ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাসেল হত্যা মামলায় শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু


রাসেল হত্যা মামলায় শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

নারায়ণগঞ্জ শহরের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল হোসিয়ারি শ্রমিক রাসেলকে (১৭)। এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে, যাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নিহত রাসেলের বাবা পিন্টু রহমান এবং প্রত্যক্ষদর্শী দেওভোগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।

সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ সাক্ষ্য গ্রহণের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে এনজিওর মামলায় গৃহবধূ ফাতেমা জামিনে মুক্ত

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, আদালত দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে। সাক্ষীদের বক্তব্য অনুযায়ী, রাসেলকে শামীম ওসমান তার দলবল নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছেন। মামলার রায়ে নিহত রাসেলের বাবা সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছেন।

সাক্ষী গ্রহণের সময় আদালতে মামলার ৭ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। তবে শামীম ওসমানসহ ২৭ জন পলাতক রয়েছেন। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১৪ ডিসেম্বর।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সাইদুর রহমান আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে বলেছেন, মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের রাসেল হত্যায় কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, জেরায় বাদী বলেছেন, পুলিশের লেখা এজাহারে তিনি শুধুমাত্র স্বাক্ষর দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ মার্কেটের সামনে গুলিতে আহত হন হোসিয়ারি শ্রমিক রাসেল। পরে ২২ জুলাই ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ২৭ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় রাসেলের বাবা পিন্টু রহমান ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা থানার কশব ভোলাগাড়ী গ্রামে। রাসেল নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ মার্কেটে হোসিয়ারি কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন।

আরও পড়ুন: কলাপাড়ায় চিকিৎসার নামে কিশোরীকে দৈহিক মেলামেশায় বাধ্য করে অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ, ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমি কেন এত পরিশ্রম করব?’ ভারতীয় দলে সুযোগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ সরফরাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


‘আমি কেন এত পরিশ্রম করব?’ ভারতীয় দলে সুযোগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ সরফরাজ

ফিটনেসের উন্নতি এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক রান করার পরও ভারতীয় টেস্ট দলে ফেরার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরফরাজ খান। এই মিডল অর্ডার ব্যাটার ২০২৪ সালে মুম্বাইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন।

মুম্বাইয়ের হয়ে রেলওয়েজের বিপক্ষে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচের প্রথম দিনের খেলা শেষে সোমবার (২ নভেম্বর) সাংবাদিকদের সরফরাজ বলেন, ‘অনেক কিছুই ঘটে গেছে। আমি এখন আর বেশি কিছু ভাবছি না। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজেকে একই প্রশ্ন করি, “আমি কেন এত পরিশ্রম করব?”’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিদিন ভোর পাঁচটায় একই রুটিন শুরু হয়। আমি ভারতের হয়ে খেলেছি। স্বাভাবিক রুটিন মেনেও আমি মুম্বাইয়ের হয়ে রঞ্জি ট্রফি খেলতে পারি, কারণ আমি ৩০, ৫০ কিংবা ১০০ রানের ইনিংস খেলেই চলেছি।’

কঠিন সময়ে তার অনুপ্রেরণা হিসেবে বাবার কথা উল্লেখ করেন ২৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। সরফরাজের বাবা নওশাদ খান বরাবরই তার পাশে থেকেছেন।

‘তবে মাঝেমধ্যে সেই প্রশ্নটা মাথায় আসে। আবার যখন দেখি, আমার বাবা কঠোর পরিশ্রম করছেন, তখন ভাবি, ঠিক আছে, তার জন্যই মাঠে গিয়ে রান করব। আমার রুটিন একই আছে,’–সরফরাজ বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘সবাই জানে, সরফরাজ খানের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তার বাড়ির ঠিকানায় যেতে হবে না। ভোর ছয়টায় আজাদ ময়দান কিংবা ক্রস ময়দানে গেলেই তার দেখা পাওয়া যাবে।’

ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে আপাতত ক্রিকেটেই মনোযোগ দিতে চান সরফরাজ।

তিনি বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য ডাক পাব, সেটাও আমি জানতাম না। আমি তখন এনসিএতে ছিলাম। আমাকে ডাকা হয়েছিল, কিন্তু খেলার সুযোগ পাইনি। এরপর ফিরে এসে মুম্বাইয়ের হয়ে ক্রিকেট খেলছি। এখন আর কিছুই বুঝতে পারি না, শুধু খেলে যাচ্ছি।’

‘জাতীয় দলের নির্বাচকেরা ডাকলে আমি গিয়ে ভারতের হয়ে খেলব। আর ডাক না পেলে এখানেই খেলব,’–তিনি যোগ করেন।

তবে সরফরাজের একটি মন্তব্য বেশ চমকপ্রদ। তার দাবি, ভারতীয় দল তাকে মূলত দেশের মাটিতে টেস্ট ম্যাচ খেলার জন্যই বিবেচনা করছে। যদিও দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে নিজের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি এখনো স্পষ্ট কোনো বার্তা পাননি।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে টেস্ট অভিষেক হওয়া সরফরাজ এখন পর্যন্ত ক্যারিয়ারের ছয়টি টেস্টই খেলেছেন ভারতের মাটিতে।

সম্প্রতি চোট পাওয়া সাই সুদর্শনের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় দলে জায়গা পেয়েছিলেন মুম্বাইয়ের এই ব্যাটার। কিন্তু কোনো ম্যাচেই একাদশে সুযোগ পাননি। এর আগে অস্ট্রেলিয়া সফরেও ভারতীয় দলের সঙ্গে ছিলেন তিনি, তবে সেখানেও একাদশে জায়গা হয়নি।

সরফরাজ বলেন, ‘কোনো নির্বাচক আমাকে সরাসরি এ কথা বলেননি। তবে ভারতীয় দলের সঙ্গে থাকার সময় আমি শুধু এটাই শুনেছি যে, ভারতের কন্ডিশনেই আমাকে বেশি বিবেচনা করা হচ্ছে।’

সোমবার (২ নভেম্বর) ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে রেলওয়েজের বিপক্ষে ১০০ বলে ৫৫ রান করেন সরফরাজ। বিদেশের সফরগুলোর জন্য দল ঘোষণার সময় তার নাম না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি।

নিজের যুক্তির পক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডে প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে করা দুটি সেঞ্চুরির উদাহরণও তুলে ধরেন সরফরাজ।

‘তারপরও আমার একটা প্রশ্ন আছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে ভারতীয় দলের বিপক্ষে ৬০ বলে (আসলে ৬৩ বলে) সেঞ্চুরি করেছিলাম। ইংল্যান্ডে গিয়েও ৬০ বলে (আসলে ৭৬ বলে ১০১ রান) সেঞ্চুরি করেছি,’–বলেন তিনি।

২০২৩-২৪ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে প্রিটোরিয়ায় ভারতীয় ‘এ’ দলের হয়ে মূল ভারতীয় দলের বিপক্ষে ৬৩ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন সরফরাজ। এর এক বছর পর পাঁচ টেস্টের সিরিজের আগে বেকেনহ্যামে ভারতীয় ‘এ’ দলের হয়ে ৭৬ বলে ১০১ রান করেন তিনি।

কিন্তু এই দুটি সফরের কোনোটিতেই মূল ভারতীয় দলে সুযোগ পাননি সরফরাজ।

‘তাই এমন নয় যে আমি ভারতের বাইরে রান করতে পারিনি। আমি রান করেছি। ঠিক আছে, এটা তাদের সিদ্ধান্ত, তাদের দৃষ্টিভঙ্গি। আমার কাজ ক্রিকেট খেলা,’–বলেন তিনি।

তবে সরফরাজের শেষ চারটি টেস্ট ইনিংসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০২৪ সালে পুনে ও মুম্বাইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার রান ছিল যথাক্রমে ১১, ৯, ০ ও ১। শেষ পর্যন্ত এই ব্যর্থতার পরই দল থেকে বাদ পড়েন এই আক্রমণাত্মক ব্যাটার।

বিদেশে খেলার পর দেশে ফিরে হঠাৎ স্পিন-সহায়ক উইকেটে মানিয়ে নেওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জকেও ওই সিরিজে ব্যর্থতার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

সরফরাজ বলেন, ‘বিদেশ থেকে ফিরে যখন ভারতে একেবারে স্পিন-সহায়ক উইকেটে খেলতে হয়... হ্যাঁ, ঘরোয়া ক্রিকেটে অনেক লড়াই করে ভারতীয় দলে জায়গা পাওয়া যায়। কিন্তু হঠাৎ করে এত কঠিন উইকেটে ভালো খেলতে পারা সহজ নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে ৩ ইটভাটা ধ্বংস, ৫ ভাটাকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


ফরিদপুরে ৩ ইটভাটা ধ্বংস, ৫ ভাটাকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা

পাবনার ফরিদপুরে ৭টি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর, যেগুলোর জন্য ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছিল না। এই অভিযানের ফলে ৩টি ইটভাটা ধ্বংস করা হয় এবং ৫টি ভাটা মালিককে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এই অভিযানটি সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিচালিত হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ান-উল- ইসলাম এই অভিযানটি পরিচালনা করেন।

অভিযানের সময় ভাঙাদহ এলাকার এম জেড এইচ ব্রিকস, সুইচগেট এলাকার এম জেড ব্রিকস এবং নেচড়াপাড়া এলাকার এম জেড আই ব্রিকসের চিমনিসহ বিভিন্ন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, এম আর এ ব্রিকসকে ৮ লাখ, এম এ এস ব্রিকসকে ৭ লাখ টাকা, এন এইচ ব্রিকসকে ৫ লাখ, ডাবল এইচ ব্রিকসকে ৫ লাখ এবং এম জেড আই ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় পরিবেশ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলী এবং পরিদর্শক মো. আব্দুল মমিন উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক ইউসুফ আলী জানান, ইট প্রস্তুত ও ইটভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩-এর ৫ ও ৬ ধারা অনুযায়ী এই জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ও অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত ইটভাটাগুলো চালু না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে উন্মোচিত হলো রয়্যাল এনফিল্ডের হান্টার ৩৫০ ও ক্ল্যাসিক ৩৫০ মডেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


বাংলাদেশে উন্মোচিত হলো রয়্যাল এনফিল্ডের হান্টার ৩৫০ ও ক্ল্যাসিক ৩৫০ মডেল

বাংলাদেশের বাজারে নতুন দুটি মডেলের মোটরসাইকেল নিয়ে এসেছে রয়্যাল এনফিল্ড। সম্প্রতি উন্মোচন করা হয়েছে হান্টার ৩৫০ ও ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর নতুন মডেল। বাংলাদেশে এই মোটরসাইকেলগুলো বিক্রি হবে রয়্যাল এনফিল্ডের টাইপ-২ ম্যানুফ্যাকচারার ইফাদ মোটরস লিমিটেডের মাধ্যমে।

নতুন হান্টার ৩৫০ মোটরসাইকেলটি পাওয়া যাবে আটটি আকর্ষণীয় মডেল ও রঙে, যার মধ্যে রয়েছে—রেবেল ব্লু, ড্যাপার গ্রে, লন্ডন রেড, টোকিও ব্ল্যাক, রিও হোয়াইট, গ্রাফাইট গ্রে, মুনশট হোয়াইট এবং মুম্বাই ইয়েলো।

হান্টার ৩৫০-এ নতুন প্রযুক্তির সংযোজন ঘটেছে, যেমন অ্যাসিস্ট অ্যান্ড স্লিপার ক্লাচ, এলইডি হেডলাইট এবং টাইপ-সি ইউএসবি ফাস্ট চার্জিং। উন্নত সাসপেনশন ও আরামদায়ক সিট মোটরসাইকেলটির ব্যবহারিক সুবিধা বৃদ্ধি করেছে। আধুনিক ডিজাইন, সহজ নিয়ন্ত্রণ এবং গতিশীল পারফরম্যান্সের সমন্বয়ে হান্টার ৩৫০ শহরের ব্যস্ত সড়কে চলাচলের জন্য একটি আদর্শ মোটরসাইকেল হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে, ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর নতুন মডেলগুলো তিনটি আকর্ষণীয় রঙ ও সিরিজে উপলব্ধ—ডার্ক সিরিজের গান গ্রে, হেরিটেজ প্রিমিয়াম সিরিজের মেডালিয়ন ব্রোঞ্জ এবং ক্রোম সিরিজের এমারেল্ড গ্রিন।

ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর অনন্য নকশা ও চিরায়ত আবেদন নতুন মডেলগুলোতে অক্ষুণ্ণ রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত ফিচারের সংমিশ্রণে মোটরসাইকেলটি আরও ব্যবহারবান্ধব হয়ে উঠেছে। অ্যাসিস্ট অ্যান্ড স্লিপার ক্লাচ এবং টাইপ-সি ইউএসবি ফাস্ট চার্জিংয়ের সুবিধা দৈনন্দিন যাত্রাকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে।

নতুন মোটরসাইকেল উন্মোচনের সময় ইফাদ মোটরস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান তাসকিন আহমেদ মন্তব্য করেন, "বাংলাদেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের জন্য রয়্যাল এনফিল্ড হান্টার ৩৫০ ও ক্ল্যাসিক ৩৫০-এর নতুন মডেলগুলো নিয়ে আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। দুটি মোটরসাইকেলেরই রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বতন্ত্র আবেদন, যা ভিন্ন ভিন্ন ধরনের রাইডারদের পছন্দ ও রুচির প্রতিফলন ঘটায়।"

নতুন মোটরসাইকেলের মূল্যতালিকা

মডেল – রঙ – সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (টাকা)

হান্টার ৩৫০ – ড্যাপার গ্রে – ৩,৭৫,০০০

হান্টার ৩৫০ – রিও হোয়াইট – ৩,৭৫,০০০

হান্টার ৩৫০ – গ্রাফাইট গ্রে – ৩,৭৫,০০০

হান্টার ৩৫০ – রেবেল ব্লু – ৩,৮০,০০০

হান্টার ৩৫০ – টোকিও ব্ল্যাক – ৩,৮০,০০০

হান্টার ৩৫০ – মুনশট হোয়াইট – ৩,৮০,০০০

হান্টার ৩৫০ – লন্ডন রেড – ৩,৮০,০০০

হান্টার ৩৫০ – মুম্বাই ইয়েলো – ৩,৮০,০০০

ক্ল্যাসিক ৩৫০ – মেডালিয়ন ব্রোঞ্জ – ৪,৪৫,০০০

ক্ল্যাসিক ৩৫০ – গান গ্রে – ৪,৫৯,০০০

ক্ল্যাসিক ৩৫০ – এমারেল্ড গ্রিন – ৪,৮৯,০০০

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুবীর বসাকের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


সুবীর বসাকের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের শোক

দৈনিক ইত্তেফাক-এর কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, প্রবীণ সাংবাদিক সুবীর বসাকের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তাঁর পরলোকগমনের খবর প্রকাশিত হলে সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এক শোকবার্তায় কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি ও সদ্গতি কামনা করেন। তাঁরা একই সাথে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, সুবীর বসাকের প্রয়াণে কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব পরিবার গভীরভাবে শোকাভিভূত ও মর্মাহত। তাঁর মৃত্যু কেবল একটি পরিবারে নয়, বরং কিশোরগঞ্জের সাংবাদিকতা অঙ্গনের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে নিষ্ঠা, সততা, পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে সাংবাদিকতার যে অনন্য দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন, তা সহকর্মীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তারা আরও বলেন, একজন সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় তাঁর কর্মে, আদর্শে ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতায়। সুবীর বসাক তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও সাংবাদিকসুলভ দায়িত্ববোধের মাধ্যমে সেই পরিচয়ের স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তাঁর প্রস্থান কিশোরগঞ্জের সংবাদজগতের জন্য এক বেদনাবিধুর শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। তাঁর অবদান ও স্মৃতি সহকর্মীদের কাছে শ্রদ্ধার সঙ্গে অম্লান হয়ে থাকবে।

শোকবার্তার শেষাংশে নেতৃবৃন্দ পরম করুণাময়ের কাছে প্রয়াত সাংবাদিকের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি ও সদ্গতি প্রার্থনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দানের জন্য প্রার্থনা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%