আঃ হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৫৬ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুরে কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) কেটে বিক্রির অপরাধে একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে মধুপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাইতকাই এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কৃষিজমি থেকে টপ সয়েল কেটে বিক্রির অপরাধে অভিযুক্ত একজনকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে মধুপুর থানার উপপরিদর্শক জুয়েল রানার নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল সহযোগিতা করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে বিক্রি করা ফসলি জমির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। জনস্বার্থ রক্ষা ও কৃষিজমির উর্বরতা বজায় রাখতে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর কাতার ও তুরস্কের মতো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন। বিরোধী শিবিরের গাদি আইজেনকট এই দাবিকে পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেইতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আরব দলগুলোর প্রাপ্ত তহবিলের উৎস খতিয়ে দেখতে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগকে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
ইসরায়েলি রাজনীতিকেরা দোহার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী জোট, কোন পক্ষই পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে সব সমীকরণ পাল্টে গেছে। ১২০ আসনের নেসেটে দুটি আরব দলের জোট জয়েন্ট লিস্ট এবং রাআম রেকর্ড ১৯টি আসন পেয়েছে।
নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন এবং গাদি আইজেনকটের জোট ৪৮টি আসন পেয়েছে। এই ফলাফলে আরব দল দুটি সরকার গঠনের প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে।
নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়ে গুরুতর সন্দেহের তদন্ত করতে শিন বেইতকে অনুরোধ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির (সিইসি) প্রধান। এরপর বৃহস্পতিবার লিকুদ পার্টি অভিযোগ তোলে যে আরব দলগুলোকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের ঘুষ দেওয়া হয়েছে।
দুটি আরব দলই এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আরবদের জোট জয়েন্ট লিস্ট এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে।
নেতানিয়াহুর সমালোচকেরা এই বিতর্ককে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, নেতানিয়াহু আরব দলগুলোর বৈধতা নষ্ট করতে চাইছেন যাতে আইজেনকট তাদের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা করতে না পারেন। কারণ, বর্তমানে আরবদের সমর্থনই বিরোধী জোটের ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র পথ।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির কাছে অভিযোগ এসেছে যে আরব এলাকায় ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে কাতার তহবিল জুগিয়েছে। তবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবি সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে।
নেতানিয়াহু এবং তার দল লিকুদ এই অভিযোগকে রাজনৈতিক ভূমিকম্প এবং গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তাদের দাবি-কট্টর ডানপন্থী সরকারকে হটাতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে শিন বেইত পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের এই তদন্ত বৈধভাবে ভোট দেওয়া পুরো আরব সম্প্রদায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করে না। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডিন লিভনে জানান, নির্বাচনের স্বচ্ছতা পদ্ধতিগতভাবে লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ মেলেনি।
তদন্তের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর আইজেনকট জানান, ঠিক কী ঘটেছে বা আদৌ কিছু ঘটেছে কি না, তা বলার সময় এখনো আসেনি। একই সঙ্গে তিনি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে অবৈধ প্রমাণ করতে সুপরিকল্পিত প্রচারণা চালাচ্ছেন।
জয়েন্ট লিস্টের শরিক দল বালাদের চেয়ারম্যান সামি আবু শেহাদেহ এই অভিযোগ উড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, পরাজিত পক্ষ বর্ণবাদী মিথ্যা অপবাদ তৈরি করছে এবং নির্বাচনের ফল উল্টে দিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে বলপ্রয়োগের আহ্বান জানাচ্ছে।
নেতানিয়াহু কয়েক দিন ধরে আরব ভোটার ও দলগুলোর ওপর ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ করে আসছেন। নির্বাচনের দিন তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ডানপন্থীদের জন্য চরম জরুরি অবস্থা এবং এটি তাদের বেঁচে থাকার প্রশ্ন। ডানপন্থী সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে টানতে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি আরব ভোটারদের ছবিও প্রকাশ করেন।
ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আরব নাগরিক। তাদের অনেকে নিজেদের ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন।
বহুবছর ধরে অনেক আরব ভোটাররা ইসরায়েলের নির্বাচন বর্জন করে আসছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল-ভোট দিলে এমন একটি ব্যবস্থাকে বৈধতা দেওয়া হয়, যেখানে তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে দেখা হয়; কিন্তু এবার নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী জোট সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যেই তারা বিপুলসংখ্যক ভোট দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মো. সাইফুল ইসলাম মিঠুকে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আইলপাড়া এলাকার নিজ ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া সাইফুল ইসলাম মিঠু ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিরপুর থানাধীন ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাইফুল ইসলাম মিঠু প্রায় এক মাস আগে সিদ্ধিরগঞ্জের আইলপাড়া এলাকায় আত্মগোপন করেন এবং সেখানে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল সেই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার মো. নাজমুল ইসলাম সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম মিঠুর বিরুদ্ধে রাজধানীর মিরপুর ও শেরেবাংলা নগর থানায় চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে হামলার মামলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আরও কিছু মামলার তথ্য তাদের কাছে এসেছে। মিঠুর বিরুদ্ধে ঠিক কতগুলো মামলা রয়েছে, কোনো মামলায় ওয়ারেন্ট বা সাজাপ্রাপ্ত কি না, সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বর্তমানে তাকে থানা-পুলিশের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আগামীকাল তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানিয়েছেন, গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম মিঠুর বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে একটি ঐতিহাসিক মসজিদে নামাজ পড়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ১৫০ বছরের পুরোনো দিল্লির রেসকোর্স মসজিদে সাময়িকভাবে বুলডোজার চালানোর কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও, মুসলিমদের নামাজ আদায়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে দিল্লির হাইকোর্ট।
এই ঘটনার মাধ্যমে ভারতে মুসলমানদের বর্তমান পরিস্থিতি এবং তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দিল্লি হাইকোর্টকে জানানো হয়েছে যে, রেসকোর্সের মসজিদটি নিয়ে তারা এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। দিল্লি ওয়াকফ বোর্ড ল্যান্ড ও ডেভেলপমেন্ট অফিসে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য চার সপ্তাহ সময় নিয়েছে, ফলে আপাতত মসজিদটির আয়ু চার মাস বাড়ানো হয়েছে।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং হাইকোর্ট সরকারকে ছবিসহ বর্তমান অবস্থার রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে, মসজিদটি আপাতত নিরাপদ থাকলেও মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি উচ্ছেদ অভিযানের অজুহাত দেখিয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে হাইকোর্ট মসজিদে নামাজ আদায়ের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকার একটি মন্দিরের বাইরের লোকজনের পাশাপাশি মসজিদেও বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।
মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে আদালতে ছবি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে যে, এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে সেখানে কোনো উত্তেজনা বা সমস্যা নেই।
তবুও, ‘অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দায় কে নেবে’Ñএমন প্রশ্ন তুলে হাইকোর্ট ঐতিহাসিক এই মসজিদে প্রথমবারের মতো নামাজ পড়া সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
রেকর্ড অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে অবস্থিত রেসকোর্স ক্লাব ও জয়পুর পোলো গ্রাউন্ডসংলগ্ন এই শাহী মসজিদটি প্রায় দেড় শতাব্দী পুরোনো। ১৯৭৭ সালে এটি দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ২০০৯ সালে হেরিটেজ বা ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
প্রশাসন বর্তমানে এই এলাকা নিজেদের বলে দাবি করছে। সম্প্রতি বুলডোজার চালানোর উদ্দেশ্যে সরকার মসজিদের পানি সরবরাহ ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী পাঠিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আবেদন করে বলা হয়েছিল যে, মসজিদে নামাজ পড়তে বাধা দেওয়া ভারতীয় সংবিধানের ধর্ম পালনের অধিকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ। কিন্তু সরকার সেই সাংবিধানিক যুক্তিকে উপেক্ষা করেছে। তীব্র উত্তেজনার মধ্যেও স্থানীয় মুসলিমরা চরম সংযমের পরিচয় দিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন।
এদিকে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, ওই বোর্ডে এখন ক্ষমতাসীন বিজেপি সমর্থকদের আধিপত্য।
সব মিলিয়ে, একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মসজিদে শুধুমাত্র নিরাপত্তার যুক্তিতে ইবাদত বন্ধ করে দেওয়ার এই ঘটনা ভারতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চলা ধারাবাহিক প্রশাসনিক বঞ্চনা ও মানসিক নির্যাতনের একটি নগ্ন প্রতিচ্ছবি।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
তিনি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে হাসপাতালটি পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য ডিজি হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা, পরিচ্ছন্নতা এবং রোগীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, "দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই।" তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, "ডেঙ্গু একটি জনস্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ।" এ রোগের বিস্তার রোধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে।
অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগ সফল করতে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক এবং সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নাজমুল হুদা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ