যাদার প্রমাণ, অন্যদিকে মুমিন বান্দার রহমত, বরকত ও অবারিত কল্যাণ লাভের অন্যতম উপায়।
হজরত উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন, একবার রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর জিকিরের ওপর খুব গুরুত্ব দিলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি আপনার প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করি। আমি আমার দোয়ার কতভাগ আপনার জন্য নির্ধারণ করব? তিনি বললেন, তোমার যে পরিমাণ ইচ্ছা। আমি বললাম, চার ভাগের এক ভাগ? তিনি বললেন, তোমার যতটুকু ইচ্ছা। তবে বেশি করলে আরও ভালো। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক? তিনি বললেন, তোমার যতটুকু ইচ্ছা। তবে বেশি করলে আরও ভালো। আমি বললাম, তাহলে তিন ভাগের দুই ভাগ? তিনি বললেন, তোমার যতটুকু ইচ্ছা হয়। তবে বেশি করলে আরও ভালো। আমি বললাম, তাহলে কি আমার দোয়ার পুরোটাই হবে আপনার প্রতি দরুদ? তিনি বললেন, তবে তো তোমার উদ্দেশ্য অর্জন হবে, তোমার গুনাহ মাফ করা হবে।’ (তিরমিজি: ২/৭২)
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহর জিকির করা
হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাছের একটি ডাল ধরে ঝাঁকি দিলেন, কোনো পাতা পড়ল না। তিনি আবার ঝাঁকি দিলেন; এবারও কোনো পাতা পড়ল না। তবে তৃতীয়বার ঝাঁকি দেয়ার পর অনেক পাতা ঝরল। তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘নিশ্চয় সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ, লা-ইলা-হা ইল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বলা বান্দার গুনাহ ঝরিয়ে দেয়, যেমন (শীতকালে) গাছ তার পাতা ঝরায়।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১২৫৩৪)
জিকিরগুলো হলো:
এক. سُبْحَانَ اللَّهِ : সুবহানাল্লাহ : আর আল্লাহ তাআলা অতি পবিত্র।
দুই. اَلْحَمْدَ لِلَّهِ : আলহামদুলিল্লাহ : সব প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য।
তিন. لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু : আর আল্লাহ তাআলা ছাড়া সত্য কোনো মাবুদ নেই।
চার. وَاللَّهُ أَكْبَرُ : ওয়াল্লাহু আকবার : এবং তিনি অতি মহান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত যুবদলকর্মী আবু ইউসুফ, যিনি জীবন নামেও পরিচিত (২৭), মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাকে পায়ে ছুরিকাঘাত ও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান পা কেটে ফেললেও শেষ পর্যন্ত আবু ইউসুফকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
জীবনের পরিবার হামলার জন্য মহানগর যুবদল নেতা জিল্লুর রহমান ও তার অনুসারীদের দায়ী করেছেন।
বায়েজীদ বোস্তামি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকার ২ নম্বর সড়কে জীবনের ওপর হামলা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পায়ে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে তার মৃত্যু হয়।
ওসি আরও বলেন, হামলার ঘটনায় বুধবার জীবনের মা বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেছিলেন। সেটি এখন ধারা পাল্টে হত্যা মামলা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ